আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

চাঁদপুরে দুই আসনে নৌকার বিরুদ্ধে লড়াই করছেন হেভিওয়েট সতন্ত্র প্রার্থী ড. শামছু ভুইঁয়া।

এস আর শাহ আলম চাঁদপুর:

Vizekanzler Michael Spindelegger trifft die Aussenministerin aus Bangladesch Dipu Moni, Wien, 26.02.2013, Foto: Dragan Tatic
সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁদপুর-৩ (চাঁদপুর সদর হাইমচর আসনের) আওয়ামী লীগ প্রার্থী, তিনবারের এমপি সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী, বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডাঃ দীপু মনি এবং চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে জাতীয় প্রেসক্লাবের দুইবারের সাবেক সভাপতি, প্রখ্যাত সাংবাদিক, ৪ বার আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাওয়া বর্তমান সংসদ সদস্য মুহম্মদ শফিকুর রহমান দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে একই প্রতিদ্বন্দ্বীর মুখোমুখি।

তিনি হলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জাতীয় পরিষদের সদস্য, চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি এবং চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনের সাবেক এমপি ড. মোহাম্মদ শামছুল হক ভূঁইয়া। উভয় আসনেই তিনি ঈগল প্রতীক পেয়েছেন। ইতিমধ্যে তিনি দুটি আসনেই আনুষ্ঠানিক প্রচারণায় নেমেছেন।

দুটি আসনে প্রার্থী হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মঙ্গলবার রাতে ড. মোহাম্মদ শামছুল হক ভূঁইয়া বলেন, উপরে আল্লাহ, নিচে রয়েছেন জনগণ, মানে ভোটাররা। আমরা ভোটারদের আদালতে হাজির হয়েছি। আমরা দীর্ঘদিন যে কাজ করেছি, তা বিবেচনা করে জনগণই সিদ্ধান্ত দিবে কিভাবে ও কাকে তারা নির্বাচিত করবে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, জনগণের আদালতের এ রায় আমার পক্ষেই যাবে।

তিনি আরও বলেন, দুটি আসন এখানে কোনো বিষয় না। আমি ১১ বছর চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলাম। এই একই আসনে আমার ব্যবসা বাণিজ্য ও স্কুল জীবন। জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি থাকার কারণে প্রতিটি নেতা-কর্মীর সাথে সুসম্পর্ক রয়েছে। তাছাড়া ইতিপূর্বে আমি চাঁদপুর-৩ আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী হয়েও একবার নির্বাচন করেছি। সুতরাং এ আসনে উপরওয়ালা সহায় থাকলে জনগণের আদালতের রায় ইনশাল্লাহ আমার পক্ষে আসবে।

তিনি বলেন, ফরিদগঞ্জ আমার পৈত্রিক নিবাস। সেখানে আমার সহপাঠী, মুরুব্বি ও বন্ধুরা রয়েছে। সেখানে আমার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান রয়েছে। সেই আসনে একবার এমপি হয়েছি। কী কাজ করেছি, জনগণ আমার সময়ের পাঁচ বছর ও পূর্বের পাঁচ বছরের কাজের বিচার বিশ্লেষণ করে তাদের যে রায় প্রদান করবেন আমি মনে করি তা আমরা পক্ষে আসবে। তাছাড়া আমাদের দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী আমাদের স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ দিয়েছেন। ফলে উভয় আসনেই আমি আমার ভিত দেখানোর একটি সুযোগ পাচ্ছি।

এদিকে নেতা-কর্মীদের ধারণা, দুটি আসনেই দলীয় কোন্দল রয়েছে। এই কোন্দলের কারণে জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি সাবেক এমপি ড. মোহাম্মদ শামছুল হক ভূঁইয়া ফসল ঘরে তুললেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। চাঁদপুর-৪ আসনে দলের মূলস্রোত তার পক্ষে রয়েছে। তবে সবকিছুরই অবসান হবে আগামী ৭ জানুয়ারির নির্বাচনের মধ্য দিয়ে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ