আজঃ মঙ্গলবার ২৩ জুন, ২০২৬

চট্টগ্রামে বেশি দামে পেঁয়াজ বিক্রি করায় ৫ প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ টাকা জরিমানা।

চট্টগ্রাম অফিস:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে বেশি দামে পেঁয়াজ বিক্রি করায় ৫ প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
শনিবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুরে এ জরিমানা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চট্টগ্রামের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ ফয়েজ উল্যাহ।
তিনি জানান, দুপুরে দেশের বৃহত্তম পাইকারীবাজার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ ও নগরীর চৌমুহনী এলাকার কর্ণফুলী মার্কেটে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

এ সময় কর্ণফুলী মার্কেটে বেশি দামে পেঁয়াজ বিক্রি করায় ফারুক স্টোরকে ৩০ হাজার টাকা, আলিফ ট্রেডার্সকে ২০ হাজার টাকা, খাতুনগঞ্জের বরকত ভান্ডারকে ২০ হাজার টাকা, এএইছ ট্রেডার্সকে ১০ হাজার টাকা, একে ট্রেডার্সকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

অভিযানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক নাসরিন আক্তার ও রানা দেব নাথ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বর্জ্য ব্যবস্থাপনা দিন দিন চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠছে :চসিক মেয়র

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বর্জ্য ব্যবস্থাপনা দিন দিন আরও চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠছে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি নগরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন, সংগ্রহ সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পরিচ্ছন্ন শহর গড়তে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) কারিগরি ও আর্থিক সহযোগিতা চেয়েছেন। সোমবার টাইগারপাসের চসিক কার্যালয়ে বাংলাদেশে জাইকার নবাগত প্রধান প্রতিনিধি তাকাহাশি জুনকো মেয়রের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলে এমন সহযোগিতা চান। মেয়র ২০২৯ সাল পর্যন্ত চলমান জাইকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক কারিগরি সহায়তা প্রকল্পের জন্য জাইকাকে ধন্যবাদ জানান।

প্রকল্পটির আওতায় রয়েছে চসিকের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বর্তমান অবস্থা বিশ্লেষণ ও চ্যালেঞ্জ চিহ্নিতকরণ, চসিকের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন এবং সে অনুযায়ী বর্জ্য হ্রাস কার্যক্রম বাস্তবায়ন, বর্জ্য সংগ্রহ, পরিবহন এবং ইন্টারমিডিয়েট ট্রিটমেন্ট সিস্টেম শক্তিশালীকরণ, বিদ্যমান ডাম্পসাইটগুলোর নিরাপদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণ এবং নতুন ল্যান্ডফিল নির্মাণের প্রস্তুতি গ্রহণ, পরিবেশগত শিক্ষা এবং সচেতনতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে বর্জ্য হ্রাস বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, চিকিৎসা বর্জ্যের উৎস পৃথকীকরণ, সংগ্রহ এবং ট্রিটমেন্ট সিস্টেম শক্তিশালীকরণ,কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০২১ অনুযায়ী বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ডাটা সংগ্রহ করে পরিবেশ অধিদপ্তরকে রিপোর্ট প্রদান এবং অন্যান্য সিটির সাথে অভিজ্ঞতা বিনিময়।

জাইকার প্রধান প্রতিনিধি তাকাহাশি জুনকো চট্টগ্রামে জাইকার অর্থায়নে চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি সম্পর্কে মেয়রকে অবহিত করেন এবং প্রকল্পগুলোর সফল বাস্তবায়নে চসিকের সহযোগিতা কামনা করেন।চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান চট্টগ্রামের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে করণীয় নিয়ে আলোচনা করেন।

মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, চট্টগ্রাম দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরনির্ভর বাণিজ্যিক রাজধানী এবং দ্রুত বর্ধনশীল মহানগর। প্রতিদিন নগরে বিপুল পরিমাণ গৃহস্থালি, বাণিজ্যিক ও শিল্প বর্জ্য উৎপন্ন হচ্ছে।
নগরায়ন, জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সম্প্রসারণের ফলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা দিন দিন আরও চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠছে। তাই একটি আধুনিক, দক্ষ, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি। আমি একটি ক্লিন, গ্রিন, হেলদি ও সেফ চট্টগ্রাম গড়ে তুলতে চাই। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে পরিচ্ছন্ন নগর ব্যবস্থাপনাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। নগরবাসীর জীবনমান উন্নয়ন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং পরিবেশ রক্ষার জন্য কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কোনো বিকল্প নেই।

চসিক ইতোমধ্যে নগরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নানা সংস্কারমূলক ও আধুনিকায়ন উদ্যোগ নিয়েছে। বিভিন্ন ওয়ার্ডে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে এবং আধুনিক সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে উৎস পর্যায়ে বর্জ্য পৃথকীকরণ, পুনর্ব্যবহারযোগ্য বর্জ্যের ব্যবস্থাপনা এবং বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাবনা নিয়েও কাজ চলছে।

বর্তমানে চট্টগ্রাম সিটি করেপোরেশনের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে ক্রমবর্ধমান বর্জ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সংগ্রহ, পরিবহন ও চূড়ান্ত নিষ্পত্তি সক্ষমতা বৃদ্ধি করা। প্রতিদিন উৎপাদিত বিপুল পরিমাণ বর্জ্য কার্যকরভাবে সংগ্রহ ও ব্যবস্থাপনার জন্য আধুনিক প্রযুক্তি, উন্নত যন্ত্রপাতি, পর্যাপ্ত অবকাঠামো এবং দক্ষ মানবসম্পদ প্রয়োজন। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা একটি অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং প্রকৌশলগতভাবে জটিল খাত। এ কারণে আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন উন্নয়ন সহযোগীদের সহায়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জাইকার দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, আধুনিক প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং নগর ব্যবস্থাপনা বিষয়ে সফল কার্যক্রম চট্টগ্রামের জন্য অত্যন্ত সহায়ক হতে পারে। আমরা চাই জাইকা চট্টগ্রামের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন, সক্ষমতা বৃদ্ধি, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরের উদ্যোগে সহযোগিতা করুক। বিশেষ করে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন, স্যানিটারি ল্যান্ডফিল উন্নয়ন, পুনর্ব্যবহারযোগ্য বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় জাইকার সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। জাইকার সহযোগিতা পেলে আমাদের চলমান উদ্যোগগুলো আরও গতিশীল হবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি টেকসই নগর ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

সভায় জাইকার পক্ষে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রতিনিধি হিদেকি ওসাওয়া, ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার মো. আবদুল্লাহ বিন হোসেন এবং জাইকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের জাতীয় বিশেষজ্ঞ গোলাম সারওয়ার।

শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসুরক্ষা নিশ্চিত করতে হেলথ কার্ড চালু করেছি” — মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী করতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের স্কুল ও কলেজগুলোতে প্রথমবারের মতো ‘হেলথ কার্ড’ চালু করা হয়েছে। এই কার্ডের মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও হাসপাতালের সেবায় বিশেষ ছাড় ও সুবিধা পাবেন।

সোমবার নগরীর ষোলশহরস্থ হোসেন আহম্মদ চৌধুরী সিটি কর্পোরেশন স্কুল অ্যান্ড কলেজে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ও হেলথ কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা ড. কিসিঞ্জার চাকমা। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজতত্ত্ব বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন চৌধুরী, এবং বিশিষ্ট সমাজসেবক ও গভর্নিং বডির সদস্য মো. শায়েস্তা উল্লাহ চৌধুরী।

মেয়র বলেন, “হেলথ কার্ডের মাধ্যমে নির্ধারিত ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোতে শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন পরীক্ষায় বিশেষ ছাড় পাবেন। পাশাপাশি প্রয়োজন হলে বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ও চিকিৎসা গ্রহণের ক্ষেত্রেও বিশেষ সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এটি একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, “সময় ও শৃঙ্খলা জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। সময় একবার চলে গেলে তা আর ফিরে আসে না। তাই প্রতিটি মুহূর্তকে কাজে লাগাতে হবে। সুস্থ থাকার জন্য নিয়মিত সকালের নাস্তা খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। স্বাস্থ্য ভালো থাকলে পড়াশোনায় মনোযোগ ও সফলতা দুটোই বৃদ্ধি পায়।”

আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশে মেয়র পরামর্শ দিয়ে বলেন, “পরীক্ষার হলে কোনো প্রশ্ন প্রথমে কঠিন মনে হলে ভয় পাবে না। প্রশ্নটি বারবার মনোযোগ দিয়ে পড়বে। ধৈর্য ধরে চিন্তা করলে উত্তর নিজে থেকেই বেরিয়ে আসবে। আত্মবিশ্বাস ধরে রাখতে হবে এবং নিজের ওপর বিশ্বাস রাখতে হবে।”

শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, “তোমরাই আগামী দিনের বাংলাদেশ গড়ার কারিগর। তোমাদের মধ্য থেকেই ভবিষ্যতে প্রধানমন্ত্রী, সংসদ সদস্য, মেয়র, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, শিক্ষক ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে নেতৃত্বদানকারী ব্যক্তিত্ব তৈরি হবে। তবে জীবনের যেখানেই যাও না কেন, নিজের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক ও শেকড়কে কখনো ভুলে যেও না।”

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন উন্নয়ন দাবির বিষয়ে মেয়র বলেন, কলেজের অবকাঠামো উন্নয়ন, ভবন নির্মাণ ও যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রয়োজনীয় কাজগুলো পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে। শিক্ষার্থীদের জন্য খেলার মাঠের প্রয়োজনীয়তার বিষয়েও তিনি গুরুত্বারোপ করে বলেন, উপযুক্ত স্থান নির্ধারণ করা গেলে সেটিকে মাঠ হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তিনি আরও জানান, চট্টগ্রাম নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডে পর্যায়ক্রমে খেলার মাঠ নির্মাণ ও সংস্কারের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি মাঠের কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং আরও কয়েকটির কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

অনুষ্ঠান শেষে মেয়র শিক্ষার্থীদের সুস্বাস্থ্য, উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও পরীক্ষায় সাফল্য কামনা করেন এবং সবাইকে পরিচ্ছন্ন, সবুজ, স্বাস্থ্যসম্মত ও নিরাপদ চট্টগ্রাম গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ