আজঃ শনিবার ৬ জুন, ২০২৬

ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল খেলাকে ঘিরে ভাঙ্গুড়ায় ব্রাজিল সমর্থকদের শোভাযাত্রা; হেক্সা জয়ের প্রত্যাশা ব্রাজিল ভক্তদের

প্রভাষক গিয়াস উদ্দিন সরদার, বিশেষ প্রতিনিধি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও জনপ্রিয় ক্রীড়া আসর ফুটবল ফিফা বিশ্বকাপের উন্মাদনায় ব্রাজিল ফুটবল দলের জার্সি ও পতাকা নিয়ে নানা রঙেঢঙে নেচে-গেয়ে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা করেছেন পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার ব্রাজিল সমর্থকরা। সমর্থকদের কণ্ঠে ছিল ৬ষ্ঠ বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার প্রত্যয়।

শুক্রবার ৫ জুন বিকেলে ভাঙ্গুড়া উপজেলার সরকারি হাজী জামাল উদ্দিন ডিগ্রি অনার্স কলেজ চত্বর থেকে ব্রাজিল ভক্ত ফুটবল খেলোয়াড়দের শোভাযাত্রা বের হয়ে পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ঘুরে একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় ব্রাজিলের সমর্থক হিসেবে রাজনৈতিক নেতা–কর্মী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী, সংবাদকর্মী সহ বিভিন্ন বয়সী যুবক ও শিশুরাও ব্রাজিল দলের জার্সি পরে এই শোভাযাত্রায় অংশ নেন। এ সময় রাস্তার পাশে বিভিন্ন দোকান,বাসাবাড়ি ও পথচারীরা হাত নেড়ে শোভাযাত্রায় অংশ গ্রহণকারীদের শুভেচ্ছা ও সমর্থন জানান।

ভাঙ্গুড়া পৌর ফিটনেস ক্লাবের আয়োজনে শোভাযাত্রায় ব্রাজিলের সমর্থক হিসেবে ভাঙ্গুড়া উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব প্রভাষক জাফর ইকবাল হিরোক সরদার, পাবনা জেলা কৃষক দলের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ও ভাঙ্গুড়া উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি আখিরুজ্জামান মাসুম, পৌর যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক আরিফুজ্জামান আজিম, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক হুমায়ুন আহমেদ মুন, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আবু সাঈদ, ব্রাজিল ভক্ত হাফিজ আল-আফ্রিদী, হিরো খান, আদদান বাপ্পী, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সাধারণ মানুষ, তরুণ-যুবক সহ ব্রাজিল সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।

ফুটবল-সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ফুটবলপ্রেমীদের কাছে বিশ্বকাপ শুধু একটি টুর্নামেন্ট নয়; বরং আবেগ, উৎসব ও ঐক্যের প্রতীক। ভাঙ্গুড়া উপজেলার প্রতিটি গ্রাম, পাড়া, মহল্লা, চায়ের দোকান কিংবা বাসা বাড়িতে মানুষ মেতে উঠেছে রেকর্ড ৪৮ টি দেশ নিয়ে প্রথম ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের উন্মাদনায়।এই শোভাযাত্রা শুধু উৎসব নয়,এই শোভাযাত্রার পেছনে আছে একটি সচেতন উদ্যোগও।এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে নতুন প্রজন্মের মধ্যে ফুটবলের প্রতি ভালোবাসা আরও গভীর হবে বলে বিশ্বাস আয়োজকদের।

ব্রাজিল ভক্ত ফুটবল শোভাযাত্রার অন্যতম আয়োজক ভাঙ্গুড়া পৌরসভার চৌবাড়ীয়া মাষ্টার পাড়া এলাকার অত্যান্ত আনন্দ প্রিয় ক্রীড়া সংগঠন, ব্রাজিল ভক্ত, প্রথম শ্রেণির ফুটবল খেলার পরিচালক,সাহসী কন্ঠস্বর সাংবাদিক শেখ সাখাওয়াত হোসেন জানান,আমরা বাংলাদেশ কে যেমন হৃদয়ে লালন করি। তেমনি ব্রাজিল এর খেলোয়াড়দের ফুটবল নৈপুণ্য ও কারিশমা সত্যিই আমাদের মুগ্ধ করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে ব্রাজিল সমর্থকদের একত্রিত করে এই শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়। পাশাপাশি সুস্থ বিনোদন ও ভ্রাতৃত্ববোধ বজায় রাখাও এই আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য। আসা করছি ফুটবল বিশ্বকাপের ২৩ তম আসরে প্রায় ২২ কোটি (২১ কোটি ৩৫ লাখ) মানুষের দেশ ব্রাজিল-ই চ্যাম্পিয়ন হবে।

ভাঙ্গুড়া উপজেলার প্রবীণ ব্রাজিল ফুটবল দলের সমর্থক প্রভাষক জাফর ইকবাল হিরোক বলেন, ছোটবেলা থেকেই ব্রাজিলের ফুটবল খেলা কে মনেপ্রাণে ভালোবাসি। নান্দনিক ফুটবলের জনক ও শৈল্পিক ফুটবলের জাদুকর রেকর্ড পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আমাদের ভালবাসার দল ব্রাজিল। ব্রাজিল দলের প্রতি আমাদের ভালোবাসা জানাতে আজকের এই আনন্দ শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

খেলাধুলাই পারে তরুণদের বিপথগামিতা থেকে রক্ষা করতে-যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রতীক্ষিত ‘পটিয়া মিনি স্টেডিয়াম’-এর ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করা হয়েছে। শুক্রবার (৫ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টায় উপজেলার কচুয়াই ইউনিয়নের চক্রশালা, জলুয়ার দীঘিরপাড় এলাকায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিনুল হক।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের সংসদ সদস্য ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হক এনাম, পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানুর রহমান, পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল হক, পটিয়া পৌরসভা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক নুরুল ইসলাম সওদাগর, পটিয়া উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব খোরশেদ আলম, পৌরসভা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব গাজী আবু তাহের, পটিয়া উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মইনুল আলম ছোটন। এছাড়াও স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ক্রীড়া সংগঠক, সামাজিক ব্যক্তিত্ব ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার কয়েক শতাধিক মানুষ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন শেষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিনুল হক বলেন, “বর্তমান সরকার দেশের প্রতিটি অঞ্চলে ক্রীড়া অবকাঠামো উন্নয়নে অত্যন্ত আন্তরিক। এই স্বপ্নের প্রকল্প বাস্তবায়নে যারা নিরলসভাবে কাজ করেছেন এবং যাদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় আজ এই ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন সম্ভব হয়েছে, তাদের সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।

তিনি আরও বলেন, “সুস্থ দেহ ও সুস্থ মনের জন্য খেলাধুলার বিকল্প নেই। এই স্টেডিয়ামটি আমাদের যুবসমাজকে মাদক, সন্ত্রাস ও বিপথগামিতা থেকে দূরে রেখে একটি সুন্দর, স্বাস্থ্যকর ও শৃঙ্খল জীবন গড়তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই স্টেডিয়াম শুধু পটিয়ার নয়, পুরো দক্ষিণ চট্টগ্রামের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন প্রাণের সঞ্চার করবে। এখানে অনুশীলনের সুযোগ পেয়ে আগামী দিনের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় গড়ে উঠবে, যারা দেশের জন্য গৌরব বয়ে আনবে।”

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত এই মিনি স্টেডিয়াম বাস্তবায়িত হলে পটিয়ার তরুণ-যুবকদের জন্য আধুনিক ক্রীড়া চর্চার সুযোগ সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি দক্ষিণ চট্টগ্রামে ক্রীড়া উন্নয়ন ও নতুন প্রতিভা বিকাশে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।স্থানীয়দের মতে, পটিয়া মিনি স্টেডিয়াম নির্মিত হলে এ অঞ্চলের ক্রীড়াপ্রেমী তরুণদের জন্য একটি আধুনিক ও মানসম্মত অনুশীলন কেন্দ্র গড়ে উঠবে, যা ভবিষ্যতে জাতীয় পর্যায়ের খেলোয়াড় তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বিশ্ব বাইসাইকেল দিবসের স্বীকৃতির আগেই সাইক্লিস্টদের অধিকার আন্দোলনে পথচলা:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পৃথিবীতে যখন বিশ্ব বাইসাইকেল দিবসের কোনো আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি ছিল না, তখনও নানা ধরনের দিবস পালিত হতো। বিশ্ব গাধা দিবস থেকে শুরু করে বিশ্ব ডিম দিবস, বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস সহ অসংখ্য দিবস পালন করা হয়।কিন্তু দুঃখজনকভাবে ২০১০ সালের দিকে সাইক্লিস্টদের জন্য কোনো আন্তর্জাতিক স্বীকৃত দিবস ছিল না।

এই বাস্তবতা থেকেই দেশের সাইক্লিস্টদের অধিকার, নিরাপত্তা ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ শুরু করেন কিছু স্বপ্নবাজ মানুষ। বিশ্ব বাইসাইকেল দিবস প্রতিষ্ঠার দাবিকে সামনে রেখে এ.আই. টুববুসের নেতৃত্বে বিডি ক্লিক দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন কর্মসূচি ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল।

সাইকেলবান্ধব নগরী গঠন এবং নিরাপদ সাইকেল অবকাঠামোর দাবিতে ২০১১ সালের এপ্রিল মাসের প্রথম শুক্রবার “সাইকেল লেন দিবস” পালন করা হয়। এর মাধ্যমে সাইক্লিস্টদের নিরাপদ চলাচল, পৃথক সাইকেল লেন নির্মাণ এবং পরিবেশবান্ধব যাতায়াত ব্যবস্থার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। পরবর্তীতে এই আন্দোলন আরও বিস্তৃত আকার ধারণ করে।

এই আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন ,ঢাকা সাইক্লিং ক্লাবের মরহুম মাসুম, বাংলাদেশ সাইকেল ফেডারেশনের সভাপতি মিজানুর রহমান মানু, গিনিস রেকর্ড প্রাপ্ত
জুবাইরা রহমান নিলু, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাইক্লিং ক্লাব, লাল সবুজ সাইক্লিং ক্লাবের মাজহারুল ইসলাম তারেক, কেরানীগঞ্জ সাইক্লিস্টের ,সভাপতি ,শাকিলু রহমান শাকিল, কেরানীগঞ্জ সাইক্লিং ক্লাবের সভাপতি কালিম সান্টু, WBB ট্রাস্ট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাইক্লিং ক্লাব , সহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সাইকেলপ্রেমী মানুষ।
তাদের উদ্দেশ্য ছিল একটাই—সাইকেলকে শুধু বিনোদনের বাহন হিসেবে নয়, বরং পরিবেশবান্ধব, স্বাস্থ্যসম্মত এবং টেকসই যাতায়াতের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা।

এই দাবি সামনে এনে সচেতনতা গড়ে তুলতে গিয়ে নানা সময়ে কটাক্ষ, উপহাস ও অবহেলার শিকার হতে হয়েছে। বর্তমানের অনেক প্রতিষ্ঠিত সাইক্লিস্ট সংগঠনও প্রথমদিকে বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয়নি। কেউ কেউ উৎসাহ দিলেও পরে সরে গিয়েছেন। অনেকে এটিকে হাস্যরসের বিষয় হিসেবেও দেখেছেন। কিন্তু এ.আই. টুববুস থেমে যাননি। দৃঢ় বিশ্বাস, অধ্যবসায় ও ভালোবাসা নিয়ে তিনি সাইক্লিস্টদের অধিকার আদায়ের আন্দোলন চালিয়ে গেছেন অবিরাম।

এ.আই. টুববুস বলেন, “সাইক্লিং যাতায়াতের মাধ্যমে ব্যক্তি ও রাষ্ট্র উভয়ের জন্য টেকসই উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে পারে। বাইসাইকেল এমন একটি বাহন, যা দৈনন্দিন যাতায়াতকে সহজ, সাশ্রয়ী ও স্বাস্থ্যসম্মত করে তোলে। নাগরিক সুস্বাস্থ্য, জ্বালানি সাশ্রয় এবং যানজট নিরসনে নিরাপদ সাইকেল লেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।”

প্রতি বছর ৩ জুন বিশ্ব বাইসাইকেল দিবস পালিত হয়। ২০১৮ সালের ১২ এপ্রিল জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ আনুষ্ঠানিকভাবে দিবসটির স্বীকৃতি প্রদান করে।
২০২৬ সালে “সাইকেল লেন দিবস” পালনের ১৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে এ.আই. টুববুস বলেন, “বাইসাইকেল কেবল দুই চাকার একটি বাহন নয়; এটি একটি জীবনধারা, পরিবেশ রক্ষার হাতিয়ার এবং টেকসই উন্নয়নের প্রতীক। সাইক্লিংকে আরও জনপ্রিয় ও নিরাপদ করতে সারা দেশে সাইকেল লেন নির্মাণ এবং ‘সাইকেল লেন দিবস’-এর গুরুত্ব নতুন করে উপলব্ধি করা প্রয়োজন।”

আজ বিশ্বব্যাপী সাইকেল দিবস পালিত হচ্ছে। মানুষ নতুন করে উপলব্ধি করছে সাইকেলের গুরুত্ব। এই অর্জনের পেছনে যারা শুরু থেকেই নিরবে কাজ করেছেন, তাদের অবদান নিঃসন্দেহে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।সাইকেল শুধু একটি বাহন নয়—এটি সুস্বাস্থ্য, পরিবেশ সুরক্ষা এবং মানবিক সচেতনতার প্রতীক। আর সেই সচেতনতার বীজ যারা বহু আগেই রোপণ করেছিলেন, তাদের প্রতি রইল গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।

তথ্যসূত্র হিসেবে উল্লেখযোগ্য: • বিশ্ব ডিম দিবস: ১৯৯৬ সাল থেকে, অক্টোবর মাসের দ্বিতীয় শুক্রবার।
• বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস: ২০০৮ সাল থেকে পালিত হচ্ছে।• বিশ্ব বাইসাইকেল দিবস: জাতিসংঘ কর্তৃক স্বীকৃত ২০১৮ সালে; পালিত হয় প্রতি বছর ৩ জুন।
• সাইকেল লেন দিবস: ২০১১ সালের এপ্রিল মাসের প্রথম শুক্রবার পালন শুরু হয় ।২০২৬ সালে ১৫ বছর পূর্তি।২০১৮ সালের ৮ মে ,প্রথমবারের মতো পালিত হয় বিশ্ব গাধা দিবস।

আলোচিত খবর

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জাতিসংঘের সাধারণ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী সাইপ্রাসের প্রার্থীকে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছেন তিনি।

তিনি আগামী এক বছর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন এবং জার্মানির সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী আনালেনা বেয়ারবকের স্থলাভিষিক্ত হবেন।
৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদের নির্বাচনে সর্বমোট ১৯০টি দেশ অংশ নেয়। এরমধ্যে খলিলুর রহমান পেয়েছেন ৯৯টি দেশের ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী সাইপ্রাসের আন্দ্রেয়াস এস কাকৌরিস পেয়েছেন ৯১টি দেশের সমর্থন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ