প্রক্টরিয়াল বডির সঙ্গে  চবি সাংবাদিক সমিতির মতবিনিময় 

চবি সংবাদদাতা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চবি প্রক্টরিয়াল বডির সঙ্গে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (চবিসাস)মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (৪ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের কনফারেন্স রুমে এ সভা হয়।সভায় প্রক্টরিয়াল বডির পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. কামরুল হোসেন। সহকারী প্রক্টরদের মধ্যে ছিলেন দর্শন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. কোরবান আলী, পদার্থবিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মো. মহিউদ্দিন, ইতিহাস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. নুরুল হামিদ কানন ও নাট্যকলা বিভাগের প্রভাষক মো. খায়রুল ইসলাম।

 

চবি সাংবাদিক সমিতির পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সভাপতি রেফায়েত উল্যাহ রুপক, সহ-সভাপতি আজিম সাগর, সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুনতাজ আলী, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক রাব্বি হোসেনসহ সমিতির সদস্যরা।

সভায় ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও সার্বিক উন্নয়নে প্রক্টরিয়াল বডি ও সাংবাদিক সমিতির যৌথ সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল ক্যাম্পাস গড়তে প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা ক্যাম্পাস সাংবাদিকদের সহায়তা ও সহযোগিতা ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন সহকারী প্রক্টর মো. নুরুল হামিদ কানন। এ সময় ক্যাম্পাসের বিদ্যমান বিভিন্ন সমস্যা ও সমাধান নিয়ে আলোচনা করেন সাংবাদিক সমিতির সদস্যরা।

মতবিনিময় সভায় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি রেফায়েত উল্যাহ রুপক বলেন, একটি নিরাপদ ক্যাম্পাস বিনির্মাণে সর্বদা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি কাজ করে গেছে। সাধারণ শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে প্রক্টরিয়াল বডির সঙ্গে সাংবাদিক সমিতির একটি নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। আমরা আশা করি, প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা নিজেদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের মাধ্যমে একটি নিরাপদ ক্যাম্পাস উপহার দেবেন।

মতবিনিময় প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. কামরুল হোসেন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভুলত্রুটি নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পাশাপাশি বিভিন্ন ইতিবাচক বিষয়েও সংবাদ প্রকাশ করা জরুরি। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে অবাধ তথ্যপ্রবাহ বজায় রাখতে হবে। শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কল্যাণে সাংবাদিকরা সর্বদা সজাগ দৃষ্টি রাখবেন এবং যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তথ্য দিয়ে প্রক্টরিয়াল বডিকে সহায়তা করবেন।বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে নিজেদের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন প্রক্টর। তিনি বলেন, ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে লাইটিংয়ের ব্যবস্থা করা হবে।

নারী প্রক্টর নিয়োগ ও প্রক্টরিয়াল বডির পরিধি বৃদ্ধি করা হবে। অস্ত্র পরিচালনা নীতিমালা কার্যকর করা হবে। রাতে নিয়মিত টহল জোরদার করা হবে। বহিরাগত বাইক চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে। দ্রুতই প্রক্টর অফিসের জন্য অনলাইনে ফেসবুক পেজ চালু করা হবে। বিভিন্ন হলে অভিযানের বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক সহাবস্থান নিশ্চিত করা হবে। প্রক্টরিয়াল বডির জন্য নির্ধারিত বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ সংশোধন ও বাংলা অনুবাদের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।

 

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চোখে কালো কাপড় বেঁধে শিক্ষার্থীদের মিছিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে উপাচার্য হিসেবে পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলনের নবম দিনেও কর্তৃপক্ষের দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেই। প্রশাসনের নীরবতার প্রতিবাদে বুধবার চোখে কালো কাপড় বেঁধে মিছিল করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। একই দাবিতে শাটডাউনের সঙ্গে একাত্মতা জানিয়ে কর্মবিরতিতে রয়েছেন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও স্টাফরা। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে অচলাবস্থা দেখা দিয়েছে।

বুধবার দুপুর পৌনে ৩টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে মিছিলটি বের হয়। চিকিৎসাকেন্দ্র সংলগ্ন সড়ক হয়ে স্বাধীনতা চত্বর প্রদক্ষিণ করে মিছিলটি আবার শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে ফিরে আসে। এ সময় শিক্ষার্থীরা ‘প্রশাসন নীরব কেন, জবাব চাই’ এবং ‘মোদের দাবি একটাই, সায়েম স্যারকে ভিসি চাই’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

পুরকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ইজাজ মাহমুদ খান বলেন, প্রায় নয় দিন ধরে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চললেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এর প্রতিবাদেই চোখে কালো কাপড় বেঁধে মিছিল করা হয়েছে।

এদিকে সকাল থেকে শিক্ষক সমিতি, কর্মকর্তা সমিতি ও স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে কর্মবিরতি পালন করেন। বন্ধ রয়েছে ক্লাস, ল্যাব ও পরীক্ষা। ফলে একাডেমিক ক্যালেন্ডারেও এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

আন্দোলনরত এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা পিছিয়ে পড়ছেন। দাপ্তরিক কার্যক্রমেও স্থবিরতা তৈরি হয়েছে। উচ্চশিক্ষাগামী শিক্ষকরা জটিলতায় পড়ছেন। মাসের শেষ দিনেও বেতন-ভাতা না আসায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পূজার বোনাস নিয়েও শঙ্কা রয়েছে।

গত ২১ সেপ্টেম্বর অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে উপাচার্য হিসেবে পুনর্বহালের দাবিতে মধ্যরাত থেকে অধ্যাপক ড. আবু শাহ বিক্ষোভ, শাটডাউন, গণস্বাক্ষর, মানববন্ধন, প্রধানমন্ত্রীর কাছে খোলা চিঠি, স্মারকলিপি, মশাল মিছিল, রেড কার্ড প্রদর্শন, প্রতিবাদী গ্রাফিতি, শ্বেত শাড়িতে গণসাক্ষ্য, পরিচয়পত্রসহকারে মুখোশ মিছিলসহ বিভিন্ন শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করে আসছেন তাঁরা।টানা নবম দিনেও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ না আসায় আন্দোলন আরও দীর্ঘ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমের এই স্থবিরতা দ্রুত নিরসন না হলে এর প্রভাব পুরো একাডেমিক ক্যালেন্ডার ও বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় পড়তে পারে।

চুয়েটে স্বাভাবিক কার্যক্রমে অচলাবস্থা, তৃতীয় দিনের মতো কর্মবিরতি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) উপাচার্য পুনর্বহালের দাবিতে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সর্বাত্মক কর্মবিরতি (মঙ্গলবার) তৃতীয় দিনে গড়িয়েছে। অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে উপাচার্য পদে পুনর্বহালের দাবিতে এ কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। এর আগে রোববার থেকে শিক্ষক সমিতি সর্বাত্মক কর্মবিরতি শুরু করে।একই সঙ্গে উপাচার্য ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচিও অব্যাহত রয়েছে। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রমে অচলাবস্থা চলছে।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা কর্মবিরতিতে থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি তালাবদ্ধ উপাচার্য ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে নিজেদের দাবির পক্ষে কর্মসূচি পালন করছেন তারা।

অন্যদিকে একই দাবিতে শিক্ষার্থীদের শাটডাউন কর্মসূচিও চলছে। সোমবার রাতে বিভিন্ন আবাসিক হল থেকে শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে স্বাধীনতা চত্বরে জড়ো হন। পরে কয়েক হাজার শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, উপাচার্য পুনর্বহালের দাবিতে কর্মসূচি পালন করায় বিভিন্ন মহল থেকে তাদের চাপ, ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। পরিবারের সদস্যদের ক্ষতির চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন আন্দোলনরত এক শিক্ষার্থী।

চুয়েটের উপাচার্য পরিবর্তনের প্রতিবাদে গত ২১ সেপ্টেম্বর রাত থেকে আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। পরদিন ২২ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকে তালা দিয়ে সর্বাত্মক শাটডাউন কর্মসূচি শুরু করেন তারা। আন্দোলনের কারণে পুরকৌশল, যন্ত্রকৌশল, পেট্রোলিয়াম ও মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিংসহ অন্তত ছয় বিভাগের বিভিন্ন বর্ষ ও সেমিস্টারের চূড়ান্ত পরীক্ষা স্থগিত হয়েছে।

গত ২৭ জুলাই চুয়েটের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পান বিশ্ববিদ্যালয়ের যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম। পরদিন তিনি দায়িত্ব নেন। পরে ২১ সেপ্টেম্বর তাকে অব্যাহতি দিয়ে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।মাত্র ৫৬ দিনের মাথায় উপাচার্য পরিবর্তনের কারণ প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ না থাকায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

এদিকে নতুন উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম ২৪ সেপ্টেম্বর ক্যাম্পাসে না এসেই দায়িত্ব নেন। আন্দোলনের কারণে তিনি এখনো ক্যাম্পাসে যেতে পারেননি। তিনি জ্যেষ্ঠ শিক্ষক, ডিন, বিভাগীয় প্রধান ও পরিচালকদের সঙ্গে আলোচনা করছেন বলে জানিয়েছেন।অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম জানান, আন্দোলনে তার কোনো ইন্ধন নেই। শিক্ষক, কর্মকর্তা বা কর্মচারীদের কাউকে কর্মসূচি নিতে বলেননি বলেও জানান তিনি।

চুয়েট আইন, ২০০৩-এর ১০(২) ধারা অনুযায়ী, প্রয়োজন মনে করলে আচার্য যেকোনো সময় কারণ দর্শানো ছাড়াই উপাচার্যকে অব্যাহতি দিতে পারেন। তবে আন্দোলনরত শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন, দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র ৫৬ দিনের মাথায় অধ্যাপক সায়েমকে কেন সরানো হলো।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ