দুর্গাপূজা উপলক্ষে পূজা উদযাপন পরিষদ, চট্টগ্রাম নগর নেতৃবৃন্দের সাথে সিএমপির মত বিনিময় সভা

চট্টগ্রাম অফিস:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, চট্টগ্রাম মহানগর শাখার নেতৃবৃন্দের সাথে মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।

আজ রোববার সকাল ১১.০০ ঘটিকায় দামপাড়া পুলিশ লাইনস্থ মাল্টিপারপাস ড্রিল শেডে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার জনাব কৃষ্ণ পদ রায়, বিপিএম (বার), পিপিএম (বার)’র সভাপতিত্বে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, চট্টগ্রাম মহানগর পূজা উদযাপন কমিটি এবং সকল থানার পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি, সেক্রেটারি ও সদস্যবৃন্দের সাথে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা ২০২৩ উপলক্ষ্যে নিরাপত্তা সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

উক্ত সভায় চট্টগ্রাম মহানগরী এলাকায় শারদীয় দুর্গাপূজা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দের সাথে পূজা উদযাপনের বিভিন্ন সমস্যা ও সমাধান নিয়ে আলোচনা করা হয়। পুলিশ কমিশনার মহোদয় পুলিশের পক্ষ থেকে পূজা উদযাপনকালে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।

পূজা মন্ডপের ধরন অনুযায়ী প্রতিবছরের ন্যায় এবারও চট্টগ্রাম মহানগরীতে প্রতিটি মন্ডপে পুলিশ এবং আনসার বাহিনীর সদস্যরা সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করবে। এছাড়াও র‌্যাব সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবেন। তাৎক্ষণিক অগ্নিকান্ড নিয়ন্ত্রণে ও প্রতিমা বিসর্জনের সময় ফায়ার ব্রিগেডের বিশেষ টিম সার্বক্ষণিক দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবে। সভায় সিএমপি’র পক্ষ থেকে উপস্থিত পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের প্রতি প্রতিটি পূজামন্ডপ কেন্দ্রিক স্বেচ্ছাসেবক টিম গঠন ও টিমের সদস্যদেরকে সার্বক্ষণিক পালাক্রমে নিরাপত্তা ডিউটিতে মোতায়েন এবং তাদের পরিচিতি জন্য নির্ধারিত পোশাক/আইডি কার্ড/আর্ম-ব্যান্ড পরিধানের জন্য অনুরোধ জানানো হয়।

এছাড়াও পূজা মন্ডপে দর্শণার্থী প্রবেশের সুবিধার্থে মহিলা ও পুরুষদের জন্য আলাদা আলাদা প্রবেশ ও বহির্গমন পথের ব্যবস্থাকরণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় নিরাপত্তার স্বার্থে বড় বড় প্রতিটি পূজা মন্ডপে সিসি টিভি ক্যামেরা স্থাপন, মেটাল ডিটেক্টর, ফায়ার এক্সটিংগুইশার ও জেনারেটরের ব্যবস্থা রাখার জন্য নেতৃবৃন্দের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়। তদুপরি আজান ও নামাজের সময় মন্ডপের সাউন্ড সিস্টেম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার জন্য সকলের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানানো হয়। শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপনকালীন সমগ্র মহানগরীতে মন্ডপ কেন্দ্রীক মাদক, ছিনতাই এবং ইভটিজিং প্রতিরোধে পুলিশি অভিযান কার্যক্রম জোরদার, টহল বৃদ্ধি, সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি এবং উর্ধ্বতন অফিসার কর্তৃক নিয়মিতভাবে প্রতিটি পূজা মন্ডপ পরিদর্শনের মাধ্যমে নিরাপত্তা প্রদানে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে কমিশনার মহোদয় সকলকে আশ্বস্ত করেন। তাছাড়াও পূজা মন্ডবের আশেপাশে অবৈধভাবে গাড়ি পার্কিং, মেলা, রাস্তার উপর দোকান-পাট না বসানোর জন্য নগরবাসীর সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন এবং জরুরি সেবা পেতে ৯৯৯ যোগাযোগ করার জন্য আহবান জানান।

এসময় সেখানে আরো উপস্থিত ছিলেন সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) জনাব এম এ মাসুদ; অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) জনাব আবদুল মান্নান মিয়া, বিপিএম-সেবা; উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর) জনাব মোঃ আব্দুল ওয়ারীশ মহোদয়সহ পুলিশের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

উত্তর পাঠানটুলীতে চাল বিতরণকালে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরীর ২৩ নম্বর উত্তর পাঠানটুলী ওয়ার্ডে দুস্থ, অসহায় ও নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে চাল বিতরণ করা হয়েছে। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের পক্ষ থেকে এ খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়। স্থানীয় বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে পাঁচ শতাধিক সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের মাঝে চাল বিতরণ করা হয়।

২৩ নম্বর উত্তর পাঠানটুলী ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, জনগণের সেবা করাই আমাদের রাজনীতির মূল লক্ষ্য। মানুষের দুঃসময় ও দুর্যোগে তাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। অতীতের মতো বর্তমানেও অসহায়, দুস্থ ও নিম্নআয়ের মানুষের পাশে রয়েছি এবং ভবিষ্যতেও থাকব।

তিনি বলেন, যে পরিমাণ চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে তা যদি প্রয়োজনের তুলনায় কম হয়, তাহলে আরও চালের ব্যবস্থা করা হবে। কোনো অসহায় পরিবার যেন খাদ্য সংকটে না থাকে, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি সবসময় জনগণের দল। মানুষের সুখ দুঃখ, দুর্যোগ ও সংকটের সময় বিএনপির নেতাকর্মীরা মাঠে থেকে কাজ করেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে। জনগণের কল্যাণ ও মানবিক সেবার এ ধারা অব্যাহত থাকবে। সমাজের বিত্তবানদেরও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি ডা. শাহাদাত হোসেন সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের সদস্যদের হাতে চাল তুলে দেন।
ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল হালিমের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব এম এ হাসনাতের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম সাইফুল আলম, নিয়াজ মোহাম্মদ খান এবং কেন্দ্রীয় মহিলা দলের যুগ্ম সম্পাদক ফাতেমা বাদশা। উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি নেতা মুস্তাফিজুর রহমান বুলু, এম এ হাসেম, বিএনপি নেতা সুলতান মোহাম্মদ খান সুমন, আকবর কবির ডিউক, সিরাজুল ইসলাম, মো. আব্বাস, মো. তাহের, মো. আলীসহ স্থানীয় বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

আমাকে মাফ করে দিও, মেয়েটাকে দেখে রেখো’—দিদারের শেষ কথা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে সম্প্রতি কনফিডেন্সে লবন ফ্যাক্টরিতে আগুনে দগ্ধ হওয়া দিদারের ​মায়ের কোলে নিশ্চুপ হয়ে বসে আছে পাঁচ বছরের জান্নাতুল মাওয়া আফরা। কখনো মায়ের মুখের দিকে, কখনো ঘরে আসা মানুষের দিকে তাকাচ্ছে সে। প্লে শ্রেণিতে পড়া ছোট্ট মেয়েটি এখনো বুঝতে পারেনি, যার হাত ধরে স্কুলে যেত, যার জন্য সন্ধ্যায় দরজার দিকে তাকিয়ে থাকত, সেই বাবা আর কোনো দিন ফিরে আসবেন না।

আফরার মা শারমিন আক্তারের চোখে তখন শুধু অশ্রু। কথা বলতে গেলেই কণ্ঠ আটকে আসে। বারবার ফিরে যাচ্ছেন গত বৃহস্পতিবার সকালের স্মৃতিতে। সকালটা ছিল অন্য দিনের মতোই। প্রতিদিনের মতো দিদারুল আলম খুব ভোরে কাজে যাননি। সেদিন একটু দেরি হয়েছিল। মেয়ে আফরার পরীক্ষা ছিল। সকাল সাড়ে আটটার দিকে নাস্তা শেষ করে শারমিন মেয়েকে নিয়ে স্কুলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তখন দিদার বলেছিলেন, “তুমি যাও, মেয়ের পরীক্ষা শেষ করে আসো। আমি বাসায় আছি। এটাই ছিল স্বামীর সঙ্গে তাঁর শেষ স্বাভাবিক কথোপকথন। স্কুলে গিয়ে আধা ঘণ্টাও কাটেনি। হঠাৎ ফোন। ওপাশ থেকে কেউ জানতে চাইলেন, “কারখানায় বিস্ফোরণ হয়েছে, আপনার স্বামী কি সেখানে ছিলেন? শারমিন তখনও নিশ্চিন্ত ছিলেন। বলেছিলেন, “না, উনি তো বাসায় ছিলেন।কিন্তু কিছুক্ষণ পরই সেই বিশ্বাস ভেঙে যায়। খবর আসে, দিদার কারখানায় গিয়েছিলেন। বিস্ফোরণের সময় তিনি সামনেই ছিলেন। আগুনে তাঁর শরীরের ৯৫ শতংশ পুড়ে গেছে। এরপর আর কিছু ভাবার সুযোগ ছিল না।

মেয়েকে নিয়েই ছুটে যান চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। আইসিইউর সামনে দাঁড়িয়ে শুধু একটাই প্রার্থনা স্বামী যেন বেঁচে ফেরেন। কিন্তু সেই প্রার্থনা আর পূরণ হয়নি। কান্নজড়িত কণ্ঠে শারমিন বলেন, “শেষবার শুধু বলেছিল,‘আমাকে মাফ করে দিও। আমার মেয়েটাকে দেখে রেখো। তখন বুঝিনি, এটাই ওর শেষ কথা। ছয় বছর সংসারে আফরাই ছিল তাঁদের একমাত্র সন্তান। দিদারুল আলম ছিলেন ৪ বোনের একমাত্র ভাই। মা অনেক আগেই মারা গেছেন। বৃদ্ধ বাবা রুহুল আমিন ও অসুস্থ। সংসারের প্রধান ভরসা ছিলেন তিনিই। শারমিনের বুকফাটা আর্তনাদ,আমার মেয়ের দেখার আর কেউ নেই। বাবা ডাকার সুযোগটাও আল্লাহ কেড়ে নিল।

গত বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার পশ্চিম গোমদণ্ডী এলাকায় কনফিডেন্স সল্ট লিমিটেডের কারখানায় আগুন ও বিস্ফোরণে ১১ জন শ্রমিক দগ্ধ হন। গুরুতর আহতদের মধ্যে দিদারুল আলমের শরীরেরশতাংশ পুড়ে যায়। চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে তিনি বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে৮টায় মৃত্যুর কাছে হার মানেন। এখন বদন আলীর বাড়ির সেই ছোট ঘরে শুধু অপেক্ষা। তবে সেই অপেক্ষার কোনো শেষ নেই। ​শারমিন আক্তার ও জান্নাতুল মাওয়া আফরা নিহত দিদারের স্ত্রী ও মেয়ে।

আলোচিত খবর

নতুন ভোটার হওয়ার আবেদন ৩১ জুলাই পর্যন্ত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির সুযোগ পাচ্ছেন নিবন্ধিত না হওয়া নাগরিকরা। আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত নতুন ভোটার হওয়ার আবেদন গ্রহণ করা হবে। ইসি জানিয়েছে, ২০০৮ সালের ৩১ জুলাই বা তার আগে জন্মগ্রহণকারী যেকোনো ব্যক্তি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করলে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন। স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখেই এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে নির্বাচন কমিশন।

এদিকে নির্বাচন কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ৯ আগস্ট খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা এবং উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিসে তালিকাটি প্রদর্শন করা হবে। তালিকায় নাম বাদ পড়া বা তথ্যগত ভুল থাকলে সংশ্লিষ্টরা ২৪ আগস্ট পর্যন্ত নতুন অন্তর্ভুক্তি বা তথ্য সংশোধনের আবেদন করতে পারবেন। সব আপত্তি নিষ্পত্তি শেষে ৩১ আগস্ট চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ১০ আগস্ট খসড়া ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করা হবে। এরপর আপত্তি গ্রহণ ও যাচাই-বাছাই শেষে ২৭ আগস্ট চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন। এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা সিনিয়র সহকারী সচিব মো. রশিদ মিয়া স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে জানানো হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, আগামী অক্টোবর থেকে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচন দিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ লক্ষ্যে আগস্টের মাঝামাঝি বা শেষ সপ্তাহে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে।

বর্তমানে দেশে মোট ভোটারের সংখ্যা ১২ কোটি ৮৩ লাখ ২৩ হাজার ২৪০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৫২ লাখ ১২ হাজার ৭৩১ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ৩১ লাখ ৯ হাজার ২৬৬ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ হাজার ২৪৩ জন

আরও পড়ুন

সর্বশেষ