আজঃ বৃহস্পতিবার ১৪ মে, ২০২৬

থার্টি ফার্স্ট নাইট উপলক্ষ্যে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কর্তৃক বিশেষ নির্দেশনা

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় সম্মানিত নগরবাসীদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, থার্টি ফার্স্ট নাইটে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখতে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ বদ্ধপরিকর। সকল অনুষ্ঠান শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কর্তৃক পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট স্থাপন, গীর্জা, হোটেল, ক্লাব, বিনোদন কেন্দ্রে পুলিশ মোতায়েন, টহল জোরদার, ট্রাফিক পুলিশের বিশেষ ব্যবস্থা এবং সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। চট্টগ্রাম মহানগরের সার্বিক নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলার স্বার্থে সম্মানিত নাগরিকদের নিম্নলিখিত নিদের্শনাসমূহ অনুসরণ করার জন্য অনুরোধ করা হলো:

১. রাস্তা, ফ্লাইওভার, ভবনের ছাদ এবং প্রকাশ্য স্থানে কোন ধরনের জমায়েত/সমাবেশ/উৎসব না করা।

২. উন্মুক্ত স্থানে নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষ্যে কোন ধরনের অনুষ্ঠান, সমাবেশ বা নাচ-গান অথবা অন্যকোনো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান না করা।

৩. কোথাও কোন ধরনের আতশবাজি/পটকা না ফোটানো এবং ফানুস না উড়ানো।

৪. ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ০৬.০০ ঘটিকা থেকে পরদিন সকাল ১০.০০ ঘটিকা পর্যন্ত পতেঙ্গা সি-বিচ ও পারকি বিচ এলাকায় অবস্থান না করা।

৫. ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ০৬.০০ ঘটিকা থেকে পরদিন সন্ধ্যা ০৬.০০ ঘটিকা পর্যন্ত লাইসেন্সকৃত সকল বার ও মদের দোকান বন্ধ রাখা।

৬. উচ্চস্বরে গাড়ির হর্ন না বাজানো  কিংবা বেপরোয়া গতিতে গাড়ি বা মোটরবাইক না চালানো।

৭. আনন্দ উদযাপনের ক্ষেত্রে  আমাদের প্রচলিত সমাজ ব্যবস্থা ও সংস্কৃতির প্রতি লক্ষ্য রেখে প্রত্যাশিত ও গ্রহণযোগ্য শালীনতা বজায় রাখা।

৮. মাদকদ্রব্য সেবন থেকে বিরত থাকতে থাকা। মাদকাসক্ত অবস্থায় কাউকে পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

৯. সকল অনুষ্ঠানে নারীদের জন্য পৃথক ব্যবস্থা রাখা এবং নারীদের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা।

১০. নৈতিক মূল্যবোধ পরিপন্থী কর্মকান্ড হতে বিরত থাকা।

১১. অশোভন আচরণ এবং বে-আইনী কার্যকলাপ হতে বিরত থাকা।

১২. হোটেলে ডিজে পার্টির নামে কোন স্পেস বা কক্ষ ভাড়া না দেওয়া।

১৩. জনগণের শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হয় এমন যে কোনো ধরনের কর্মকান্ড পরিহার করা।

ট্রাফিক নির্দেশনা

উচ্চস্বরে হর্ন না বাজানোসহ বেপরোয়া গতিতে যানবাহন না চালানোর জন্য অনুরোধ করা হলো।

এছাড়াও যে কোন গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ বা দুর্ঘটনা সংক্রান্ত তথ্য  তৎক্ষণাৎ সিএমপি-এর পুলিশ কন্ট্রোল রুম অথবা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এ জানানোর জন্য অনুরোধ করা হলো।

সিএমপি কন্ট্রোল রুমের ফোন নম্বর:
০৩১-৬৩৯০২২, ০৩১-৬৩০৩৫২, ০৩১-৬৩০৩৭৫, ০১৬৭৬-১২৩৪৫৬, ০১৩২০-০৫৭৯৯৮

যে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে সম্মানিত নাগরিকবৃন্দকে কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের সাহায্য গ্রহণের পরামর্শ দেয়া হলো। এবং কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের আইন প্রয়োগে সহযোগিতা করার জন্য সম্মানিত নাগরিকদের অনুরোধ করা হলো। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ ইংরেজি নববর্ষ-২০২৪ উদযাপন নির্বিঘ্ন করতে সম্মানিত নগরবাসীর সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ফ্লাইওভারের রেলিংয়ে ঝুলছিল যুবকের মরদেহ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের সাগরিকা এলাকায় ফ্লাইওভারের রেলিং থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গভীর রাতে বিএসআরএম ডিপোসংলগ্ন ফ্লাইওভার থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত ব্যক্তির নাম কাউসার আহমেদ বলে জানিয়েছে পুলিশ।ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের পোস্ট ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে একে পরিকল্পিত হত্যা এবং রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার ঘটনা বলে দাবি করা হয়। তবে পুলিশ এসব তথ্যকে ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করেছে।

পুলিশ বলছে, নিহত ব্যক্তি বিএসআরএমে নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, ওই যুবক মাদকাসক্ত ছিলেন এবং দীর্ঘদিন ধরে মানসিক হতাশায় ভুগছিলেন। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলেই ধারণা করছে পুলিশ।
পাহাড়তলী থানা-পুলিশ জানায়, স্থানীয় লোকজনের খবরে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। পাহাড়তলী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাসুদুর রহমান বলেন, মরদেহে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। নিয়ম অনুযায়ী ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। পরে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।

ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের দাবি, কাউসার আহমেদ আকবর শাহ থানা ছাত্রলীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক। তাদের অভিযোগ, ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকার কারণে তাকে তুলে নিয়ে গিয়ে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার পর এলাকাজুড়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এছাড়া থানা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত একটি শোকবার্তায় তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করা হয়েছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মা নদী থেকে অবৈধ মাটি উত্তোলন: ট্রাক্টরসহ ১জন আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার সুন্দরপুর ইউনিয়নের ৬, ৭ ও ৮ নম্বর স্পার বাঁধ এলাকায় পদ্মা নদী ও আশপাশের কৃষিজমি থেকে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। এ সময় মাটিভর্তি একটি ট্রাক্টরসহ এক ব্যক্তিকে আটক করা হয় এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে ১৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিকেলে সুন্দরপুর ইউনিয়নের শিবিরহাট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ ইকরামুল হক নাহিদ। অভিযানে মাটি পরিবহনের সময় মোঃ সোহবুল হকের ছেলে মোঃ সুমন আলী (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তিনি সদর উপজেলার জয়ন্দীপুর রামকৃষ্ণপুর এলাকার বাসিন্দা।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তি স্বীকার করেন, পদ্মা নদীর তীরবর্তী জয়ন্দীপুর এলাকার কৃষিজমি থেকে অবৈধভাবে মাটি কেটে তা বিভিন্ন ইটভাটায় পরিবহন করা হচ্ছিল।

পরে তার স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে “ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩” এর ১৫ ধারায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাকে ১৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। জরিমানার টাকা তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়েছে।

অভিযান চলাকালে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ ইকরামুল হক নাহিদ বলেন, নদী ও কৃষিজমি রক্ষায় প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। অবৈধভাবে মাটি উত্তোলনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে এবং কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

এদিকে স্থানীয় এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই প্রভাবশালী একটি চক্র রাত-দিন ট্রাক্টর ও ভেকু দিয়ে নদীর তীর ও ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে। এতে একদিকে যেমন কৃষিজমি নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে নদীর তীর ভাঙনের ঝুঁকিও বাড়ছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, “ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে প্রতিদিন শত শত ট্রাক্টর মাটি বহন করছে। প্রশাসনের অভিযানকে আমরা স্বাগত জানাই, তবে শুধু জরিমানা নয়—স্থায়ীভাবে এই মাটি লুট বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জনস্বার্থে নদী ও কৃষিজমি রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আলোচিত খবর

চট্টগ্রাম কাস্টমসে নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেয়া ২২০ কন্টেইনার পণ্য বিক্রি হবে নিলামে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া ২২০ টি কন্টেইনার নিলামে তোলার পদক্ষেপ নিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘদিনের জট নিরসনে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। সর্বমোট ১৩৭টি লটে ২২০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে। বিশেষ করে আমদানির পর নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া এসব কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হচ্ছে।এই নিলাম প্রক্রিয়া অনলাইনে (ই-অকশন) সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, পুরো মে মাস জুড়ে দরদাতাদের জন্য সরেজমিনে পণ্য পরিদর্শনের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে সর্বোচ্চ দরদাতাদের পণ্য খালাসের ক্ষেত্রে আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২০২৪ এর শর্তাবলী মেনে চলতে হবে বলে জানিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বন্দরকে কন্টেইনার জটমুক্ত করতে এবং ভৌত ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের নিলাম কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

কাস্টমস সূত্র জানায়, আমদানিকৃত এসব পণ্য মাসের পর মাস বন্দরে পড়ে থাকায় একদিকে যেমন বন্দরের জায়গা দখল হয়ে আছে, অন্যদিকে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আটকে রয়েছে। এতে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও সক্ষমতা কমছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধে মে মাসে দুই ধাপে এই ই-অকশন অনুষ্ঠিত হবে।

জানা গেছে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বিশেষ আদেশ অনুসারে ‘ই-অকশন-৪/২০২৬’-এর আওতায় ১২০টি লটে ১৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে।
এই তালিকায় রয়েছে বিভিন্ন ধরণের কেমিক্যাল, মেশিনারিজ, কাগজ, কাপড় (ফেব্রিক্স), গৃহস্থালির সামগ্রী এবং এসি পার্টস। বিশেষ বিষয় হলো, এই পণ্যগুলোর নিলামে কোনো সংরক্ষিত মূল্য থাকছে না। এই ধাপের দরপত্র আগামী ৯ জুন সকাল ১১টায় খোলা হবে। অন্যদিকে, স্থায়ী আদেশ অনুযায়ী ‘ই-অকশন-৫/২০২৬’-এর আওতায় ১৭টি লটে আরও ৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হবে।

এর মধ্যে রয়েছে ক্যাপিটাল মেশিনারিজ, প্যাসেঞ্জার এলিভেটর, স্টিল স্ক্র্যাপ, গাড়ি এবং লবণ। এই ধাপের দরপত্র আগামী ১৪ মে দুপুর ৩টায় উন্মুক্ত করা হবে। নিলাম প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে কার্যক্রমটি পরিচালিত হচ্ছে। আগ্রহী ক্রেতারা ঘরে বসেই বাংলাদেশ কাস্টমসের অফিসিয়াল ই-অকশন পোর্টালে নিবন্ধন করে দরপত্র দাখিল করতে পারবে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ