আজঃ সোমবার ৮ জুন, ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের আনন্দ মিছিল

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ জাতীয়বাদী যুবদল কেন্দ্রিয় নির্বাহী কমিটি পূর্ণাঙ্গ ঘোষিত হওয়ায় বিএনপির চেয়ারম্যান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মোশাররফ হোসাইন এর নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। আজ শনিবার (৬ জুন) সকালে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের উদ্যোগে শহরের বহরদ্দার হাট বাস টার্মিনাল থেকে শুরু হয়ে একটি বর্ণাঢ্য আনন্দ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে মুরাদপুর চত্বরে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক দীপংকর ভট্টাচার্যের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ন সম্পাদক মোশাররফ হোসাইন, এতে আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সহ দপ্তর সম্পাদক মোঃ শাহেদুল ইসলাম, সহ সম্পাদক সাইদুল ইসলাম, নুরুল ইসলাম আজাদ, সদস্য শাখাওয়াত হোসেন টিপু, চান্দগাও থানা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক আলী আজম মাসুম, আরিফ মহিউদ্দিন, মোহাম্মদ এরশাদ, মোহাম্মদ ফরহাদ, আলী আসমান, মোহাম্মদ ছাবের, ইমতিয়াজ নিশান, সহাব উদ্দিন শিহাব, মোহাম্মদ মোরশেদ, অহিদুল ইসলাম ওয়াহিদ, মো: খোরশেদ আলম, মো: মিনহাজ, জয়নাল আবেদীন মানিক, মোহাম্মদ আরিফ, আবদুর রহমান, আবদুল্লাহ আল মামুন, ওমর ফারুক, মোহাম্মদ দুলাল, মোহাম্মদ নুর নবী, আবদুল আজিজ, সহ চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল,থানা ও ওয়ার্ড যুবদলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মোশাররফ হোসাইন নবগঠিত কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী, সুসংগঠিত ও গতিশীল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, যুবদল দেশের গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। ভবিষ্যতেও সংগঠনের আদর্শ ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে তৃণমূল নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে পুরো কর্মসূচি উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে নবগঠিত কেন্দ্রীয় কমিটির সফলতা কামনা করে এবং সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও বেগবান করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা বা দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিএনপি এবং এর অঙ্গসংগঠনগুলোর মতো চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলও প্রায়ই আনন্দ মিছিল ও স্বাগত কর্মসূচি পালন করেছে।
কেন্দ্রীয় যুবদলের নবগঠিত পূর্ণাঙ্গ কমিটিকে স্বাগত জানাতে এবং দলীয় প্রধানকে অভিনন্দন জানিয়ে চট্টগ্রামের রাজপথে সংগঠনের নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল সহকারে এই আনন্দ আয়োজনে অংশ নেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

যুবদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হলেন কলমাকান্দার এজমল হোসেন পাইলট

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকা: জাতীয়তাবাদী যুবদলের নবগঠিত কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে স্থান পেয়েছেন নেত্রকোণার কলমাকান্দা উপজেলার কৃতী সন্তান ও সাবেক ছাত্রনেতা মুহাম্মদ এজমল হোসেন পাইলট। তিনি উপজেলার সদর ইউনিয়নের চত্রংপুর গ্রামের বাসিন্দা।
​গত বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়। এর আগে গত বুধবার (৩ জুন) আবদুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি অনুমোদন করা হয়।

‘ম্যাডামের পাইলট, ছাত্রদলের পাইলট দলীয় অঙ্গনে তিনি ‘পাইলট’ নামেই অধিক পরিচিত। বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার অত্যন্ত স্নেহভাজন হিসেবে পরিচিত এই নেতাকে নিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে একটি কথা প্রচলিত রয়েছে— ‘ম্যাডামের পাইলট, ছাত্রদলের পাইলট’। নেতাকর্মীরা জানান, বেগম খালেদা জিয়াও তাকে অত্যন্ত স্নেহ করতেন এবং ‘পাইলট’ বলে সম্বোধন করতেন।

​দীর্ঘ রাজনৈতিক প্রোফাইল রাজনীতির মাঠে সংগ্রামী ও ত্যাগী নেতা হিসেবে পরিচিত এজমল হোসেন পাইলট ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে এসে যুবদলের রাজনীতিতেও দীর্ঘ দিন ধরে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন।২০০৪: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল (তথ্য সংশোধন/যাচাই সাপেক্ষ; বিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত ‘শহীদ মহসিন হল’) ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।২০১০: কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের স্বাস্থ্য ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক।

২০১২: কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।
​২০১৪: কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের ১ নম্বর সহ-সভাপতি।
​রাজনৈতিক জীবনে বিএনপির আন্দোলন-সংগ্রামে অংশ নিয়ে তিনি একাধিকবার মামলা, গ্রেপ্তার, কারাবরণ ও রাজনৈতিক হয়রানির শিকার হয়েছেন। বিশেষ করে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিরোধী রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকায় তাকে নানা প্রতিকূল পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে।

নেতাকর্মীদের উচ্ছ্বাস ও প্রতিক্রিয়া
​দলের প্রতি আনুগত্য, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং দীর্ঘ ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে যুবদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে মনে করছেন সাধারণ নেতাকর্মীরা। নতুন কমিটিতে তার অন্তর্ভুক্তির খবরে দেশজুড়ে যুবদল ও ছাত্রদলের সাবেক ও বর্তমান নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে।

নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় মুহাম্মদ এজমল হোসেন পাইলট বলেন,​জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়ায় বিএনপির চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের প্রতি আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। একই সঙ্গে যুবদলের নবনির্বাচিত সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নের প্রতিও ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।

তিনি আরও বলেন, “দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সংগ্রাম, ত্যাগ ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের যে মূল্যায়ন হয়েছে, তা আমার জন্য যেমন গৌরবের, তেমনি বড় দায়িত্বও বটে। গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিতকরণ এবং বিএনপির ঘোষিত কর্মসূচি বাস্তবায়নে যুবদলকে আরও কার্যকর ও গতিশীল সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে আমি সর্বাত্মক ভূমিকা রাখব।”

​এজমল হোসেন পাইলটের অনুসারী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা আশা প্রকাশ করেছেন, তার দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতা জাতীয়তাবাদী যুবদলকে আগামী দিনে আরও শক্তিশালী ও সুসংগঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

চট্টগ্রামে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল, গ্রেফতার-৪০

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলের পর অভিযানে ৭০ জনকে গ্রেফতার করেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)।গ্রেফতার ব্যক্তিদের মধ্যে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এ তথ্য নিশ্চিত করেন সিএমপির সহকারী পুলিশ কমিশনার (সদর), অতিরিক্ত দায়িত্বে জনসংযোগ শাখার সহকারী পুলিশ কমিশনার আমিনুর রশিদ।

তিনি বলেন, সোমবার নগরে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের মিছিলে অংশ নেওয়ার অভিযোগে সিএমপির ১৬ থানার অভিযানে ৭০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এ অভিযান চলমান রয়েছে।পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করা হচ্ছে।নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।

এর আগে সোমবার সকালে চট্টগ্রাম নগরের জিইসি মোড় এলাকায় ঝটিকা মিছিল করে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা।মিছিলের একাধিক ভিডিও পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নগরের মিছিলটি ওমরগণি এমইএস কলেজ শাখা ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা বের করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, নাসিরাবাদ সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের বিপরীত পাশ থেকে মিছিল নিয়ে জিইসি মোড়ের দিকে অগ্রসর হন নেতা-কর্মীরা। এ সময় তাঁরা ‘জয় বাংলা’ ও ‘শেখ হাসিনা আসবে’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, মিছিলের ব্যানারে ‘এমইএস কলেজ ছাত্রলীগ’ লেখা ছিল। মিছিলটি দুই নম্বর গেট এলাকার আশপাশ থেকে শুরু হয় বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ