চাঁদপুরে গণজোয়ার সৃষ্টি করতে মাঠে তৎপর ঈগল প্রতীকের প্রার্থীরা।

এস আর শাহ আলম চাঁদপুর:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁদপুরের ৫টি আসনের মধ্যে চারটি আসনেই আওয়ামীলীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থীর বিপক্ষে ভোটারদের গণজোয়ার সৃষ্টির জন্য ক্রমোশ নির্বাচনী মাঠ গরম করতে সুক্ষ্ম পরিকল্পনা নিয়ে ব্যাস্ত হয়ে উঠছেন ঈগল প্রতীকের প্রার্থীরা। ওপেন সিক্রেট হলেও তাদের উৎসাহ যোগাচ্ছেন আওয়ামীলীগের গ্রুপিং রাজনীতির স্বীকার একাংশ নেতাকর্মী। এ তালিকায় প্রতিনিয়ত যোগ হচ্ছে নব্য ও হাইব্রিডদের ভীড়ে দলের অবমূল্যায়িত, অবহেলিত ও কোনঠাসা নেতাকর্মীরা দাবী ভোটারদের।

২০ ডিসেম্বর বুধবার সকালে চাঁদপুরের কয়েকটি নির্বাচনী এলাকা পর্যবেক্ষণকালে ভোটারদের সাথে কথা বললে তারা এসব তথ্য জানিয়েছেন।

চাঁদপুর-২ মতলব উত্তর ও দক্ষিণ আসনে ঈগল প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী এম ইসফাক আহসান। তিনি আওয়ামীলীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য। ইতিমধ্যেই তিনি সংবাদ সম্মেলন, সভা, গণসংযোগের মধ্য দিয়ে নিজেকে আসনটিতে ভোটারদের কাছে মেলে ধরতে সক্ষম হয়েছেন। তাঁর বিশ্বাস জনপ্রতিনিধি নির্বাচনে ভোটাররা উন্নয়নের স্বার্থে দল-মত-নির্বিশেষে সবাই তাকেই ঈগল প্রতীকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন।

এই আসনটিতে আওয়ামীলীগের নৌকার প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া। তিনি আসনটি থেকে নির্বাচিত হয়ে একসময় মন্ত্রীও ছিলেন। বর্তমানে তিনি আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ভোটের মাঠে এই প্রবীণ দাপুটে নেতাকে হারানোর স্বপ্ন অনেকটা দুস্বপ্ন বলেও মন্তব্য অনেকের।

এদিকে চাঁদপুর-৩ সদর-হাইমচর এবং চাঁদপুর-৪ ফরিদগঞ্জ আসনে ঈগল প্রতীকে হেভিওয়েট স্বতন্ত্র প্রার্থী ড. শামসুল হক ভূঁইয়া। তিনি জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি এবং ফরিদগঞ্জ আসন হতে নির্বাচিত সংসদ সদস্যও ছিলেন। বর্তমানে তিনি আওয়ামীলীগের জাতীয় পরিষদের নির্বাহী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বিগত সময়ে চাঁদপুর শহরের হাসানআলী মাঠে আওয়ামীলীগের এক জনসভায় দলের খোঁজ খবর নিতে ভিডিও কনফারেন্সে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা নিজে সরাসরি ড. শামসুল হক ভূঁইয়ার নাম উচ্চারণ করে সাথে কথা বলতে চেয়েছিলেন এবং বলেওছিলেন। এতে স্পষ্ট দলের হাইকমান্ডে তাঁর অগাধ সুসম্পর্ক রয়েছে। এছাড়াও রাজনীতির মাঠে তিনি প্রবীণ লোক এবং নির্বাচন সম্পর্কে ভালো অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ব্যাক্তিত্বও। ইতিমধ্যেই সংবাদ সম্মেলন ও সভাসহ নানাভাবেই এবার দু’টি আসনেই তিনি ঈগল প্রতীকের জয়ের মালা পড়তে কর্মপরিকল্পনা সাজিয়েছেন।

ড. শামসুল হক ভূঁইয়া মনে করেন, গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের উদাহরণ হিসেবে এবারের নির্বাচন সবার মনে জায়গা করে নিবে। কাজেই সবাই ভোট কেন্দ্রে এসে দু’টি ঈগল প্রতীকে ভোট দিয়ে নিজেদের বিজয় উল্লাস প্রকাশ করবে।

তবে তার শক্ত প্রতিপক্ষ হিসেবে চাঁদপুর-৩ আসনে গোছালো নির্বাচনী মাঠে ড. দীপু মনির। তিনি আসনটি হতে টানা ৩ বার নির্বাচিত হয়েছেন। এরমধ্যে মন্ত্রীত্বের দায়িত্বই পালন করেছেন দুবার। বড় বড় রাঘব বোয়ালদের একাংশ চেষ্টা করেও টানা চতুর্থ বারে দলীয় প্রতীক নৌকার মনোনয়ন পাওয়া থেকে তাকে বঞ্চিত করতে পারেননি। কাজেই তাঁর আসনে ঈগল প্রতীক আদৌ প্রভাব ফেলতে পারবে কিনা এ নিয়ে সজাগ নৌকার কর্মীসমর্থকগণ।

অপরদিকে চাঁদপুর-৪ ফরিদগঞ্জ আসনটিতে ক্লিন ইমেজে রয়েছেন সাংবাদিক শফিকুর রহমান। যার কারনে অনেক মনোনয়ন প্রত্যাশী থাকা সত্ত্বেও শেখ হাসিনা তাকেই আসনটিতে পুনরায় নৌকার মনোনয়ন দিয়েছেন। যারা মনে প্রাণে নৌকা প্রতীকের ভক্ত তারা দলে মান-অভিমান ও সামান্য মনমানিল্য কোনভাবে হয়ে থাকলেও তা চাপা রেখেই তার সাথে এক সুরে এক হয়ে নৌকার বিজয় নিশ্চিত করবে এমনটাই তিনি মনে করছেন। কাজেই ভোটের মাঠে স্বতন্ত্র প্রার্থীর ঈগল প্রতীক এ আসনে চমক দেখাতে পারবেন কিনা তা স্পষ্ট নয়।

এদিকে চাঁদপুর-৫ হাজীগঞ্জ শাহরাস্তি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঈগল প্রতীক নিয়ে বেশ জোরেসোরেই মাঠে নেমেছেন গাজী মাঈনুদ্দিন। তিনি হাজীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন। তিনি নৌকা প্রতীকে এর আগেও নির্বাচন করে জয়লাভ করেছেন। তবে সেটি হচ্ছে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচন। যেই চেয়ার থেকে তিনি এমপি হওয়ার দৌঁড়ে এগিয়ে যেতে ইতিপূর্বেই পদত্যাগ করেছেন। তাছাড়া প্বার্শবর্তী উপজেলা বর্তমানে তার নির্বাচনী এলাকা শাহরাস্তিতেও তিনি নেতাকর্মীদের সাথে বেশ ভালো যোগাযোগ রেখেছেন। কাজেই দল মত নির্বিশেষে সকলে এক ও অভিন্ন হয়ে আসনটিতে পরিবর্তন আনতে ঈগল প্রতীকের বিজয় নিশ্চিত করবে বলে তার কর্মী সমর্থকরা মনে করছেন।

গাজী মাঈনুদ্দিন বলেন, তৃণমূলের চাহিদার প্রেক্ষিতে এমপি পদে প্রার্থীতা করছি। ভোটের মাঠে বিজয় নিশ্চিত করার কৌশল ও অভিজ্ঞতা দু’টোই আমার রয়েছে। তাই উৎসাহ উদ্দিপনা নিয়ে সবাইকে ভোট কেন্দ্রে এসে ঈগল প্রতীকে ভোট দিতে অনুরোধ জানাচ্ছি।

এই আসনে এবারও নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মহান মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম। তাঁর গ্রহণযোগ্যতা আওয়ামীলীগসহ সবার কাছেই। অনেকেই তাই মনে করেন, যতদিন তিনি বেঁচে থাকবেন আসনটিতে তার বিকল্প তিনি নিজেই। এ আসনটি হতে নির্বাচিত হয়ে তিনি মন্ত্রীত্বের দায়িত্বও পালন করেছিলেন। কাজেই নির্বাচনী মাঠে তিনি প্রবীণ এবং দক্ষ। সেক্ষেত্রে আসনটিতে ঈগল প্রতীকের প্রার্থী শেষ পর্যন্ত জয় নিয়ে বেড়িয়ে আসতে পারবে কিনা সেই সমীকরণ বড়ই জটিল।

উল্লেখ্য, চাঁদপুরের ৫টি আসনে চাঁদপুর-১ কচুয়া আসন বাদে বাকি চারটি আসনেই একজন করে স্বতন্ত্র প্রার্থী ঈগল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন। এছাড়াও প্রতিটি আসনে নৌকার প্রার্থীর প্রতিপক্ষ হিসেবে ঈগল ছাড়াও একাধিক প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। যারা প্রত্যেকেই ৭ জানুয়ারির নির্বাচনের ভোট চেয়ে প্রচারণা শুরু করেছেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

এমপি গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাজধানী ঢাকার শেরেবাংলা নগর এলাকার ন্যাম ভবন থেকে সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি জিএম নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুনের (১৯) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ন্যাম ভবনের ৫নং ভবনের তৃতীয় তলার ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাট থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা তা এখনও জানা যায়নি।

তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. ইবনে মিজান মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। জানা যায়, রুমের জানালা দিয়ে মরদেহ ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়। তবে কখন, কীভাবে কেন এ ঘটনা ঘটেছে সে বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

পুলিশের দেয়া তথ্যে জানা যায়, মরদেহ উদ্ধারের পর ফরেনসিকের জন্য প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। এরপর মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি এবং ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুলিশের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে গণমাধ্যমকে জানান, নজরুল ইসলাম তার দুই স্ত্রীকে নিয়ে দুপুরের খাবার খেয়েছেন। এরপর তারা বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে আলাদা আলাদা রুমে যান। পরে ৫টার পরে ছোট স্ত্রী মরিয়মকে ডাকতে গেলে দরজা বন্ধ পান। পরে জানালা দিয়ে দেখেন আলোচিত দ্বিতীয় স্ত্রী ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলছেন। পরে তিনি থানা পুলিশকে জানান। প্রাথমিকভাবে এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা সে বিষয় বিস্তারিত কিছু জানাতে পারেনি পুলিশ।

রোগীর চাপ সামাল দিতে আরও হাজার শয্যার হাসপাতাল নির্মাণের ঘোষণা সিআইএমসি’র

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রোগীর চাপ সামাল দিতে আরও এক হাজার শয্যার নতুন হাসপাতাল নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছে চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ (সিআইএমসি)। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) কলেজ কনফারেন্স হলে আয়োজিত ‘ইন্টারন্যাশনাল অ্যাক্রেডিটেশন সেলিব্রেশন’ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়,

রোগীর চাপ সামাল দিতে আরও এক হাজার শয্যার হাসপাতাল নির্মাণ অপরিহার্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। এরই মধ্যে ৩০০ কোটি টাকার এই প্রকল্পের পেপারওয়ার্ক শুরু হয়েছে। নিজস্ব অর্থায়নে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন কষ্টসাধ্য হওয়ায় সরকার, দাতা সংস্থা ও সমাজের বিত্তবানদের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে। এছাড়া একই ক্যাম্পাসে গত ২২ বছর ধরে দেশের সর্ববৃহৎ বেসরকারি ডেন্টাল কলেজ ও ৬৫ ইউনিটের ডেন্টাল হাসপাতাল পরিচালিত হচ্ছে, যেখানে দৈনিক গড়ে ১৫০ জন রোগী চিকিৎসা নেন। সেই সঙ্গে গত আট বছর ধরে সুনামের সঙ্গে নার্সিং কলেজও পরিচালিত হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি সোসাইটির প্রেসিডেন্ট এবং সিআইএমসির প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. এ কিউ এম মোহসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান ও গভর্নিং বডির সভাপতি ডা. এ কে এম ফজলুল হক, চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য ডা. খুরশিদ জামিল চৌধুরী, ইসি সেক্রেটারি অধ্যাপক মো. নুরুন্নবী, প্রাক্তন অধ্যক্ষ ও একাডেমিক অ্যাডভাইজার অধ্যাপক ডা. মো. টিপু সুলতান এবং উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মুসলিনা আক্তার।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ২০২২ সালে জাতীয় সংসদে অ্যাক্রেডিটেশন আইন পাসের মাধ্যমে বাংলাদেশ মেডিকেল এডুকেশন অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল (বিএমইএসি) গঠন করা হয়। এর মূল লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশি মেডিকেল গ্র্যাজুয়েটদের বিশ্বমঞ্চে অবস্থান সুদৃঢ় করা। কারণ অ্যাক্রেডিটেশন ছাড়া বাংলাদেশের কোনো মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ডসহ বহির্বিশ্বে উচ্চতর প্রশিক্ষণ ও পেশাগত সুযোগ পাবেন না। এরই মধ্যে শ্রীলঙ্কা, ভারত, নেপাল, পাকিস্তানসহ প্রায় সব প্রতিবেশী দেশ এই স্বীকৃতি অর্জন করেছে।

২০২৬ সালের মধ্যে যেসব প্রতিষ্ঠান বিএমইএসি স্বীকৃতি পাবে না, তাদের কোনো শিক্ষার্থী দেশের বাইরে উচ্চ শিক্ষা ও প্র্যাকটিস করতে পারবেন না। এজন্য দেশের ১২৪টি সরকারি-বেসরকারি ও আর্মি মেডিকেল কলেজের মধ্যে ২১টি কলেজ আবেদন করে। যাচাই-বাছাই শেষে প্রথম দফায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ এবং দ্বিতীয় দফায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ, আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজ ও নর্থ-ইস্ট মেডিকেল কলেজ স্বীকৃতি পায়।

তৃতীয় দফায় স্বীকৃতি পাওয়া তিনটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ, সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ ও চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ। এর মাধ্যমে দেশে মোট বৈশ্বিক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত মেডিকেল কলেজের সংখ্যা দাঁড়ালো আটটিতে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, সিআইএমসি প্রতিষ্ঠার ১৩তম বর্ষ অতিক্রম করছে। এরই মধ্যে কলেজের উদ্যোগে চারটি আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে ১৫টি দেশের চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেছেন। মালয়েশিয়া, তুরস্ক, চীন ও থাইল্যান্ডের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে তাদের সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) রয়েছে। বর্তমানে কলেজের সঙ্গে সংযুক্ত রয়েছে ৫০০ শয্যার হাসপাতাল। যেখানে ২১টি বিভাগে প্রতিদিন ৫০০ থেকে ৭০০ রোগী বহির্বিভাগে চিকিৎসা নেন। প্রায় সময়ই শয্যা পরিপূর্ণ থাকায় এর অভাবে রোগী ফেরত দিতে হয়। এই হাসপাতালে ১০ শতাংশ রোগীকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ