আজঃ সোমবার ৮ জুন, ২০২৬

পুলিশের সামনে হামলা করেছে ছাত্রদল : ছাত্রশিবির নেতা সাদিক

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ঢাকসু) ভিপি ও ছাত্রশিবির নেতা সাদিক কায়েম অভিযোগ করেছেন, চট্টগ্রামে পুলিশের উপস্থিতিতেই হকিস্টিক ও চাপাতি নিয়ে হামলার ঘটনা ঘটেছে, কিন্তু পুলিশ তখন নীরব ছিল। বুধবার দুপুরে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের স্মারকলিপি প্রদান শেষে তিনি এ কথা বলেন।

সাদিক কায়েম বলেন, ফ্যাসিবাদী আমলে ছাত্রলীগ যখন শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালাত, তখনও পুলিশ ও প্রশাসন নীরব থাকত। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরও যদি একই ধরনের ঘটনায় পুলিশ নীরব থাকে, তাহলে তা প্রশ্নবিদ্ধ। তিনি আরও বলেন, পুলিশের দায়িত্বে অবহেলায় যারা জড়িত এবং যারা হামলাকারীদের প্রতিরোধ করেনি, তাদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে।

ছাত্রশিবিরের এ নেতা জানান, সাম্প্রতিক হামলায় তাদের অন্তত ৩০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় জড়িত ছাত্রদলের নেতাকর্মী ও বহিরাগতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে তারা পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে দেখা করেন।
তিনি বলেন, আমরা দেশের প্রতিটি ক্যাম্পাসে গণতান্ত্রিক পরিবেশ চাই। ক্যাম্পাসে বহিরাগত সন্ত্রাসী এনে হকিস্টিক, চাপাতি ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে।সাদিক কায়েমের দাবি, ছাত্রদলের ‘চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা’ ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের ওপর নৃশংস হামলা চালিয়েছে। এতে ৩০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। হামলায় কয়েকজন শিক্ষকও আহত হয়েছেন বলে তিনি জানান।

সাদিক কায়েম বলেন, শিবিরের এক ওয়ার্ড সভাপতি আশরাফুল গুরুতর আহত হয়েছেন। চাপাতির আঘাতে তার পায়ের গোড়ালি বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। তাকে ঢাকায় নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এদিকে চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম মহানগর দক্ষিণ শাখা। এ সময় চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে স্মারকলিপি তুলে দেন কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক ও ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েমসহ শাখার অন্যান্য নেতারা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে”‘জয় বাংলা’ স্লোগান, গ্রেপ্তার দুই

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বোয়ালখালীতে চাচাতো বোনের মেহেদী অনুষ্ঠানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার অভিযোগে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গতকাল শনিবার (৬ জুন) রাত ১০টার দিকে আরাকান সড়কের আমতল এলাকার একটি কমিউনিটি সেন্টার থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার দু’জন হলেন হাজী নুরুল হক ডিগ্রি কলেজ ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক মো. আব্দুল আজিজ (২৬) এবং সদস্য মো. রায়হান (২৩)।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ জুন পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম গোমদণ্ডী আলামিয়া টেণ্ডল বাড়িতে অনুষ্ঠিত কনের মেহেদী অনুষ্ঠানে তারা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেন। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটি পুলিশের নজরে আসার পর তদন্তের ভিত্তিতে তাদের শনাক্ত করা হয়।

পরদিন কনের বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত অবস্থায় আমতল এলাকার একটি কমিউনিটি সেন্টার থেকে তাদের আটক করা হয়। পরে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে।বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজুর রহমান বলেন, গ্রেপ্তার হওয়া দুই ছাত্রলীগ সদস্যকে জুলাই আন্দোলনে হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলার আসামি হিসেবে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

ঠাকুরগাঁওয়ের জুলহাস এর দ্রুত চিকিৎসা না হলে বাঁচানো সম্ভব নয়।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁওয়ের জুলহাস উদ্দীন সে দীর্ঘদিন থেকে শারীরিক বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। 
জুলহাস উদ্দীন ৫০ সে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার গড়েয়া ইউনিয়নের ঢাঙ্গীপুকুর গুচ্ছগ্রামের মৃত ছামাদ আলীর ছেলে। 

তিনি পেশায় একজন দিন মজুর, গেল এক বছর থেকে বিভিন্ন রোগে ভুগছেন তিনি। নিজস্ব কোন জমি না থাকায় সরকারের আশ্রয়ের প্রকল্পের ঘরে বসবাস করছেন। অসচ্ছলতার কারণে ডাক্তার দেখাতে পারছেন না। টাকার অভাবে ঘরের মধ্যে অসুস্থ অবস্থায় ধুকে ধুকে দিন কাটাতে হচ্ছে তাকে। পরিবারের অন্য কেউ হাল ধরার মতো নেই আশপাশের মানুষের সহযোগিতায় চলতে হয় তাকে।

গুচ্ছগ্রামের মানুষেরা জানান দীর্ঘদিন থেকে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়ে বিছানায় আছেন দিনমজুরের কাজ করতেন জুলহাস, কিন্তু অসুস্থতার কারণে তিনি আর কাজে যেতে পারছেন না। মানুষটিকে বাঁচাতে হলে অর্থের প্রয়োজন তাই সমাজের বৃত্তবান মানুষ ও সরকারের সহযোগিতা প্রয়োজন। দ্রুত চিকিৎসা ব্যবস্থা না নেওয়া হলে তাকে বাঁচানো সম্ভব নয়।এদিকে জুলহাস জানান ডাক্তারের কথা অনুযায়ী তার চিকিৎসার জন্য প্রায় দুই লক্ষ টাকার উপরে প্রয়োজন। যেটা হলে দ্রুত অপারেশন করা সম্ভব হবে। তার কোন কিছুই নেই যেটা বিক্রি করে চিকিৎসা নিবেন। টাকা জোগাড় করা তার পক্ষে কোনভাবেই সম্ভব হচ্ছে না, তাই তিনি সকলের সহযোগিতা চেয়েছেন।সকলের সহযোগিতায় একটি প্রাণ বেঁচে যেতে পারে। কেউ সহযোগিতা করতে চাইলে এই নাম্বারে 01760918282 যোগাযোগ করতে পারেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ