আজঃ শনিবার ২১ মার্চ, ২০২৬

চাঁদপুরে প্রভাবশালীরা দিনদুপুরে কর্তন করে নিয়ে যাচ্ছে রাস্তার দুপাশের মুল্যবান গাছ।

চাঁদপুর প্রতিনিধি:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁদপুর সরকারি রাস্তার দুই পাশে থাকা পুরনো গাছ কাটার হিড়িক পড়েছে। হঠাৎ করে ওইসব বড় বড় গাছ গুলি পাশের বাড়ির মালিকরা নিজেদের দাবি করে মূলবান গাছ গুলি কেটে নিয়ে যাচ্ছে প্রকাশ্য দিবালোকে। অথচ ওইসব রাস্তা দিয়ে ইউনিয়ন জনপ্রতিনিধি, পৌর কাউন্সিলর সহ বহু সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারী গনরা চলাচল করে, তাদের চোঁখে পরে গাছ কর্তনের দৃশ্যপাট, কিন্তু নজরে আসলেও সরকারি সম্পদ রক্ষায় তেমন কোন ভূমিকা লক্ষ্য করা যায়নি।

গেলো সপ্তাহে চাঁদপুর সদর ১২ নং চান্দ্রা ইউনিয়ন এর ৮ নং ওয়ার্ডের সাবেক তাহাজ্জল মেম্বার নগর এলাকায় নিজ বাড়ির সামনে সরকারি রাস্তার পাশে থাকা দুই টি পুরনো দামি রেনডি কড়ই গাছ কেটে নিয়ে গেছে, সে সময় ইউনিয়ন গ্রাম পুলিশ এর দফদার আব্দুর রশিদ ওই রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিক রা বিষয়টি বললে তিনি, বলেন আপনারা তাদের সাথে কথা বলুন।
যিনি গাছ কাটছে তিনি সাবেক মেম্বার তিনি অনেক দিন অসুস্থ। অথচ বহু চেষ্টা করেও সেই মেম্বার কে খুজে পাওয়া না গেলেও ছোট ছেলেকে পেয়ে গাছের বিষয়টি জানতে চাইলে।

তিনি গাছ গুলি নিজেদের দাবি করেন, এবং বলেন রাস্তা আমাদের জমির উপর দিয়ে গেছে, আর রাস্তার দুই পাশে যত বড় বড় গাছ আছে তাহা আমরা রোপন করেছি এবং এসব গাছের মালিক আমরা।

এদিকে সোমবার সদর ৯ নং বালিয়া ইউনিয়ন ফরক্কাবাদ বাজার থেকে বালিয়া বাজার সড়কের রাস্তার পাশে থাকা অনেক পুরনো ২ টি রেনডি কড় গাছ কাটতে দেখা যায়, আর সেখানে বলা হয় ওইসব গাছ তাদের তাই তারা কেটে নিচ্ছে।

এর পরে চাঁদপুর পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ড এর জুট মিলের পরে সাবেক মহিলা কাউন্সিলর শাহনাজ বেগমের বাড়ির একটু সামনে রাস্তার পাশে থাকা অনেক পুরনো দামি ২ টি রেনডি কড়ই গাছ পাশের বাড়ির লোকজন নিজেদের দাবি করে কেটে নিয়েছে, অথচ ওই সময় ওই পথ দিয়ে ৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ সাইফুল ইসলাম কে মোটরসাইকেল যোগে যেতে দেখা গেলো। কিন্তু সেখানে কোন ভূমিকা লক্ষ্য করা যায়নি।
এছাড়াও গত সপ্তাহে হাইমচর উপজেলায় চরভৈরবী সরকের কমডকার আরেকটু সামনে রাস্তার পাশে থাকা রেনডি কড়ই গাছ কর্তন কালে ওই ভদ্রলোক বলেন আমাদের জমির উপর দিয়ে রাস্তা গেছে তাই আমরা গাছের মালিক বলে কেটে নিছে।

ঠিক এমনি করে গত কয়েক মাস যাবত চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ- হাজীগঞ্জ- শাহরাস্তি – কচুয়া- মতলব দক্ষিণ – মতলব উত্তর, থানার বিভিন্ন এলাকার সাখা সংযুক্ত রাস্তার পাশে থাকা মোটা মোটা অনেক পুরনো যেমন ৩০-৪০ বা তার অধিক বছরের পুরনো গাছ গুলি কেটে নিতে দেখা গেছে।
অথচ সরকার সব সময় ঘোষণা দেন গাছ লাগান পরিবেশ বাঁচান, আসলে আজ গাছ কর্তনের কারনে জলবায়ু পরিবর্তন হয়েছে, ফলে ঘূর্ণিঝড় আর ভূমিকম্প হচ্ছে সচঅচর।

অপর দিকে সরকার যখন রাস্তা তৈরি করেন তার আগে দুই পাশের জমির মালিকের কাছ থেকে জমি কিনে তার পরে রাস্তা করেন, সেখানে কোথায় রাস্তার প্রস্ততা ৩০ – ৮০ ফুট আবার কোথায় ২০ ফুট হয়, আর জমি কেনার সময় যদি কোন গাছ পরে তাহলে সেই গাছ গুলি সরকারি হয়ে যায়।

আবার সরকারের পাশাপাশি কেউ যদি রাস্তার দুই পাশে গাছ রোপন করে তাহলে তার ফল ওই রোপনকারি খেতে পারবে কিন্তু দুই পাশের কোন বাসিন্দা গাছ কেটে নেবার আইন নেই, এমন আইন থাকা সত্বেও বর্তমান সময়ে সরকারি রাস্তার দুই পাশের গাছ কর্তনের হিড়িক কেনো সেটা জানার বিষয়।
আর তাই এ বিষয় সরকারি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিবেন বলে জেলার সচেতন মহল মনে করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন। কারা কতৃপক্ষ জানিয়েছেন -বন্দিদের ঈদের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়া হবে। এর পাশাপাশি রয়েছে বিশেষ খাওয়া দাওয়ার আয়োজন।এছাড়া বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ মিলছে বলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ্ শরীফ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রতিবছরের মত এবারও ঈদের দিন সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের দিন সকালে বন্দিদের জন্য থাকছে পায়েস ও মুড়ি। আর দুপুরে থাকবে পোলাও, গরু অথবা খাসি, সালাদ, মিষ্টি, পান-সুপারি। আর রাতের বেলায় সাদা ভাত, আলুর দম ও রুই মাছের আয়োজন করা হয়েছে।

জেলার শাহ্ শরীফ আরো জানান-এছাড়া ঈদের পরদিন বন্দিরা বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ পাবেন। ঈদের দিন থেকে তিন দিন বন্দিরা স্বজনদের সাথে পাঁচ মিনিট করে টেলিফোনে এবং একবার স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারবেন।

সাধারণ সময়ে হাজতিরা মাসে দুই বার এবং কয়েদীরা মাসে একবার করে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলেও ঈদের সময় বিশেষ ভাবে সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন।একই ভাবে ১০ টাকার বিনিময়ে মাসে দুই বার স্বজনদের সাথে টেলিফোনে ১০ মিনিট কথা বলার সুযোগ পান বন্দীরা। তবে ঈদে বিনামূল্যে পাঁচ মিনিট করে কথা বলার সুযোগ পাবেন।বর্তমানে কারাগারে হাজতি ও কয়েদী মিলে পাঁচ হাজার ৮৫৮ জন বন্দি রয়েছেন।

ঈদের আনন্দ অসহায় মানুষের মাঝেও ছড়িয়ে দিতে হবে: মেয়র শাহাদাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে চট্টগ্রামের নগরবাসী, বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মী, পেশাজীবী এবং দেশ-বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসীসহ সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, পবিত্র রমজান মাস ধৈর্য, সংযম, ত্যাগ এবং সহমর্মিতার এক অনন্য শিক্ষা দেয়। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর ঈদুল ফিতর মুসলিম উম্মাহর মাঝে বয়ে আনে আনন্দ ও প্রশান্তি। ঈদের মূল শিক্ষা হলো সব ভেদাভেদ ভুলে সাম্য, ভ্রাতৃত্ব ও মানবিকতার বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া।তিনি আরও বলেন, ঈদের আনন্দ শুধু ব্যক্তিগতভাবে উদযাপন না করে সমাজের অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া উচিত।শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি সাম্প্রতিক ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জনগণের বিপুল সমর্থনের কথা উল্লেখ করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, জনগণের দেওয়া এই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে একটি আধুনিক, বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, গণতন্ত্র ও অধিকার আদায়ের আন্দোলনে অতীতের মতো ভবিষ্যতেও জনগণ পাশে থাকবে—এটাই প্রত্যাশা।

তিনি হিংসা-বিদ্বেষ পরিহার করে পারস্পরিক সম্প্রীতি জোরদারের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ঈদের আনন্দ উদযাপনের পাশাপাশি চট্টগ্রাম শহরকে পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য রাখতে সচেতন নাগরিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে দেশ ও জাতির কল্যাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ