আজঃ বৃহস্পতিবার ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

চাঁদপুরে দুই আসনে নৌকার বিরুদ্ধে লড়াই করছেন হেভিওয়েট সতন্ত্র প্রার্থী ড. শামছু ভুইঁয়া।

এস আর শাহ আলম চাঁদপুর:

Vizekanzler Michael Spindelegger trifft die Aussenministerin aus Bangladesch Dipu Moni, Wien, 26.02.2013, Foto: Dragan Tatic
সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁদপুর-৩ (চাঁদপুর সদর হাইমচর আসনের) আওয়ামী লীগ প্রার্থী, তিনবারের এমপি সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী, বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডাঃ দীপু মনি এবং চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে জাতীয় প্রেসক্লাবের দুইবারের সাবেক সভাপতি, প্রখ্যাত সাংবাদিক, ৪ বার আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাওয়া বর্তমান সংসদ সদস্য মুহম্মদ শফিকুর রহমান দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে একই প্রতিদ্বন্দ্বীর মুখোমুখি।

তিনি হলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জাতীয় পরিষদের সদস্য, চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি এবং চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনের সাবেক এমপি ড. মোহাম্মদ শামছুল হক ভূঁইয়া। উভয় আসনেই তিনি ঈগল প্রতীক পেয়েছেন। ইতিমধ্যে তিনি দুটি আসনেই আনুষ্ঠানিক প্রচারণায় নেমেছেন।

দুটি আসনে প্রার্থী হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মঙ্গলবার রাতে ড. মোহাম্মদ শামছুল হক ভূঁইয়া বলেন, উপরে আল্লাহ, নিচে রয়েছেন জনগণ, মানে ভোটাররা। আমরা ভোটারদের আদালতে হাজির হয়েছি। আমরা দীর্ঘদিন যে কাজ করেছি, তা বিবেচনা করে জনগণই সিদ্ধান্ত দিবে কিভাবে ও কাকে তারা নির্বাচিত করবে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, জনগণের আদালতের এ রায় আমার পক্ষেই যাবে।

তিনি আরও বলেন, দুটি আসন এখানে কোনো বিষয় না। আমি ১১ বছর চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলাম। এই একই আসনে আমার ব্যবসা বাণিজ্য ও স্কুল জীবন। জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি থাকার কারণে প্রতিটি নেতা-কর্মীর সাথে সুসম্পর্ক রয়েছে। তাছাড়া ইতিপূর্বে আমি চাঁদপুর-৩ আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী হয়েও একবার নির্বাচন করেছি। সুতরাং এ আসনে উপরওয়ালা সহায় থাকলে জনগণের আদালতের রায় ইনশাল্লাহ আমার পক্ষে আসবে।

তিনি বলেন, ফরিদগঞ্জ আমার পৈত্রিক নিবাস। সেখানে আমার সহপাঠী, মুরুব্বি ও বন্ধুরা রয়েছে। সেখানে আমার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান রয়েছে। সেই আসনে একবার এমপি হয়েছি। কী কাজ করেছি, জনগণ আমার সময়ের পাঁচ বছর ও পূর্বের পাঁচ বছরের কাজের বিচার বিশ্লেষণ করে তাদের যে রায় প্রদান করবেন আমি মনে করি তা আমরা পক্ষে আসবে। তাছাড়া আমাদের দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী আমাদের স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ দিয়েছেন। ফলে উভয় আসনেই আমি আমার ভিত দেখানোর একটি সুযোগ পাচ্ছি।

এদিকে নেতা-কর্মীদের ধারণা, দুটি আসনেই দলীয় কোন্দল রয়েছে। এই কোন্দলের কারণে জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি সাবেক এমপি ড. মোহাম্মদ শামছুল হক ভূঁইয়া ফসল ঘরে তুললেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। চাঁদপুর-৪ আসনে দলের মূলস্রোত তার পক্ষে রয়েছে। তবে সবকিছুরই অবসান হবে আগামী ৭ জানুয়ারির নির্বাচনের মধ্য দিয়ে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচন হবে : চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচন হবে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম মিঞা। বুধবার দুপুরে চট্টগ্রাম জেলা স্টেডিয়ামে নির্বাচনী সরঞ্জাম বিতরণ কার্যক্রম পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি নির্বাচনী আচরণবিধি জারির পর থেকে এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করায় জেলার সার্বিক পরিবেশ শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল রয়েছে বলে মন্তব্য করেন।

জেলা প্রশাসক জানান, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে পুরো চট্টগ্রাম জেলাকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মাঠে রয়েছে ৪০ হাজার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য এবং প্রায় ১১৫ জন জুডিশিয়াল ও অ্যাক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট।
প্রত্যেক ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনে স্ট্রাইকিং ফোর্স কাজ করছে এবং তারা সার্বক্ষণিক টহল ও মুভমেন্টের মাধ্যমে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। নিয়মিত তল্লাশি অভিযানের অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে কিছু অর্থ জব্দ করা হয়েছে এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, এবারের নির্বাচনের লক্ষ্য কেবল ভোটগ্রহণ ও ফলাফল ঘোষণায় সীমাবদ্ধ নয়। বরং প্রতিটি ভোটার যেন উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে তাদের সুচিন্তিত মতামত প্রকাশ করতে পারেন এবং নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারেন-সেই নিশ্চয়তা প্রদানই প্রশাসনের প্রধান অগ্রাধিকার।

সীতাকুণ্ড ও রাউজানের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকাসহ প্রতিটি উপজেলা বিশেষ নজরদারিতে রাখা হয়েছে এবং কোনো ধরনের উদ্বেগের ইঙ্গিত পাওয়া গেলে তা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত চট্টগ্রামে নির্বাচনের পরিবেশ স্বস্তিকর।

চট্টগ্রাম জেলায় মোট ভোটার সংখ্যা প্রায় ৬৬ লাখ ৮২ হাজার ৫১৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৩৪ লাখ ৮৩ হাজার ৮৭৭ জন।নারী ভোটার ৩১ লাখ ৯৮ হাজার ৫৭০ জন। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছে ৭০ জন। এসব ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন জেলার মোট ১ হাজার ৯৬৫টি ভোটকেন্দ্রে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রেই পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি নিশ্চিত করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম ৮ কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে নির্বাচনী সরঞ্জাম ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে চট্টগ্রাম-৮ আসনের বোয়ালখালীতে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে কেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে ভোটের সরঞ্জাম।বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারী ) দুপুর সাড়ে ১২টার সময় উপজেলার বোয়ালখালী সিরাজুল ইসলাম ডিগ্রি কলেজ থেকে প্রতিটি ভোট কেন্দ্রের দায়িত্বরত কর্মকর্তারা এসব সরঞ্জাম সংগ্রহ করতে দেখা গেছে।


নিবার্চন অফিস সূত্রে জানা গেছে, বোয়ালখালীতে ৮২ টি কেন্দ্রে মোট ভোটার রয়েছে ২ লক্ষ ২৩ হাজার ১৯০ জন। এছাড়া বোয়ালখালী উপজেলা এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ৩, ৪, ৫, ৬ ও ৭ নং ওয়ার্ড নিয়ে চট্টগ্রাম-৮ আসন। এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৫৪ হাজার ৭২৯ জন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মো. মেহেদী হাসান ফারুক বলেন, ভোট গ্রহণের জন্য আমরা সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। ভোটের সরঞ্জাম নিয়ে ইতোমধ্যে প্রিজাইডিং অফিসাররা কেন্দ্রে পৌঁছাচ্ছে।নির্বাচন যেন সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে শেষ হয়, সেজন্য পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। আমরা আশা করছি একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

আলোচিত খবর

নির্বাচনি দায়িত্বে থাকবেন প্রায় ৮ লাখ। কর্মকর্তা- ইসি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে বিশাল এক কর্মীবাহিনী মাঠে নামিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোটের কর্মযজ্ঞ সফল করতে সারা দেশে প্রায় ৮ লাখ কর্মকর্তা সরাসরি নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন। কমিশনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই বিশাল তালিকায় প্রিজাইডিং অফিসার থেকে শুরু করে পোলিং অফিসার পর্যন্ত সর্বমোট ৭ লাখ ৮৫ হাজার ২২৫ জন দক্ষ কর্মকর্তা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।  

নির্বাচন পরিচালনার ৬৯ জন রিটার্নিং অফিসার, ৫৯৮ জন সহকারী রিটার্নিং অফিসার। মোট ৪২ হাজার ৭৭৯টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এরই মধ্যে প্রায় ৯ লাখ পোস্টাল ব্যালট প্রতিটি কেন্দ্রের প্রধান দায়িত্ব সামলাবেন একজন করে প্রিজাইডিং অফিসার, সেই হিসেবে ৪২ হাজার ৭৭৯ জন প্রিজাইডিং অফিসার এখন কেন্দ্রগুলোতে যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন। এছাড়াও ভোটকক্ষগুলোতে দায়িত্ব পালনের জন্য ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ৪ লাখ ৯৪ হাজার ৯৬৪ জন পোলিং অফিসারকে চূড়ান্তভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ