আজঃ শুক্রবার ১ মে, ২০২৬

এইচএন্ডআই কাউন্সিল ইন্টারন্যাশনাল ইডুকেশন ফেয়ার’২৩ উপলক্ষ্যে সংবাদ সম্মেলন

বার্তা কক্ষ:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিদেশে মানসম্পন্ন উচ্চ শিক্ষার জন্য এইচএন্ডআই কাউন্সিল ইন্টারন্যাশনাল ইডুকেশন ফেয়ার’২৩ উপলক্ষ্যে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার ২১ অক্টোবর২৩ ইং সকাল ১০.৩০ মিনিটে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের এফ রহমান হলে।

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এইচএন্ডআই কাউন্সিলের প্রতিষ্ঠাতা সানিউল ইসলাম তাঁর বক্তব্য তুলে ধরে বলেন, নভেম্বরে ক্রমবর্ধমান চাহিদার কারণে বর্তমানে অনেক শিক্ষার্থী উচ্চ শিক্ষার জন্য বিদেশ যেতে ইচ্ছুক। উন্নতমানের জীবনযাত্রা, আধুনিক পড়াশোনা এবং শিক্ষার পাশাপাশি চাকরীর ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা থাকার কারণে আজকাল বেশির ভাগ শিক্ষার্থী পাড়ি জমাচ্ছে বিদেশে। গবেষণা-মুখী শিক্ষা, পর্যাপ্ত পরিমাণ সুযোগ-সুবিধা, রেসিডেন্সি পারমিট পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা ও নিজ ভবিষ্যৎ জীবনকে সুন্দর করার লক্ষ্যে আজকাল অনেক শিক্ষার্থী নিজেদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ছুটে চলছে বিদেশে। বিদেশ থেকে পড়াশুনা শেষ করে দেশে মাল্টিন্যাশনাল অথবা কর্পোরেট জগতে দক্ষতার সাথে কাজ করছে অনেকে।

 

 

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো বলেন, আমাদের দেশ থেকে যে সমস্ত শিক্ষার্থীরা বিদেশে উচ্চ শিক্ষার জন্য চিন্তা করেন তখন কোন দেশ, বিষয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ভর্তি হতে কি কি লাগবে, খরচ কেমন লাগবে, স্কলারশীপ সুবিধা আছে কিনা ইত্যাদি বিষয়ে বেশীরভাগ শিক্ষার্থীর পরিষ্কার ধারনা থাকে না। পরিষ্কার ধারনার জন্য এইচএন্ডআই কাউন্সিল ১৮ নভেম্বর ২০২৩ইং হোটেল পেনিনসুলায় ইন্টারন্যাশনাল ইডুকেশন ফেয়ার ২০২৩ এর আয়োজন করেছে। এ মেলা থেকে শিক্ষার্থীরা বিস্তারিত তথ্য ও সরাসরি ভর্তির সুযোগ পাবেন।

এই বিষয়ে আপনার প্রতষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কি পরিমাণ পরামর্শ ফি নেওয়া হয় ?

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিইও বলেন, আমরা ছাত্র/ছাত্রীদের পরামর্শের জন্য কোন ফি গ্রহণ করিনা। বিনামূল্যে পরামর্শ দিয়ে থাকি।

বিদেশে শিক্ষাগ্রহণের ক্ষেত্রে অনেক ছাত্র প্রতারিত হচ্ছে এই বিষয়ে আপনার প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য কি ? জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমকে কোন ধরণের আর্থিক লেনদেন হয় না। যা লেনদেন হবে ব্যাংকের মাধ্যমে ছাত্র/ছাত্রীরা সরাসরি তাদের পছন্দের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে করবে। যেহেতু আমাদের প্রতিষ্ঠান নগদ কোন টাকা গ্রহণ করে না, সুতরাং প্রতারিত হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই।

বিদেশে টিউশন ফি বেশী সে ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের পার্টনাটম জব করার কোন সুযোগ আপনারা করে দেন কিনা জানতে চাইলে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আমরা দীর্ঘ ২৩ বছর ধরে এই পেশার সাথে জড়িত। আমাদের অনেক শিক্ষার্থীও বিদেশে প্রতিষ্ঠিত আমাদের মাধ্যমে কেউ ভর্তি হলে পার্টনাইম জবের জন্য আমরা হেল্প করে থাকি এবং পাশাপাশি কেউ থাকেল সহযোগীতা করতে বলি।

বিদেশে ভর্তি হতে হলে ভাষা একটা বড় বিষয়, ভাষা শেখার ‌ব্যাপারে আপনারা কি করেন? সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিইও বলেন, আমাদের প্রতিষ্ঠান কোন ভাষা শেখার প্রতিষ্ঠান না; যারা ভাষা শিখতে চাই তাদের ভাষা শেখার প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ করিয়ে দিই।

আগামী ১৮ নভেম্বর ২০২৩ইং হোটেল পেনিনসুলায় ইন্টারন্যাশনাল ইডুকেশন ফেয়ার ২০২৩ এই উপলক্ষ্যে বিশেষ কোন সুবিধা আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, যদি কেউ শিক্ষা মেলা চলাকালীন ভর্তি হয় তার জন্য ল্যাপটপ উপহার থাকবে।

সভাপতির বক্তব্যে প্রতিষ্ঠানের উপদেষ্টা রেহেনা বেগম উপস্থিত সকল সাংবাদিকদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করে সংবাদ সম্মেলনের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র এক্সিকিউটিভ মাসুদুর রহমান, মো. হেলাল উদ্দিন প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ভারতের বিদায়ী সহকারী হাইকমিশনার ডা. রাজীব রঞ্জনের সাথে চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সৌজন্য সাক্ষাৎ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভারতের চট্টগ্রামস্থ সহকারী হাইকমিশনের বিদায়ী সহকারী হাইকমিশনার ডা. রাজীব রঞ্জন আজ বুধবার টাইগারপাসস্থ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন কার্যালয়ে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
সাক্ষাৎকালে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন দীর্ঘ চার বছর বাংলাদেশে কর্মরত থাকা অবস্থায় চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য ডা. রাজীব রঞ্জনকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

এসময় মেয়র বলেন, “বৈচিত্র্যই ভারতের বড় শক্তি। ভারতের এক একটি রাজ্য থেকে আরেকটি রাজ্যের পরিবেশ, খাদ্যাভ্যাস ও সংস্কৃতির ভিন্নতা রয়েছে। এই বৈচিত্র্যপূর্ণ পরিবেশকে ঐক্যবদ্ধ করে চলতে পারার কারণেই ভারত বিশ্বের বুকে একটি সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যপূর্ণ দেশ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। আমি ব্যক্তি জীবনে অনেকবার ভারতে গিয়েছি, এমনকি পড়াশোনার জন্যও গিয়েছি।তিনি আরও বলেন – বাংলাদেশের অনেক মানুষ ধর্মীয়, শিক্ষা ও চিকিৎসার প্রয়োজনে ভারতে যান। তাদের ভিসা প্রসেসিং সহজ হলে এবং ভিসা প্রদানের গতি বাড়লে উভয় দেশের মানুষই উপকৃত হবে।”

বিদায়ী সহকারী হাইকমিশনার ডা. রাজীব রঞ্জন বলেন, “চট্টগ্রাম উন্নয়নের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সম্ভাবনাময় একটি নগরী। কারণ চট্টগ্রামের প্রাকৃতিক পরিবেশ এখনো অনেকটাই সংরক্ষিত আছে। বিশেষ করে ভাটিয়ারী, পতেঙ্গা ও ফয়’স লেক এলাকা অত্যন্ত নয়নাভিরাম। চট্টগ্রাম শহরের পাহাড় এবং নদীও অপূর্ব সুন্দর। পর্যটনের ক্ষেত্রে চট্টগ্রামের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। বাংলাদেশ যদি এই সুযোগগুলো যথাযথভাবে কাজে লাগাতে পারে, তবে চট্টগ্রাম আঞ্চলিক অর্থনীতিতে আরও বড় ভূমিকা রাখতে পারবে।

তিনি বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনকালে সার্বিক সহযোগিতার জন্য চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ও মেয়র মহোদয়কে ধন্যবাদ জানান।সাক্ষাৎকালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভা শেষে মেয়র মহোদয় বিদায়ী সহকারী হাইকমিশনারকে শুভেচ্ছা স্মারক উপহার দেন।

পানি নিষ্কাশনে প্রতিবন্ধকতায় জলাবদ্ধতা দেখা দিচ্ছে : মেয়র ডা. শাহাদাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভারি বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম নগরে বিভিন্ন এলাকায় সাময়িক জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত তিনি মুরাদপুর, কাতালগঞ্জ ও প্রবর্তক মোড়সহ বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি ঘুরে দেখেন তিনি।পরিদর্শনকালে মেয়র স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং চলমান খাল সংস্কার কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের কাছ থেকে জেনে নেন। মেয়র শাহাদাত হোসেন জানান, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)-এর আওতাধীন খাল সংস্কার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।বিশেষ করে হিজরা খাল ও জামালখান খালের সংস্কার কাজ চলমান থাকায় কিছু এলাকায় সাময়িকভাবে পানি নিষ্কাশনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে, যার ফলে বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতা দেখা দিচ্ছে।

মেয়র বলেন, এসব উন্নয়ন কাজ চলমান থাকার কারণে সাময়িক দুর্ভোগ তৈরি হলেও এটি দীর্ঘমেয়াদে নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আগামী ১৫ মে’র মধ্যে সিডিএ’র খাল সংস্কার কাজ সম্পূর্ণ শেষ হবে। কাজ শেষ হলে নগরীর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থায় বড় ধরনের উন্নতি ঘটবে এবং জলাবদ্ধতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।আশাবাদ ব্যক্ত করে মেয়র বলেন, চলমান বর্ষা মৌসুমেই নগরীর প্রায় ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ জলাবদ্ধতা নিরসন সম্ভব হবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।পরিদর্শনকালে চসিকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও প্রকৌশল বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচিত খবর

সৌদি আরব থেকে আসছে আরো ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রামের পথে রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ৫ মে রাতে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। রোববার চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অপরিশোধিত তেল নিয়ে জাহাজটি আসছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ণ রিফাইনারীতে (ইআরএল) কাঁচামাল হিসেবে ক্রুড অয়েল ব্যবহৃত হয়। আমদানিকৃত ক্রুড এখানে পরিশোধনের পর সরবরাহ করা হয় জ্বালানি তেল বিপণনকারী কোম্পানিগুলোর কাছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে ক্রুড অয়েল আনতে না পারায় কাঁচামাল সংকটে গত ১২ এপ্রিল থেকে রিফাইনারিটির প্রধান প্ল্যান্টসহ দুটি প্ল্যান্ট বন্ধ রয়েছে। নতুন চালান এলে ইউনিট দুটি পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে সক্ষম হবে।

চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত জানান, সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নাইনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজ এক লাখ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে আসছে। এটি এরইমধ্যে লোহিত সাগর অতিক্রম করেছে এবং নিরাপদ রুট ধরে বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোচ্ছে। ইয়েমেন উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে জাহাজটি বিকল্প পথ ব্যবহার করছে।

তিনি বলেন, জাহাজটি সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল সকালে যাত্রা শুরু করে। এর আগে, রাতভর তেল লোডিং কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এই চালান দেশে পৌঁছালে ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাঁচামালের সংকটে সম্প্রতি শোধনাগারটির কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়েছিল। জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে জটিল পরিস্থিতির কারণে আরেকটি তেলবাহী সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়েছে।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশে মোট চাহিদার বড় অংশই আমদানিনির্ভর। পরিবহন খাত সবচেয়ে বেশি জ্বালানি ব্যবহার করে। এরপর রয়েছে কৃষি, বিদ্যুৎ ও শিল্প খাত। এসব খাতে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এর পরেই রয়েছে ফার্নেস অয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এই চালান দেশে পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং উৎপাদন কার্যক্রমও স্বাভাবিক হবে বলে তারা মনে করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ