এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বর্তমান সরকারের পতন ঘটিয়ে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলনরত বিএনপি এবার রোড মার্চ করছে চট্টগ্রামে। কুমিল্লা থেকে এই রোড মার্চ শুরু হয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম নগরীতে পৌঁছবে।

বিএনপি নেতারা জানিয়েছেন, দুপুরে সিটি গেইট এলাকা দিয়ে নগরীতে প্রবেশ করবে রোড মার্চ। এরপর এ কে খান মোড়, আকবর শাহ, ফয়’স লেক, জিইসির মোড় হয়ে নাসিমন ভবনে দলীয় কার্যালয়ের সামনে নেভাল এভিনিউর মোড়ে সমাবেশ করে শেষ হবে এই কর্মসূচি।
রোডমার্চে প্রধান অতিথি থাকবেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এই কর্মসূচি সফল করতে বুধবার বিকালে কাজীর দেউরী নাসিমন ভবনে দলীয় কার্যালয়ে একটি প্রস্তুতি সভা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন নগর কমিটির আহ্বায়ক শাহাদাত হোসেন।
তিনি বলেন, “এই চট্টগ্রাম হচ্ছে বিএনপির দূর্ভেদ্য ঘাঁটি। অতীতে চট্টগ্রামে বিএনপির প্রতিটি কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এই রোড মার্চ কর্মসূচি সফল করতে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি।”
শাহাদাত বলেন, “আজকে সরকারের একগুয়েমি দেশকে অনিবার্য সংঘাতের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। সংঘাত এড়াতে সরকারকে দ্রুত পদত্যাগের ঘোষণা দিতে হবে। পদত্যাগ না করলে পদত্যাগে বাধ্য করা হবে।”
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আপস হয়ে গেছে বলে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের যে বক্তব্য দিয়েছেন, তার প্রতিক্রিয়ায় শাহাদাত বলেন, “তলে তলে যদি সব কিছু ঠিক হয়ে যায়, তাহলে কেউ কি প্রকাশ্যে তা জনসভায় বলে? আসলে ক্ষমতা হারানোর ভয়ে আওয়ামী লীগ নেতাদের মাথা খারাপ হয়ে গেছে। তাদের নেতা-কর্মীদের উজ্জীবিত রাখার জন্য আওয়ামী লীগকে এ ধরনের উদ্ভট বক্তব্য দিতে হচ্ছে।”
চকবাজার থানা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. রমজু মিয়ার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক নুর হোসাইনের পরিচালনায় প্রস্তুতি বুধবারের প্রস্তুতি সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন নগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর।

চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান বলেছেন-বিএনপি প্রতিশ্রুতি পূরণের রাজনীতি করে। বিএনপি যখনই ক্ষমতায় এসেছে, দেশের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে কাজ করেছে। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া যতবারই দেশ পরিচালনা করেছে ততবারই দেশের মানুষ কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের দেখা পেয়েছে। জিয়া পরিবারের সুুযোগ্য উত্তরসূরী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই জনগণের প্রতিশ্রুতি পূরণে দিনরাত পরিশ্রম করছেন।








