এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কীত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী এমপি বলেছেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা ছাড়া বাংলাদেশ কারো হাতে নিরাপদ নয়। তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে বিশ্বের বিস্ময়। সে ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখার জন্য আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় এনে শেখ হাসিনাকে আবারও প্রধানমন্ত্রী বানাতে হবে।

শুক্রবার ১ ডিসেম্বর দুপুরে তার নগরীর বাস ভবনে চট্টগ্রাম প্রেস প্রেস ক্লাব নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময়ে তিনি এ কথা বলেন।ফজলে করিম চৌধুরী বলেন, প্রায় ৩০ বছর ধরে রাউজানের উন্নয়নে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছি। এই এলাকার প্রায় সাড়ে তিন লাখ মানুষ আমার পরিবারের সদস্য। তাদের মুখে হাসি ফুটানোই আমার জীবনের ব্রত। রাউজানকে সার্বিকভাবে আরও মর্যাদাার আসনে অধিষ্টিত করা আমার স্বপ্ন। জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে আবারও নৌকার প্রার্থী ঘোষণা করায় আমি কৃতজ্ঞ।তিনি আরও বলেন, অবাধ, সুষ্টু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের ক্ষেত্রে রাউজানে আরেক নতৃন দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চাই। সকল প্রতিদ্বন্ধির সাথে ভাতৃত্মপূর্ণ সম্পর্কের মাধ্যমে উৎসবমুখর পরিবেশে উন্নত দেশের মতো একটি নির্বাচন সম্পন্নের ক্ষেত্রে সকলের সহযোগিতা চাই। নির্বাচিনী প্রচারণা চালাতে চাই সবাইকে একই মঞ্চে নিয়ে। এমন পরিবেশ প্রত্যক্ষ করার জন্য রাউজানে আমি দেশী-বিদেশেী পর্যবেক্ষকের উপস্থিতি কামানা করছি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি সালাহ্উদ্দিন মো. রেজা, সিনিয়র সহ-সভাপতি চৌধুরী ফরিদ, সহ-সভাপতি মনজুর কাদের মনজু, সাধারণ সম্পাদক দেবদুলাল ভৌমিক, যুগ্ম সম্পাদক শহীদুল্লাহ শাহরিয়ার, অর্থ সম্পাদক রাশেদ মাহমুদ, সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক আল রাহমান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক খোরশেদুল আলম শামীম।

প্রেস ক্লাব নেতৃবৃন্দ এবিএম ফজলে করিম এমপিকে আগামী ১৬ ডিসেম্বর কক্সবাজারে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের আনন্দ সম্মিলনে উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ জানান।


চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান বলেছেন-বিএনপি প্রতিশ্রুতি পূরণের রাজনীতি করে। বিএনপি যখনই ক্ষমতায় এসেছে, দেশের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে কাজ করেছে। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া যতবারই দেশ পরিচালনা করেছে ততবারই দেশের মানুষ কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের দেখা পেয়েছে। জিয়া পরিবারের সুুযোগ্য উত্তরসূরী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই জনগণের প্রতিশ্রুতি পূরণে দিনরাত পরিশ্রম করছেন।






