ইচ্ছা করে দেশকে সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে সরকার: ফখরুল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকার বলছে আমরা বিরোধী দলকে কোনো বাধা দেই না। এটা সম্পূর্ণ ভাওতাবাজি। তারা ইচ্ছাকৃতভাবে গোটা দেশকে সংঘাতের দিকে ঠেলে দিতে চাচ্ছে।

মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে ‘নারী নেতৃত্ব অগ্রগতি বিষয়ক’ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনের সময় তিনি এসব কথা বলেন।

সোমবার রাতে মগবাজারে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনার কথা উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, এটা অত্যন্ত সুপরিকল্পিত ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তমূলক। যারা গণতন্ত্রকে ধ্বংস ধ্বংস করেছে, বিরোধী দলকে যারা দোষারোপ করতে চায় তারা বিভিন্ন এজেন্সি দিয়ে এসব করাচ্ছে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, গণতন্ত্রের জন্য পাকিস্তানের বিরুদ্ধে লড়াই করা হয়েছে। সেই গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে আওয়ামী লীগ। তারা একের পর এক আইন করছে।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের একটা চরিত্রগত বৈশিষ্ট্য আছে। সে বৈশিষ্ট্য হলো তারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না। একনায়কতন্ত্রে বিশ্বাস করে। তারা একাই থাকবে। এজন্যই তারা সমস্ত দলগুলোকে নিষিদ্ধ করেছিল। যার উদ্দেশ্য ছিলো একটিমাত্র দল থাকবে তা হলো বাকশাল।

বিএনপি গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে লড়াই করছে এমন মন্তব্য করে ফখরুল বলেন, যেদিন থেকে আওয়ামী লীগ জোর করে ক্ষমতায় বসে আছে তখন থেকে যত নির্বাচন করেছে সব ভাওতাবাজি। কোনো নির্বাচন হয়নি। ২০১৪ সালে তো কোনো ভোটই হয়নি। ১৫৪ জনকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত করেছে।

এ সময় আরও বক্তব্য দেন বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান, বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক জহির উদ্দিন স্বপন, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক রাশেদা বেগম হিরা এবং এবিএম মোশাররফ হোসেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি সহপ্রশিক্ষণ বিষয়ক সহসম্পাদক রেহানা আক্তার রানু, বিএনপি সহত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক নেওয়াজ হালিমা আরলি, ডা. মাজহরুল হক, নুরুল ইসলাম জাহিদ, আরাফাত বিল্লাহ ও হাসান আল আরিফ প্রমুখ।

বিশেষ অতিথি ছিলেন চিফ অব পার্টি (ডিআই) ডেনা এল ওলস।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সাভারে এনসিপির সমাবেশে হাতবোমা বিস্ফোরণের মামলায় দুজন রিমান্ডে


সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সাভারে এনসিপি সমাবেশে হাতব ঘটনায় করা মামলায় গ্রেপ্তার নুরুল ইসলাম ও মো. সজিবকে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি পেয়েছে পুলিশ।
ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাজুল ইসলাম সোহাগ ৭ জুলাই ২০২৬ মঙ্গলবার তাদের দুই দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন।প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মো.বাহাজ উদ্দীন বলেন, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাভার মডেল থানার এসআই শাখাওয়াত ইমতিয়াজ সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেছেন। আসামিদের পক্ষের আইনজীবী এমএম আশ্রাফ আলী অয়ন রিমান্ড আবেদন বাতিল করে জামিনের প্রার্থনা করেন।বিচারক দুই দিনের রিমান্ড মন্জুর করেন।

সাভারের তারাপুর ঈদগাহ মাঠে এনসিপির ‘জুলাই পদযাত্রা’ পরবর্তী সমাবেশে হাতবোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। তাতে তিনজন আহত হন।ওই ঘটনায় রাতেই এনসিপির পক্ষ থেকে একটি মামলা করেন দলের ঢাকা জেলা উত্তরের সদস্য সচিব সালামত উল্লাহ রনি।মামলায় বলা হয়-অজ্ঞাতনামা আসামিরা এনসিপি নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ শ্রোতাদের হত্যার উদ্দেশ্যে এই বিস্ফোরণ ঘটনায়।হামলার সময় এনসিপি আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, এনসিপি সদস্যসচিব সংসদ সদস্য আখতার হোসেন, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন।

তুরাগ নদীতে আ.লীগ-ছাত্রলীগ নেতাকর্মীর গলিত লাশ- বিচার চাইলেন রিপন


সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের হত্যার অভিযোগ তুলে ঘটনার বিচার দাবি করেছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাহমুদ হাসান রিপন।
শনিবার ২৭ জুন গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি দাবি করেন- তুরাগ নদী থেকে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের তিন নেতাকর্মীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

মাহমুদ হাসান রিপনের অভিযোগ, গত ২২ জুন তুরাগ থানা আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের একটি মিছিলে হামলার ঘটনা ঘটে। ওই কর্মসূচিতে হামলা চালিয়ে কয়েকজন নেতাকর্মীকে নির্যাতনের পর হত্যা করা হয়েছে। পরে তাদের মরদেহ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে একদিকে বিভিন্ন স্থানে আয়োজিত কর্মসূচি দমনে সরকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন করেছে। অন্যদিকে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধেও এহামলার অভিযোগ তোলেন তিনি।

বিবৃতিতে তিনি বলেন,আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের টার্গেট করে হত্যা করা হচ্ছে। রাজপথেই নয়, কারাগারেও পরিকল্পিতভাবে নেতাকর্মীদের হত্যা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।হত্যা, গুম কিংবা নির্যাতনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে দমিয়ে রাখা সম্ভব নয়। দলের নেতাকর্মীরা আন্দোলন ও সংগ্রামের ঐতিহ্য ধারণ করে এবং যে কোনো পরিস্থিতিতে নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থানে অটল থাকবেন।
তিনি এ ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। পাশাপাশি এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তির আহ্বান জানান।

আলোচিত খবর

সাবেক অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ও স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার আর নেই


সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিএনপি’র জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য, সাবেক স্পিকার, সাবেক অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ও প্রবীণ রাজনীতিবিদ ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার
ইন্তেকাল করেছেন।ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।l

আজ রোববার ১২ জুলাই ফজরের সময় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল প্রায় ৯৫ বছর। তিনি দীর্ঘ রাজনৈতিক ও আইনজীবী জীবনে দেশের সংসদীয় গণতন্ত্র, আইন অঙ্গন এবং জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন।

ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্বও পালন করেন। বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের অন্যতম জ্যেষ্ঠ নেতা হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ছিলেন।

তাঁর মৃত্যুতে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। শোকবার্তায় মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাঁর জানাজা ও দাফনের সময়সূচি পরে জানিয়ে দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ