আজঃ বুধবার ২১ জানুয়ারি, ২০২৬

প্রশাসন ছাড়া আমার ইউনিয়নে আসেন, এমপি নদভীকে চেয়ারম্যান সুমন

চট্টগ্রাম অফিস:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সাহস থাকলে প্রশাসন ছাড়া এসে মাঠে খেলার জন্য সংসদ সদস্য প্রফেসর ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভীকে আহ্বান জানিয়েছেন সাতকানিয়ার পশ্চিম ঢেমশা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রিদুয়ানুল হক সুমন।

গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নিজের ফেইসবুক আইডিতে এক ভিডিও বার্তায় সুমন বলেন, আমি দুই নির্বাচনে আপনাকে বিজয়ী করতে জীবনবাজি রেখে কাজ করেছি। আপনি প্রশাসন ছাড়া আমার সাথে খেলতে আসেন। এমপি পদ ছেড়ে আমার সাথে চেয়ারম্যান নির্বাচন করেন। তিনি সাতকানিয়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি পদে আছেন বলে জানান।

ভিডিও বার্তায় রিদুয়ানুল হক সুমন বলেন, আপনাদের অবগতির জন্য বলছি, চট্টগ্রাম–১৫ আসনের এমপি মহোদয় বিগত ২০ তারিখ আমার ইউনিয়নে গিয়ে আমার নামে প্রকাশ্যে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য রেখে ক্ষান্ত হননি। উনি প্রকাশ্যে আরও বলেন, জামায়াত–শিবিরের শীর্ষ সন্ত্রাসীকে চেয়ারম্যান ঘোষণা করেছে। এমপি নদভীর এই বক্তব্যের মাধ্যমে জনগণের রায়কে অসম্মান এবং প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচন প্রক্রিয়া ও স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা হয়েছে।

সুমন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আপনাকে মনোনয়ন দিয়েছেন বিধায় এতদিন আপনাকে সম্মান করেছি। বিগত দুই সংসদ নির্বাচনে নৌকার বিজয় সুনিশ্চিত করার জন্য এলাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেছি। কিন্তু এমপি মহোদয়, আমি আপনাকে একটা কথা বলতে চাই, আমি এই চেয়ারম্যানের চেয়ারে উড়ে এসে জুড়ে বসি নাই। আমি তৃণমূল থেকে উঠে আসা একজন মুজিব আদর্শের কর্মী এবং সুষ্ঠু নির্বাচনে জনগণের ভোটে নির্বাচিত চেয়ারম্যান। আপনার সাহস থাকলে প্রশাসন ছাড়া আমার ইউনিয়নে আবার আসেন এবং আপনার এমপি পদ চলে গেলে আপনি আমার সাথে চেয়ারম্যান নির্বাচন করেন। দেখি কীভাবে আপনি জিতেন। জনগণের কাছে আপনার অবস্থান কত নিম্ন স্তরে সেটা নির্বাচনের মাধ্যমে প্রমাণ করে দেব ইনশাআল্লাহ।

আপনি মাইকে গলাবাজি না করে মাঠে আসেন। দেখেন কে জিতে। মাইকে গলাবাজি করে, মানুষকে অসম্মান করে… এটা তো ভালো না। মানুষকে সম্মান করতে শিখুন, মানুষকে ভালোবাসতে শিখুন। এতে দল ও আপনার মঙ্গল হবে। আপনি যদি খেলতে চান তাহলে খেলার মতো খেলেন। খেলা হবে, ইনশাআল্লাহ। আর আমার সাথে চেয়ারম্যান নির্বাচন করেন। ইনশাআল্লাহ, দেখা হবে মাঠে। সবাইকে মুজিবীয় শুভেচ্ছা রইল। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মহাসমাবেশ ২৫ জানুয়ারী ২১ বছর পর চট্টগ্রামে আসছেন তারেক রহমান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে আসছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দীর্ঘ ২১ বছর পর আগামী ২৫ জানুয়ারি চট্টগ্রামে বিএনপির নির্বাচনি মহাসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে দলটির এ শীর্ষ নেতার উপস্থিত থাকার কথা আছে। সেই কর্মসূচিতে যোগ দিতে একদিন আগেই তিনি চট্টগ্রামে পৌঁছাবেন, এমন তথ্য দিয়েছেন দলটির নেতারা। সমাবেশের প্রস্তুতির জন্য বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নগরীর মেহেদিবাগের বাসভবনে যৌথসভা আহ্বান করেছেন।

চট্টগ্রামের ১৬টি সংসদীয় আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এবং মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের সভায় উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, তারেক রহমান সর্বশেষ চট্টগ্রামে এসেছিলেন ২০০৫ সালে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্বাচনি প্রচারণায় এসে তিনি নগরীর লালদিঘী ময়দানে জনসভা করেছিলেন। এরপর এক-এগারো পরবর্তী জরুরি অবস্থায় তিনি গ্রেফতার হয়ে কারাবরণ করেন এবং একপর্যায়ে দেশ ছেড়ে যেতে বাধ্য হন। দেড় দশক পর দেশে ফিরে তিনি পিতা জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বরণের স্মৃতিবিজড়িত চট্টগ্রাম শহরে আসছেন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে যোগ দিতে।

নগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন জানিয়েছেন, ২৫ জানুয়ারি সকাল ১১টায় নগরীর পলোগ্রাউন্ড ময়দানে বিএনপির নির্বাচনি সমাবেশ হবে। সমাবেশের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। ‘উনি (তারেক রহমান) ২৪ জানুয়ারি রওনা দেবেন। প্রাথমিকভাবে আমরা বার্তা পেয়েছি যে, ২৪ তারিখ উনি নোয়াখালী, ফেনী, মিরসরাই এবং ফাইনালি সীতাকুণ্ড হয়ে চট্টগ্রাম শহরে আসবেন। ২৪ তারিখ রাতে উনি এখানে একটা হোটেলে অবস্থান করবেন। পরদিন সকালেই প্রোগ্রামটা করে উনি হয়তো-বা চলে যাবেন। প্রোগ্রামটা যদিও এখনো ফাইনালি সাজানো হয়নি। উনি কি বিমানে আসবেন না-কি সড়কপথে আসবেন, সেটা এখনো ফাইনাল হয়নি। তবে উনি ২৪ তারিখ রাতে চট্টগ্রামে অবস্থান করবেন, এটা ফাইনাল হয়েছে এবং ২৫ জানুয়ারি উনি সমাবেশ করবেন ইনশল্লাহ।

নগরীর পলোগ্রাউন্ড ময়দানে এখন সমাবেশের জোর প্রস্তুতি চলছে। মাঠটিকে সংস্কারের মাধ্যমে সমাবেশের উপযোগী করা হচ্ছে। একইসঙ্গে মঞ্চ স্থাপনের প্রাথমিক কাজও শুরু হয়েছে। পলোগ্রাউন্ড ময়দানে গিয়ে মাঠের সার্বিক অবস্থা, মঞ্চ স্থাপন, প্রবেশ ও বহির্গমন পথ, পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থা, নিরাপত্তা প্রস্তুতি এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত বিষয় খতিয়ে দেখেন। একইসঙ্গে দায়িত্বপ্রাপ্তদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
সিটি মেয়র শাহাদাত হোসেন বলেন, আমরা আসলে অত্যন্ত সৌভাগ্যবান এবং আনন্দিত। আমি যখন ২০১২ সালে দলের চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছিলাম, আমরা একটা ঐতিহাসিক মহাসমাবেশ এখানে (পলোগ্রাউন্ড) করেছিলাম। এটাই ছিল আক্ষরিক অর্থে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার চট্টগ্রামে শেষ সমাবেশ। এরপর আর সমাবেশ হয়নি। উনি ২০১৭ সালে আরেকবার এসেছিলেন, সেটা ছিল পথসভা, উনি সরাসরি রোহিঙ্গাদের দেখতে গিয়েছিলেন এবং দেখে চলে এসেছিলেন। পথে পথে স্বতঃস্ফূর্তভাবে মানুষ দেশনেত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছিল।

এর আগে, আমাদের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান, উনি চট্টগ্রামে শেষ সমাবেশটা করেছিলেন লালদিঘীর ময়দানে ২০০৫ সালে মেয়র নির্বাচন উপলক্ষ্যে। ২১ বছর পার হয়ে গেছে। ২১ বছর পর উনি চট্টগ্রামে আসছেন। এখন চট্টগ্রামের মানুষের মধ্যে অনেক উন্মাদনা। এখানে শুধু আমাদের দলীয় নেতাকর্মী নয়, চট্টগ্রামের মানুষ উনাকে দেখার জন্য উন্মুখ হয়ে আছেন। চট্টগ্রামবাসী উনাকে সাদর আমন্ত্রণ জানানোর জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।
চট্টগ্রামের মহাসমাবেশ জনসমুদ্রে পরিণত হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ২৫ ডিসেম্বর উনি যখন ফিরলেন, তখন কিন্তু দেশের মানুষ বার্তা দিয়েছে যে উনাকে তারা কতটা ভালোবাসে। সেভাবে চট্টগ্রামের মানুষও একটা বার্তা উনাকে দেবে বলে আমাদের বিশ্বাস। চট্টগ্রামবাসীও অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে আছেন উনি কী বার্তা নিয়ে আসবেন। আমরা আশা করি জনসমাবেশটি জনসমুদ্রে পরিণত হবে।

সমাবেশের সময় আমাদের ২৫ জানুয়ারি সকাল ১১টায় বলা হয়েছে। আমাদের পক্ষ থেকে ১০টায় টাইম দেওয়া হচ্ছে, বাট সকাল থেকেই সবাই চলে আসবে। উনি হয়তো সমাবেশস্থলে আসতে সকাল ১১টা নাগাদ হতে পারে। আমি সবার প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, শুধু নেতাকর্মীদের নয়, আমি চট্টগ্রামবাসীকে আহ্বান জানাই, অত্যন্ত আনন্দমুখর পরিবেশে ফেস্টিভ মুডে উনাকে বরণ করে নেবেন। চট্টগ্রামকে নিয়ে উনার কী প্ল্যান আছে, দেশকে নিয়ে উনার কী প্ল্যান আছে অবশ্যই সেগুলো উনি বলবেন, একটা সুন্দর বার্তা চট্টগ্রামবাসীর জন্য দেবেন।

পাবনা-০৩ আসনে আচরণবিধি লঙ্ঘন, তুহিন কে শোকজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাবনা-০৩ আসনে বিএনপির এমপি পদপ্রার্থী কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন কে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে আদালত কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) জারি করেছে ।

এ আসনের নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির চেয়ারম্যান সিনিয়র সিভিল জজ আদালতের (ঈশ্বরদী,পাবনা) বিচারক সঞ্চিতা ইসলাম শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেলে এই নোটিশ দেন।

নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, সে বিষয়ে আগামী ২০ জানুয়ারি নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির কার্যালয়ে হাজির হয়ে তাকে লিখিতভাবে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।

কারণ দর্শানোর নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, মো. হাসান জাফির তুহিন পাবনা-০৩ আসনে বিএনপির এমপি পদপ্রার্থী। তার পক্ষে মো. লিখন সরকার নামের ফেসবুক আইডি থেকে কিছু স্থিরচিত্র এবং ভিডিও প্রচার করছেন। গত ১৬ জানুয়ারি বিষয়টি নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটির দৃষ্টিগোচর হয়েছে। ধানের শীষের পক্ষে প্রকাশ্যে ভোট চাওয়া সহ স্লোগান দেয়া হচ্ছে। নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে তার এসব কার্যকলাপ সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫ এর বিধি ৩ ও বিধি ১৮ এর লঙ্ঘন বলে প্রতীয়মান হয়।

নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে মো. হাসান জাফির তুহিনের কাছ থেকে লিখিত জবাব চেয়ে নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয়, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তিন সপ্তাহ আগে নির্বাচনি প্রচার শুরু করার কোনো সুযোগ নেই। সেই হিসেবে এ ধরনের কার্যক্রম সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ কারণে কেন আপনার (মো. হাসান জাফির তুহিন) বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, সে বিষয়ে আগামী মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) ঈশ্বরদী পাবনার সিনিয়র সিভিল জজ আদালতের বিচারক সঞ্চিতা ইসলাম এর কার্যালয়ে সশরীরে হাজির হয়ে লিখিত বক্তব্য/ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে ।

এ বিষয়ে পাবনা-০৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী (ধানের শীষ) কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন বলেন,
নির্বাচনী আচরণ বিধির প্রতি সম্মান জানিয়ে ইতোপূর্বেই আমার ভেরিফাইড ফেসবুকে আগামী ২২ জানুয়ারির পূর্বে দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক, শুভাকাঙ্ক্ষী, হিতাকাঙ্খীসহ সবাইকে সকল প্রকার নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা বন্ধের আহ্বান জানানো হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, আমি নিজে নির্বাচনি কোন প্রচার-প্রচারণা করছি না। আদালতের প্রতি আমি সকল সময় শ্রদ্ধাশীল। শোকজের জবাব আদালতে হাজির হয়ে দিবো।

আলোচিত খবর

গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে প্রধান উপদেষ্টা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Oplus_131072

আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর গণভবনে তৈরি করা জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করেছেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।

Oplus_131072

রাজনৈতিক দলের নেতা ও সরকারের অন্যান্য উপদেষ্টাদের নিয়ে মঙ্গলবার বিকালে জাদুঘরের চূড়ান্ত পর্যায়ের কাজের অগ্রগতি ঘুরে দেখেন তিনি।


রাজনৈতিক দলগুলোর নেতা ও সরকারের উপদেষ্টাদের নিয়ে মঙ্গলবার জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের চূড়ান্ত পর্যায়ের কাজ ঘুরে দেখেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।
ছবি: পিআইডি

আরও পড়ুন

সর্বশেষ