আজঃ শনিবার ১৩ জুন, ২০২৬

কুমিল্লায় কাস্টমস কর্মকর্তা হত্যায় জড়িতদের গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

ডেস্ক নিউজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কুমিল্লায় কাস্টমস কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী হত্যায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের তথ্য জানিয়েছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ান (র‍্যাব)। ঘটনাটির রহস্য জানাতে সোমবার সকালে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন র‍্যাব।রোববার (২৬ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ঢাকা পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র‍্যাব ১১ সিপিসি ২ এর কোম্পানি অধিনায়ক মেজর সাদমান ইবনে আলম। তবে ক্লুলেস ঘটনাটিতে র‍্যাবের অভিযান চলমান থাকায় নিরাপত্তার স্বার্থে তাদের নাম-পরিচয় কিংবা অন্যকোনো তথ্য প্রকাশ করেনি সংস্থাটি।
র‍্যাব অধিনায়ক মেজর সাদমান ইবনে আলম ঢাকা পোস্টকে বলেন, ক্লুলেস ঘটনাটিতে জড়িতদের গ্রেপ্তার করেছি। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে আমরা এখনই কোনো তথ্য জানাতে চাই না। আগামীকাল সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টায় সংবাদ সম্মেলনে সকল রহস্য জানানো হবে।


প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) রাতে চট্টগ্রাম থেকে ট্রেনিং শেষ করে কুমিল্লার বাসায় ফিরছিলেন কাস্টমস, ভ্যাট এক্সসাইজ ও ভ্যাট বিভাগের কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী (৩৫)। পথিমধ্যে পরিবারের সঙ্গে তার মোবাইল ফোনে কথা হয়। সর্বশেষ রাত ২টা ২৫ মিনিটের দিকে তিনি ফোন করে জানান, তিনি কুমিল্লা নগরীর টমছমব্রিজ চৌরাস্তার মোড়ে পৌঁছেছেন। এরপর দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও তিনি বাসায় না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা কল দিলে তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পান। সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করে তার কোনো হদিস না পেয়ে পরদিন শনিবার সকালে বাবা সুশীল বৈরাগী কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

পরদিন শনিবার সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার কোটবাড়ি আইরিশ হোটেলের পাশ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত বুলেট বৈরাগী কুমিল্লা নগরীর রাজগঞ্জ পানপট্টি এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। দীর্ঘদিন কুমিল্লা কাস্টমস অফিসে কর্মরত ছিলেন তিনি। তিনি গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় উপজেলার ডুমুরিয়া এলাকার সুশীল বৈরাগীর ছেলে। ৪১তম বিসিএস নন ক্যাডার পদে কাস্টমস, ভ্যাট এক্সসাইজ ও ভ্যাট বিভাগে যোগ দেন। পরিবারে তার স্ত্রী বাবা-মা ও ১ বছরের ছেলে সন্তান রয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ঠাকুরগাঁওয়ে জিংক ধানের সম্প্রসারণে নীতি নির্ধারণ ও প্রকল্প অংশীদারগণের মতামত সভা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁওয়ে হারভেস্টপ্লাস বাংলাদেশ-এর বাস্তবায়নে “রিয়েক্টস-ইন” প্রজেক্টের আওতায় “জিংক ধানের সম্প্রসারণে নীতি নির্ধারণ ও প্রকল্প অংশীদারগণের মতামত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকালে ইকো সোশ্যাল ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের (ইএসডিও) আয়োজনে ও পরিচালনায় ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা নির্বাহী অফিসের হলরুমে মতামত সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। 

ইএসডিও’র রিয়েক্টস- ইন প্রজেক্টের প্রজেক্ট ফোকাল কৃষিবিদ মোঃ আশরাফুল আলমের সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে হারভেস্টপ্লাস এর প্রজেক্ট ম্যানেজার কৃষিবিদ মোঃ শাহিনুল কবির মানবদেহে জিংক এর প্রয়োজনীয়তা এবং জিংকের অভাব পূরণে জিংক সমৃদ্ধ ব্রিধান১০২,  ব্রিধান১০০, ব্রিধান৮৪ এবং ব্রিধান৭৪ এর ভূমিকা নিয়ে বিশদ আলোচনা করেন।

এরপরে উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন অধিদপ্তরের সরকারি কর্মকর্তারা মুক্ত আলোচনায় বলেন যে, এই প্রকল্পটি প্রকৃতই একটি কার্যকর প্রকল্প। এর পক্ষে আরও ব্যাপক প্রচারণা চালানো দরকার এবং প্রতিটি জেলায় ও উপজেলায় “জিংক চাল পাওয়া যায়” এরকম কমপক্ষে একটি করে আউটলেট থাকলে আগ্রহী ও সচেতন ক্রেতারা ক্রয় করে জিংক সমৃদ্ধ চালের ভাত খেতে পারবেন।

উক্ত মতামত সভায় সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পীরগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার জনাব নাজমুল হাসান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষিবিদ মোঃ মাসুদ রানা, সায়েন্টিফিক অফিসার, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI) পঞ্চগড় রিজিয়ন।

 অনুষ্ঠানে  অংশগ্রহণকারী হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন অধিদপ্তরের সরকারি কর্মকর্তাগণ, জামে মসজিদের ইমামগণ, হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষকগণ এবং কৃষক নারী নেত্রী সহ ইলেকট্রনিক মিডিয়া ব্যক্তিত্ব।

ইংরেজি কুইজে পাবনার সেরা শরৎনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাদিক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬ এ জেলা পর্যায়ে ইংরেজি কুইজ প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করেছে মোঃ সাদিক ইসলাম।

সাদিক ইসলাম পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার শরৎনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থী। তার পিতা মোঃ মাসুম বিল্লাহ শরৎনগর বাজারের একজন প্রসিদ্ধ ব্যবসায়ী।

শরৎনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাবিবা খন্দকার ইভা বলেন, সাদিক ইসলাম একজন মেধাবী ছাত্র এবং ইংরেজি কথোপকথন সেরা হওয়ায় আজ ৭ জুন পাবনা জেলা পর্যায়ে বাছাইয়েও শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছে।
সাদিক ইসলাম এর পিতা-মাতা সবার কাছে সন্তানের জন্য দোয়া কামনা করছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ