আজঃ মঙ্গলবার ৩০ জুন, ২০২৬

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ আসলামের প্রার্থীতা বাতিল

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন আসলাম চৌধুরীর অনুসারী বিএনপি নেতাকর্মীরা। আপিল বিভাগে প্রার্থীতা বাতিলের জেরে মঙ্গলবার বিকাল ৪টার দিকে হাতে লাঠিসোঠা নিয়ে একদল নেতাকর্মী সীতাকুণ্ডের ছোট দারোগারহাট ও আশপাশের এলাকায় ওই মহাসড়কে অবস্থান নেন। এ সময় তারা ‘দুর্দিনের আসলাম ভাই, আমরা তোমায় ভুলিনাই’, ‘এমপি পদ বাতিল হলে, জ্বলবে আগুন ঘরে ঘরে’-এ ধরনের বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।

এদিকে পুলিশ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানালেন চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, থানা থেকে পুলিশের একাধিক টিম ঘটনাস্থলে গেছে। রিজার্ভ ফোর্স পাঠানো হয়েছে। অন্যান্য বাহিনীর সদস্যরাও আছেন।বিকাল সাড়ে ৪টার দিকেও মহাসড়কে অবরোধ চলমান আছে বলে পুলিশের এই কর্মকর্তা জানালেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানালেন, মহাসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে ও গাছের ডালপালা কেটে রেখে এবং গাছের গুড়ি ফেলে নেতাকর্মীরা অবরোধ করেন। এতে মহাসড়কের উভয় পাশে বিপুল পরিমাণ যানবাহন আটকে গেছে। ঘটনাস্থলের উভয়পাশে পুলিশ অবস্থান নিলেও বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করতে তাদের কোনো ভূমিকা দেখছেন না স্থানীয়রা।
জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড ও নগরীর একাংশ) আসনে বিজয়ী হন বিএনপি মনোনীত আসলাম চৌধুরী। কিন্তু তার বিরুদ্ধে একই আসনের জামায়াতের প্রার্থী আনোয়ার সিদ্দিকী ঋণখেলাপি সংক্রান্তে উচ্চ আদালতে লিভ টু আপিল করেন। আপিল চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য অপেক্ষমাণ থাকায় আদালতের নির্দেশে তার ফলাফল প্রকাশ স্থগিত রাখা হয়। এর ফলে বিজয়ী হলেও আসলাম চৌধুরী গত সাড়ে চার মাসেও শপথ নিতে পারেননি। মঙ্গলবার আনোয়ার সিদ্দিকীর আপিল মঞ্জুর করেন আপিল বিভাগ। এর ফলে আসলামের প্রার্থীতা বাতিল হয়ে গেছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বোয়ালখালী পৌরসভায় ৪১ কোটি ৫৬ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালী পৌরসভার ২০২৬-২৭ অর্থ বছরের জন্য ৪১ কোটি ৫৬ লাখ ৬৮ হাজার ২১৭টাকার প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা করেছেন পৌর প্রশাসক কানিজ ফাতেমা।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে পৌরসভা মিলনায়তনে গণমাধ্যমকর্মী, পৌর সহায়ক কমিটির সদস্য ও কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিতিতে এ বাজেট ঘোষণা করেন তিনি।

প্রস্তাবিত বাজেটে রাজস্ব হিসাবে আয় ধরা হয়েছে ৮ কোটি ৫৬ লাখ ১৭ হাজার ২১৭ টাকা এবং উন্নয়ন হিসাবে ৩৩ কোটি ৫১ হাজার টাকা আয় ধরা হয়েছে।
মোট ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ৪০ কোটি ৮৬ লাখ ৭৯ হাজার টাকা। এতে উদ্বৃত্ত রাখা হয়েছে ৬৯ লাখ ৮৯ হাজার ১৪৯ টাকা,বাজেট ঘোষণার পর সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন পৌর প্রশাসক কানিজ ফাতেমা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন – পৌর সহায়ক কমিটির সদস্য উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মামুনুল হক মামুন, থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোজাফফর হোসেন, উপজেলা প্রকৌশলী রনী সাহা, সমাজসেবা অফিসার পিপলু চন্দ্র নাথ, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো: হারুন উর রশিদ, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোহাং সামছুদ্দীন,উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক ইসহাক চৌধুরী, পৌরসভা বিএনপি সাবেক আহবায়ক শহীদুল্লাহ চৌধুরী,বোয়ালখালী প্রেস ক্লাবের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন চৌধুরী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি অধীর বড়ুয়া,পৌর সচিব মো: নজরুল ইসলাম, সহকারি প্রকৌশলী মৃণাল কান্তি ধর, উপ-সহকারি প্রকৌশলী মো: কামরুজ্জামান, হিসাবরক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) মো. আবু সাইদসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন সবাইকে শোকসাগরে ভাসিয়ে, চলে গেলেন পরপারে… ——–

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (সিইআইটিসি)’র উপদেষ্টা ও সাবেক ম্যানেজিং ট্রাস্টি অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন বার্ধক্যজনিত কারণে চট্টগ্রাম মহানগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে অদ্য ২৭ জুন শনিবার বেলা ১২টা ৩০ মিনিটে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ————–রাজিউন)।মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। তিনি দুই পুত্র সহযোগী অধ্যাপক ডা. রাজীব হোসেন ও রিয়াজ হোসেন, নাতি-নাতনি, আত্মীয় স্বজনসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। অদ্য ২৭ জুন বাদে এশা জমিয়তুল ফালাহ ময়দানে মরহুমের প্রথম নামাযে জানাযা, ২৮ জুন রোববার সকাল ৯ টায় চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল প্রাঙ্গনে দ্বিতীয় জানাযা ও একই দিন বাদ যোহর নিজ গ্রাম মিরসরাই কাঠাছড়ায় ৩য় নামাযের জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতালের চিকিৎসক,কর্মকর্তা, কর্মচারীরা।
অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন তাঁর কল্যাণমূলক কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বহু সম্মানে ভূষিত হন। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, ফেডারেল রিপাবলিক অব জার্মানীর প্রেসিডেন্ট কর্তৃক প্রদত্ত “দি অর্ডার অব মেরিট”, ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সী ফর প্রিভেনশন অব ব্লাইন্ডনেস কর্তৃক “দি লাইফ লং সার্ভিসেস এওয়ার্ড”, ইন্টারন্যাশনাল কংগ্রেস অব অফথালমোলজী কর্তৃক “কংগ্রেস অব অফথালমোলজী এওয়ার্ড”, এশিয়া প্যাসিফিক একাডেমী অব অফথালমোলজী কর্তৃক “দি ডিষ্টিংগুইসড্ সার্ভিসেস এওয়ার্ড” এবং স্বর্ণপদক, বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন এওয়ার্ড, “চট্টগ্রাম লায়ন্স ফাউন্ডেশন স্বর্ণপদক”, “বাংলাদেশ কমিউনিটি অফথালমোলজী স্বর্ণপদক”, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ^বিদ্যালয় কর্তৃক প্রদত্ত “অনরারি ডক্টরেট”, “দা ডেইলি স্টার এওয়ার্ড”। এছাড়া তিনি পেনিলপ বিলসন চেয়ারের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক।
মিরসরাইয়ের সমাজ সেবক ডা. আহমেদুর রহমান ও ওয়াহিদুন্নেসার একমাত্র পুত্র অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে চক্ষু চিকিৎসা সেবা পৌঁছাতে চক্ষু রোগ নিবারণ ও নিরাময়ের জন্য ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ জাতীয় অন্ধকল্যাণ সমিতি গঠন পূর্বক দেশব্যাপী ভ্রাম্যমান চক্ষু শিবিরের মাধ্যমে প্রায় ১০ লাখেরও বেশী রোগীর অপারেশন, ১৯৭৫ সালে স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের দৃষ্টি শক্তির সমস্যা নিরূপন, অদ্যাবধি প্রায় ৮ লক্ষ স্কুল ছাত্র-ছাত্রীর চোখ পরীক্ষা করা হয়। ১৯৮৩ সালে পাহাড়তলীতে ১৩০ শয্যা বিশিষ্ট একটি অত্যাধুনিক চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করেন। বর্তমানে এই হাসপাতাল দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি আধুনিক চক্ষু চিকিৎসা কেন্দ্র রূপে পরিচিতি লাভ করেছে।চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইনষ্টিটিউট অব কমিউনিটি অফথালমোলজী প্রতিষ্ঠায় মূখ্য ভূমিকা পালন করেন। এ ইনস্টিটিউট হতে এই পর্যন্ত ২৬৬ জন ডাক্তার স্নাতকোত্তর প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন। এছাড়াও চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উদ্যোগে চার বছর মেয়াদী ব্যাচেলর অফ সায়েন্স ইন অপটোমেট্রি কোর্স চালু আছে। তিনি এশিয়া প্যাসিফিক একাডেমী অফথালমোলজীতে ২০ বছরেরও অধিক সময় জাতীয় কাউন্সিলর এবং আঞ্চলিক সচিব হিসেবে, ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সী ফর প্রিভেনশন অফ ব্লাইন্ডনেস-এ চেয়ারম্যান হিসেবে ৮ বছর নেতৃত্ব দেন, এছাড়া তিনি বিশ্বমানের একটি “ইম্পেরিয়াল হসপিটাল” নামক ৩৫০ বেডের জেনারেল হাসপাতাল এবং “নার্সিং ট্রেনিং সেন্টার” গড়ে তুলেছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ