আজঃ সোমবার ১৫ জুন, ২০২৬

বাসযোগ্য নগর গড়ে তুলতে আধুনিক খেলার মাঠের বিকল্প নেই :চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাসযোগ্য নগর গড়ে তুলতে আধুনিক খেলার মাঠের কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ঐতিহ্যবাহী আগ্রাবাদ জাম্বুরী মাঠ আধুনিকায়ন, সবুজায়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনের উন্নয়নকাজের অগ্রগতি পরিদর্শনকালে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

দীর্ঘদিন বেদখলে থাকা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী আগ্রাবাদ জাম্বুরী মাঠ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে আধুনিকায়ন, সবুজায়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে।শিগগিরই মাঠটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করে নগরবাসীর জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন মাঠটির উন্নয়নকাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন।এ সময় তিনি প্রকল্পের গুণগতমান বজায় রেখে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেন।

জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে বেদখলে থাকা আগ্রাবাদ জাম্বুরী মাঠটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন দায়িত্ব গ্রহণের পর উদ্ধার করা হয়।পরবর্তীতে মাঠটিকে একটি আধুনিক, পরিবেশবান্ধব ও দৃষ্টিনন্দন উন্মুক্ত স্থানে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়, যাতে নগরবাসী খেলাধুলা, ব্যায়াম ও বিনোদনের সুযোগ পায়।মাঠটির উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় চারপাশে আধুনিক ওয়াকওয়ে নির্মাণ, দর্শনার্থীদের জন্য গ্যালারি সুবিধা, সবুজায়ন, নান্দনিক ল্যান্ডস্কেপিং এবং বিভিন্ন নাগরিক সুবিধা সংযোজন করা হয়েছে।ফলে এটি শুধু একটি খেলার মাঠ নয়, বরং নগরবাসীর জন্য একটি আধুনিক উন্মুক্ত বিনোদন ও স্বাস্থ্যচর্চা কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠছে।

পরিদর্শনকালে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, নগরবাসীর জন্য উন্মুক্ত সবুজ স্থান ও আধুনিক খেলার মাঠ নিশ্চিত করা চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের অন্যতম অঙ্গীকার। এ লক্ষ্যে নগরের ৪১টি ওয়ার্ডে ৪১টি খেলার মাঠ নির্মাণ ও উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে অনেক মাঠের কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে সেগুলো জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হচ্ছে। শিশু-কিশোর ও তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলামুখী করে তোলা এবং একটি সুস্থ, সবুজ ও বাসযোগ্য নগর গড়ে তুলতে আধুনিক খেলার মাঠের কোনো বিকল্প নেই।

মেয়র আশা প্রকাশ করেন, আগ্রাবাদ জাম্বুরী মাঠ উদ্বোধনের পর এটি নগরবাসীর অন্যতম প্রিয় উন্মুক্ত স্থান ও ক্রীড়া কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে এবং চট্টগ্রামের ক্রীড়া ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে নতুন মাত্রা যোগ করবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী (অঞ্চল-৪) আনোয়ার জাহান, উপসহকারী প্রকৌশলী এটিএম সেলিম রেজা প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে চসিকের অভিযান, গুঁড়িয়ে দেয়া হলো ২০০ অবৈধ দোকান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের সাগরিকা এলাকায় সড়ক ও ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা প্রায় ২০০টি অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) ভ্রাম্যমাণ আদালত। রোববার বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়াম থেকে সাগরিকা রোডের বিটাক বাজার এলাকা পর্যন্ত এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়।চসিকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নগরের সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে এবং জনসাধারণের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

চসিক সূত্র জানায়, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চৈতী সর্ববিদ্যার নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে সড়ক ও ফুটপাত দখল করে ব্যবসা পরিচালনাকারী প্রায় ২০০টি দোকান উচ্ছেদ করা হয়। এ সময় ফুটপাত ও সড়ক অবৈধ দখলমুক্ত করা হয়, ফলে পথচারী ও যানবাহন চলাচলে স্বস্তি ফিরেছে। অভিযানে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) পাহাড়তলী থানা এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন।

উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সমন্বিত উদ্যোগে নগরবাসী সুফল পাবে : সিডিএ চেয়ারম্যান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বিভিন্ন সমস্যার অন্যতম কারণ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয়ের অভাব। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করবে সিডিএ। রোববার ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে ফিরে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি নগর উন্নয়নে দীর্ঘদিনের সমন্বয়হীনতা দূর করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন বলেন, দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি চট্টগ্রাম এখনও জলাবদ্ধতা, অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও সমন্বয়হীনতার মতো নানা সমস্যায় জর্জরিত। এসব সমস্যা সমাধানে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন, ওয়াসা, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, গ্যাস বিভাগ, ট্রাফিক বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় গড়ে তোলা হবে।তিনি বলেন, চলমান প্রকল্পগুলোর দ্রুত বাস্তবায়ন এবং নতুন প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে জনদুর্ভোগ কমানোর বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সমন্বিত উদ্যোগ নিশ্চিত করা গেলে নগরবাসী এর সুফল পাবে।

তিনি আরও বলেন, বৈজ্ঞানিক ও যুগোপযোগী পরিকল্পনার মাধ্যমে চট্টগ্রামকে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও টেকসই নগরে পরিণত করতে হবে। এ লক্ষ্যে নগর পরিকল্পনাবিদ, পরিবেশবিদ, গবেষক ও বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে উন্নয়ন প্রকল্প প্রণয়ন করা হবে। তিনি বলেন, উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনার সময় পরিবেশ ও প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষার বিষয়টিও গুরুত্ব পাবে। বিশেষ করে পাহাড়, জলাধার ও অন্যান্য প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।বেলায়েত হোসেন বলেন, সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে দায়িত্ব পালন করবেন তিনি। ব্যক্তিগত বা প্রাতিষ্ঠানিক স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে নগরবাসীর কল্যাণ এবং চট্টগ্রামের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করাই হবে তাঁর প্রধান লক্ষ্য।চট্টগ্রাম নগর ও সিডিএর স্বার্থ রক্ষায় সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, প্রয়োজনে জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়েও প্রতিষ্ঠানটির মর্যাদা এবং নগরের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করবেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ