নেত্রকোনায় মাদক, জুয়া, অনলাইন জুয়া, ইভটিজিং ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত

মোঃ নুর উদ্দিন মন্ডল দুলাল, নেত্রকোনা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নেত্রকোনা জেলা সদরে আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক সচেতনতার লক্ষে ​শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৩টায় সদরের রংয়ের বাজার সংলগ্ন নির্মাণাধীন বাইপাস সড়কে মেদনী ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণের উদ্যোগে এ সভার আয়োজন করা হয়।

​মেদনী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ আবুল হাসেমের সভাপতিত্বে এবং সদর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ মোখলেছুর রহমানের সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নেত্রকোনার পুলিশ সুপার (এসপি) মোঃ তরিকুল ইসলাম।

​প্রধান অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার মোঃ তরিকুল ইসলাম বলেন, “আমরা অপরাধকে ঘৃণা করব, অপরাধীকে নয়। মাদক, জুয়া, ইভটিজিং ও বাল্যবিবাহকে সমাজ থেকে দূর করতে হলে প্রথমে সবাইকে ‘না’ বলতে হবে। এরপর তৃণমূল পর্যায়ে জনসচেতনতা তৈরির মাধ্যমে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সবাইকে সহযোগিতার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, “কোনো অবস্থাতেই অতি উৎসাহী হয়ে কেউ যেন আইন নিজের হাতে তুলে না নেয়—সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।” মাদক ও সামাজিক ব্যাধি প্রতিরোধে সবাইকে স্ব-স্ব অবস্থান থেকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

​সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ মজিবুর রহমান খান, নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আবুল খায়ের সোহেল, জেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ জাহাঙ্গীর কবীর আহম্মেদ, নেত্রকোনা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গাজী তোফায়েল হোসেন, জেলা কৃষক দলের সহ-সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম খান, বড়ওয়ারী উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি মোঃ মোখলেছুর রহমান চৌধুরী রাজা মিয়া, সদর উপজেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ অলিউল্লাহ খান, জেলা বিএনপির সাবেক সহ-দপ্তর সম্পাদক মাসুম হায়াত খান, শ্রমিক নেতা আফজাল হোসেন টিটু এবং মেদনী ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ নুরুল আমিন খান।

​এছাড়াও অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মেদনী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন, বড়ওয়ারী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলী আকবর হোসেন, সমাজসেবক হুমায়ুন কবির এবং মাদ্রাসা শিক্ষক লুৎফুল কবির খানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কক্সবাজারের ইনানীর টুপটুপ রিসোর্টে ভয়াবহ আগুন, ৫ পর্যটকের মৃত্যু

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

|
কক্সবাজারের ইনানীতে একটি রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পাঁচ পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় রিসোর্টটি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এ ছাড়া পর্যটকসহ আরও বেশ কয়েকজন হতাহত হয়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আজ ১৭ অক্টোবর শনিবার সকাল ৭টার দিকে কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভের পাটোয়ারটেক সমুদ্রসৈকত এলাকায় অবস্থিত টুপটুপ রিসোর্টে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র কর্মকর্তা দোলন আচার্য ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ফায়ার সার্ভিসের ধারণা, নিহত ব্যক্তিরা সবাই পর্যটক। তবে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, আগুন লাগার খবর পেয়ে সকাল ৮টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পরে সকাল ১০টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।বর্তমানে ঘটনাস্থলে উদ্ধার অভিযান চলছে। অগ্নিকাণ্ডের কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি।

মহাষষ্ঠীর মধ্য দুর্গোৎসবের সূচনা, পূজামণ্ডপ মূখর ঢাকঢোল ও কাঁসরের বাদ্য এবং চণ্ডীপাঠে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে আজ শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা।সকাল থেকেই দেশের প্রতিটি পূজামণ্ডপ মুখর হয়ে উঠেছে ঢাকঢোল ও কাঁসরের বাদ্য এবং চণ্ডীপাঠে।আজ শুক্রবার সকাল ৯টা ৫৭ মিনিটের মধ্যে দেবী দুর্গার ষষ্ঠাদি কল্পারম্ভ ও ষষ্ঠীবিহিত পূজার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে এউৎসব। সনাতন শাস্ত্র অনুযায়ী, এবার দেবী দুর্গার মর্ত্যে আগমন হচ্ছে ঘোটকে (ঘোড়া) এবং বিদায় নেবেন নৌকায়।

কৈলাস থেকে কন্যা রূপে মর্ত্যলোকে বাবার বাড়িতে দেবীর এই আগমনকে কেন্দ্র করে ভক্তদের মনে বইছে আনন্দের জোয়ার।
এবারের দুর্গাপূজার তিথিতে কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে। কাল শনিবার ও পরদিন রোববার-এই দুই দিনব্যাপী পালিত হবে মহাসপ্তমী।এরপর সোমবার মহাঅষ্টমী ও মঙ্গলবার মহানবমী শেষে বুধবার বিজয়া দশমীতে বিসর্জনের মধ্য দিয়ে দেবীকে বিদায় জানানো হবে।বিজয়া দশমীর দিন সারা দেশে শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে।বাংলাদেশ পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের তথ্যমতে, এ বছর দেশজুড়ে ৩৩ হাজার ৮৫১টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

উৎসবের আনন্দ বজায় রাখতে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হলেও, প্রস্তুতিপর্বে দেশের কিছু কিছু স্থানে অপ্রীতিকর ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন আয়োজকরা। পূজার প্রস্তুতিকালে সিলেট, রাজবাড়ী, পঞ্চগড়, নেত্রকোনা ও টাঙ্গাইল জেলায় প্রতিমা ও মন্দিরে হামলার ঘটনা ঘটেছে।এ ছাড়া ফরিদপুরের ঐতিহাসিক কালীমন্দিরে চুরি এবং সুনামগঞ্জে হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িঘর, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও মন্দিরে হামলা-লুটপাটের ঘটনা ঘটে।
নওগাঁয় গোয়েন্দা সংস্থার পরিচয় দিয়ে ডাকাতির ঘটনা ঘটলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে বেশ কয়েকজন অপরাধীকে গ্রেফতার করেছে।

উৎসবের দিনগুলোতে আর কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা দেখতে চান না বলে উল্লেখ করেন কেন্দ্রীয় পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দরা।পূজা নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণ করতে সারা দেশে নিরাপত্তা বাহিনী জোরদার উপস্থিতি নিশ্চিত করেছে।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদর দপ্তরের পরিচালক (অপারেশন) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহবুব মুর্শেদ রহমান জানিয়েছেন, এবারের পূজায় সীমান্ত ও সীমান্তবর্তী এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে প্রায় ১০ হাজার বিজিবি সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।

বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী জানিয়েছেন, যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।পাশাপাশি মণ্ডপগুলোর সার্বিক নিরাপত্তায় সারা দেশে ২ লাখ ১২ হাজার ৮১৮ জন সদস্য মোতায়েন করেছে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী (ভিডিপি)।
দুর্গোৎসবের সূচনা, পূজামণ্ডপ মূখর ঢাকঢোল ও কাঁসরের বাদ্য এবং চণ্ডীপাঠে

মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে আজ শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা।সকাল থেকেই দেশের প্রতিটি পূজামণ্ডপ মুখর হয়ে উঠেছে ঢাকঢোল ও কাঁসরের বাদ্য এবং চণ্ডীপাঠে।আজ শুক্রবার সকাল ৯টা ৫৭ মিনিটের মধ্যে দেবী দুর্গার ষষ্ঠাদি কল্পারম্ভ ও ষষ্ঠীবিহিত পূজার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে এউৎসব। সনাতন শাস্ত্র অনুযায়ী, এবার দেবী দুর্গার মর্ত্যে আগমন হচ্ছে ঘোটকে (ঘোড়া) এবং বিদায় নেবেন নৌকায়।

কৈলাস থেকে কন্যা রূপে মর্ত্যলোকে বাবার বাড়িতে দেবীর এই আগমনকে কেন্দ্র করে ভক্তদের মনে বইছে আনন্দের জোয়ার।এবারের দুর্গাপূজার তিথিতে কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে। কাল শনিবার ও পরদিন রোববার-এই দুই দিনব্যাপী পালিত হবে মহাসপ্তমী।এরপর সোমবার মহাঅষ্টমী ও মঙ্গলবার মহানবমী শেষে বুধবার বিজয়া দশমীতে বিসর্জনের মধ্য দিয়ে দেবীকে বিদায় জানানো হবে।বিজয়া দশমীর দিন সারা দেশে শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে।বাংলাদেশ পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের তথ্যমতে, এ বছর দেশজুড়ে ৩৩ হাজার ৮৫১টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

উৎসবের আনন্দ বজায় রাখতে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হলেও, প্রস্তুতিপর্বে দেশের কিছু কিছু স্থানে অপ্রীতিকর ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন আয়োজকরা। পূজার প্রস্তুতিকালে সিলেট, রাজবাড়ী, পঞ্চগড়, নেত্রকোনা ও টাঙ্গাইল জেলায় প্রতিমা ও মন্দিরে হামলার ঘটনা ঘটেছে।এ ছাড়া ফরিদপুরের ঐতিহাসিক কালীমন্দিরে চুরি এবং সুনামগঞ্জে হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িঘর, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও মন্দিরে হামলা-লুটপাটের ঘটনা ঘটে।নওগাঁয় গোয়েন্দা সংস্থার পরিচয় দিয়ে ডাকাতির ঘটনা ঘটলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে বেশ কয়েকজন অপরাধীকে গ্রেফতার করেছে।

উৎসবের দিনগুলোতে আর কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা দেখতে চান না বলে উল্লেখ করেন কেন্দ্রীয় পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দরা।পূজা নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণ করতে সারা দেশে নিরাপত্তা বাহিনী জোরদার উপস্থিতি নিশ্চিত করেছে।বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদর দপ্তরের পরিচালক (অপারেশন) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহবুব মুর্শেদ রহমান জানিয়েছেন, এবারের পূজায় সীমান্ত ও সীমান্তবর্তী এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে প্রায় ১০ হাজার বিজিবি সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।

বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী জানিয়েছেন, যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।পাশাপাশি মণ্ডপগুলোর সার্বিক নিরাপত্তায় সারা দেশে ২ লাখ ১২ হাজার ৮১৮ জন সদস্য মোতায়েন করেছে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী (ভিডিপি)।

আলোচিত খবর

২৯ অক্টোবর এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ হতে পারে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে। আগামী ২৯ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। সংশ্লিষ্ট বোর্ড সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সোমবার আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আখতারুজ্জামান জানান, ২৯ অক্টোবরের মধ্যে ফল প্রকাশের প্রস্তুতি রয়েছে।
বোর্ডের এক কর্মকর্তা জানান, ২৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার ফল প্রকাশের সম্ভাবনাই বেশি। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা গত ২ জুলাই শুরু হয়ে ৮ আগস্ট শেষ হয়।

এরপর ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করার কথা ছিল। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কয়েকটি লিখিত পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে স্থগিত পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হওয়ায় ওই বোর্ডের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ৯ সেপ্টেম্বর।
দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেয় ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ