আজঃ শনিবার ২১ মার্চ, ২০২৬

হত্যা মামলায় উচ্চ আদালতের ভুয়া জামিননামা প্রদর্শন ৩ আসামী গ্রেফতার।

ইনছান আলী ঝিনাইদহ প্রতিনিধি:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলা আবাইপুর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য রিপন হত্যা মামলার ৩ আসামীকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ। সোমবার গভীর রাতে ঝিনাইদহ শহরের কালিকাপুর এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন শৈলকুপার উপজেলার মিনগ্রামের মৃত আইজাল বিশ্বাসের ছেলে আশরাফুল ইসলাম টেবি, টুকু বিশ্বাসের ছেলে জুমারত বিশ্বাস ও ইয়াকুব শেখের ছেলে নায়েব আলী। ঝিনাইদহ ডিবি পুলিশের ওসি জুয়েল ইসলাম জানান,

শৈলকুপার রিপন হত্যা মামলার আসামী শহরের কালিকাপুরে অবস্থান করছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের শৈলকুপা থানায় সোপর্দ করা হয়। পুলিশ জানায়,

গত ১৬ অক্টোবর রাতে শৈলকুপা উপজেলা শহর থেকে ফেরার পথে আবাইপুর ইউনিয়নের মীনগ্রাম মাঠের মধ্যে পৌঁছালে প্রতিপক্ষরা ইউপি সদস্য ও আ’লীগ নেতা রিপনকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন। তাকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পর দিন নিহতের ভাই আহসানুল কবির বাদী হয়ে শৈলকুপা থানায় ৩২ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ১০/১২ জনকে আসামী করে শৈলকুপা হত্যা মামলা দায়ের করেন।

গত ২৩ অক্টোবর হাইকোর্ট থেকে ২৭ জন আসামী জামিন নেন। হাইকোর্টের সেই জামিন আদেশে ৪ ডিসেম্বর নিম্ন আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেয়। কিন্তু আসামীরা ওই তারিখে নিম্ন আদালতে হাজির না হয়েছে হাইকোর্ট থেকে নেওয়া একটি ভুয়া জামিননামা থানায় জমা দেয়। সেখানে বলা হয়েছে ২৮ নভেম্বর তারা আদালত থেকে জামিন নিয়েছে যা সম্পুর্ণ ভুয়া বলে প্রমাণ পাওয়া যায়।

বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর পুলিশ তাদের গ্রেফতারে অভিযান চালাচ্ছে। এদিকে মামলার অন্য আসামীরা ঝিনাইদহ জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে ৬ জনকে কারাগারে পাঠানোর নিদের্শ দেয়। আটককের বিষয়টি জানাজানি হলে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জামিন নিতে যাওয়া আসামীরা পালিয়ে যায়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন। কারা কতৃপক্ষ জানিয়েছেন -বন্দিদের ঈদের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়া হবে। এর পাশাপাশি রয়েছে বিশেষ খাওয়া দাওয়ার আয়োজন।এছাড়া বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ মিলছে বলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ্ শরীফ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রতিবছরের মত এবারও ঈদের দিন সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের দিন সকালে বন্দিদের জন্য থাকছে পায়েস ও মুড়ি। আর দুপুরে থাকবে পোলাও, গরু অথবা খাসি, সালাদ, মিষ্টি, পান-সুপারি। আর রাতের বেলায় সাদা ভাত, আলুর দম ও রুই মাছের আয়োজন করা হয়েছে।

জেলার শাহ্ শরীফ আরো জানান-এছাড়া ঈদের পরদিন বন্দিরা বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ পাবেন। ঈদের দিন থেকে তিন দিন বন্দিরা স্বজনদের সাথে পাঁচ মিনিট করে টেলিফোনে এবং একবার স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারবেন।

সাধারণ সময়ে হাজতিরা মাসে দুই বার এবং কয়েদীরা মাসে একবার করে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলেও ঈদের সময় বিশেষ ভাবে সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন।একই ভাবে ১০ টাকার বিনিময়ে মাসে দুই বার স্বজনদের সাথে টেলিফোনে ১০ মিনিট কথা বলার সুযোগ পান বন্দীরা। তবে ঈদে বিনামূল্যে পাঁচ মিনিট করে কথা বলার সুযোগ পাবেন।বর্তমানে কারাগারে হাজতি ও কয়েদী মিলে পাঁচ হাজার ৮৫৮ জন বন্দি রয়েছেন।

ঈদের আনন্দ অসহায় মানুষের মাঝেও ছড়িয়ে দিতে হবে: মেয়র শাহাদাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে চট্টগ্রামের নগরবাসী, বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মী, পেশাজীবী এবং দেশ-বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসীসহ সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, পবিত্র রমজান মাস ধৈর্য, সংযম, ত্যাগ এবং সহমর্মিতার এক অনন্য শিক্ষা দেয়। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর ঈদুল ফিতর মুসলিম উম্মাহর মাঝে বয়ে আনে আনন্দ ও প্রশান্তি। ঈদের মূল শিক্ষা হলো সব ভেদাভেদ ভুলে সাম্য, ভ্রাতৃত্ব ও মানবিকতার বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া।তিনি আরও বলেন, ঈদের আনন্দ শুধু ব্যক্তিগতভাবে উদযাপন না করে সমাজের অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া উচিত।শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি সাম্প্রতিক ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জনগণের বিপুল সমর্থনের কথা উল্লেখ করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, জনগণের দেওয়া এই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে একটি আধুনিক, বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, গণতন্ত্র ও অধিকার আদায়ের আন্দোলনে অতীতের মতো ভবিষ্যতেও জনগণ পাশে থাকবে—এটাই প্রত্যাশা।

তিনি হিংসা-বিদ্বেষ পরিহার করে পারস্পরিক সম্প্রীতি জোরদারের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ঈদের আনন্দ উদযাপনের পাশাপাশি চট্টগ্রাম শহরকে পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য রাখতে সচেতন নাগরিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে দেশ ও জাতির কল্যাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ