আজঃ রবিবার ২৮ জুন, ২০২৬

রমেশ শীলের নামে কমপ্লেক্সের পাশাপাশি লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠার ঘোষণা সাংসদ এরশাদ উল্লাহর।

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে “একুশে পদকপ্রাপ্ত” উপমহাদেশের প্রখ্যাত কবিয়াল রমেশ শীলের ১৪৯তম জন্ম উৎসব উপলক্ষে আয়োজিত দুদিনব্যাপী অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় দিনে লোকসংস্কৃতি, স্মৃতিচারণ ও উন্নয়ন প্রতিশ্রুতিতে মুখর ছিল সমাধিস্থল প্রাঙ্গণ। রোববার (১০ মে) রাতে দ্বিতীয় দিনের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ বলেন, “রমেশ শীল আজ থেকে ১৪৯ বছর আগে মৃত্যুবরণ করলেও তিনি আজও আমাদের মাঝে বেঁচে আছেন। তিনি অমর হয়ে আছেন।যে আধ্যাত্মিক চেতনা রমেশ শীলের মনের মধ্যে জাগ্রত ছিল, সে চেতনার মাধ্যমে তাঁর গান ও ছন্দ তিনি মানুষের জন্য রেখে গেছেন।” তিনি আরও বলেন, বাংলার লোকসংস্কৃতি সমৃদ্ধ করতে রমেশ শীলের অবদান অনন্য। বোয়ালখালীকে তিনি তাঁর কর্মের মাধ্যমে শুধু বাংলাদেশ নয়, উপমহাদেশের মানুষের হৃদয়ে পৌঁছে দিয়েছেন।

রমেশ কমপ্লেক্স বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোরশেদ খান যে জায়গাটি নির্ধারণ করেছিলেন সেটি অর্পিত সম্পত্তি হওয়ায় কিছু জটিলতা রয়েছে। তবে কবিয়াল রমেশ স্মৃতি ট্রাস্টের দায়িত্বশীলদের সঙ্গে সমন্বয় করে তা সমাধানের চেষ্টা চলছে। জটিলতা না কাটলে সরকারি খাস জমিতে কমপ্লেক্স নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।এ সময় তিনি রমেশ শীলের নামে একটি লাইব্রেরি স্থাপনের উদ্যোগের কথাও জানান। পাশাপাশি বলেন, রমেশ শীলের কর্মকাণ্ড সাংস্কৃতিক মন্ত্রণালয়ের আওতায় আনার বিষয়ে সাংস্কৃতিক মন্ত্রী নিতাই রায়ের কাছে কবিয়াল রমেশ স্মৃতি ট্রাস্ট এর পক্ষ থেকে আবেদন করার প্রয়োজন রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, “গুণী মানুষের স্মৃতিকে অম্লান করা আমাদের সামাজিক, রাজনৈতিক ও মানবিক দায়িত্ব। রমেশ শীল মানুষের জন্য কাজ করে গেছেন। তিনি গণমানুষের কবি। তাঁর জন্য কিছু করতে পারলে নিজেকে ধন্য মনে করবো।”এছাড়া তিনি এলাকাবাসীকে রমেশ শীলের স্মৃতি সংরক্ষণে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
রমেশ শীল স্মৃতি ট্রাস্ট এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মানস চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং ট্রাস্টের সদস্য শিক্ষক, সাংবাদিক প্রলয় চৌধুরী মুক্তির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সম্মানিত প্রধান বক্তা ছিলেন শাহেনশাহ্ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (কঃ) ট্রাস্ট এর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক এ ওয়াই এমডি জাফর। তিনি বলেন, রমেশ শীল ছিলেন লোকজ সংস্কৃতির এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, যাঁর গান ও কবিতা আজও মানুষের হৃদয়ে বেঁচে আছে।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন রমেশ শীল স্মৃতি ট্রাস্ট এর কোষাধ্যক্ষ কাজল শীল। মহান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অদুল-অনিতা ট্রাস্ট এর চেয়ারম্যান শ্রী অদুল কান্তি চৌধুরী।বিশেষ অতিথিদের মধ্যে ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক চেয়ারম্যান আজিজুল হক, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য শওকত আলম, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ইসহাক চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা বিএনপি নেতা মেহেদী হাসান সুজন, বোয়ালখালী পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি স্বপন শীল, সাবেক উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও বোয়ালখালী থানার ওসি মাহফুজুর রহমান।আয়োজকরা জানান, রমেশ শীলের জীবন ও কর্ম নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতেই এ ধরনের আয়োজন নিয়মিত করা হচ্ছে।দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে আলোচনা, স্মৃতিচারণ ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে তাঁকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করা হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন সবাইকে শোকসাগরে ভাসিয়ে, চলে গেলেন পরপারে… ——–

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (সিইআইটিসি)’র উপদেষ্টা ও সাবেক ম্যানেজিং ট্রাস্টি অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন বার্ধক্যজনিত কারণে চট্টগ্রাম মহানগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে অদ্য ২৭ জুন শনিবার বেলা ১২টা ৩০ মিনিটে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ————–রাজিউন)।মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। তিনি দুই পুত্র সহযোগী অধ্যাপক ডা. রাজীব হোসেন ও রিয়াজ হোসেন, নাতি-নাতনি, আত্মীয় স্বজনসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। অদ্য ২৭ জুন বাদে এশা জমিয়তুল ফালাহ ময়দানে মরহুমের প্রথম নামাযে জানাযা, ২৮ জুন রোববার সকাল ৯ টায় চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল প্রাঙ্গনে দ্বিতীয় জানাযা ও একই দিন বাদ যোহর নিজ গ্রাম মিরসরাই কাঠাছড়ায় ৩য় নামাযের জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতালের চিকিৎসক,কর্মকর্তা, কর্মচারীরা।
অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন তাঁর কল্যাণমূলক কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বহু সম্মানে ভূষিত হন। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, ফেডারেল রিপাবলিক অব জার্মানীর প্রেসিডেন্ট কর্তৃক প্রদত্ত “দি অর্ডার অব মেরিট”, ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সী ফর প্রিভেনশন অব ব্লাইন্ডনেস কর্তৃক “দি লাইফ লং সার্ভিসেস এওয়ার্ড”, ইন্টারন্যাশনাল কংগ্রেস অব অফথালমোলজী কর্তৃক “কংগ্রেস অব অফথালমোলজী এওয়ার্ড”, এশিয়া প্যাসিফিক একাডেমী অব অফথালমোলজী কর্তৃক “দি ডিষ্টিংগুইসড্ সার্ভিসেস এওয়ার্ড” এবং স্বর্ণপদক, বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন এওয়ার্ড, “চট্টগ্রাম লায়ন্স ফাউন্ডেশন স্বর্ণপদক”, “বাংলাদেশ কমিউনিটি অফথালমোলজী স্বর্ণপদক”, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ^বিদ্যালয় কর্তৃক প্রদত্ত “অনরারি ডক্টরেট”, “দা ডেইলি স্টার এওয়ার্ড”। এছাড়া তিনি পেনিলপ বিলসন চেয়ারের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক।
মিরসরাইয়ের সমাজ সেবক ডা. আহমেদুর রহমান ও ওয়াহিদুন্নেসার একমাত্র পুত্র অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে চক্ষু চিকিৎসা সেবা পৌঁছাতে চক্ষু রোগ নিবারণ ও নিরাময়ের জন্য ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ জাতীয় অন্ধকল্যাণ সমিতি গঠন পূর্বক দেশব্যাপী ভ্রাম্যমান চক্ষু শিবিরের মাধ্যমে প্রায় ১০ লাখেরও বেশী রোগীর অপারেশন, ১৯৭৫ সালে স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের দৃষ্টি শক্তির সমস্যা নিরূপন, অদ্যাবধি প্রায় ৮ লক্ষ স্কুল ছাত্র-ছাত্রীর চোখ পরীক্ষা করা হয়। ১৯৮৩ সালে পাহাড়তলীতে ১৩০ শয্যা বিশিষ্ট একটি অত্যাধুনিক চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করেন। বর্তমানে এই হাসপাতাল দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি আধুনিক চক্ষু চিকিৎসা কেন্দ্র রূপে পরিচিতি লাভ করেছে।চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইনষ্টিটিউট অব কমিউনিটি অফথালমোলজী প্রতিষ্ঠায় মূখ্য ভূমিকা পালন করেন। এ ইনস্টিটিউট হতে এই পর্যন্ত ২৬৬ জন ডাক্তার স্নাতকোত্তর প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন। এছাড়াও চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উদ্যোগে চার বছর মেয়াদী ব্যাচেলর অফ সায়েন্স ইন অপটোমেট্রি কোর্স চালু আছে। তিনি এশিয়া প্যাসিফিক একাডেমী অফথালমোলজীতে ২০ বছরেরও অধিক সময় জাতীয় কাউন্সিলর এবং আঞ্চলিক সচিব হিসেবে, ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সী ফর প্রিভেনশন অফ ব্লাইন্ডনেস-এ চেয়ারম্যান হিসেবে ৮ বছর নেতৃত্ব দেন, এছাড়া তিনি বিশ্বমানের একটি “ইম্পেরিয়াল হসপিটাল” নামক ৩৫০ বেডের জেনারেল হাসপাতাল এবং “নার্সিং ট্রেনিং সেন্টার” গড়ে তুলেছেন।

পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে বোয়ালখালী উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এক প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।বৃহস্পতিবার ২৫ জুন, সকালে বোয়ালখালী উপজেলা পরিষদের হল রুমে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেহেদী হাসান ফারুক এর সভাপতিত্বে উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ জহির উদ্দিন ভূঁইয়া সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় বক্তব্য রাখেন বোয়ালখালী ইউসিসি (বিআরডিবি) র চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ নুরুন্নবী চৌধুরী।আহলা কড়লডেঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হামিদুল হক মান্নান। পৌরসভা বিএনপি সাবেক আহবায়ক শহীদুল্লাহ চৌধুরী, সাবেক সদস্য সচিব ইউসুফ চৌধুরী, সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক এ এম কামাল উদ্দিন।

সভায় সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, বিভিন্ন সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধি এবং স্থানীয় সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন।
সভায় দিবসটি আগামী ৬ জুলাই সোমবার সকাল ১১টায় যথাযথ মর্যাদায় উদযাপনের লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ এবং বাস্তবায়নের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। এছাড়া পল্লী উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করা হয়।

সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. নাঈম হাসান, উপজেলা সমবায় অফিসার মো. রাসেল চৌধুরী, উপজেলা স প্রা শিক্ষা অফিসার শিবলু দাশ, বোয়ালখালী প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোঃ সিরাজুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম। শ্রীপুর খরণদ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ হাসান চৌধুরীসহবিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও প্যানেল চেয়ারম্যানবৃন্দ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ, সমবায় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় সাংবাদিক অন্যান্য গণমাধ্যমকর্মী।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ