আজঃ রবিবার ১৯ এপ্রিল, ২০২৬

চট্টগ্রামে তোপের মুখে এমপি হাসনাত আবদুল্লাহ।

ডেস্ক নিউজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মনজুর আলমের বাসায় গিয়ে তোপের মুখে পড়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক এমপি হাসনাত আবদুল্লাহ।চট্টগ্রামের আকবর শাহ থানার উত্তর কাট্টলীর এইচ এম ভিলা থেকে বের হওয়ার সময় মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বিকেল ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন সাবেক মেয়র মনজুর আলম। এর আগে বিএনপির মনোনয়নপত্র নিয়ে তিনি ২০১০ সালে সাবেক মেয়র আলহাজ্ব এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীকে পরাজিত করে মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন এবং ২০১৫ সাথে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী আ জ ম নাসির উদ্দিনের কাছে পরাজিত হন । তাক এবার এনসিপির ব্যানারে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মনোনয়ন দেয়া হতে পারে, এমন অভিযোগকে কেন্দ্র করে জুলাইযোদ্ধা ও বিএনপি নেতাকর্মীরা। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে এলাকায় উত্তেজনা চলতে থাকে এবং বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায় বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীদের।

পরবর্তীতে পুলিশ প্রটোকল ও স্থানীয় বিএনপি নেতাদের সহায়তায় হাসনাত আবদুল্লাহ ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।এনসিপি নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, রাজনীতিতে মতপার্থক্য থাকাই স্বাভাবিক এবং এটি গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। একই সঙ্গে রাজনৈতিক শিষ্টাচারের মধ্য দিয়ে পারস্পরিক সম্পর্ক বজায় রাখার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।ঘটনাস্থলে মহানগর যুবদলের সহসভাপতি সাহেদ আকবর, চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রাজিবুল হক বাপ্পি, মহারম আলী, আকবরশাহ থানা ছাত্রদলের সভাপতি ফাহিম উদ্দিন এবং ইসলামিয়া কলেজ ছাত্রদলের ইমনসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন। এনিয়ে মনজুর আলমের কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

রিহ্যাব নির্বাচনে পরিচালক নির্বাচিত আবদুল গাফফার মিয়াজী।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দেশের আবাসন খাতের শীর্ষ সংগঠন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)-এর বহুল প্রতীক্ষিত নির্বাচনে পরিচালক পদে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন এ এস এম আবদুল গাফফার মিয়াজী। শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তিনি এ সাফল্য অর্জন করেন।

এ এস এম আবদুল গাফফার মিয়াজী চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী ও সামাজিক অঙ্গনে সুপরিচিত মুখ। তিনি জাতীয় ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সমিতি, বাংলাদেশ (নাসিব) চট্টগ্রাম মহানগর শাখার প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি বাংলাদেশ মানবাধিকার ফোরাম চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি, নাগরিক উন্নয়ন ফোরাম চট্টগ্রামের সাধারণ সম্পাদক এবং রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের যুগ্ম মহাসচিব হিসেবেও যুক্ত রয়েছেন। বিভিন্ন সামাজিক ও ব্যবসায়িক সংগঠনে সক্রিয় ভূমিকার কারণে তিনি ইতোমধ্যে একটি গ্রহণযোগ্য নেতৃত্ব হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

ব্যবসা পরিচালনায় দেড় যুগেরও বেশি অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আবদুল গাফফার মিয়াজী বলেন, আবাসন খাত বর্তমানে বহুমাত্রিক সংকটের মুখে রয়েছে। নির্মাণসামগ্রীর অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি, ব্যাংক ঋণের উচ্চ সুদহার, নতুন ড্যাপ নীতিমালা এবং গ্রাহকের ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস—সব মিলিয়ে খাতে স্থবিরতা তৈরি হয়েছে।

তিনি বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে আবাসন খাতের সঙ্গে সম্পৃক্ত। একজন সৎ, দক্ষ ও দূরদর্শী সংগঠক হিসেবে খাতের সমস্যাগুলো কাছ থেকে দেখেছি। নির্বাচিত হওয়ার পর এসব সমস্যা সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে। স্বচ্ছতা, দক্ষতা ও উদ্ভাবনী চিন্তার সমন্বয় একটি শিল্পখাতকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তিনি রিহ্যাবের সদস্যদের অধিকার রক্ষা এবং ব্যবসা পরিচালনায় আইনি ও নীতিগত বাধা দূর করতে তিনি কাজ করবেন। আবাসন খাতকে আরও গতিশীল, বিনিয়োগবান্ধব ও গ্রাহকবান্ধব করতে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের কথাও জানান।

শিপিং সেক্টরে নতুন বাজার সৃষ্টিতে নাবিকগণ দূত হিসেবে কাজ করবে – নৌপরিবহন মন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এমপি নতুন নাবিকদের দেশের সম্পদ হিসেবে উল্লেখ করে শিপিং সেক্টরে নতুন বাজার সৃষ্টিতে তাদের আরো সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে সমুদ্রগামী জাহাজে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার পাশাপাশি অর্থনীতিতে রেমিটেন্সের যোগান দিতে তারা দেশের দূত হিসেবে কাজ করবেন। শনিবার চট্টগ্রামে ন্যাশনাল মেরিটাইম ইনস্টিটিউট(এনএমআই)’র ২৮তম প্রি-সী রেটিংসদের শিক্ষা সমাপনী পাসিং আউটে প্রধান অতিথি বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
নৌ পরিবহন মন্ত্রী বলেন,শিক্ষা শুধু পূঁথিগত বিদ্যা নয় বরং জ্ঞান অর্জন এবং শারীরিক ও মানসিক বিকাশ সাধনের একটি পরিপূর্ণ স্তর হচ্ছে শিক্ষা। এ প্রতিষ্ঠান থেকে হাতে কলমে অর্জিত জ্ঞান দ্বারা নাবিকগণ সমুদ্রগামী জাহাজ চলাচল, জাহাজ ব্যবস্থাপনা ও পণ্য পরিবহনের আধুনিক পথিকৃত হিসেবে নিজেকে তুলে ধরবেন। তাদের আন্তরিক দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক সমুদ্র পরিবহনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ উন্নত বিশ^কে চ্যালেঞ্জ জানানোর পাশাপাশি উত্তরোত্তর সামনে এগিয়ে যাবে।

মন্ত্রী এনএমআই’র প্রশিক্ষণের গুণগত মানের প্রশংসা করে বলেন, প্রশিক্ষণ চলাকালীন শৃংখলা, কঠোর নিয়ম কানুন ও অনুশীলন, হাতে কলমে প্রদত্ত জ্ঞানের কারনে এটি আন্তর্জাতিক নৌ-সংস্থা এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের মেরিটাইম সেফটি এজেন্সী কর্তৃক স্বীকৃতি প্রাপ্ত। এখানকার ক্যাডেটরা তাই পরিবার, দেশ ও জাতির সম্পদ।
নৌ মন্ত্রী বলেন, মেরিটাইম সেক্টরে দেশের মানসম্মত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ১৯৯২ সালে বেগম খালেদা জিয়ার সরকার একনেকে ‘ডেভেলপমেন্ট অব সীম্যান্স ট্রেনিং স্কুল’ প্রকল্প পাস করেন। প্রকল্পটি ১৯৯৩-৯৫ সময়কালে বাস্তবায়নের কারনে আজকে এখানে এতবড় আন্তর্জাতিক মানের প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। তিনি বলেন, প্রশিক্ষণ শুরুর পর থেকে আজ পর্যন্ত এ প্রতিষ্ঠান থেকে সাড়ে চার হাজার নাবিক সফলভাবে প্রশিক্ষণ সমাপ্ত করেছে। তাদের মধ্যে চার হাজার নাবিক দেশি-বিদেশি জাহাজে কর্মরত রয়েছে। তারা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার মেরিটাইম খাতসহ সম্ভাবনাময় সকল ক্ষেত্রে কর্মসং¯’ান সৃষ্টির উপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করছে। এজন্য যেখানে যা প্রয়োজন সরকার সকল সহযোগিতা প্রদানে বদ্ধ পরিকর।

অনুষ্ঠানের শুরুতে মন্ত্রী কূচকাওয়াজ পরিবদর্শন করেন। প্রশিক্ষণের বিভিন্ন ট্রেডে ভাল ফলাফল করায় তিনি কয়েকজন নতুন নাবিককে ক্রেস্ট ও সনদ প্রদান করেন। এদের মধ্যে ইঞ্জিন বিভাগের রাব্বি ইসলাম কানন অলরাউন্ড নৈপুন্য প্রদর্শন করায় গোল্ড মেডেল অর্জন করেন। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় সেশনে মন্ত্রী বিভিন্ন শিপিং কোম্পানী ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান প্রদত্ত পুরস্কার শ্রেষ্ঠ নাবিকদের হাতে তুলে দেন।

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব জাকারিয়া, নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শফিউল বারী, ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ ক্যাপ্টেন আতাউর রহমান অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। এ সময় চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যনা রিয়াল এডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান, বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের এমডি কমডোর মাহমুদুল মালেকসহ সামরিক ও বেসামরিক ব্যক্তিবর্গ, দেশি-বিদেশি জাহাজ মালিক, প্রতিনিধি, শিপিং এজেন্ট ও নতুন নাবিকদের পরিবারের সদস্যরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

আলোচিত খবর

সমুদ্রপথে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে ক্যাডেটরা প্রস্তুত: চট্টগ্রামে নৌ পরিবহনমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মেরিটাইম খাতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত তরুণরাই ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে এবং দেশের সক্ষমতা তুলে ধরবে বলে মন্তব্য করেছেন নৌ পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। শনিবার সকালে চট্টগ্রাম মেরিটাইম ইনস্টিটিউটে ২৮তম ব্যাচের পাসিং আউট প্যারেড অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেছেন, শিক্ষা শুধুমাত্র জ্ঞান অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এর মূল লক্ষ্য শারীরিক ও মানসিক পূর্ণ বিকাশ।আপনারা শুধু ব্যক্তি নন, আপনারা জাতির সম্পদ। বিশ্বের বিভিন্ন বন্দরে গিয়ে আপনারা বাংলাদেশের পরিচয় তুলে ধরবেন, দেশের সক্ষমতা ও স্মার্টনেস প্রদর্শন করবেন।যারা এই কোর্স সম্পন্ন করে সমুদ্রে যাবেন, তারা নানা প্রতিকূলতা ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে শিখেছেন। জাহাজ ব্যবস্থাপনা কিংবা নৌ চলাচল-যেখানেই থাকুন না কেন, দৃঢ়তা ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।পৃথিবীর প্রায় ৭০ শতাংশই জলভাগ, যা একসময় ছিল দুর্গম। তবে আধুনিক বিশ্ব সেই সীমাবদ্ধতা জয় করেছে।

কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে শেখ রবিউল আলম বলেন, একমাত্র অ্যাকাডেমিক সার্টিফিকেটভিত্তিক শিক্ষা অনেক সময় বেকারত্ব তৈরি করে। এর বিপরীতে দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা কর্মসংস্থানের পথ খুলে দেয়। ১৯৯০-এর দশকে প্রতিষ্ঠিত মেরিটাইম প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা থেকে ইতোমধ্যে হাজারো দক্ষ জনশক্তি তৈরি হয়েছে, যা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। ভবিষ্যতে এই খাত আরও সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া ক্যাডেটদের উদ্দেশে তিনি স্বাস্থ্য সচেতনতার কথাও উল্লেখ করেন। দীর্ঘসময় রোদে প্যারেড করার কারণে সানস্ক্রিন ব্যবহারের পরামর্শ দেন তিনি। এছাড়া অনুষ্ঠানে মেরিটাইম ইনস্টিটিউটের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও অভিভাবকরাও উপস্থিত ছিলেন। পাসিং আউট প্যারেডে অংশ নেওয়া ক্যাডেটদের শৃঙ্খলাবদ্ধ কুচকাওয়াজ ও দক্ষতা উপস্থিত সবাইকে মুগ্ধ করে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ