আজঃ রবিবার ১৪ জুন, ২০২৬

মরহুম মোজাহের মেম্বার ছিলেন প্রকৃত সমাজসেবক ও একজন রত্নগর্ভা পিতা।

উখিয়া প্রতিনিধি: এম.এ.রহমান সিমান্ত:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ইউপি সদস্য থাইংখালীর বিশিষ্ট সমাজ সেবক মরহুম আলহাজ্ব মোজাহের আহমদ মেম্বারের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে স্নরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

৭ অক্টোবর বিকেল সাড়ে ৪ টায় থাইংখালী উচ্চ বিদ্যালয় হলরুমে আলহাজ্ব মোজাহের আহমদ মেম্বার মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন এ মহতি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মরহুমের সুযোগ্য সন্তান পালংখালী ইউপি’র ৩ নং ওয়ার্ডের সদস্য আলতাফ আহমদ সওদাগরের সভাপতিত্বে ও থাইংখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক কমরুদ্দিন মুকুলের সঞ্চালনায় স্নরণ সভায় স্নৃতিচারণ করে প্রধান মেহমান হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিভাগের প্রধান অধ্যাপক আলম চৌধুরী।

বিশেষ মেহমান হিসেবে বক্তব্য রাখেন মরহুমের সুযোগ্য সন্তান,আলহাজ্ব মোজাহের আহমদ মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক,চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আক্কাস আহমদ ও চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মোজাহের আহমদ।

অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উখিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এমএ মঞ্জুর,রহমতের বিল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজিজ উল্লাহ, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক ফরিদ আহমদ চৌধুরী,মাদ্রাসা শিক্ষক মাওলানা নুরুল আমিন সিদ্দিকী,থাইংখালী স্টেশন জামে মসজিদের খতিব মাওলানা হাফেজ আবদুল গফুর, মরহুমের নাতি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শাহাব উদ্দিন,টেকনাফের নয়াপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নুরুল আকতার শিকদার
,রংগীখালী ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষক আকতারুল জলিল,
আওয়ামীলীগ নেতা আহমদ উল্লাহ সওদাগর, মোজাফফর আহমদ সওদাগর,আবুল মঞ্জুর সিদ্দিকী, পালংখালী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস শুক্কুর মেম্বার,মিছবাহ উদ্দিন সেলিম মেম্বার,বিএনপি নেতা রশিদ আহমদ,আবুল আলা হেলালী প্রমুখ সহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থেকে মরহুমের জীবনীর উপর স্নৃতিচারণমুলক বক্তব্য রাখেন।

আলোচনায় বক্তারা বলেন, মরহুম মোজাহের আহমদ মেম্বার কয়েক মেয়াদে পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত ইউপি সদস্য ছিলেন।স্থানীয় পর্যায়ে শালিশী ব্যবস্থায় অত্যন্ত সততার সহিত দায়ীত্ব পালন করে একজন ন্যায় বিচারক ও সমাজসেবক হিসেবে মানুষের হ্নদয়ে স্থান করে নিয়েছিলেন বলেই এখনো তাকে অন্তরে লালন করে যাচ্ছেন পালংখালী ইউনিয়ন বাসী।তিনি একজন আদর্শবান পিতাও।তার কনিষ্ট ছেলে আক্কাস আহমদ চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। অন্য ছেলেরাও লেখাপড়ার পাশাপাশি সফল ব্যবসায়ী হিসেবেও সর্বজন বিদিত।

আলোচনা সভা শেষে মরহুমের আত্নার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া পরিচালবা করা হয়।সব শেষে উপস্থিতিদের জন্য রাতের ভোজন ব্যবস্থা করা হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে নৌবাহিনীর স্থাপনা পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ. কে. এম. শামছুল ইসলাম চট্টগ্রামে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা, শিল্প ও সামরিক স্থাপনা পরিদর্শন করেছেন। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) তিনি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ঘাঁটি বানৌজা ঈসা খানে অবস্থিত আইএফএফ সেন্টার, সেন্টার ফর নেভাল রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (সিএনআরডি) এবং চিটাগাং ড্রাই ডক লিমিটেডের (সিডিডিএল) কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত অবহিত হন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

আইএসপিআর এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, আইএফএফ সেন্টার অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে দেশের সমুদ্রসীমায় সব জাহাজের গতিবিধি, তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ ও সংরক্ষণ করে থাকে, যা সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও নজরদারি কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অপরদিকে, সিএনআরডি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর একটি গবেষণা ও উদ্ভাবনমুখী প্রতিষ্ঠান, যেখানে জ্বালানি পরিশোধন প্রযুক্তি, ড্রোন উন্নয়ন এবং আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা নিয়ে গবেষণা ও উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালিত হয়।পরিদর্শনের অংশ হিসেবে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা চট্টগ্রাম ড্রাই ডক লিমিটেডের কার্যক্রমও পরিদর্শন করেন। প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজসহ বিভিন্ন বেসামরিক জাহাজের মেরামত, রক্ষণাবেক্ষণ ও নির্মাণ কার্যক্রম পরিচালনা করে দেশের সামুদ্রিক শিল্পে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। এ সময় তিনি চট্টগ্রাম ড্রাই ডক লিমিটেডের সক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা শিল্পে মেড ইন বাংলাদেশ নীতির আলোকে চট্টগ্রাম ড্রাই ডক লিমিটেডের গুরুত্ব অপরিসীম বলেও উল্লেখ করেন এবং চট্টগ্রাম ড্রাই ডক লিমিটেডের পেশাগত ও কারিগরি দক্ষতার ভূয়সী প্রশংসা করেন।

তিনি কর্ণফুলী শিপ বিল্ডার্স লিমিটেড এবং ওয়েস্টার্ন মেরিন লিমিটেড পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি প্রতিষ্ঠানগুলোর বিদ্যমান সক্ষমতা, চলমান প্রকল্প এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত হন।
পরিদর্শন শেষে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রমের অগ্রগতি, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং দক্ষ জনশক্তির প্রশংসা করেন। তিনি দেশের সামুদ্রিক নিরাপত্তা, জাহাজ নির্মাণ শিল্প এবং প্রতিরক্ষা খাতের টেকসই উন্নয়নে সবাইকে নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।

ভারী বৃষ্টিপাত হলেও নগরীর অধিকাংশ এলাকায় দ্রুত পানি নিষ্কাশন হয়েছে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নগরবাসীর স্বাভাবিক জীবনযাত্রা নিশ্চিত করতে বৃষ্টির পানি যাতে কোথাও জমে না থাকে সে বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়ার কতা জানালেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে ভারী বৃষ্টিপাত হলেও নগরীর অধিকাংশ এলাকায় দ্রুত পানি নিষ্কাশন হয়েছে। ফলে কোথাও উল্লেখযোগ্য জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়নি এবং সাধারণ মানুষের চলাচল ও দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডে বড় ধরনের কোনো ভোগান্তি দেখা যায়নি। জলাবদ্ধতা নিরসনে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে। খাল পুনরুদ্ধার, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের ফলে ইতোমধ্যে ইতিবাচক পরিবর্তন দৃশ্যমান হয়েছে। ভবিষ্যতেও নগরবাসীর দুর্ভোগ কমাতে আমাদের এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

শুক্রবার টানা বৃষ্টির মধ্যে নগরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, খাল ও জলাবদ্ধতাপ্রবণ এলাকা পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় মেয়র এলাকাগুলো ঘুরে দেখেন এবং পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা কার্যকর রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
তিনি জানান, চসিকের পরিচ্ছন্নতা ও প্রকৌশল বিভাগের কর্মীরা মাঠপর্যায়ে সার্বক্ষণিক কাজ করছেন এবং খাল, নালা-নর্দমার প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জলাবদ্ধতাপ্রবণ স্থানগুলো নিয়মিত পর্যবেক্ষণ, প্রতিবন্ধকতা দ্রুত অপসারণ এবং পানি প্রবাহে কোনো ধরনের বাধা সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।পরিদর্শনকালে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রকৌশলী ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ