আজঃ সোমবার ৯ মার্চ, ২০২৬

বানিজ্যিক রাজধানী:

ঠিকাদারদের জবাবদিহির আওতায় আনার ঘোষণা : চসিক মেয়র।

এম মনির চৌধুরী রানা চট্টগ্রাম:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) তত্ত্বাবধানে চলমান প্রকল্পগুলোর গুণগত মান রক্ষায় ঠিকাদারদের জবাবদিহির আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছেন মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী।আজ (২৪ ডিসেম্বর) রবিবার নগরের থিয়েটার ইনস্টিটিউটে চসিকের ৬ষ্ঠ নির্বাচিত পরিষদের ৩৫তম সাধারণ সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন। মেয়র রেজাউল বলেন, কোনো ঠিকাদার কাজ নিয়ে কাজ ফেলে রাখতে পারবে না এবং নিম্নমানের কাজও করতে পারবে না। কেউ এ ধরনের করলে বিল দেব না। কাজ করলে কাজের মালামাল এবং কাজ শেষে কাজের গুণগত মান পরীক্ষায় আমরা ল্যাব করে দিয়েছি।
সেখান থেকে পরীক্ষা করে তারপর বিল দেওয়া হবে।

এবিষয়ে কোনো ক্ষমা নেই, কারো কোন তদবিরও শুনব না।নগরীর সৌন্দর্য রক্ষায় তারের জঞ্জাল অপসারণ করতে হবে উল্লেখ করে মেয়র বলেন, চট্টগ্রামকে বিশ্ব বাণিজ্যের কেন্দ্রে রূপান্তর করতে অনেকগুলো মেগা প্রকল্প নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন হলে ও তারের জঞ্জাল উন্নয়নের সৌন্দর্য নষ্ট করছে। অনেক সময় বিদ্যুতের খুঁটিতে এ তারের জন্য দুর্ঘটনা ঘটছে। এজন্য আমি ডিশ-ইন্টারনেট ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছি। আমরা দুটি প্রস্তাব দিয়েছি। হয় আপনারা পৃথক খুঁটি তৈরি করে ট্রে ব্যবহার করে গুছিয়ে তারগুলো নিন অথবা আমাদের ভূ-গর্ভস্থ নালা ব্যবহার করে তার নিন।

ইতোমধ্যে লালখানবাজার ওয়ার্ডে একটি পাইলট প্রকল্প চলমান আছে। ভবিষ্যতে সবার মতামতের ভিত্তিতে নগরীকে তারের জঞ্জাল থেকে মুক্তি দিতে চাই। চসিকের প্রকৌশল বিভাগের উদ্দেশে মেয়র বলেন, শহরের সৌন্দর্য ও নিরাপত্তার স্বার্থে মিড আইল্যান্ডগুলো উঁচু করে নির্মাণ করা হচ্ছে। যাতে মানুষ যত্রতত্র রাস্তা পারাপার করতে গিয়ে দুর্ঘটনায় না পড়ে। প্রকৌশল বিভাগকে নির্দেশ দিচ্ছি ফেব্রুয়ারির মধ্যে নগরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে জেব্রা ক্রসিং নির্মাণ করুন। আমাদের রাস্তাগুলো ১০ থেকে ১২ টনের উপযোগী করে বানানো। কিন্তু অনেকে অবৈধভাবে ৩০ থেকে ৪০ টন মাল লোড করে গাড়ি চালানোয় অনেকগুলো রাস্তা ভেঙে গেছে। এ ধরনের সড়কগুলো দ্রুত সংস্কার করুন।

তিনি বলেন, নির্বাহী প্রকৌশলীদের অধীনে সুপারভাইজাররা আছেন, সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়াররা আছেন। অথচ রাস্তায় গর্ত হয়ে থাকে, ফুটপাথের স্ল্যাব ভেঙে গেছে এগুলো আমাকে জানতে হয় হোয়াটসঅ্যাপে নাগরিকদের মেসেজ দেখে। এসব বিষয়ে প্রতিবেদন দেওয়া হয় না কেন? চসিকের বিদ্যুৎ বিভাগের সুপারভাইজাররা কে কোন এলাকায় দায়িত্বে আছেন তা কাউন্সিলরদের জানিয়ে দেবেন। মাসকে মাস লাইট কেন বন্ধ থাকবে?

দায়িত্ব পালনে কারো কোন গাফিলতি সহ্য করা হবে না। কোনো প্রকল্পের কাজ যাতে নিম্নমানের না হয় সে বিষয়ে কাউন্সিলরদের নজর রাখতে হবে। সভায় ট্রাফিক বিভাগের এডিসি মো. কাজী হুমায়ুন রশীদ বলেন, হকারদের উঠিয়ে দিলেও তারা আবারও বসে যায়। এজন্য মেয়রের নেতৃত্বে চট্টগ্রামের সবগুলো সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে নিয়ে সম্মিলিতভাবে অভিযান পরিচালনা প্রয়োজন।

এছাড়া, নগরের জিইসি মোড়ে সেন্ট্রাল প্লাজার সামনে ত্রিমুখী সড়কে নিয়মিত দুর্ঘটনা হচ্ছে যা মোকাবিলায় একটি গোলচত্বর নির্মাণ করা জরুরি। পাশাপাশি নগরীতে পর্যাপ্ত জেব্রা ক্রসিং নেই। এজন্য পর্যাপ্ত জেব্রা ক্রসিং নির্মাণ করা জরুরি। চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী প্রকৌশলী রাজিব দাশ জানান, সিডিএর একটি প্রতিনিধি এক্সপ্রেসওয়ের র‌্যাম্পগুলো নগরীর কোন কোন পয়েন্টে নামবে তা চসিকের কাছে উপস্থাপন করবে।

সভায় বিগত সাধারণ সভার কার্যবিবরণী, দরপত্র কমিটির কার্যবিবরণী এবং স্ট্যান্ডিং কমিটির কার্যবিবরণী অনুমোদিত হয়। স্ট্যান্ডিং কমিটির সভাপতিগণ তাদের নিজ নিজ কমিটির কার্যবিবরণী পেশ করেন। এ সময় চসিকের সচিব খালেদ মাহমুদ, প্যানেল মেয়র, কাউন্সিলর, চসিকের বিভিন্ন বিভাগীয় ও শাখা প্রধান এবং নগরের বিভিন্ন সরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মধ্যপ্রাচ্যে থেকে ছেড়ে আসা ১২টি জাহাজ পৌঁছেছে চট্টগ্রাম বন্দরে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার আগে হরমুজ প্রণালি ও ওমান উপসাগর পেরিয়ে আসা ১২টি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাছে। বাকি ৩টি এই সপ্তাহে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। প্রণালি বন্ধ ঘোষণার আগেই এসব জাহাজ পথ অতিক্রম করে বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা হয়েছিল। চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানো এবং পথে থাকা এসব জাহাজের মধ্যে ৪টিতে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), ২টিতে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) এবং ৯টিতে সিমেন্টশিল্পের কাঁচামাল ক্লিংকার রয়েছে। সব মিলিয়ে ১৫টি জাহাজে প্রায় সাড়ে ৭ লাখ টন পণ্য রয়েছে। এর মধ্যে ১২টি জাহাজ ইতিমধ্যে বন্দরে পৌঁছেছে। হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করে ইরান, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশে পণ্য আনা-নেওয়া হয়।
বাংলাদেশ শিপিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক পরিচালক খায়রুল আলম সুজন বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর আগে বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল বন্ধের আগে যেসব জাহাজ ছেড়েছিল সেগুলো চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছে। কয়েকটি জাহাজ পথে রয়েছে। দুই একটি জাহাজ হরমুজ প্রণালির ভেতরে বা কাছাকাছি বন্দরে আছে।
তিনি বলেন, সরকার, শিপিং লাইন, জাহাজ মালিক, পণ্যের মালিক, মেরিনাররা যুদ্ধের বিষয়টি মনিটরিং করছে। যদি হরমুজ প্রণালিতে হুমকি না থাকে জাহাজ চলাচল দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে যাবে বলে তিনি জানান।
সংশ্লিষ্টরা জানান, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করে বিভিন্ন দেশ থেকে প্রায় ৬০০ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি হয়েছে, যার বড় অংশই জ্বালানি পণ্য। তবে প্রণালি ঘিরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে নতুন জাহাজ আসা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে।

জানা গেছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলা এবং তেহরানের পাল্টা প্রতিক্রিয়ার কারণে হরমুজ প্রণালি ঘিরে পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে। ফলে বিশ্বজুড়ে তেল ও এলএনজি সরবরাহের প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ ঝুঁকির মুখে পড়েছে। হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করে ইরাক, ইরান, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরব এই সাত দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের পণ্য আনা-নেওয়া হয়। যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে প্রণালির পাশের দেশ ওমান থেকেও ওমান উপসাগরীয় পথে পরিবহন ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। পারস্য উপসাগর থেকে এই প্রণালি পেরিয়ে ওমান উপসাগর, আরব সাগর, ভারত মহাসাগর ও বঙ্গোপসাগর হয়ে বাংলাদেশে জাহাজ আসে।

চট্টগ্রাম বন্দর সূত্রে জানা গেছে, কাতার থেকে ১ লাখ ২৬ হাজার টন এলএনজি নিয়ে ‘আল জোর’ ও ‘আল জাসাসিয়া’ নামে দুটি জাহাজ ইতিমধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। এ ছাড়া এলপিজি নিয়ে ‘সেভান’ নামে একটি জাহাজ রোববার পৌঁছানোর কথা রয়েছে। বুধবার ‘আল গালায়েল’ এবং সোমবার ‘লুসাইল’ নামে আরও দুটি জাহাজ বন্দরের জলসীমায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সব মিলিয়ে এই চার জাহাজে এলএনজি রয়েছে প্রায় ২ লাখ ৪৭ হাজার টন। সিমেন্টশিল্পের কাঁচামাল ক্লিংকার, জিপসাম, চুনাপাথর ও পাথর নিয়ে আরও কয়েকটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছে। এসব জাহাজে প্রায় ৫ লাখ ১৫ হাজার টন কাঁচামাল রয়েছে, যা উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে আনা হয়েছে।২০২৪-২৫ অর্থবছরে হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করে মধ্যপ্রাচ্য থেকে প্রায় ৬০০ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি হয়েছে, যার বড় অংশই জ্বালানি পণ্য।

এলএনজি জাহাজগুলোর স্থানীয় প্রতিনিধি ইউনি গ্লোবাল বিজনেস লিমিটেডের জ্যেষ্ঠ উপমহাব্যবস্থাপক মো. নুরুল আলম বলেন, লিব্রেথা’ নামে আরেকটি এলএনজিবাহী জাহাজ এখনো হরমুজ প্রণালির ভেতরে রয়েছে। জাহাজটিতে এলএনজি বোঝাই করা হয়েছে এবং এটি প্রণালি অতিক্রমের অপেক্ষায় আছে। তবে পরবর্তী চালানগুলো নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সরবরাহ সংকট এড়াতে সরকার খোলাবাজার থেকেও বেশি দামে দুই জাহাজ এলএনজি কিনেছে, যা এখনো বন্দরে পৌঁছায়নি।

বাংলাদেশি পণ্যকে ভারতীয় পণ্য দাবি করে বিক্রি, জরিমিানা গুনল রাজস্থান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশি পণ্যকে ভারতীয় পণ্য দাবি
করে বিক্রি, জরিমিানা গুনল রাজস্থা
ছবি-২
চট্টগ্রাম ব্যুরো: বাংলাদেশে তৈরি পাঞ্জাবীকে ভারতীয় পণ্য বলে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগে ‘রাজস্থান’ নামের একটি দোকানের মালিককে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। শনিবার দুপুরে নগরের কোতোয়ালী থানার টেরিবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ‘রাজস্থান’ নামের ওই দোকানে এ জরিমানা করা হয়।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক (ডিডি) ফয়েজ উল্লাহ জানান, অভিযানের সময় একই পাঞ্জাবির গায়ে ভারতীয় ও বাংলাদেশি- দুটি আলাদা ট্যাগ পাওয়া যায়। তদন্তে দেখা যায়, বাংলাদেশে তৈরি পণ্যকে ভারতীয় বলে দাবি করে বেশি দামে বিক্রি করা হচ্ছিল। তিনি আরও বলেন, এ ধরনের প্রতারণামূলক কার্যক্রম ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণার শামিল। তাই ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের আওতায় দোকানটির মালিককে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রতারণামূলক কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার জন্য প্রতিষ্ঠানটিকে সতর্ক করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

আলোচিত খবর

চরম বিপাকে হাজার হাজার যাত্রী শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গত ৮ দিনে এই বিমানবন্দর থেকে মধ্যপ্রাচ্যগামী ও সেখান থেকে আসা মোট ৮০টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির যুদ্ধাবস্থায় দুবাই, আবুধাবি, শারজাহ ও দোহার এয়ারফিল্ডগুলো গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে বন্ধ রয়েছে। শনিবার নতুন করে বাতিল হয়েছে আরো ১২টি ফ্লাইট। এই টানা ৮ দিন ধরে ফ্লাইট বাতিলে চরম বিপাকে পড়েছেন হাজার হাজার যাত্রী, যাদের বড় একটি অংশ মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসী শ্রমিক। অনেক যাত্রী দূর-দূরান্ত থেকে বিমানবন্দরে এসে ফ্লাইট বাতিলের খবর শুনে কান্নায় ভেঙে পড়ছেন।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুদ্ধাবস্থার কারণে দুবাই, আবুধাবি ও দোহার মতো গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডগুলো বন্ধ থাকায় এই অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং এয়ারফিল্ডগুলো খুলে দিলেই পুনরায় নিয়মিত ফ্লাইট চালু করা সম্ভব হবে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, অনেক প্রবাসী তাদের ছুটির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার শঙ্কায় রয়েছেন। যথাসময়ে কর্মস্থলে ফিরতে না পারলে চাকরি হারানোর ভয় কাজ করছে তাদের মনে।অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্য থেকে যারা দেশে ফেরার অপেক্ষায় ছিলেন, তারা সেখানের এয়ারফিল্ডে আটকা পড়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। টিকিটের টাকা ফেরত পাওয়া বা রি-শিডিউল করা নিয়ে এয়ারলাইনস অফিসগুলোতে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল জানান, শনিবার সারাদিনে ১২টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে: বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ১টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার।এয়ার আরাবিয়ারের ২টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার। সালাম এয়ারের ১টি অ্যারাইভাল ও ১টি ডিপার্চার।
পুরো সূচি বিপর্যস্ত হলেও শনিবার সীমিত কিছু ফ্লাইট সচল রয়েছে। এর মধ্যে সালাম এয়ারের মাস্কাট-চট্টগ্রাম রুটে দুটি (ওভি-৪০১ ও ওভি-৪০২) এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মদিনা (বিজি-১৩৮) ও মাস্কাট (বিজি-১২২) থেকে আসা দুটি ফ্লাইট অবতরণ করেছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ