আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচার মোকাবেলায় মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ

বিশেষ সম্পাদক: রিপন শান:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচার মোকাবেলা শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন ৭১ সালেও দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র ছিল এখনও আছে । বঙ্গবন্ধু পরিবার ও দেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার প্রতিরোধে আমাদেরকে সজাগ হতে হবে, অনলাইন যুদ্ধে আমাদের সক্রিয় হতে হবে । সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে হবে। অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে ।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার আসলে দেশের অর্থনৈতিক বিপর্যয় সহ দেশ মহাসংকটে নিমজ্জিত হবে। জ্ঞানপাপী কলিমুল্লাহ অপপ্রচারে লিপ্ত। উনি বলেন অক্টোবর শেষের দিকে ঝড় আসবে- মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য উনার শাস্তি হওয়া উচিত, কলিমুল্লারা সকল নষ্টের মূল ।

 

আলোচনা সভার সভাপতি, বীরপুত্র মো. সোলায়মান মিয়া বলেন- জাতীয় নির্বাচন এবার বীরমুক্তিযোদ্ধাদের জন্য শেষ নির্বাচন। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে আমাদের অনুরোধ থাকবে বীরমুক্তিযোদ্ধা ও তাদের সন্তানদেরকে জাতীয় নির্বাচনে যেন নমিনেশনে প্রাধান্য দেওয়া হয়।

১২ অক্টোবর ২০২৩ ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটিতে অনু্ষ্ঠিত এক বিষয়ভিত্তিক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিতি ছিলেন- বীরমুক্তিযোদ্ধা সন্তোষ কুমার অধিকারী, সাবেক অতিরিক্ত সচিব, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সভাপতিত্ব করেন মো. সোলায়মান মিয়া, চেয়ারম্যান বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ, কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল। প্রধান বক্তা ছিলেন- শফিকুল ইসলাম বাবু, মহাসচিব- বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল।
বিশেষ অতিথি ছিলেন-এম. টিপু সুলতান ভাইস চেয়ারম্যান, আবু সুফিয়ান ভূইয়া ফারুক সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব, মো: মামুন হাওলাদার যুগ্ম মহাসচিব, সেলিম রাজা যুগ্ম মহাসচিব, এম ইসমাইল প্রিন্স যুগ্ন মহাসচিব, সুলতান যুগ্ম মহাসচিব মো: জুয়েল মিয়া যুগ্ম মহাসচিব- বাংলাদেশ মুুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ।

 

উপস্হিত ছিলেন- সৈয়দ রাজিউর রহমান রুবেল সাংগঠনিক সম্পাদক, ফয়সাল প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক, শের আলী সাংগঠনিক সম্পাদক, শহিদুজ্জামান রবিন সাংগঠনিক সম্পাদক, জসিম উদ্দিন সাংগঠনিক সম্পাদক , মশিউর রহমান পিন্টু সরকার দপ্তর সম্পাদক, খাদ্য বিষয়ক সম্পাদক উজ্জ্বল শফিউল ইসলাম, উপপ্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক, দেলোয়ার হোসেন, নির্বাহী সদস্য আইনুল হক মুন্নি নির্বাহী সদস্য, কাজী আলাউদ্দিন আলম নির্বাহী সদস্য,শফিউল কাদরী নির্বাহী সদস্য- বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ, কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল।
আরো উপস্হিতি ছিলেন- মামুন হাওলাদার সভাপতি ঢাকা বিভাগ, ঢাকা মহানগর উত্তরের কাজী সুলতান আলম ইমন আহ্বায়ক, প্রকৌশলী আব্দুল খালেক সদস্য সচিব, আরাফাত খান যুগ্ম সদস্য সচিব, রাব্বানি সরকার যুগ্ম সদস্য সচিব। ঢাকা মহানগর দক্ষিন ও ঢাকা জেলা সহ বিভিন্ন কমান্ডের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শিক্ষা ও সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে শিশুদের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধ জাগিয়ে তুলতে হবে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শিশুরাই আগামীদিনের ভবিষ্যৎ। শিক্ষা ও সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে তাদের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধ জাগিয়ে তুলতে হবে। যে শিক্ষা মানুষকে মানুষ হতে সাহায্য করে না, তা কুশিক্ষা। জে.এম সেন হল প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত বিবেকানন্দ বিদ্যানিকেতন ও বিবেকানন্দ সঙ্গীত নিকেতনের বার্ষিক অনুষ্ঠানে বক্তারা একথা বলেন।

তারা আরো বলেন, শিক্ষার বিস্তার ও সংস্কৃতির প্রসার একটি জাতিকে সভ্য জাতিতে পরিনত করে। বিবেকানন্দ বিদ্যানিকেতন ও সঙ্গীত নিকেতন এই গুরু দায়িত্ব পালন করছে। স্কুল পরিচালনা পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি দুলাল কান্তি মজুমদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন অনুষ্ঠানের উদ্বোধক চট্টগ্রাম রামকৃষ্ণ মিশন ও সেবাশ্রমের অধ্যক্ষ স্বামী শক্তিনাথানন্দজী মহারাজ, প্রধান অতিথি বিশিষ্ট সমাজসেবী অজয়কৃষ্ণ দাশ মজুমদার, বিশেষ অতিথি শিক্ষাবিদ প্রফেসর রীতা দত্ত, শিক্ষানুরাগী মিহির কান্তি নাথ।

স্বাগত বক্তব্য প্রদান সম্পাদক তাপস হোড়, অন্যানদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ অধ্যাপক নারায়ন চৌধুরী। প্রিয়ম কৃষ্ণ দে’র উপস্থাপনায় অনুষ্ঠিত বার্ষিক অনুষ্ঠানের কর্মসূচিতে ছিল চিত্রপ্রদর্শনী, চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও শিশু শিল্পীদের পরিবেশিত সঙ্গীত ও নৃত্যানুষ্ঠান।

বিএনপি একমাত্র দল যারা যতবার ক্ষমতায় গিয়েছে, ততবার মানুষের জন্য কাজ করেছে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিএনপি দুর্নীতির টুটি চেপে ধরবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, যত পরিকল্পনা গ্রহণ করি, এগুলো বাস্তবায়ন করতে হলে দুটি বিষয় কড়াকড়িভাবে নজর দিতে হবে। একটি হলো, মানুষের নিরাপত্তা। যাতে করে মানুষ নিরাপদে চলাচল করতে পারে। অতীতে বিএনপি যখন দেশ পরিচালনা করেছে, আমাদের কেউ অন্যায় করলেও, আমরা ছাড় দিইনি। রোববার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটের দিকে চট্টগ্রাম মহানগরের পলোগ্রাউন্ড মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, আগামীতে সরকারে গেলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। আরেকটি বিষয়টি হচ্ছে দুর্নীতি। বিএনপি দুর্নীতির টুটি চেপে ধরবে।


অতীতে বেগম খালেদা জিয়া দুর্নীতি দমন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। তাই আগামীতে দুর্নীতি করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। তারেক রহমান বলেন, আগামীতে বিএনপির ওপর আস্থা রাখুন। ধানের শীষে ভোট দিন।
এবার ভোটের আগে তাহাজ্জুদের নামাজ পড়বেন, তারপর কেন্দ্রে যাবেন। সেখানে ফজরের নামাজ পড়ে লাইনে দাঁড়িয়ে যাবেন। গত ১৫ বছর আপনাদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। আবার এরকম একটি ষড়যন্ত্র হচ্ছে। তাই এবার ধানের শীষে ভোট দেন।

তিনি বলেন, আমরা আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী দলের অনেক সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু তাতে কারও পেট ভরবে না। কারও লাভ হবে না। বিএনপি একমাত্র দল যারা যতবার ক্ষমতায় গিয়েছে, ততবার মানুষের জন্য কাজ করেছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধে উৎপাদন বাড়াতে হবে। তাই আমরা কৃষকের কাছে কৃষক কার্ড পৌঁছে দিতে চাই। যাতে করে তারা বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পায়।


তিনি আরো বলেন, চট্টগ্রামের একটি বড় সমস্যা জলাবদ্ধতা। বিভিন্ন খাল-নালা বন্ধ হওয়ার কারণে এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে আমরা খাল কাটতে চাই। আপনারা কী আমাদের সঙ্গে খাল কাটা কর্মসূচিতে যোগ দিতে চান?। চট্টগ্রামে একাধিক ইপিজেড রয়েছে। যেখানে লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। এগুলো বিএনপির আমলে হয়েছিল। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি আবার আমাদের ভোট দিয়ে ক্ষমতায় আনেন, তাহলে আরও ইপিজেড করা হবে। সবমিলিয়ে চট্টগ্রাম হবে বাণিজ্যিক রাজধানী।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ