আজঃ সোমবার ২২ জুন, ২০২৬

মাদক প্রতিরোধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে : সিএমপি কমিশনার

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পরিবার থেকে সন্তানদের মধ্যে নৈতিক শিক্ষা, দায়িত্ববোধ ও মানবিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে পারলে মাদকাসক্তি প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী। রোববার চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজ অডিটোরিয়ামে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম মেট্রো (দক্ষিণ) কার্যালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত ‘মাদকাসক্তিমুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণে তরুণদের করণীয় ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, মাদক প্রতিরোধে শুধু আইন প্রয়োগই যথেষ্ট নয়, এর জন্য নৈতিক মূল্যবোধের বিকাশ এবং সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
সিএমপি কমিশনার বলেন, মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সমাজ এবং রাষ্ট্রকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। তরুণদের ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে পারলে মাদকের ভয়াবহতা থেকে সমাজকে রক্ষা করা সম্ভব হবে।

সরকারি সিটি কলেজের অধ্যক্ষ আবু ছালেহ মোহাম্মদ নঈম উদ্দীনের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের অতিরিক্ত পরিচালক মো. জাহিদ হোসেন মোল্লা এবং সরকারি সিটি কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক জসিম উদ্দিন আহমেদ। আলোচক ছিলেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক মোহাম্মদ আলমগীর।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম মেট্রো (দক্ষিণ) কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. মানজুরুল ইসলাম, সিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মো. হাবিবুর রহমান প্রাংসহ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে যুবক হত্যা মামলায় পলাতক আসামির যাবজ্জীবন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে একটি হত্যা মামলায় একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন একটি আদালত।রোববার চট্টগ্রামের পঞ্চম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. তাজউল ইসলামের আদালত নগরের পাহাড়তলীর অলংকার শপিং কমপ্লেক্সে আবু নাছের নামে এক যুবককে কাঁচি দিয়ে আঘাত করে হত্যার দায়ে দায়েরকৃত মামলায় এ রায় দেন। দন্ডিত যুবক হলেন, ইসমাইল হোসেন সুজন।

একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এসময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন না আসামি ইসমাইল। পরবর্তী সময়ে আদালত তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করেন। দণ্ডিত ইসমাইল হোসেন সুজন নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নের খানপুর গ্রামের নাছের আহম্মদের ছেলে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালের ২৪ মার্চ রাতে পাহাড়তলি থানার অলংকার শপিং কমপ্লেক্সে আবু নাছের খুন হন। তিনি সীতাকুণ্ড উপজেলার ছলিমপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ ছলিমপুর গ্রামের আবু তাহেরের ছেলে। ভুক্তভোগী আবু নাছের ওই বিপণি কেন্দ্রের দ্বিতীয় তলায় মমতাজ টেলিকম নামে একটি দোকান পরিচালনা করতেন।

একই তলায় ফেরদৌস ওয়াহিদ এস এম টেলিকম নামে একটি দোকান চালাতেন। ওই দোকানের একাংশ ভাড়া নিয়ে মোবাইল মেকানিক হিসেবে কাজ করতেন ইসমাইল হোসেন সুজন।২০১৭ সালের ৬ মার্চ সুজন দোকান পরিবর্তন করে একই বিপণি কেন্দ্রের জননী টেলিকমে চলে যান। এ বিষয়ে আগের দোকান মালিক ফেরদৌস ওয়াহিদকে জানানো হয়নি। এরপর ১০ মার্চ ফেরদৌস ওয়াহিদ ওই মাসের বকেয়া ভাড়া চাইলে সুজন এক হাজার টাকা দেন এবং বাকি টাকা পরে দেওয়ার কথা জানান।পরে ২৪ মার্চ রাতে ফেরদৌস ওয়াহিদ আবু নাছেরকে সঙ্গে নিয়ে সুজনের কাছে বাকি টাকা চাইতে যান।

এ সময় জননী টেলিকমের ভেতরে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ঝগড়া থামাতে এগিয়ে গেলে সুজন কাঁচি দিয়ে আবু নাছেরের বুকে ও তলপেটে আঘাত করেন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই রাতেই তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহত আবু নাছেরের মা মমতাজ বেগম বাদী হয়ে পাহাড়তলী থানায় মামলা করেন।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী এস এম কাওসার সাগর জানান, বিচারিক পর্যায়ে আদালতে আসামির বিরুদ্ধে ১২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে। সার্বিকভাবে মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এ রায় দিয়েছেন।

ভাঙ্গুড়ায় মাদক সেবনের অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালতে অর্থদন্ড সহ কারাদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিশেষ প্রতিনিধিঃ পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার পার-ভাঙ্গুড়া ইউনিয়নের কাশিপুর এলাকায় মাদক সেবনের অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে একজন কে বিনাশ্রম কারাদণ্ড সহ অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

শনিবার ২০ জুন সকাল রাত ৮ টার দিকে উপজেলার কাশিপুর এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে মাদক সেবনের প্রমাণ পাওয়া গেলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(৫) ধারায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয় এবং মোঃ তানভীর আহমেদ শিমুল (২৮), পিতা-মোঃ সামছুল হক, সাং- চৌবাড়িয়া দক্ষিণপাড়া, ভাঙ্গুড়া, পাবনা কে ১০০০/= (এক হাজার) টাকা অর্থদন্ড ও ০৬ (ছয়) মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করে এই ভ্রাম্যমাণ আদালত।

অভিযান পরিচালনা করেন ভাঙ্গুড়া উপজেলার সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মিজানুর রহমান।এ সময় ভাঙ্গুড়া থানার পুলিশ টিম ঘটনাস্থলে তাকে সহযোগীতা করেন।ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মিজানুর রহমান বলেন, “মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ