আজঃ বুধবার ১৮ মার্চ, ২০২৬

ফাঁকা নগরে গড়ে উঠেছে নিরাপত্তা বলয়,ওসিদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঈদুল ফিতরকে ঘিরে টানা সাত দিনের ছুটি শুরু হওয়ায় প্রায় ৬০ লক্ষ মানুষরে বসবাস চট্টগ্রাম মহানগরী ফাঁকা হচ্ছে। এই ফাঁকা বাড়ি ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে কেন্দ্র করে চুরি, ডাকাতি বা ছিনতাইয়ের ঝুঁকি বাড়ার সম্ভবনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিরাপত্তা জোরদার করেছে। বিশেষ করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নগরজুড়ে চার স্তরের বিশেষ চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)।

চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা জানান, ঈদের ছুটিতে নগরী ফাঁকা থাকলেও যাতে কোনো ধরনের অঘটন না ঘটে সে জন্য সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে একটি সমন্বিত অ্যাকশন প্ল্যান তৈরি করা হয়েছে এবং প্রতিটি থানার ওসিদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এক পুলিশ কর্মকর্তারা বলেন, ঈদের আনন্দ যাতে কোনোভাবেই নষ্ট না হয় এবং নগরবাসী নিশ্চিন্তে ঈদ উদযাপন করতে পারেন, সেটি নিশ্চিত করতেই আমাদের এই বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থাকবে।

সিএমপি সূত্রে জানা গেছে, চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থার আওতায় নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, মোড়, আবাসিক এলাকা ও বাণিজ্যিক স্থানে বাড়ানো হয়েছে টহল কার্যক্রম। ইউনিফর্মধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা পুলিশও বিভিন্ন স্থানে মোতায়েন থাকবে। একই সঙ্গে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট ও প্রবেশমুখগুলোকে সিসিটিভি নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে।

জানা গেছে, প্রতি বছর ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশের বড় শহরগুলো থেকে বিপুল সংখ্যক মানুষ নিজ নিজ গ্রামে ফিরে যান, যার ফলে নগরীর আবাসিক এলাকা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও অফিসপাড়া অনেকটাই ফাঁকা হয়ে যায়। এই পরিস্থিতি বিবেচনায় নগর পুলিশের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে এই বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনা।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রতিটি থানাকে নিজ নিজ এলাকার আবাসিক অঞ্চল, ব্যাংক, এটিএম বুথ, বিপণিবিতান ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা চিহ্নিত করে বিশেষ নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আবাসিক ভবন ও হাউজিং এলাকায় দায়িত্ব পালনকারী বেসরকারি নিরাপত্তাকর্মীদেরও সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
নগর পুলিশের কমিশনার হাসিব আজিজ বলেন, ঈদে নগরবাসীর জানমালের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা যাতে নিশ্চিত হয় সেই প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। বিজিবি এবং এপিবিএন মোতায়েন করা হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ফুটপাতে উদ্ধার নবজাতকের চিকিৎসা শেষে জিম্মায় দিল পুলিশ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: চট্টগ্রাম মহানগরীর কোতোয়ালী থানা এলাকায় পরিত্যক্ত এক নবজাতককে উদ্ধার করে চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ করে আইনি প্রক্রিয়ায় নিরাপদ জিম্মায় দিয়েছে পুলিশ।

কোতোয়ালী থানা পুলিশ জানায়, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি কোতোয়ালী থানাধীন ব্রিজঘাট সংলগ্ন এস আলম বাস কাউন্টারের বিপরীত পাশের ফুটপাতে পরিত্যক্ত অবস্থায় একদিন বয়সী একটি ছেলে নবজাতক উদ্ধার করা হয়। এ সময় শিশুটিকে গামছা ও তোয়ালে জড়ানো অবস্থায় পাওয়া যায়। উদ্ধারের পর শিশুটির শারীরিক অবস্থা দুর্বল থাকায় কোতোয়ালী থানা পুলিশের তত্ত্বাবধানে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৩২ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়।

কোতোয়ালী জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) নূরে আল মাহমুদ জানান, প্রায় ২০ দিনের চিকিৎসা শেষে শিশুটি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠে। পরবর্তীতে বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশনায় প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে শিশুটিকে হাটহাজারী উপজেলার চিকনণ্ডী ইউনিয়নের বাদামতল এলাকার বাসিন্দা জেসমিন আক্তারের জিম্মায় দেওয়া হয়। শিশুটির সার্বিক খোঁজখবর নিয়মিত রাখা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

পথশিশুদের আইন দিয়ে নয় আদর দিয়ে মূলধারায় ফিরিয়ে আনুন – আমীরুল ইসলাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পথশিশুদের প্রতি সহমর্মিতা ও ভালোবাসা প্রদর্শনের মাধ্যমে তাদের সমাজের মূলধারায় ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উত্তর জোনের ডিসি আমীরুল ইসলাম। তিনি বলেন, পথশিশুরা আমাদেরই সন্তান। অযত্ন ও অবহেলায় বেড়ে উঠলেও এদের মধ্যেও রয়েছে অসীম মেধা ও সম্ভাবনা। সঠিক পরিচর্যা ও দিকনির্দেশনা পেলে তারাও সমাজে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে।

মঙ্গলবার বিকেলে “আমরা চাটগাঁবাসী” সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত পথশিশু ও কিশোরদের জন্য ইফতার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, আইন প্রয়োগের মাধ্যমে নয়, বরং ভালোবাসা ও মানবিক আচরণের মাধ্যমে পথশিশুদের কাছে টানতে হবে। তাদের পাশে দাঁড়াতে পারলে সমাজে অপরাধ প্রবণতাও উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল এবিএম ইমরানের সভাপতিত্বে প্রধান আলোচক ছিলেন চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সেক্রেটারি গোলাম মওলা মুরাদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবুল হাছান রুমী, পাঁচলাইশ থানার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আব্দুল করিম এবং প্রোগ্রামের স্পন্সর ওয়াহিদ ইলেক্ট্রিশিয়ান্স ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার অধ্যক্ষ মো. আব্দুল বাতেন।

আমরা চাটগাঁবাসীর যুগ্ম সম্পাদক জানে আলম চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন পাঁচলাইশ থানার সেকেন্ড অফিসার নুরুল আবসার, স্বর্ণলতা স্কুলের উদ্যোক্তা মোহাম্মদ রবিউল হোসেন, আরটিআর তারেক, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসংগঠক তাহসান হাবিব, অধরা মেঘ কলি ও মোঃ আলীসহ অনেকে।অনুষ্ঠানে পথশিশুদের মাঝে ইফতার বিতরণ করা হয় এবং তাদের কল্যাণে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।অনুষ্ঠান শেষে ডিসি মহোদয় বাছাইকৃত শিশু-কিশোরদের নিজ কার্যালয়ে তুলে এনে ঈদের জামা উপহার দেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ