আজঃ বুধবার ২৫ মার্চ, ২০২৬

লরি ড্রাইভারের ঘুম কেড়ে নিল ৩ শ্রমিকের প্রাণ

মিরসরাই সংবাদদাতা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলন্ত গাড়িতে ঘুমিয়ে পড়লেন ড্রাইভার। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে ৪ পথচারীকে চাপা দিল লরি। ঘটনা স্থলেই ৩ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (২৫ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মিরসরাই উপজেলা সদর ইউনিয়নের ওয়ারলেস এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
দূর্ঘটনায় নিহতরা হলেন, শ্রমিক মো. শফিক (৪৫), মো. আলম (৫০), মো. মাসুক (৩০)। একি ঘটনায় মারাত্মক আহত হয়েছেন মো. মাজেদ (৩৫)।

প্রত্যক্ষদর্শী ও আহত এক শ্রমিক জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পূর্ব পাশ ঘেঁষে তেলের পাইফ লাইন স্থাপনের কাজ করছিলেন নিয়োজিত শ্রমিকরা। কাজের ফাঁকে নাস্তা সেরে ফের কাজে যোগ দিতে রাস্তার পাশ দিয়ে কর্মস্থানে যাচ্ছিলেন ৫ শ্রমিক। এসময় কিছু বুঝে উঠার আগেই চলন্ত লরি মহাসড়ক থেকে বিচ্যুত হয়ে সড়কের পাশে শ্রমিকদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই ৩ শ্রমিকের মৃত্যু হয়। এছাড়া এক শ্রমিক আহত হয়। আহতকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, গাড়ি চালক ঘুমিয়ে পড়ার কারনে গাড়ি মহাসড়ক থেকে সড়কের আশে চলে যায়। যার কারনেই ৩ জন শ্রমিকের প্রাণ গেল।

জোরারগঞ্জ হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ সোহেল সরকার বলেন, লরি গাড়িটি আটক করা হয়েছে। নিহতদের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চাঁপাইনবাবগঞ্জে অর্ধশতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার রাণীহাটি ইউনিয়নের কুথালিপাড়া গ্রামে সালিশ বৈঠককে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ, অর্ধশতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ ও বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং কয়েকটি বসতবাড়িতে লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকাল ১১টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত সংঘর্ষ চলে। পরে দুপুর ১টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে সালিশ বৈঠক ডাকা হয়। বৈঠক চলাকালে রানিহাটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের সমর্থক ও স্থানীয় সাবেক মেম্বার চান্দুর লোকজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি থেকে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়।

এ সময় উভয় পক্ষ একে অপরকে লক্ষ্য করে অর্ধশতাধিক ককটেল নিক্ষেপ করে। এতে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। আতঙ্কে সাধারণ মানুষ নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনায় মোজাফফর নামে এক ব্যক্তি আহত হয়েছেন।

পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস।

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় মসজিদ-ঈদগাহ কমিটি নিয়ে সংঘর্ষ, আহত -৪।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলায় মসজিদ ও ঈদগাহ মাঠের কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে অন্তত ৪ জন আহত হয়েছেন। সোমবার (২৩ মার্চ) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার অষ্টমনিষা ইউনিয়নের কলকতির ঝবঝবিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন-মোঃ কামিল ইসলাম (৩০), মোঃ হাসমত আলী (৩৬), মোঃ বাকি বিল্লাহ এবং মোঃ আব্দুল হাকিম (৩৫)। আহতরা সকলেই জামায়াতের নেতাকর্মী বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে পূর্বের কমিটির মেয়াদ শেষ হলেও সেটি বহাল ছিল। নতুন কমিটি গঠনের লক্ষ্যে স্থানীয়ভাবে বৈঠক অনুষ্ঠিত হলে পূর্বের কমিটির সভাপতি পুনরায় একই পদে থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। এতে অন্য পক্ষ আপত্তি জানালে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

এদিকে এলাকায় রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ব বিরোধের জের ধরে জামায়াত ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মসজিদ, কবরস্থান ও ঈদগাহ মাঠের কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করেই এ সংঘর্ষের সূত্রপাত।

সংঘর্ষে আহতদের উদ্ধার করে ভাঙ্গুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. মোঃ এস এম আরাফাত ফয়সাল জানান, আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তাদের আঘাত গুরুতর নয় এবং চিকিৎসা নিলে দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন।

খবর পেয়ে ভাঙ্গুড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস এম মুস্তাফিজুর রহমান পুলিশ সদস্যদের নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। বর্তমানে এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানা গেছে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ