আজঃ শুক্রবার ১৭ এপ্রিল, ২০২৬

দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচার মোকাবেলায় মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ

বিশেষ সম্পাদক: রিপন শান:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচার মোকাবেলা শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন ৭১ সালেও দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র ছিল এখনও আছে । বঙ্গবন্ধু পরিবার ও দেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার প্রতিরোধে আমাদেরকে সজাগ হতে হবে, অনলাইন যুদ্ধে আমাদের সক্রিয় হতে হবে । সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে হবে। অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে ।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার আসলে দেশের অর্থনৈতিক বিপর্যয় সহ দেশ মহাসংকটে নিমজ্জিত হবে। জ্ঞানপাপী কলিমুল্লাহ অপপ্রচারে লিপ্ত। উনি বলেন অক্টোবর শেষের দিকে ঝড় আসবে- মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য উনার শাস্তি হওয়া উচিত, কলিমুল্লারা সকল নষ্টের মূল ।

 

আলোচনা সভার সভাপতি, বীরপুত্র মো. সোলায়মান মিয়া বলেন- জাতীয় নির্বাচন এবার বীরমুক্তিযোদ্ধাদের জন্য শেষ নির্বাচন। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে আমাদের অনুরোধ থাকবে বীরমুক্তিযোদ্ধা ও তাদের সন্তানদেরকে জাতীয় নির্বাচনে যেন নমিনেশনে প্রাধান্য দেওয়া হয়।

১২ অক্টোবর ২০২৩ ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটিতে অনু্ষ্ঠিত এক বিষয়ভিত্তিক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিতি ছিলেন- বীরমুক্তিযোদ্ধা সন্তোষ কুমার অধিকারী, সাবেক অতিরিক্ত সচিব, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সভাপতিত্ব করেন মো. সোলায়মান মিয়া, চেয়ারম্যান বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ, কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল। প্রধান বক্তা ছিলেন- শফিকুল ইসলাম বাবু, মহাসচিব- বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল।
বিশেষ অতিথি ছিলেন-এম. টিপু সুলতান ভাইস চেয়ারম্যান, আবু সুফিয়ান ভূইয়া ফারুক সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব, মো: মামুন হাওলাদার যুগ্ম মহাসচিব, সেলিম রাজা যুগ্ম মহাসচিব, এম ইসমাইল প্রিন্স যুগ্ন মহাসচিব, সুলতান যুগ্ম মহাসচিব মো: জুয়েল মিয়া যুগ্ম মহাসচিব- বাংলাদেশ মুুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ।

 

উপস্হিত ছিলেন- সৈয়দ রাজিউর রহমান রুবেল সাংগঠনিক সম্পাদক, ফয়সাল প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক, শের আলী সাংগঠনিক সম্পাদক, শহিদুজ্জামান রবিন সাংগঠনিক সম্পাদক, জসিম উদ্দিন সাংগঠনিক সম্পাদক , মশিউর রহমান পিন্টু সরকার দপ্তর সম্পাদক, খাদ্য বিষয়ক সম্পাদক উজ্জ্বল শফিউল ইসলাম, উপপ্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক, দেলোয়ার হোসেন, নির্বাহী সদস্য আইনুল হক মুন্নি নির্বাহী সদস্য, কাজী আলাউদ্দিন আলম নির্বাহী সদস্য,শফিউল কাদরী নির্বাহী সদস্য- বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ, কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল।
আরো উপস্হিতি ছিলেন- মামুন হাওলাদার সভাপতি ঢাকা বিভাগ, ঢাকা মহানগর উত্তরের কাজী সুলতান আলম ইমন আহ্বায়ক, প্রকৌশলী আব্দুল খালেক সদস্য সচিব, আরাফাত খান যুগ্ম সদস্য সচিব, রাব্বানি সরকার যুগ্ম সদস্য সচিব। ঢাকা মহানগর দক্ষিন ও ঢাকা জেলা সহ বিভিন্ন কমান্ডের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সুকণ্ঠ সংগীত বিদ্যার্থী পরিষদ বাংলাদেশ’র পহেলা বৈশাখে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পহেলা বৈশাখ বছরের প্রথম দিন বাঙ্গালী জাতির জন্যে বিশেষ দিন আড়ম্বরপূর্ণ ভাবে পালন করে থাকে, সেই সাথে বিভিন্ন পটচিত্র হাতে বাংলার

ঘরে ঘরে রৌদ্রময় দিনগুলো যেভাবে কাটে হাত পাখা, মিষ্টি, দই সহ নানা রকম পণ্য কৃষকের নতুন ধান ঘরে আনার যে কৌতূহল। বিভিন্ন প্রাণীর ছবি সম্বলিত ফেস্টুন হাতে বৈশাখী শোভা যাত্রা বের করে, রাস্তায় আঁকা হয় আলপনা, বৈশাখী রঙিন পোশাক পরে সবাই আনন্দ উৎসবে সকাল থেকে রাত পযর্ন্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, খেলাধুলা সহ পান্তা ইলিশ খাওয়া, ঘুরাঘুরি উৎসবে মেতে উঠে ছেলে বুড়ো সব বয়সের মানুষ।

সুকণ্ঠ সংগীত বিদ্যার্থী পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত পহেলা বৈশাখে চট্টগ্রাম নগরীর বৈঠক খানা কমিউনিটি হল চেরাগী পাহাড় ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ এর আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন, এতে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন কণ্ঠ শিল্পী, সুরকার,বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশন এর সঙ্গীত পরিচালক সুব্রত দাশ অনুজ, সম্মানিত অতিথি ছিলেন সোনালী ব্যাংকের সাবেক সিনিয়র কর্মকর্তা অঞ্জনা পারিয়াল, রিজেন্সী ও ক্যানপার্ক মানব সম্পদ বিভাগের উপমহা ব্যবস্হাপক লিটন কান্তি সরকার ও বিশিষ্ট কলামিস্ট সনেট দেব।পহেলা বৈশাখের তাৎপর্য তোলে ধরে অনুভূতি প্রকাশ করেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. অনুপ দে, শিক্ষক লেলিন বিশ্বাস, এর পর অনুভূতি প্রকাশ করেন সুকণ্ঠ সংগীত বিদ্যার্থী পরিষদ বাংলাদেশ’র সভাপতি সাংবাদিক

অরুণ নাথ, পরিষদের অন্যতম উপদেষ্টা লোপা দাশ, সুর্বণা দাশ, অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন পরিষদের সম্পাদক মো: লোকমান হোসেন।একক সঙ্গীত পরিবেশন করেন স্মৃতি দে, অনিন্দিতা ভট্টাচার্য, হিমু আইচ,অদিতি বিশ্বাস, উর্বশী চক্রবর্তী, কবিতা আবৃত্তি ও গান করেন লিটন কান্তি সরকার,এর পর একক গান করেন সারদা স্বয়ং প্রভা ঘোষ,অভ্রনীল দে,আর্য্যদীপ সরকার,শুভ্রনীল দাশ,দ্বৈত সঙ্গীত পরিবেশন করেন দীপা দে – নীপা দে ও অবন্তী সরকার – পিহুনা সরকার। এর পর একক সঙ্গীত পরিবেশন করেন সৌমিল শ্রীহান দত্ত, মো: লোকমান হোসেন, অরুণ নাথ, সনেট দেব,সুপ্রিয়া চৌধুরী, নরেন বিশ্বাস, রোদ্দুর দে, প্রসেনজিৎ ঘোষ,ঈশ্বান চক্রবর্তী,সূর্বণা দাশ,,উর্বশী চক্রবর্তী,দীপা সিংহ প্রমুখ। অনুষ্ঠানের মধ্যমনি ছিলেন বিদ্যার্থী পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা শিল্পী সুব্রত দাশ অনুজ, তাঁর পরিচালনায় পুরো অনুষ্ঠানটি উপস্থিত দর্শক-শ্রোতাদের মনজয় করে নিয়েছে। বিকাল ৩.৩০ টা থেকে রাত ৮ টা অবধি সুরের মায়াজালে ভরপুর। হলরুমটি ছিল কানায় কানায় পূর্ণ। শ্রোতাদের অনুরোধে শিল্পী সুব্রত দাশ অনুজের গানের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়।

দীর্ঘদিনের নিরবচ্ছিন্ন সাহিত্যচর্চার ফসল অমিত বড়ুয়ার সাহিত্যকর্ম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কিশোর সাহিত্যের উৎকর্ষধর্মী দ্বি-মাসিক পত্রিকা কিশোরবেলা’র উদ্যোগে কবি ও শিশুসাহিত্যিক অমিত বড়ুয়ার সাহিত্যকর্ম নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠান চট্টগ্রাম একাডেমি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। কবি ও সাংবাদিক রাশেদ রউফ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কথাসাহিত্যিক রফিকুর রশীদ।আলোচক ছিলেন প্রফেসর রীতা দত্ত, এলিজাবেথ আরিফা মুবাশশিরা, তহুরীন সবুর ডালিয়া, অরুণ শীল। উদ্বোধক ছিলেন কবি সুজন বড়ুয়া।স্বাগত বক্তব্য দেন রহমান রনি। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন দিলরুবা খানম ছুটি।

বক্তারা বলেন, কবি অমিত বড়ুয়ার দীর্ঘদিনের নিরবচ্ছিন্ন সাহিত্যচর্চার ফসল এই আলোচনা-উৎসব। তিনি নানা প্রতিকূলতার মাঝেও সাহিত্য রচনা অব্যাহত রেখেছেন। ছড়া-কবিতায় তিনি যে দৃশ্য আঁকেন তা নতুন ও স্বতন্ত্র। শিশু-কিশোরদের মনস্তত্ত্ব বুঝেই তিনি সাহিত্য রচনা করেন। তাঁর কবিতা-ছড়ার ভাষা সহজ, সরল ও সংবেদনশীল।শুভেচ্ছা বক্তব্য ও কবিতা পাঠে অংশ নেন সনজীব বড়ুয়া, দীপক বড়ুয়া, জসীম মেহবুব, খালেদুল আনোয়ার, মর্জিনা আক্তার, সুবর্ণা দাশ মুনমুন, সিমলা চৌধুরী, লিপি বড়ুয়া, আলোক বিকাশ বড়ুয়া, সুসেন কান্তি দাশ, যারীন সুবা, আবুল কালাম বেলাল, সনজিত দে, আজিজ রাহমান, নূরনাহার নিপা, সুপলাল বড়ুয়া, ইফতেখার মারুফ, কাঞ্চণা চক্রবর্তী, শিউলি নাথ, সাবিনা পারভীন লিনা, মিলন বণিক, মারজিয়া খানম সিদ্দিকা, আকাশ আহমেদ, সৈয়দ জিয়াউদ্দীন, জসিম উদ্দিন খান, বিদ্যুৎ কুমার দাশ, হেলাল বিন ইলিয়াছ, তানজিনা রাহী, মুনাজউর রহমান, মহুয়া চৌধুরী, প্রদ্যোত কুমার বড়ুয়া, বনানী শেখর রুদ্র প্রমুখ।

আলোচিত খবর

৬ জুলাই ‘পল্লী উন্নয়ন দিবস’ এবং ৭ নভেম্বর ‘বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সরকার ৬ জুলাই ‘পল্লী উন্নয়ন দিবস’ এবং ৭ নভেম্বর ‘বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, ৬ জুলাই পল্লী উন্নয়ন দিবস হিসেবে পালন করা হবে। তবে এদিন সরকারি ছুটি থাকবে না। এছাড়া ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পালন করা হবে; দিনটি সরকারি ছুটি হিসেবেও পালিত হবে।

নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতিমালা, ২০২৫ নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে সোলার পাওয়ার দিয়ে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এর জন্য একটি কমিটি করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের ফলে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে বর্তমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলার চেষ্টা করছে বলেও উল্লেখ করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাড়াও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান, ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু, তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী মো. আরিফুল হক চৌধুরী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানমসহ অন্যান্য সদস্যরা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ