আজঃ বৃহস্পতিবার ১৪ মে, ২০২৬

চাঁদপুরে গণজোয়ার সৃষ্টি করতে মাঠে তৎপর ঈগল প্রতীকের প্রার্থীরা।

এস আর শাহ আলম চাঁদপুর:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁদপুরের ৫টি আসনের মধ্যে চারটি আসনেই আওয়ামীলীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থীর বিপক্ষে ভোটারদের গণজোয়ার সৃষ্টির জন্য ক্রমোশ নির্বাচনী মাঠ গরম করতে সুক্ষ্ম পরিকল্পনা নিয়ে ব্যাস্ত হয়ে উঠছেন ঈগল প্রতীকের প্রার্থীরা। ওপেন সিক্রেট হলেও তাদের উৎসাহ যোগাচ্ছেন আওয়ামীলীগের গ্রুপিং রাজনীতির স্বীকার একাংশ নেতাকর্মী। এ তালিকায় প্রতিনিয়ত যোগ হচ্ছে নব্য ও হাইব্রিডদের ভীড়ে দলের অবমূল্যায়িত, অবহেলিত ও কোনঠাসা নেতাকর্মীরা দাবী ভোটারদের।

২০ ডিসেম্বর বুধবার সকালে চাঁদপুরের কয়েকটি নির্বাচনী এলাকা পর্যবেক্ষণকালে ভোটারদের সাথে কথা বললে তারা এসব তথ্য জানিয়েছেন।

চাঁদপুর-২ মতলব উত্তর ও দক্ষিণ আসনে ঈগল প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী এম ইসফাক আহসান। তিনি আওয়ামীলীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য। ইতিমধ্যেই তিনি সংবাদ সম্মেলন, সভা, গণসংযোগের মধ্য দিয়ে নিজেকে আসনটিতে ভোটারদের কাছে মেলে ধরতে সক্ষম হয়েছেন। তাঁর বিশ্বাস জনপ্রতিনিধি নির্বাচনে ভোটাররা উন্নয়নের স্বার্থে দল-মত-নির্বিশেষে সবাই তাকেই ঈগল প্রতীকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন।

এই আসনটিতে আওয়ামীলীগের নৌকার প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া। তিনি আসনটি থেকে নির্বাচিত হয়ে একসময় মন্ত্রীও ছিলেন। বর্তমানে তিনি আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ভোটের মাঠে এই প্রবীণ দাপুটে নেতাকে হারানোর স্বপ্ন অনেকটা দুস্বপ্ন বলেও মন্তব্য অনেকের।

এদিকে চাঁদপুর-৩ সদর-হাইমচর এবং চাঁদপুর-৪ ফরিদগঞ্জ আসনে ঈগল প্রতীকে হেভিওয়েট স্বতন্ত্র প্রার্থী ড. শামসুল হক ভূঁইয়া। তিনি জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি এবং ফরিদগঞ্জ আসন হতে নির্বাচিত সংসদ সদস্যও ছিলেন। বর্তমানে তিনি আওয়ামীলীগের জাতীয় পরিষদের নির্বাহী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বিগত সময়ে চাঁদপুর শহরের হাসানআলী মাঠে আওয়ামীলীগের এক জনসভায় দলের খোঁজ খবর নিতে ভিডিও কনফারেন্সে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা নিজে সরাসরি ড. শামসুল হক ভূঁইয়ার নাম উচ্চারণ করে সাথে কথা বলতে চেয়েছিলেন এবং বলেওছিলেন। এতে স্পষ্ট দলের হাইকমান্ডে তাঁর অগাধ সুসম্পর্ক রয়েছে। এছাড়াও রাজনীতির মাঠে তিনি প্রবীণ লোক এবং নির্বাচন সম্পর্কে ভালো অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ব্যাক্তিত্বও। ইতিমধ্যেই সংবাদ সম্মেলন ও সভাসহ নানাভাবেই এবার দু’টি আসনেই তিনি ঈগল প্রতীকের জয়ের মালা পড়তে কর্মপরিকল্পনা সাজিয়েছেন।

ড. শামসুল হক ভূঁইয়া মনে করেন, গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের উদাহরণ হিসেবে এবারের নির্বাচন সবার মনে জায়গা করে নিবে। কাজেই সবাই ভোট কেন্দ্রে এসে দু’টি ঈগল প্রতীকে ভোট দিয়ে নিজেদের বিজয় উল্লাস প্রকাশ করবে।

তবে তার শক্ত প্রতিপক্ষ হিসেবে চাঁদপুর-৩ আসনে গোছালো নির্বাচনী মাঠে ড. দীপু মনির। তিনি আসনটি হতে টানা ৩ বার নির্বাচিত হয়েছেন। এরমধ্যে মন্ত্রীত্বের দায়িত্বই পালন করেছেন দুবার। বড় বড় রাঘব বোয়ালদের একাংশ চেষ্টা করেও টানা চতুর্থ বারে দলীয় প্রতীক নৌকার মনোনয়ন পাওয়া থেকে তাকে বঞ্চিত করতে পারেননি। কাজেই তাঁর আসনে ঈগল প্রতীক আদৌ প্রভাব ফেলতে পারবে কিনা এ নিয়ে সজাগ নৌকার কর্মীসমর্থকগণ।

অপরদিকে চাঁদপুর-৪ ফরিদগঞ্জ আসনটিতে ক্লিন ইমেজে রয়েছেন সাংবাদিক শফিকুর রহমান। যার কারনে অনেক মনোনয়ন প্রত্যাশী থাকা সত্ত্বেও শেখ হাসিনা তাকেই আসনটিতে পুনরায় নৌকার মনোনয়ন দিয়েছেন। যারা মনে প্রাণে নৌকা প্রতীকের ভক্ত তারা দলে মান-অভিমান ও সামান্য মনমানিল্য কোনভাবে হয়ে থাকলেও তা চাপা রেখেই তার সাথে এক সুরে এক হয়ে নৌকার বিজয় নিশ্চিত করবে এমনটাই তিনি মনে করছেন। কাজেই ভোটের মাঠে স্বতন্ত্র প্রার্থীর ঈগল প্রতীক এ আসনে চমক দেখাতে পারবেন কিনা তা স্পষ্ট নয়।

এদিকে চাঁদপুর-৫ হাজীগঞ্জ শাহরাস্তি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঈগল প্রতীক নিয়ে বেশ জোরেসোরেই মাঠে নেমেছেন গাজী মাঈনুদ্দিন। তিনি হাজীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন। তিনি নৌকা প্রতীকে এর আগেও নির্বাচন করে জয়লাভ করেছেন। তবে সেটি হচ্ছে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচন। যেই চেয়ার থেকে তিনি এমপি হওয়ার দৌঁড়ে এগিয়ে যেতে ইতিপূর্বেই পদত্যাগ করেছেন। তাছাড়া প্বার্শবর্তী উপজেলা বর্তমানে তার নির্বাচনী এলাকা শাহরাস্তিতেও তিনি নেতাকর্মীদের সাথে বেশ ভালো যোগাযোগ রেখেছেন। কাজেই দল মত নির্বিশেষে সকলে এক ও অভিন্ন হয়ে আসনটিতে পরিবর্তন আনতে ঈগল প্রতীকের বিজয় নিশ্চিত করবে বলে তার কর্মী সমর্থকরা মনে করছেন।

গাজী মাঈনুদ্দিন বলেন, তৃণমূলের চাহিদার প্রেক্ষিতে এমপি পদে প্রার্থীতা করছি। ভোটের মাঠে বিজয় নিশ্চিত করার কৌশল ও অভিজ্ঞতা দু’টোই আমার রয়েছে। তাই উৎসাহ উদ্দিপনা নিয়ে সবাইকে ভোট কেন্দ্রে এসে ঈগল প্রতীকে ভোট দিতে অনুরোধ জানাচ্ছি।

এই আসনে এবারও নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মহান মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম। তাঁর গ্রহণযোগ্যতা আওয়ামীলীগসহ সবার কাছেই। অনেকেই তাই মনে করেন, যতদিন তিনি বেঁচে থাকবেন আসনটিতে তার বিকল্প তিনি নিজেই। এ আসনটি হতে নির্বাচিত হয়ে তিনি মন্ত্রীত্বের দায়িত্বও পালন করেছিলেন। কাজেই নির্বাচনী মাঠে তিনি প্রবীণ এবং দক্ষ। সেক্ষেত্রে আসনটিতে ঈগল প্রতীকের প্রার্থী শেষ পর্যন্ত জয় নিয়ে বেড়িয়ে আসতে পারবে কিনা সেই সমীকরণ বড়ই জটিল।

উল্লেখ্য, চাঁদপুরের ৫টি আসনে চাঁদপুর-১ কচুয়া আসন বাদে বাকি চারটি আসনেই একজন করে স্বতন্ত্র প্রার্থী ঈগল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন। এছাড়াও প্রতিটি আসনে নৌকার প্রার্থীর প্রতিপক্ষ হিসেবে ঈগল ছাড়াও একাধিক প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। যারা প্রত্যেকেই ৭ জানুয়ারির নির্বাচনের ভোট চেয়ে প্রচারণা শুরু করেছেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

অস্বাস্থ্যকর নোংরা পরিবেশে ফুসকা তৈরি, তিন প্রতিষ্ঠানকে ৪৫ হাজার টাকা জরিমানা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে ফুসকা তৈরির দায়ে নগরের তিন ফুসকা কারখানাকে ৪৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) ভ্রাম্যমাণ আদালত। আজ বৃহস্পতিবার নগরের এনায়েত বাজারের গোয়ালপাড়া এলাকায় পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন চসিকের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট চৈতী সর্ববিদ্যা।

অভিযানে অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে ভাঙ্গা ফ্লোরে নিম্নমানের আটা ময়দার সাথে কুড়া ভুষি মিশিয়ে ফুসকা তৈরির অপরাধে সাহেদ ফুসকা কারখানাকে ২০ হাজার টাকা, নুর নবী ফুসকা কারখানাকে ১৫ হাজার টাকা ও ভাই ভাই ফুসকা কারখানাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবৈধ ভাবে মাটি উত্তোলন: ট্রাক্টর জব্দ, একজনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার ঝিলিম ইউনিয়নের কৃষি জমি থেকে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলনের ঘটনায় প্রশাসনের যৌথ অভিযানে দুইটি মাটি ভর্তি ট্রাক্টর-টলি জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় একজনকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

জানা গেছে, বুধবার (১৩ মে) রাত ১টা ৩০ মিনিটে সদর উপজেলা প্রশাসন ও সদর মডেল থানা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে ঝিলিম ইউনিয়নের দক্ষিণ শহর এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানকালে মো. আশরাফুল ইসলাম (৩৭) নামে একজনকে আটক করা হয়। তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার আতাহির এলাকার বাসিন্দা ও মো. রুবু মন্ডলের ছেলে।

আটক ব্যক্তিকে সদর মডেল থানায় নিয়ে গিয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট একরামুল হক নাহিদ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। আদালত অবৈধভাবে কৃষি জমির মাটি কাটার দায়ে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

প্রশাসনের সূত্রে জানা গেছে, আবাদি জমির সুরক্ষা এবং অবৈধ মাটি উত্তোলন রোধে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

আলোচিত খবর

চট্টগ্রাম কাস্টমসে নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেয়া ২২০ কন্টেইনার পণ্য বিক্রি হবে নিলামে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া ২২০ টি কন্টেইনার নিলামে তোলার পদক্ষেপ নিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘদিনের জট নিরসনে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। সর্বমোট ১৩৭টি লটে ২২০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে। বিশেষ করে আমদানির পর নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া এসব কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হচ্ছে।এই নিলাম প্রক্রিয়া অনলাইনে (ই-অকশন) সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, পুরো মে মাস জুড়ে দরদাতাদের জন্য সরেজমিনে পণ্য পরিদর্শনের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে সর্বোচ্চ দরদাতাদের পণ্য খালাসের ক্ষেত্রে আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২০২৪ এর শর্তাবলী মেনে চলতে হবে বলে জানিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বন্দরকে কন্টেইনার জটমুক্ত করতে এবং ভৌত ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের নিলাম কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

কাস্টমস সূত্র জানায়, আমদানিকৃত এসব পণ্য মাসের পর মাস বন্দরে পড়ে থাকায় একদিকে যেমন বন্দরের জায়গা দখল হয়ে আছে, অন্যদিকে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আটকে রয়েছে। এতে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও সক্ষমতা কমছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধে মে মাসে দুই ধাপে এই ই-অকশন অনুষ্ঠিত হবে।

জানা গেছে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বিশেষ আদেশ অনুসারে ‘ই-অকশন-৪/২০২৬’-এর আওতায় ১২০টি লটে ১৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে।
এই তালিকায় রয়েছে বিভিন্ন ধরণের কেমিক্যাল, মেশিনারিজ, কাগজ, কাপড় (ফেব্রিক্স), গৃহস্থালির সামগ্রী এবং এসি পার্টস। বিশেষ বিষয় হলো, এই পণ্যগুলোর নিলামে কোনো সংরক্ষিত মূল্য থাকছে না। এই ধাপের দরপত্র আগামী ৯ জুন সকাল ১১টায় খোলা হবে। অন্যদিকে, স্থায়ী আদেশ অনুযায়ী ‘ই-অকশন-৫/২০২৬’-এর আওতায় ১৭টি লটে আরও ৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হবে।

এর মধ্যে রয়েছে ক্যাপিটাল মেশিনারিজ, প্যাসেঞ্জার এলিভেটর, স্টিল স্ক্র্যাপ, গাড়ি এবং লবণ। এই ধাপের দরপত্র আগামী ১৪ মে দুপুর ৩টায় উন্মুক্ত করা হবে। নিলাম প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে কার্যক্রমটি পরিচালিত হচ্ছে। আগ্রহী ক্রেতারা ঘরে বসেই বাংলাদেশ কাস্টমসের অফিসিয়াল ই-অকশন পোর্টালে নিবন্ধন করে দরপত্র দাখিল করতে পারবে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ