আজঃ শনিবার ১৮ এপ্রিল, ২০২৬

নারীদের শক্তিশালী জনসম্পদে পরিণত করা সরকারের লক্ষ্য : প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল

চট্টগ্রাম বিভাগীয় পর্যায়ের অদম্য নারী পুরস্কার-২০২৫ বিতরণ অনুষ্ঠানে অদম্য নারীর হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এমপি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সরকারের পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এমপি বলেছেন, আমাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিক কর্মসূচীর মধ্যে বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়ন অন্যতম। দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। তাদেরকে স্বনির্ভর, আত্মপ্রত্যয় এবং শক্তিশালী জনসম্পদে পরিণত করা বর্তমান সরকারের লক্ষ্য। সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী মরহুম বেগম খালেদা জিয়া ক্ষমতায় থাকাকালীন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন করে মেয়েদের জন্য এইচ.এস.সি পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করেছিলেন। এছাড়া নারীদের সার্বিক কল্যাণে তিনি অনেকগুলো কর্মসূচী বাস্তবায়ন করেছিলেন। তাঁরই সুযোগ্য পুত্র বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ক্সমতায় আসার পর নারীদের ক্ষমতায়নে কাজ করছেন। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন আরও বেগবান করতে প্রত্যেক নারীকে উদ্যেক্তা হিসেবে গড়ে উঠার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তারা কাজও শুরু করেছেন।


সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত বিভাগীয় পর্যায়ের অদম্য নারী পুরস্কার-২০২৫ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর যৌথভাবে অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। অনুষ্ঠানে বিভাগীয় পর্যায়ে ৩ ক্যাটাগরিতে ৪ জন অদম্য নারীকে ফুল, ক্রেস্ট ও সনদপত্রসহ সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন প্রধান অতিথি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এমপি। সম্মাননাপ্রাপ্ত সফল নারীরা হচ্ছেন-শিক্ষা ও চাকুরী ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া উপজেলার বাজালিয়া গ্রামের মোহাম্মদ আবদুল হালিমের মেয়ে আসমা আকতার রুনা, নির্যাতনের দুঃস্বপ্ন মুছে জীবন সংগ্রামে জয়ী নারী কুমিল্লা জেলার চান্দিনা উপজেলার নোয়াপাড়া গ্রামের শামসুল ইসলামের মেয়ে শমলা বেগম, সফল জননী নারী ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলার চরমজলিশপুর গ্রামের আমিন আহমদ ভূঁঞার স্ত্রী বেগম তাজকেরা চৌধুরী ও সফল জননী নারী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সদর উপজেলার চান্দনপুর পাখাচং গ্রামের আবদুল কাদেরের মেয়ে বিলকিছ বেগম। অনুষ্ঠানে সম্মাননাপ্রাপ্ত সফল নারীরা তাদের জীবন-সংগ্রামের স্মৃতিচারণ করেন।

অদম্য নারী পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের বৈরী পরিস্থিতিতে তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের সাথে কথা বলে সমাজ ও রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা মেরামতের লক্ষ্যে ২০২৩ সালের জুলাই মাসে বিএনপি ৩১ দফা ঘোষনা করেন এবং ২০২৪ সালের জুলাই মাসে জাতির সামনে প্রকাশ করা হয়েছিল। বিএনপি চেয়ারম্যান ও বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনী ইশতেহারে ৩১ দফার ৮টি বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে কাজ শুরু করেছে। তন্মধ্যে অন্যতম হচ্ছে-ফ্যামিলি কার্ড। এটি পাবেন পরিবারের প্রধান নারী। কোন রাজনৈতিক বিবেচনা বা জনপ্রতিনিদিদের মাধ্যমে নয়, প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও এডমিন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের নিরপেক্ষ তালিকার মাধ্যমে ফ্যামিলি কার্ড দেয়া হবে, যাতে পরবর্তীতে কোন সরকার এটি নিয়ে প্রশ্ন তুলতে না পারে। পাইলট প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে দেশের ১৪টি জেলার ১৪টি ওয়ার্ড/উপজেলার মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগের পতেঙ্গা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্চারামপুর ও বান্দরবান পার্বত্য জেলার লামা উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে এবং পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশের সবক’টি পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাবে।

পুরস্কারপ্রাপ্ত অদম্য নারীদের বক্তব্যের আলোকে তিনি বলেন, আজকের অদম্য নারীদের মধ্যে এ পুরস্কার সীমাবদ্ধ নয়, বাংলাদেশের প্রতিটি গ্রামে-ইউনিয়নে-পৌরসভা-উপজেলা-থানা-নগর ও জেলা পর্যায়ে এটি ছড়িয়ে আছে। বাংলাদেশের প্রতিটি নারী সম্মানের হকদার। বাংলাদেশে যত নারী আছেন তারা কোন না কোন জায়গায় অদম্যতার পরিচয়ে ঠিকে আছেন। অদম্য নারীদের জীবন-যুদ্ধে হার না মানার কাহিনীর ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা দরকার এবং সমাজের অন্যান্য নারীদেরকে এ ব্যাপারে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। আমরা বাংলাদেশের জন্য কাজ করতে চাই, চট্টগ্রামের জন্য অনেক কিছু করতে চাই, এজন্য সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল আরও বলেন, সংবিধানে সকলের সমান অধিকার। ১৯ কোটি মানুষের দেশে ৪ কোটি মানুষও যদি কর্মক্ষম বা অর্থনীতির বাইরে থাকে তাহলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বা কাঙ্খিত উন্নয়ন কোনভাবে সম্ভব নয়। পুরুষের পাশাপাশি নারীরা উদ্যেক্তা হয়ে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসলে দেশের অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখবে এবং উন্নত সমৃদ্ধ নতুন বাংলাদেশ গড়তে পারবো।
তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি, বাংলাদেশকে যদি সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে হয়, সমতা, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে হয়, তাহলে আমাদের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারীদেরকে সাথে নিয়ে পথ চলতে হবে। উন্নত সমৃদ্ধ নতুন বাংলাদেশ গড়তে নারী-পুরুষের সমতা আনায়ন অত্যন্ত জরুরী।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো.জিয়াউদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অদম্য নারী পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মোঃ নাজিমুল হক, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের অদম্য নারী পুরস্কার কর্মসূচীর অতিরিক্ত পরিচালক ও কর্মসূচী পরিচাল মোঃ মনির হোসেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত বিভাগীয় পরিচালক (উন্নয়ন) নুসরাত সুলতানা। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আতিয়া চৌধুরী। অনুষ্ঠানে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে নির্বাচিত অদম্য নারীগণ, সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের অধীন বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে তোপের মুখে এমপি হাসনাত আবদুল্লাহ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মনজুর আলমের বাসায় গিয়ে তোপের মুখে পড়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক এমপি হাসনাত আবদুল্লাহ।চট্টগ্রামের আকবর শাহ থানার উত্তর কাট্টলীর এইচ এম ভিলা থেকে বের হওয়ার সময় মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বিকেল ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন সাবেক মেয়র মনজুর আলম। এর আগে বিএনপির মনোনয়নপত্র নিয়ে তিনি ২০১০ সালে সাবেক মেয়র আলহাজ্ব এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীকে পরাজিত করে মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন এবং ২০১৫ সাথে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী আ জ ম নাসির উদ্দিনের কাছে পরাজিত হন । তাক এবার এনসিপির ব্যানারে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মনোনয়ন দেয়া হতে পারে, এমন অভিযোগকে কেন্দ্র করে জুলাইযোদ্ধা ও বিএনপি নেতাকর্মীরা। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে এলাকায় উত্তেজনা চলতে থাকে এবং বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায় বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীদের।

পরবর্তীতে পুলিশ প্রটোকল ও স্থানীয় বিএনপি নেতাদের সহায়তায় হাসনাত আবদুল্লাহ ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।এনসিপি নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, রাজনীতিতে মতপার্থক্য থাকাই স্বাভাবিক এবং এটি গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। একই সঙ্গে রাজনৈতিক শিষ্টাচারের মধ্য দিয়ে পারস্পরিক সম্পর্ক বজায় রাখার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।ঘটনাস্থলে মহানগর যুবদলের সহসভাপতি সাহেদ আকবর, চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রাজিবুল হক বাপ্পি, মহারম আলী, আকবরশাহ থানা ছাত্রদলের সভাপতি ফাহিম উদ্দিন এবং ইসলামিয়া কলেজ ছাত্রদলের ইমনসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন। এনিয়ে মনজুর আলমের কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

সাবেক স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরীকে আটক।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরীকে আটক করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। সোমবার (৬ এপ্রিল) দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডির ৮/এ রোডের নিজ বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়। ২০১৩ সালের ৩০ এপ্রিল স্পিকার নির্বাচিত হন শিরীন শারমিন। এরপর থেকে টানা তিনি এই দায়িত্বে ছিলেন। ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি বিএনপিবিহীন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জয়ী হয়ে সরকার গঠনের পর শিরীন শারমিন চৌধুরীকে আবার স্পিকার নির্বাচিত করা হয়।


আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানায়, ডিবির একটি বিশেষ দল গভীর রাতে এই অভিযান পরিচালনা করে। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। অবশেষে শিরীন শারমিন চৌধুরীকে আইনের আওতায় আনা হলো। তিনি রংপুর-৬ সংসদীয় আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে সংসদ সদস্য হয়েছিলেন।

আলোচিত খবর

৬ জুলাই ‘পল্লী উন্নয়ন দিবস’ এবং ৭ নভেম্বর ‘বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সরকার ৬ জুলাই ‘পল্লী উন্নয়ন দিবস’ এবং ৭ নভেম্বর ‘বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, ৬ জুলাই পল্লী উন্নয়ন দিবস হিসেবে পালন করা হবে। তবে এদিন সরকারি ছুটি থাকবে না। এছাড়া ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পালন করা হবে; দিনটি সরকারি ছুটি হিসেবেও পালিত হবে।

নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতিমালা, ২০২৫ নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে সোলার পাওয়ার দিয়ে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এর জন্য একটি কমিটি করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের ফলে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে বর্তমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলার চেষ্টা করছে বলেও উল্লেখ করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাড়াও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান, ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু, তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী মো. আরিফুল হক চৌধুরী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানমসহ অন্যান্য সদস্যরা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ