আজঃ শনিবার ২১ মার্চ, ২০২৬

ঝালকাঠি-১ আসনে প্রার্থীতা ফিরে পেলেন মনির, জমজমাট নির্বাচনী মাঠ।

মশিউর রহমান রাসেল ঝালকাঠি:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঝালকাঠি-০১( রাজাপুর-কাঠালিয়া) আসনে প্রার্থীতা ফিরে পেয়েছেন আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপকমিটির সদস্য ও সাবেক ছাত্রনেতা এম মনিরুজ্জামান মনির। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিলে ১% ভোটারদের তথ্যের বিষয়ে প্রার্থীতা অবৈধ ঘোষণা করেন জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং অফিসার ফারাহ্ গুল নিঝুম। ইসিতে আপিল আবেদন করলে মঙ্গলবার সকালে প্রার্থীতা ফিরে পেয়েছেন মনির। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দলীয় নির্ভরযোগ্য সূত্র।

আওয়ামীলীগের মনোনয়ন নিয়ে ব্যরিস্টার শাহজাহান ওমর বীরউত্তম ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনিরুজ্জামান মনিরের মধ্যে লড়াই হবে তুমূলভাবে। জমবে এবার ভোটের মাঠও।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসীল অনুযায়ী ৩ডিসেম্বর সকালে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই অনুষ্ঠিত হয়। এসময় দলীয় মনোনয়ন বিষয়ে বাদ পড়েন বর্তমান এমপি বজলুল হক হারুন, স্বতন্ত্র প্রার্থীর ১% সমর্থকের স্বাক্ষরে গড় মিলের অভিযোগে আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপকমিটির সদস্য ও সাবেক ছাত্রনেতা এম মনিরুজ্জামান মনিরসহ ৬ জন।
প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপীল করেন সিইসির আপিল বিভাগে। আপিলের তৃতীয়দিন শুনানীতে প্রার্থিতা বৈধ বলে ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশন।

খবরটি রাজাপুর-কাঠালিয়া এলাকার জনতার মাঝে ছড়িয়ে পড়লে নির্বাচনী এলাকায় উৎসবের আমেজ শুরু হয়। শুরু হচ্ছে নানান জল্পনা-কল্পনা ও গুঞ্জন। তবে সবারই মন্তব্য এবার নির্বাচন জমবে। একজন সাবসেক্টর কমান্ডার আরেকজন মুক্তিযোদ্ধার প্রজন্ম। স্বাধীনতা স্বপক্ষের দু’ব্যক্তির প্রতিদ্বন্দ্বিতায় উৎসবমুখর ভোট অনুষ্ঠিত হবে রাজাপুর-কাঠালিয়ায়।

এম মনিরুজ্জামান মনির জানান, আমি দলীয় মনোনয় চেয়েছিলাম। নেত্রী যেটা ভালো মনে করছেন সেটাই করছেন। তবুও তিনি সারাদেশে চেয়েছেন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপুর্ণ নির্বাচন। তাই আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন সাবমিট করেছিলাম। জেলা রিটার্নিং অফিসার নগন্য কারণে আমার মনোনয়ন বাতিল করেন। এতে রাজাপুর-কাঠালিয়াবাসী আশাহত হন। জনসাধারণের মুখের দিকে চেয়ে প্রার্থিতা ফিরে পেতে সিইসি’র কাছে আপীল করেছি। আপীলে প্রার্থীতা ফিরে পাওয়ায় শুকরিয়া জ্ঞাপন করেন তিনি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন। কারা কতৃপক্ষ জানিয়েছেন -বন্দিদের ঈদের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়া হবে। এর পাশাপাশি রয়েছে বিশেষ খাওয়া দাওয়ার আয়োজন।এছাড়া বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ মিলছে বলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ্ শরীফ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রতিবছরের মত এবারও ঈদের দিন সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের দিন সকালে বন্দিদের জন্য থাকছে পায়েস ও মুড়ি। আর দুপুরে থাকবে পোলাও, গরু অথবা খাসি, সালাদ, মিষ্টি, পান-সুপারি। আর রাতের বেলায় সাদা ভাত, আলুর দম ও রুই মাছের আয়োজন করা হয়েছে।

জেলার শাহ্ শরীফ আরো জানান-এছাড়া ঈদের পরদিন বন্দিরা বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ পাবেন। ঈদের দিন থেকে তিন দিন বন্দিরা স্বজনদের সাথে পাঁচ মিনিট করে টেলিফোনে এবং একবার স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারবেন।

সাধারণ সময়ে হাজতিরা মাসে দুই বার এবং কয়েদীরা মাসে একবার করে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলেও ঈদের সময় বিশেষ ভাবে সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন।একই ভাবে ১০ টাকার বিনিময়ে মাসে দুই বার স্বজনদের সাথে টেলিফোনে ১০ মিনিট কথা বলার সুযোগ পান বন্দীরা। তবে ঈদে বিনামূল্যে পাঁচ মিনিট করে কথা বলার সুযোগ পাবেন।বর্তমানে কারাগারে হাজতি ও কয়েদী মিলে পাঁচ হাজার ৮৫৮ জন বন্দি রয়েছেন।

ঈদের আনন্দ অসহায় মানুষের মাঝেও ছড়িয়ে দিতে হবে: মেয়র শাহাদাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে চট্টগ্রামের নগরবাসী, বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মী, পেশাজীবী এবং দেশ-বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসীসহ সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, পবিত্র রমজান মাস ধৈর্য, সংযম, ত্যাগ এবং সহমর্মিতার এক অনন্য শিক্ষা দেয়। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর ঈদুল ফিতর মুসলিম উম্মাহর মাঝে বয়ে আনে আনন্দ ও প্রশান্তি। ঈদের মূল শিক্ষা হলো সব ভেদাভেদ ভুলে সাম্য, ভ্রাতৃত্ব ও মানবিকতার বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া।তিনি আরও বলেন, ঈদের আনন্দ শুধু ব্যক্তিগতভাবে উদযাপন না করে সমাজের অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া উচিত।শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি সাম্প্রতিক ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জনগণের বিপুল সমর্থনের কথা উল্লেখ করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, জনগণের দেওয়া এই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে একটি আধুনিক, বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, গণতন্ত্র ও অধিকার আদায়ের আন্দোলনে অতীতের মতো ভবিষ্যতেও জনগণ পাশে থাকবে—এটাই প্রত্যাশা।

তিনি হিংসা-বিদ্বেষ পরিহার করে পারস্পরিক সম্প্রীতি জোরদারের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ঈদের আনন্দ উদযাপনের পাশাপাশি চট্টগ্রাম শহরকে পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য রাখতে সচেতন নাগরিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে দেশ ও জাতির কল্যাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ