আজঃ শনিবার ২১ মার্চ, ২০২৬

কক্সবাজার পেকুয়া:

আবু সৈয়দ হ*ত্যা মামলার আসামি পেকুয়ার ওয়াসিম গ্রে*প্তার।

কক্সবাজার প্রতিনিধি:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

হত্যাসহ দশ মামলার আসামী কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শরাফত উল্লাহ চৌধুরী ওয়াসিমকে গ্রে*প্তার পুলিশ। বুধবার রাতে পেকুয়ার মাগনামা বাজার থেকে তাকে গ্রে*প্তার করা হয়। বৃহস্পতিবার তাকে আদালতে পাঠিয়ে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে পুলিশ।

এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোহাম্মদ ইলিয়াছ।

ওয়াসিম চকরিয়া-পেকুয়ার বর্তমান সংসদ সদস্য জাফর আলমের ঘনিষ্ঠ সহযোগী এবং অর্থ ও অ*বৈধ অ*স্ত্রের যোগানদাতা হিসেবে পরিচিত।

পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইলিয়াছ জানান, মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা আসামি ওয়াসিমের সম্পৃক্ততা পেলে গোয়েন্দা তথ্য, তথ্য প্রযুক্তি ও র্যা বের সাথে এক অভিযানে আবু সৈয়দ হ*ত্যাকান্ডের প্রাথমিক ভাবে তদন্তে প্রাপ্ত আসামি ওয়াসিম কে গ্রে*প্তার করতে স্বক্ষম হয়। তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

তিনি জানান, আবু সৈয়দ মৃত্যুর পূর্বে ফেইসবুক লাইভে এসে আসামী ওয়াসিম এর কথা বলে গিয়েছেন যে, ওয়াসিম তাকে মেরে ফেলবে। এছাড়াও, তিন জন গ্রে*ফতারকৃত আসামি গ্রে*ফতারের পরে ওয়াসিমের সম্পৃক্ততার কথা বলে গিয়েছে। নি*হত সৈয়দের পরিবার আদালতে ওয়াসিমের নাম তালিকা ভুক্ত করতে আবেদন করেছেন।

ধৃত ওয়াসিম প্রথমে শিবির হয়ে জামায়াত, বিএনপির সাথে জড়িয়ে অতীত অ*পকর্ম ঢাকতে চেষ্টা করেন। এক পর্যায়ে জাফর আলম এমপির হাত ধরে আওয়ামী লীগে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করলেও ত্যাগী আওয়ামী লীগের তীব্র প্রতিবাদের মুখ সেই চেষ্টা বিফল হয়।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, মগনামার সাবেক চেয়ারম্যান শরাফত উল্লাহ চৌধুরী ওয়াসিম এক সময় দু*ধর্ষ শিবির ক্যাডার ও যু*দ্ধাপরাধ মামলায় মৃ*ত্যুদন্ডপ্রাপ্ত জামায়েত নেতা মীর কাশেম আলীর দেহরক্ষী ছিলেন। এলাকায় ফিরে বিএনপির রাজনীতিতে যোগ দিয়ে ধানের শীষের প্রতিক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে চেয়ারম্যান র্নিবাচিত হন। এরপরই জড়িয়ে পড়েন ইয়াবা ব্যবসা ও সাগরে ট্রলার ডা*কাতির মতো ঘৃ*ণ্য অপরাধে। এছাড়া এলাকায় নিজস্ব স*ন্ত্রাসী বাহিনী গঠন করে চাঁদাবাজী, দখলবাজীসহ নানা অ*পকর্ম চালিয়ে যান। তার হাতে নির্যাতিত হয়েছেন প্রায় অর্ধশত পরিবার। বর্তমান সংসদ সদস্য জাফর আলমের অনুসারী হিসেবে পরিচিত ওয়াসিম পেকুয়ায় জাফর আলমের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করে থাকেন। তার হেফাজতে এ. কে. ৪৭ রাইফেলের মতো অত্যাধুনিক বিদেশী অ*স্ত্র ও দেশীয় অ*স্ত্রের মজুদ রয়েছে বলে বলে জানান তারা।

মামলার এজাহার ও নথিপত্র মতে, গত ১০ অক্টোবর বিকাল ৩টার দিকে আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ব শ*ত্রুতার জেরে আবু সৈয়দকে নৃ*শংসভাবে কু*পিয়ে হ*ত্যা করে। এমনকি নিহতের একটি পা কেটে নিয়ে যায় স*ন্ত্রাসীরা। এই ঘটনায় আবু সৈয়দের স্ত্রী সহ ৪ জন গু*রুতর আহত হন।

নি*হতের ছেলে সৈয়দ মোহাম্মদ ইমন ১১ অক্টোবর ২৪ জনের নাম উল্লেখ পূর্বক অজ্ঞাত ৪/৫ জনকে আসামি করে পেকুয়া থানায় একটি হ*ত্যা মামলা দায়ের করেন।

গত ১৯ নভেম্বর মামলার বাদী সৈয়দ মো. ইমন মগনামার সাবেক চেয়ারম্যান শরাফত উল্লাহ চৌধুরী ওয়াসিমকে মামলার আসামি করে আদালতে আবেদন করেন। এর প্রেক্ষিতে চকরিয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. জাহেদ হোসাইন ওয়াসিম চেয়ারম্যান জড়িত কি না তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কুতুবদিয়ায় ঈদ উপলক্ষে বাতিঘর সী-বীচে প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটের শুভ উদ্বোধন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কক্সবাজারের কুতুবদিয়া দ্বীপে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাতিঘর সী-বীচে প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটের শুভ উদ্বোধন করেন স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ। ২০ মার্চ, বিকালে জনসাধারণ নিয়ে উদ্বোধন করেন। এ উদ্যোগে স্থানীয় পর্যটন শিল্পে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সমুদ্র উপকূলে পর্যটকদের জন্য নতুন এই বিনোদন সুবিধা চালুর প্রশংসা করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইউপি সদস্য মো: ফোরকান, কুতুবদিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাসান কুতুবী, সাংবাদিক ও পর্যটন সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপির চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেন, এই উদ্যোগের ফলে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়বে এবং কুতুবদিয়ার পর্যটন খাত আরও সমৃদ্ধ হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর কুতুবদিয়ার বাতিঘর সী-বীচ ইতোমধ্যে পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। নতুন এই বোট সার্ভিস চালুর মাধ্যমে এলাকাটির আকর্ষণ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উদ্বোধনের পরপরই পর্যটকরা প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটে চড়ে সাগরের মনোরম পরিবেশ উপভোগ করেন। আয়োজকরা জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
পরে ইফতার ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্তি হয়।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন। কারা কতৃপক্ষ জানিয়েছেন -বন্দিদের ঈদের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়া হবে। এর পাশাপাশি রয়েছে বিশেষ খাওয়া দাওয়ার আয়োজন।এছাড়া বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ মিলছে বলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ্ শরীফ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রতিবছরের মত এবারও ঈদের দিন সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের দিন সকালে বন্দিদের জন্য থাকছে পায়েস ও মুড়ি। আর দুপুরে থাকবে পোলাও, গরু অথবা খাসি, সালাদ, মিষ্টি, পান-সুপারি। আর রাতের বেলায় সাদা ভাত, আলুর দম ও রুই মাছের আয়োজন করা হয়েছে।

জেলার শাহ্ শরীফ আরো জানান-এছাড়া ঈদের পরদিন বন্দিরা বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ পাবেন। ঈদের দিন থেকে তিন দিন বন্দিরা স্বজনদের সাথে পাঁচ মিনিট করে টেলিফোনে এবং একবার স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারবেন।

সাধারণ সময়ে হাজতিরা মাসে দুই বার এবং কয়েদীরা মাসে একবার করে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলেও ঈদের সময় বিশেষ ভাবে সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন।একই ভাবে ১০ টাকার বিনিময়ে মাসে দুই বার স্বজনদের সাথে টেলিফোনে ১০ মিনিট কথা বলার সুযোগ পান বন্দীরা। তবে ঈদে বিনামূল্যে পাঁচ মিনিট করে কথা বলার সুযোগ পাবেন।বর্তমানে কারাগারে হাজতি ও কয়েদী মিলে পাঁচ হাজার ৮৫৮ জন বন্দি রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ