আজঃ বৃহস্পতিবার ২২ জানুয়ারি, ২০২৬

মরহুম মোজাহের মেম্বার ছিলেন প্রকৃত সমাজসেবক ও একজন রত্নগর্ভা পিতা।

উখিয়া প্রতিনিধি: এম.এ.রহমান সিমান্ত:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ইউপি সদস্য থাইংখালীর বিশিষ্ট সমাজ সেবক মরহুম আলহাজ্ব মোজাহের আহমদ মেম্বারের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে স্নরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

৭ অক্টোবর বিকেল সাড়ে ৪ টায় থাইংখালী উচ্চ বিদ্যালয় হলরুমে আলহাজ্ব মোজাহের আহমদ মেম্বার মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন এ মহতি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মরহুমের সুযোগ্য সন্তান পালংখালী ইউপি’র ৩ নং ওয়ার্ডের সদস্য আলতাফ আহমদ সওদাগরের সভাপতিত্বে ও থাইংখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক কমরুদ্দিন মুকুলের সঞ্চালনায় স্নরণ সভায় স্নৃতিচারণ করে প্রধান মেহমান হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিভাগের প্রধান অধ্যাপক আলম চৌধুরী।

বিশেষ মেহমান হিসেবে বক্তব্য রাখেন মরহুমের সুযোগ্য সন্তান,আলহাজ্ব মোজাহের আহমদ মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক,চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আক্কাস আহমদ ও চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মোজাহের আহমদ।

অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উখিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এমএ মঞ্জুর,রহমতের বিল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজিজ উল্লাহ, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক ফরিদ আহমদ চৌধুরী,মাদ্রাসা শিক্ষক মাওলানা নুরুল আমিন সিদ্দিকী,থাইংখালী স্টেশন জামে মসজিদের খতিব মাওলানা হাফেজ আবদুল গফুর, মরহুমের নাতি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শাহাব উদ্দিন,টেকনাফের নয়াপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নুরুল আকতার শিকদার
,রংগীখালী ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষক আকতারুল জলিল,
আওয়ামীলীগ নেতা আহমদ উল্লাহ সওদাগর, মোজাফফর আহমদ সওদাগর,আবুল মঞ্জুর সিদ্দিকী, পালংখালী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস শুক্কুর মেম্বার,মিছবাহ উদ্দিন সেলিম মেম্বার,বিএনপি নেতা রশিদ আহমদ,আবুল আলা হেলালী প্রমুখ সহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থেকে মরহুমের জীবনীর উপর স্নৃতিচারণমুলক বক্তব্য রাখেন।

আলোচনায় বক্তারা বলেন, মরহুম মোজাহের আহমদ মেম্বার কয়েক মেয়াদে পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত ইউপি সদস্য ছিলেন।স্থানীয় পর্যায়ে শালিশী ব্যবস্থায় অত্যন্ত সততার সহিত দায়ীত্ব পালন করে একজন ন্যায় বিচারক ও সমাজসেবক হিসেবে মানুষের হ্নদয়ে স্থান করে নিয়েছিলেন বলেই এখনো তাকে অন্তরে লালন করে যাচ্ছেন পালংখালী ইউনিয়ন বাসী।তিনি একজন আদর্শবান পিতাও।তার কনিষ্ট ছেলে আক্কাস আহমদ চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। অন্য ছেলেরাও লেখাপড়ার পাশাপাশি সফল ব্যবসায়ী হিসেবেও সর্বজন বিদিত।

আলোচনা সভা শেষে মরহুমের আত্নার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া পরিচালবা করা হয়।সব শেষে উপস্থিতিদের জন্য রাতের ভোজন ব্যবস্থা করা হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বিএনপি আমলে নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠেনি : চসিক মেয়র।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নির্বাচনের স্বচ্ছতা প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালের নির্বাচন নিয়ে আজও তেমন কোনো প্রশ্ন ওঠে না, কারণ ওই নির্বাচনগুলো ছিল স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য। একইভাবে ২০০১ সালে বিএনপির নেতৃত্বে চারদলীয় জোট ক্ষমতায় আসার নির্বাচন নিয়েও বড় কোনো বিতর্ক নেই। সে সময় সব পক্ষ নির্বাচন প্রক্রিয়া সরাসরি দেখেছে এবং স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করেছে।

মঙ্গলবার সকালে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের জুলাই বিপ্লব স্মৃতি হলে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) এর আয়োজনে, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের (সিএমইউজে) সহযোগিতায় চট্টগ্রাম জেলার সাংবাদিকদের জন্য আয়োজিত ‘নির্বাচনকালীন সাংবাদিকতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ’কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ১৯৯৪ সালে বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী নির্বাচন করেছিলেন এবং সে নির্বাচন নিয়েও কোনো প্রশ্ন ওঠেনি। জোট সরকারের আমলেও তিনি আবার মেয়র নির্বাচিত হন, তখনও নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক হয়নি। এর কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, বিএনপি কখনও নির্বাচনে ‘নগ্ন হস্তক্ষেপ’করেনি।

তিনি আরও বলেন, গত ১৬ বছরে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে আ জ ম নাছির উদ্দীন ও রেজাউল করিম চৌধুরীর ক্ষেত্রে যে পরিস্থিতি দেখা গেছে, মহিউদ্দিন চৌধুরীর সময় সে রকম চিত্র দেখা যায়নি। এতে নির্বাচন ব্যবস্থার নিরপেক্ষতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

মেয়র বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে সাংবাদিকতা কেবল খবর পরিবেশনেই সীমাবদ্ধ ছিল না। গণমাধ্যম নেতৃত্ব গঠন, রাজনৈতিক ইমেজ নির্মাণ এবং গণআন্দোলনের গতিপথ নির্ধারণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। বিশেষ করে আশির ও নব্বইয়ের দশকে ছাত্ররাজনীতি ও জাতীয় রাজনীতির বিকাশে গণমাধ্যম ছিল এক অনিবার্য শক্তি।

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পিআইবির পরিচালক (প্রশাসন) কাজী মোহাম্মদ তৌহিদুল আনোয়ার। এসময় আরও বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের উপকমিটির উপদেষ্টা মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ডেইলী পিপলস ভিউ সম্পাদক ওসমান গণি মনসুর, সিনিয়র সহ-সভাপতি মুস্তফা নঈম ও পিআইবি প্রশিক্ষক জিলহাজ উদ্দিন নিপুন। এছাড়া প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশকারীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, মোস্তাফিজুর রহমান, মনিরুল ইসলাম পারভেজ, মাইনুদ্দীন, জীবন মুছা ও আজিজা হক পায়েল।

অনুষ্ঠানে এসময় উপস্থিত ছিলেন, সহসভাপতি ডেইজি মওদুদ, অর্থ সম্পাদক আবুল হাসনাত, সাংস্কৃতিক সম্পাদক রূপম চক্রবর্তী, ক্রীড়া সম্পাদক রুবেল খান, গ্রন্থাগার সম্পাদক মো. শহীদুল ইসলাম, সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক হাসান মুকুল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফারুক আবদুল্লাহ, কার্যকরী সদস্য সাইফুল ইসলাম শিল্পী এবং আরিচ আহমেদ শাহ।
প্রসঙ্গত, পিআইবির আয়োজনে দুদিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত ১০০ জন সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেন।

চট্টগ্রাম বন্দরে এক বছরে জাহাজ এসেছে ৪৩৯৬টি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছর বিভিন্ন সময়ে দাবি আদায়ের জন্য এনবিআর কর্মকর্তাদের আন্দোলন ও কর্মবিরতি, পরিবহন শ্রমিক ও মালিকদের কয়েক দফা ধর্মঘটে চট্টগ্রাম বন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম ব্যাহত হলেও কন্টেইনার ও কার্গো হ্যান্ডলিংয়ে রেকর্ড গড়েছে। বিশেষ করে শুল্ক কর্মকর্তাদের কর্মবিরতি, পরিবহন ধর্মঘটসহ নানা প্রতিকূলতার পরও বছর শেষ হওয়ার আগেই কন্টেইনার ও কার্গো হ্যান্ডলিংয়ে রেকর্ড গড়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। বেড়েছে বন্দরে জাহাজ আসার সংখ্যাও।

বন্দরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত জাহাজ এসেছে ৪৩৯৬টি, ২০২৪ সালে বন্দরে মোট জাহাজ হ্যান্ডলিং হয়েছিল ৩৮৫৭টি।২০২৩ সালে এ সংখ্যা ছিল ৪১০৩; ২০২২ সালে ৪৩৬১টি, ২০২১ সালে ৪২০৯টি এবং ২০২০ সালে ৩৭২৮টি জাহাজ বন্দরে এসেছিল। অন্যদিকে ২০২৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত আমদানি-রপ্তানি মিলিয়ে কন্টেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে ৩৩ লাখ ৬৩ হাজার ৫৭৭ টিইইউএস (প্রতিটি ২০ ফুট দৈর্ঘ্যের), যা সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ। ২০২৪ সালে কন্টেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছিল ৩২ লাখ ৭৫ হাজার ৬২৭ টিইইউএস।তার মানে চলতি বছর শেষ হওয়ার চারদিন আগেই চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ আগের বছরের চেয়ে ৮৭ হাজার ৯৫০ টিইইএস কন্টেইনার বেশি হ্যান্ডলিং করেছে।

বন্দরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে ৩০ লাখ ৫০ হাজার ৭৯৩ টিইইউএস, ২০২২ সালে ৩১ লাখ ৪২ হাজার ৫০৪ টিইইউএস, ২০২১ সালে ৩২ লাখ ১৪ হাজার ৫৪৮ টিইইউএস এবং ২০২০ সালে ২৮ লাখ ৩৯ হাজার ৯৭৭ টিইইউএস কন্টেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছিল। অন্যদিকে চলতি বছরের ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত কার্গো (খোলা পণ্য) হ্যান্ডলিং হয়েছে ১৩ কোটি ৬৩ লাখ ২৬ হাজার ৮৬ টন। আগের বছরে এই পরিমাণ ছিল ১২ কোটি ৩৯ লাখ ৮৩ হাজার ১৪ টন। অর্থ্যাৎ, চলতি পঞ্জিকাবর্ষে ১ কোটি ২৩ লাখ ৪৩ হাজার ৭২ ক টন বেশি পণ্য হ্যান্ডলিং হয়েছে।

বন্দর সূত্র জানা গেছে, ২০২৩ সালে ১২ কোটি ২ লাখ ৩০ হাজার ২৯৩ টন, ২০২২ সালে ১১ কোটি ৯৬ লাখ ৬৫ হাজার ৬৮২ টন, ২০২১ সালে ১১ কোটি ৬৬ লাখ ১৯ হাজার ১৫৮ টন এবং ২০২০ সালে ১০ কোটি ৩২ লাখ ৯ হাজার ৭২৪ টন খোলা পণ্য হ্যান্ডলিং হয়েছে।

বন্দর কর্মকর্তারা বলছেন, বন্দরের ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অক্লান্ত পরিশ্রম, বন্দর ব্যবহারকারীদের সহযোগিতার কারণে এ অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, চলতি বছর শেষ হতে বেশ কয়েকদিন বাকি রয়েছে। তার আগেই কন্টেইনার ও কার্গো হ্যান্ডলিংয়ে এ অগ্রগতি বন্দরের সক্ষমতা বাড়ার দিকটাই নির্দেশ করে। আগামীতে আরও বেশি হ্যান্ডলিংয়ের জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের সদস্য (হারবার ও মেরিন) কমডোর আমিন আহমেদ আবদুল্লাহ বলেন, এক পঞ্জিকাবর্ষে আমরা আগেরবারের চেয়ে বেশি কন্টেইনার হ্যান্ডলিং করেছি। বছর শেষ হতে বেশ কয়েকদিন বাকি রয়েছে। বছর শেষে এ পরিমাণ আরও বাড়বে।

তিনি বলেন, চলতি বছরে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং বন্দরের ধারণক্ষমতা বৃদ্ধির ফলে রেকর্ড পরিমাণে কন্টেইনার এবং কার্গো হ্যান্ডলিং হয়েছে।জাহাজের অপেক্ষমান সময় প্রায় শূন্যে নামিয়ে আনা গেছে। এর ফলে জাহাজ সাথে সাথে বার্থিং পাচ্ছে এবং দ্রুত পণ্য খালাস সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন, “ই-গেট পাস, কন্টেইনার ট্র্যাকিং এবং স্বয়ংক্রিয় পেমেন্ট সিস্টেমের ফলে স্বচ্ছতা এসেছে এবং ভোগন্তিও কমেছে।

এছাড়া চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ প্রথমবারের মতো মার্কি কোস্ট গার্ডের আইএসপিএস অডিটে প্রথমবারের মতো ‘জিরো অবজারভেশন’ পেয়ে নিরাপদ ও আর্ন্তজাতিক মানসম্পন্ন বন্দরে পরিণত হয়েছে।

আমিন আহমেদ আবদুল্লাহ আরো বলেন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সময়োপযোগী নীতিমালা বিশ্ব সামুদ্রিক বাণিজ্যে চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। এ অর্জন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বন্দরের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে।

 

আলোচিত খবর

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশে অনুমোদন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ – ২০২৬
প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের এক সভায় এতে অনুমোদন দেওয়া হয়।প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এর প্রেস রিলিজে বলা হয় উচ্চশিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন এবং দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক জট নিরসনে সরকার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

কলেজগুলোর নিজস্ব পরিচয়, অবকাঠামো এবং স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির ওপর তাদের অধিকার অক্ষুণ্ণ থাকবে।বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) এইপ্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষা, পরীক্ষা, গবেষণা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিদর্শন, মূল্যায়ন ও নির্দেশনার ক্ষমতা পাবে।

নতুন অধ্যাদেশের মাধ্যমে ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওযার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, সরকারি বাংলা কলেজ এবং সরকারি তিতুমীর কলেজ ‘সংযুক্ত কলেজ’ হিসেবে পরিচালিত হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ