আজঃ মঙ্গলবার ১৭ মার্চ, ২০২৬

জাপার ২৬ আসনে নৌকা হারালো ২৫ যে-সব আওয়ামী লীগ প্রার্থী।

ঢাকা অফিস:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বহুলালোচিত – ৮ আসনে সোলায়মান আলম শেঠ ও চট্টগ্রাম-৫ আসনটি ব্যারিষ্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ১৪ দলীয় মনোনয়ন পেলেও শরীক দলের মনোনয়ন বঞ্চিত হয়েছেন চট্টগ্রাম ২ ফটিকছড়ি আসনের তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান নজিবুল বশর মাইজভান্ডারি এছাড়াও সব মিলে ২৬টি আসন পেতে যাচ্ছে জাতীয় পার্টি।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আসন সমঝোতায় ২৫টি আসন পেয়েছে জাতীয় পার্টি (জাপা)। নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে আগে থেকেই আওয়ামী লীগের কোনো প্রার্থী না থাকায় মোট ২৬টি আসন নিশ্চিত করেছে দলটি। সমঝোতা হওয়া ২৫টি আসনে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের কোনো প্রার্থী থাকবে না বলে জানা গেছে।

নৌকা হারালেন যে ২৫ প্রার্থী-

ঠাকুরগাঁও-৩ মো. ইমদাদুল হক, কিশোরগঞ্জ-৩ মো. নাসিরুল ইসলাম খান, রংপুর-১ মো. রেজাউল করিম রাজু

রংপুর-৩ তুষার কান্তি মণ্ডল, নীলফামারী-৪ মো. জাকির হোসেন বাবুল, কুড়িগ্রাম-১ মো. আছলাম হোসেন সওদাগর, কুড়িগ্রাম-২ মো. জাফর আলী, গাইবান্ধা-১ আফরুজা বারী, গাইবান্ধা-২ মাহবুব আরা বেগম গিনি, সিলেট-৩ হাবিবুর রহমান, নীলফামারী-৩ মো. গোলাম মোস্তফা, বগুড়া-৩ মো. সিরাজুল ইসলাম খান রাজু, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ মো. শাহজাহান আলম, চট্টগ্রাম-৮ নোমান আল মাহমুদ, বগুড়া-২ তৌহিদুর রহমান মানিক, সাতক্ষীরা-২ মো. আসাদুজ্জামান বাবু, ফেনী-৩ মো. আবুল বাশার, চট্টগ্রাম-৫ মোহাম্মদ আবদুস সালাম, পটুয়াখালী-১ মো. আফজাল হোসেন, ময়মনসিংহ-৫ মো. আব্দুল হাই আকন্দ, ময়মনসিংহ-৮ মো. আব্দুছ ছাত্তার, পিরোজপুর-৩ মো. আশরাফুর রহমান, হবিগঞ্জ-১ ডা. মো. মুশফিক হুসেন চৌধুরী, মানিকগঞ্জ-১ মো. আব্দুস সালাম, বরিশাল-৩ সরদার মো. খালেদ হোসেন।


যে ২৬ আসন পেল জাতীয় পার্টি
আওয়ামী লীগের সঙ্গে আসন সমঝোতা নিয়ে বিরোধী দল জাপার কয়েকদিন ধরে চলা আলোচনায় গতকাল এ অগ্রগতি হয়। তবে জাপা আরও বেশি আসন চায়। ফলে এ আলোচনা অব্যাহত থাকবে বলে জানা গেছে।

গত শুক্রবার রাতেও সংসদ ভবনে উভয় দলের নেতাদের মধ্যে বৈঠক হয়। কয়েক দফা বৈঠকের পর জাপাকে ২৬ আসনে ছাড় দিতে সম্মত হয় আওয়ামী লীগ। তবে ঢাকার কোনো আসন জাপাকে দিতে রাজি নয় ক্ষমতাসীনরা। টানা তিন মেয়াদে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক মিত্র জাপার এবারের দাবি ছিল ৫০ আসন। ৩৫-এর কম আসনে সমঝোতায় রাজি নয়—এমন মনোভাবও জানিয়েছিল দলটি।

১৯৯৬ সালে জাপাকে নিয়ে ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ। এরপর ২০০৮ থেকে সর্বশেষ ২০১৮ সালের নির্বাচন পর্যন্ত আসন ভাগাভাগি হয়েছে দুই দলের মধ্যে। এবার জাপা পৃথক নির্বাচন করার ঘোষণা দিলেও শেষ পর্যন্ত উভয়পক্ষই আসন বণ্টন করতে সম্মত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় চলছে আলোচনা।

ঘোষিত তপশিল অনুযায়ী, ১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময় রয়েছে। পরদিন ১৮ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। সবশেষ আগামী ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে ভোটগ্রহণ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

যতই শক্তিশালী হোক, খাল দখলদারদের ছাড় দেওয়া হবে না : অর্থমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


খাল দখলদারদের ছাড় না দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সোমবার দুপুরে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের বামনসুন্দর এলাকায় খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এই ঘোষণা দেন। তিনি বলেছেন, প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকার স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করছে। এসব প্রকল্পে দুর্নীতির স্থান নেই। যতই শক্তিশালী হোক, খাল দখলদারদের ছাড় দেওয়া হবে না। আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, দেশের অর্থনীতির অবস্থা ভালো নয়, মধ্যপ্রাচ্যেও যুদ্ধ চলছে। এর মধ্যেও সরকার সব কাজ করে যাচ্ছে। পাশাপাশি এনার্জি ক্রাইসিসের মধ্যেও সরকার কাজ এগিয়ে নিচ্ছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রান্তিক মানুষকে সুফল দিতে খাল খনন কর্মসূচি কৃষি ও মৎস্যসহ নানা ক্ষেত্রে পরিবর্তনের পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় ভূমিকা রাখবে।দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল জলাধরা খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের উদ্যোগে বামনসুন্দর এলাকার আলিরপোল এলাকা থেকে বানাতলী পর্যন্ত তিন কিলোমিটার এলাকা পুনঃখনন করা হবে। এতে করে সরাসরি উপকারভোগী হবেন সাধারণ কৃষক। কৃষিতে প্রায় ১৫ হাজার হেক্টর জমিতে সেচ নিশ্চিত করা যাবে।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভূমি মন্ত্রণালয় ও পার্বত্য চট্টগ্রাম প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দিন, কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী মুহাম্মদ বদিউল আলম সরকার প্রমুখ।

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান চবির নতুন উপাচার্য। 

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) নতুন উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান।তিনি  দীর্ঘ তিন দশকের বেশি  শিক্ষকতা, গবেষণা ও একাডেমিক নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক পদে আসীন হচ্ছেন।

বাংলাদেশ সচিবালয়ে  আজ সোমবার ১৬ মার্চ  এক প্রেস ব্রিফিংয়ে চবির নতুন উপাচার্যের নাম ঘোষণা করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

 ব্রিফিংয়ে শিক্ষামন্ত্রী  চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হিসেবে অধ্যাপক ড. ফোরকানকে দায়িত্ব দেওয়ার কথা জানান তিনি।

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকানশি

ক্ষকতা জীবনের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ার।

******************************

ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও অধ্যাপক। তিনি চবির উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগ থেকে প্রথম শ্রেণিতে বিএসসি (সম্মান) ও এমএস ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে ১৯৯৩ সালে একই বিভাগের প্রভাষক হিসেবে শিক্ষকতা জীবন শুরু করেন এবং ২০০৬ সালে অধ্যাপক পদে উন্নীত হন।

উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রেও তাঁর রয়েছে উল্লেখযোগ্য সাফল্য। তিনি যুক্তরাজ্যের নটিংহাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইন্ডিকা ধানের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ক গবেষণার ওপর পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে কানাডার ইউনিভার্সিটি অব আলবার্টা এবং অ্যাগ্রিকালচারাল রিসার্চ কাউন্সিলে তেলবীজের গুণগত মান উন্নয়ন নিয়ে পোস্টডক্টরাল গবেষণা সম্পন্ন করেন।

এছাড়াও তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, ডেভিসে ভিজিটিং প্রফেসর ও গবেষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর পিএইচডি ও পোস্টডক্টরাল গবেষণার জন্য তিনি ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (IDB)-এর মর্যাদাপূর্ণ বৃত্তি লাভ করেন।

২০০৪ সালে তাঁর উদ্যোগে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হয়। তাঁর উদ্যোগে বিভাগে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ফাংশনাল জেনোমিক্স অ্যান্ড প্রোটিওমিক্স ল্যাবরেটরি (FGPL) এবং অত্যাধুনিক সুবিধাসম্পন্ন স্বয়ংক্রিয় জলবায়ু নিয়ন্ত্রিত গ্রিনহাউস।

 

এই ল্যাবরেটরিতে ডিএনএ সিকোয়েন্সার, আরটি-পিসিআর, জিন পালসারসহ অত্যাধুনিক গবেষণা যন্ত্রপাতি রয়েছে। ফলে উদ্ভিদ টিস্যু কালচার ও জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, প্রোটিওমিক্স, জেনোমিক ও ট্রান্সক্রিপ্টোমিক বিশ্লেষণ, মানব ও অন্যান্য রোগের গবেষণা, মাইক্রোবায়োলজি এবং বায়োইনফরমেটিক্সসহ জীববিজ্ঞানের বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নত গবেষণা পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে।

 

২০১৯ থেকে ২০২২ সালের করোনা মহামারির সময় তিনি কোভিড-১৯ শনাক্তকরণ কার্যক্রমে সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করেন। ৩১ বছরের শিক্ষকতা ও গবেষণা জীবনে ড. আল-ফোরকানের প্রকাশিত গবেষণা প্রবন্ধের সংখ্যা ৫১টি। তিনি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিভিন্ন জার্নালের সম্পাদকীয় বোর্ডের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং জার্নাল অব বায়োলজিক্যাল সায়েন্সেস-এর প্রধান সম্পাদক হিসেবেও কাজ করেছেন।

গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য তিনি ইউএসডিএ, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের বিসিসিটিসহ (BCCT), শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গারেই (GARE), বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের বিশেষ বরাদ্দ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন প্রকল্পসহ দেশি-বিদেশি স্বনামধন্য সংস্থা থেকে ৫০টিরও বেশি গবেষণা অনুদান অর্জন করেছেন। গবেষণা তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে তিনি ৩৯ জন এমএস শিক্ষার্থীর থিসিস, সাতজন এম.ফিল গবেষক এবং একজন পোস্টডক্টরাল গবেষকের গবেষণা তত্ত্বাবধান করেছেন।

এছাড়াও তিনি দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে বিএনপির রাজনীতির সাথে যুক্ত আছেন। তিনি বর্তমানে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয়তাবাদী ফোরামের সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ