আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

মেক্সিকো সিমান্তে ফের দেয়াল তুলছেন জো বাইডেনও।

আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অবৈধ অভিবাসী আটকাতে মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল দেওয়া শুরু করেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। ভোটের লড়াইয়ে তাকে হারান বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রতিশ্রুতি ছিল, আর দেয়াল উঠবে না। তবে কথা রাখতে পারলেন না তিনি।

প্রতিবেশী দেশটির সীমান্তে আবার প্রাচীর উঠছে। বাইডেন প্রশাসনই দিয়েছেন এই অনুমোদন। অভিবাসীদের ঢল আটকাতে টেক্সাসের স্টার কাউন্টিতে মেক্সিকো সীমান্তজুড়ে প্রায় ৩২ কিলোমিটার দীর্ঘ দেয়াল উঠবে।

মেক্সিকো সীমান্তে প্রাচীর নির্মাণ ট্রাম্পের ‘সিগনেচার পলিসি’ হিসেবে পরিচিত। রিপাবলিকান প্রেসিডেন্টের সেই উদ্যোগের ঘোরতর বিরোধিতা করেছিল ডেমোক্রেটিক পার্টি। ২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে নিজের নির্বাচনী ইশতেহারে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে মেক্সিকো সীমান্তে আর এক ফুট দেয়ালও নির্মাণ করবেন না বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বাইডেন। কিন্তু যেভাবে মেক্সিকো সীমান্ত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অভিবাসীদের প্রবেশ বাড়ছে, তাতে নির্বাচনের আগে প্রেসিডেন্ট হিসেবে বাইডেনের জন্য বিষয়টি খুবই বিপজ্জনক হয়ে উঠছে।

এ বছর এরইমধ্যে রিও গ্র্যান্ডে ভ্যালি এলাকা দিয়ে ২ লাখ ৪৫ হাজারের বেশি অবৈধ অভিবাসী যুক্তরাষ্ট্র প্রবেশ করেছে বলে সরকারি তথ্যে জানা গেছে। তারমধ্যে সবচেয়ে বেশি অনুপ্রবেশ হয়েছে সেপ্টেম্বর মাসে। এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি নগরী থেকে অবৈধ অভিবাসীর সংখ্যা অস্বাভাবিক রকম বেড়ে যাওয়ার খবর এসেছে।

নিউ ইয়র্ক সিটির মেয়র এরিক অ্যাডামস ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন, গত বছর থেকে সেখানে যে এক লাখের বেশি নতুন অভিবাসী এসেছে, তাদের আবাসনের জন্য আগামী তিন বছর ১২শ কোটি মার্কিন ডলার খরচ হবে।

অবৈধ অভিবাসীর প্রবেশ আটকাতে মেয়র অ্যাডামস মেক্সিকো, কলম্বিয়া ও ইকুয়েডর সফর করছেন। মঙ্গলবার তিনি বলেন, “আমার পক্ষে আর কাউকে জায়গা দেওয়া সম্ভব না। আমরা সর্বোচ্চ সীমা অতিক্রম করেছি।

-সংবাদ সূত্র: বিবিসি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠিয়ে যা জানিয়েছে আইসিসি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশের নাম কাটল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। বাংলাদেশের পরিবর্তে জায়গা দেয়া হয়েছে স্কটল্যান্ডকে। বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকেও জানিয়েছে আইসিসি। সংস্থাটির সূত্রের বরাত দিয়ে এই তথ্য দিয়েছে ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআই। আইসিসির একটি সূত্র পিটিআইকে জানায়, ‘গতকাল (শুক্রবার) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যানকে একটি ই-মেইল পাঠানো হয়েছে। সেখানে জানানো হয়, (বাংলাদেশ) ভারতের আসবে কি না সে সিদ্ধান্ত জানাতে যে ২৪ ঘণ্টার যে সময়সীমা আইসিসি দিয়েছিল তার মধ্যে বিসিবি আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো উত্তর দেয়নি।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ