এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরী ও জেলা মিলিয়ে আড়াই হাজারের বেশি মণ্ডপে দুর্গাপূজার আড়ম্বর শুরু হয়েছে। পূজার নিরাপত্তায় চট্টগ্রামে প্রায় আট হাজার পুলিশ সদস্য মাঠপর্যায়ে মোতায়েনের তথ্য পাওয়া গেছে। অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ হিসেব করলে প্রায় ২০ হাজার সদস্য বন্দরনগরীতে দুর্গাপূজায় নিরাপত্তার দায়িত্বে আছেন।

চট্টগ্রাম নগরীতে ২৭৮টি ও নগরীর বাইরে জেলার ১৫ উপজেলায় ২ হাজার ২৭৪টিসহ মোট ২ হাজার ৫৫২ মণ্ডপে এবার দুর্গাপূজা হচ্ছে। পূজামণ্ডপের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ও উসকানি প্রতিরোধকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানালেন পুলিশ কর্মকর্তারা।
চট্টগ্রাম নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (মিডিয়া) আমিনুর রশিদ বললেন, প্রতিটি মণ্ডপ বা কাছাকাছি মণ্ডপসমূহ ঘিরে তিনস্তরের নিরাপত্তা পরিকল্পনা করা হয়েছে। অধিকাংশ মণ্ডপে সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। বড় মণ্ডপগুলোতে সর্বোচ্চ ৫ জন আনসার সদস্য থাকছে। সঙ্গে পুলিশ দুইজন বা তিনজন করে। এর বাইরে গোয়েন্দা সংস্থার সদস্য, মোবাইল পার্টি মণ্ডপের ভেতরে-বাইরে দায়িত্ব পালন করবে। র্যাব টহল দেবে। ডিউটি অলরেডি শুরু হয়েছে।

নগরীতে পুলিশের দুই হাজার পোশাকধারী সদস্য, গোয়েন্দাসহ বিভিন্ন ইউনিট মিলিয়ে আরও প্রায় এক হাজার এবং র্যাব ও আনসার মিলিয়ে ৬ হাজারের বেশি সদস্য মোতায়েন করা হচ্ছে বলে জানালেন সহকারী কমিশনার আমিনুর রশিদ।
এবার দুর্গাপূজা একদিন বেশি। ১৬ অক্টোবর মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে পাঁচদিনের দুর্গোৎসব শুরু হয়ে ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে শেষ হবে। নগর পুলিশ পূজার আনুষ্ঠানিকতা থেকে প্রতিমা বিসর্জন পর্যন্ত তাদের নিরাপত্তা পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করেছে।
এদিকে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দুর্গাপূজার উৎপত্তিস্থল হিসেবে পরিচিত বোয়ালখালী উপজেলার চণ্ডীতীর্থ মেধস মুনির আশ্রম পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা জানালেন, দুর্গাপূজা উপলক্ষে জেলায় পাঁচ হাজারের বেশি পুলিশ ও সাড়ে ১২ হাজার আনসার সদস্য মোতায়েন করা হচ্ছে। প্রতিটি বড় মণ্ডপে পুলিশ ও আনসার মিলিয়ে অন্তঃত ১০ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।
চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাসুদ আলম বললেন, মণ্ডপকেন্দ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা শুক্রবার থেকে চলবে। আমরা সবচেয়ে বেশি জোর দিচ্ছি গুজব, অপপ্রচার ও নাশকতার চেষ্টা ঠেকানোর বিষয়ে। মণ্ডপ কর্তৃপক্ষকে কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আশা করি তারা সেটা পালন করবেন। সূর্যাস্তের আগে প্রতিমা বিসর্জন সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে।












