আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

ঝালকাঠি-১ আসনে প্রার্থীতা ফিরে পেলেন মনির, জমজমাট নির্বাচনী মাঠ।

মশিউর রহমান রাসেল ঝালকাঠি:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঝালকাঠি-০১( রাজাপুর-কাঠালিয়া) আসনে প্রার্থীতা ফিরে পেয়েছেন আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপকমিটির সদস্য ও সাবেক ছাত্রনেতা এম মনিরুজ্জামান মনির। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিলে ১% ভোটারদের তথ্যের বিষয়ে প্রার্থীতা অবৈধ ঘোষণা করেন জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং অফিসার ফারাহ্ গুল নিঝুম। ইসিতে আপিল আবেদন করলে মঙ্গলবার সকালে প্রার্থীতা ফিরে পেয়েছেন মনির। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দলীয় নির্ভরযোগ্য সূত্র।

আওয়ামীলীগের মনোনয়ন নিয়ে ব্যরিস্টার শাহজাহান ওমর বীরউত্তম ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনিরুজ্জামান মনিরের মধ্যে লড়াই হবে তুমূলভাবে। জমবে এবার ভোটের মাঠও।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসীল অনুযায়ী ৩ডিসেম্বর সকালে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই অনুষ্ঠিত হয়। এসময় দলীয় মনোনয়ন বিষয়ে বাদ পড়েন বর্তমান এমপি বজলুল হক হারুন, স্বতন্ত্র প্রার্থীর ১% সমর্থকের স্বাক্ষরে গড় মিলের অভিযোগে আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপকমিটির সদস্য ও সাবেক ছাত্রনেতা এম মনিরুজ্জামান মনিরসহ ৬ জন।
প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপীল করেন সিইসির আপিল বিভাগে। আপিলের তৃতীয়দিন শুনানীতে প্রার্থিতা বৈধ বলে ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশন।

খবরটি রাজাপুর-কাঠালিয়া এলাকার জনতার মাঝে ছড়িয়ে পড়লে নির্বাচনী এলাকায় উৎসবের আমেজ শুরু হয়। শুরু হচ্ছে নানান জল্পনা-কল্পনা ও গুঞ্জন। তবে সবারই মন্তব্য এবার নির্বাচন জমবে। একজন সাবসেক্টর কমান্ডার আরেকজন মুক্তিযোদ্ধার প্রজন্ম। স্বাধীনতা স্বপক্ষের দু’ব্যক্তির প্রতিদ্বন্দ্বিতায় উৎসবমুখর ভোট অনুষ্ঠিত হবে রাজাপুর-কাঠালিয়ায়।

এম মনিরুজ্জামান মনির জানান, আমি দলীয় মনোনয় চেয়েছিলাম। নেত্রী যেটা ভালো মনে করছেন সেটাই করছেন। তবুও তিনি সারাদেশে চেয়েছেন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপুর্ণ নির্বাচন। তাই আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন সাবমিট করেছিলাম। জেলা রিটার্নিং অফিসার নগন্য কারণে আমার মনোনয়ন বাতিল করেন। এতে রাজাপুর-কাঠালিয়াবাসী আশাহত হন। জনসাধারণের মুখের দিকে চেয়ে প্রার্থিতা ফিরে পেতে সিইসি’র কাছে আপীল করেছি। আপীলে প্রার্থীতা ফিরে পাওয়ায় শুকরিয়া জ্ঞাপন করেন তিনি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ভেড়ামারা উদয়ন একাডেমী ৩১তম বার্ষিক ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ভেড়ামারা উদয়ন একাডেমীতে উৎসব মূখর পরিবেশে ৩১তম বার্ষিক ক্রীড়া, নবীন বরণ, কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা সাংস্কৃতিক ও পুরস্কার বিতরণ-২০২৬ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দিনব্যাপী এ আয়োজনে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আতিকুজ্জামান।

উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং এমন আয়োজন নিয়মিতভাবে অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
বিভিন্ন ক্রীড়া ইভেন্টে শিক্ষার্থীরা উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে অংশগ্রহণ করে এবং বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্য রাখেন অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব আলহাজ্ব মোঃ হেদায়েতুল তিনি অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান।আরো উপস্থিত ছিলেন অত্র প্রতিষ্ঠানের সকল ছাত্র-ছাত্রী,অভিভাবক এবং শিক্ষক-কর্মচারীবৃন্দ।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ওয়ার সেমেট্রি পরিদর্শন করলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন চট্টগ্রাম মহানগরের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ওয়ার সেমেট্রি পরিদর্শন করেছেন। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত এ পরিদর্শন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। পরিদর্শনকালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী শহীদ সেনাদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এ সময় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময়কালে ওয়ার সেমেট্রির ঐতিহাসিক গুরুত্ব, সংরক্ষণ ব্যবস্থা, নান্দনিক পরিবেশ এবং পরিবেশগত দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন চট্টগ্রাম নগরের উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ, স্বাস্থ্যসেবা ও নাগরিক সেবাখাতে ভবিষ্যতে সহযোগিতার সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন বলে জানা যায়।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ