আজঃ শুক্রবার ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬

কাশ্মীরে স*হিংসতা বাড়িয়ে লাদাখে চোখ চীন–পাকিস্তানের।

আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জম্মু ও কাশ্মীরের পুঞ্চ সেক্টরে সম্প্রতি ভারতীয় সেনাদের ওপর হা*মলা চালিয়েছে স*ন্ত্রাসীরা। তাদের গু*লিতে ৫ সেনা নি*হতের খবরও পাওয়া গেছে। ভারতের সামরিক বাহিনীর দাবি, পাকিস্তানের সন্ত্রাসবাদীরা এই হা*মলা করেছে। এবার জানা গেল, লাদাখ থেকে ভারতীয় সেনা সরানোর জন্যই পাকিস্তান ও চীন মিলে কাশ্মীরে এই স*হিংস হা*মলা চালিয়েছে।

কয়েকটি সূত্রের বরাতে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে বলছে, জম্মু ও কাশ্মীরের পুঞ্চ সেক্টরে এই হামলা চালানোর মধ্য দিয়ে এই এলাকায় আবারও অস্থির পরিস্থিতি তৈরি করতে চায় ইসলামাবাদ ও বেইজিং। আর এভাবে ভারতীয় এই সীমান্তে হট্টগোল তৈরি করতে পারলে ভারত লাদাখ থেকে সেনা কমিয়ে নিতে পারে—এই ভাবনা থেকেই স*হিংসতা।

সূত্র বলছে, কাশ্মীরের পুঞ্চ এলাকার জঙ্গলে এরই মধ্যে অন্তত ৩০ সন্ত্রাসীকে পাঠিয়ে দিয়েছে পাকিস্তান। ভারতীয় সেনাদের দেখলেই যেন হামলা চালানো হয়—এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে তাদের।

২০২০ সালে গালওয়ান উপত্যকায় সংঘাতের পর সীমান্তে সেনা বাড়িয়েছে ভারত। লাদাখে সেনা বাড়ানোর কারণে চীন তেমন খুশি হওয়ার কথা না। তখন থেকেই লাদাখের এসব সেনাদের ভারত সরকার যাতে কাশ্মীর নিয়ে যায়, সেই চেষ্টা করছিল বেইজিং। এবার এতে পাকিস্তান সহায়তা করছে বলেই অভিযোগ ভারতের।

সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে ভারতের রাষ্ট্রীয় রাইফেলস নামক বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে। ২০২০ সালের ঘটনার পর এই বাহিনীর সেনাদের পুঞ্চ থেকে সরিয়ে লাদাখ নিয়ে যাওয়া হয়, যেটি চীনের জন্য মাথ্যাব্যথার কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।

ভারতের প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞ মনোজ কুমার বলেন, পুঞ্চ–রাজৌরিতে বর্তমান পরিস্থিতি ২০০৩ সালের অপারেশন সার্প বিনাশের কথাই মনে করিয়ে দিচ্ছে। ওই সময়ও স*ন্ত্রাসীরা এভাবে হা*মলা করেছিল। ওই সময় সেখানে ১৫ হাজার সেনা মোতায়েন করা হয়। মারা যায় ৬৫ স*ন্ত্রাসী।

এবার পুঞ্চে সংঘাতের পর এরই মধ্যে সেখানে বাড়তি সেনা পাঠিয়েছে ভারতের সামরিক বাহিনী। এরই মধ্যে ২০ সন্ত্রাসী নিহতের দাবি করেছে ভারত। এ ছাড়া চীন ও পাকিস্তানের বিষয়ও মাথায় রেখেছে ভারতের সামরিক বাহিনী। এমন কথাই বলেছেন বাহিনীর সাবেক প্রথম সারির কর্মকর্তা অজয় কোতিয়াল।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠিয়ে যা জানিয়েছে আইসিসি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশের নাম কাটল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। বাংলাদেশের পরিবর্তে জায়গা দেয়া হয়েছে স্কটল্যান্ডকে। বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকেও জানিয়েছে আইসিসি। সংস্থাটির সূত্রের বরাত দিয়ে এই তথ্য দিয়েছে ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআই। আইসিসির একটি সূত্র পিটিআইকে জানায়, ‘গতকাল (শুক্রবার) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যানকে একটি ই-মেইল পাঠানো হয়েছে। সেখানে জানানো হয়, (বাংলাদেশ) ভারতের আসবে কি না সে সিদ্ধান্ত জানাতে যে ২৪ ঘণ্টার যে সময়সীমা আইসিসি দিয়েছিল তার মধ্যে বিসিবি আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো উত্তর দেয়নি।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ