থার্টি ফার্স্ট নাইট উপলক্ষ্যে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কর্তৃক বিশেষ নির্দেশনা

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় সম্মানিত নগরবাসীদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, থার্টি ফার্স্ট নাইটে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখতে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ বদ্ধপরিকর। সকল অনুষ্ঠান শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কর্তৃক পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট স্থাপন, গীর্জা, হোটেল, ক্লাব, বিনোদন কেন্দ্রে পুলিশ মোতায়েন, টহল জোরদার, ট্রাফিক পুলিশের বিশেষ ব্যবস্থা এবং সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। চট্টগ্রাম মহানগরের সার্বিক নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলার স্বার্থে সম্মানিত নাগরিকদের নিম্নলিখিত নিদের্শনাসমূহ অনুসরণ করার জন্য অনুরোধ করা হলো:

১. রাস্তা, ফ্লাইওভার, ভবনের ছাদ এবং প্রকাশ্য স্থানে কোন ধরনের জমায়েত/সমাবেশ/উৎসব না করা।

২. উন্মুক্ত স্থানে নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষ্যে কোন ধরনের অনুষ্ঠান, সমাবেশ বা নাচ-গান অথবা অন্যকোনো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান না করা।

৩. কোথাও কোন ধরনের আতশবাজি/পটকা না ফোটানো এবং ফানুস না উড়ানো।

৪. ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ০৬.০০ ঘটিকা থেকে পরদিন সকাল ১০.০০ ঘটিকা পর্যন্ত পতেঙ্গা সি-বিচ ও পারকি বিচ এলাকায় অবস্থান না করা।

৫. ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ০৬.০০ ঘটিকা থেকে পরদিন সন্ধ্যা ০৬.০০ ঘটিকা পর্যন্ত লাইসেন্সকৃত সকল বার ও মদের দোকান বন্ধ রাখা।

৬. উচ্চস্বরে গাড়ির হর্ন না বাজানো  কিংবা বেপরোয়া গতিতে গাড়ি বা মোটরবাইক না চালানো।

৭. আনন্দ উদযাপনের ক্ষেত্রে  আমাদের প্রচলিত সমাজ ব্যবস্থা ও সংস্কৃতির প্রতি লক্ষ্য রেখে প্রত্যাশিত ও গ্রহণযোগ্য শালীনতা বজায় রাখা।

৮. মাদকদ্রব্য সেবন থেকে বিরত থাকতে থাকা। মাদকাসক্ত অবস্থায় কাউকে পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

৯. সকল অনুষ্ঠানে নারীদের জন্য পৃথক ব্যবস্থা রাখা এবং নারীদের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা।

১০. নৈতিক মূল্যবোধ পরিপন্থী কর্মকান্ড হতে বিরত থাকা।

১১. অশোভন আচরণ এবং বে-আইনী কার্যকলাপ হতে বিরত থাকা।

১২. হোটেলে ডিজে পার্টির নামে কোন স্পেস বা কক্ষ ভাড়া না দেওয়া।

১৩. জনগণের শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হয় এমন যে কোনো ধরনের কর্মকান্ড পরিহার করা।

ট্রাফিক নির্দেশনা

উচ্চস্বরে হর্ন না বাজানোসহ বেপরোয়া গতিতে যানবাহন না চালানোর জন্য অনুরোধ করা হলো।

এছাড়াও যে কোন গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ বা দুর্ঘটনা সংক্রান্ত তথ্য  তৎক্ষণাৎ সিএমপি-এর পুলিশ কন্ট্রোল রুম অথবা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এ জানানোর জন্য অনুরোধ করা হলো।

সিএমপি কন্ট্রোল রুমের ফোন নম্বর:
০৩১-৬৩৯০২২, ০৩১-৬৩০৩৫২, ০৩১-৬৩০৩৭৫, ০১৬৭৬-১২৩৪৫৬, ০১৩২০-০৫৭৯৯৮

যে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে সম্মানিত নাগরিকবৃন্দকে কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের সাহায্য গ্রহণের পরামর্শ দেয়া হলো। এবং কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের আইন প্রয়োগে সহযোগিতা করার জন্য সম্মানিত নাগরিকদের অনুরোধ করা হলো। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ ইংরেজি নববর্ষ-২০২৪ উদযাপন নির্বিঘ্ন করতে সম্মানিত নগরবাসীর সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ট্রাকের গোপন চেম্বারে মিলল ৩ লাখ ইয়াবা, চালক গ্রেফতার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের ডবলমুরিং এলাকায় ট্রাকের পাটাতনের নিচে বিশেষ কৌশলে তৈরি গোপন চেম্বার থেকে ৩ লাখ ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করেছে নগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কমিশনারের কার্যালয়ের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি-দক্ষিণ) শেখ শরীফুল ইসলাম। এ ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে ট্রাকচালক মো. রুহুল আমিনকে (৪৫)। জব্দ করা হয়েছে ইয়াবা পরিবহনে ব্যবহৃত ট্রাকটিও। এ ঘটনায় গ্রেফতার চালকের বিরুদ্ধে ডবলমুরিং মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি-দক্ষিণ) শেখ শরীফুল ইসলাম জানান, কক্সবাজার থেকে ইয়াবার চালান নিয়ে একটি ট্রাক চট্টগ্রাম নগরের কোতোয়ালি হয়ে সাগরিকার দিকে যাচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে ডবলমুরিং থানার মনসুরাবাদ পুলিশ লাইনের বিপরীতে চেকপোস্ট বসায় ডিবি। রাত সোয়া ২টার দিকে ট্রাকটি চেকপোস্টে পৌঁছালে পুলিশ সেটি আটক করে এবং চালক রুহুল আমিনকে আটক করা হয়।

‘ট্রাকে ইয়াবা থাকার কথা স্বীকার করেন চালক’ উল্লেখ করে উপপুলিশ কমিশনার জানালেন, জিজ্ঞাসাবাদে চালক ট্রাকের পাটাতনের নিচে বিশেষ কৌশলে তৈরি একটি গোপন চেম্বারে ইয়াবা রাখার কথা জানান। পরে তার দেখানো জায়গা থেকে উদ্ধার করা হয় ওই চেম্বারে লুকিয়ে রাখা ৩ লাখ ২০ হাজার পিস ইয়াবা।
জব্দ করা ট্রাকটির নিবন্ধন নম্বর যশোর-ট-১১-২৫৬৩। গ্রেফতার রুহুল আমিন পাবনা জেলার আতাইকুলা থানার ধর্মগ্রাম খন্দকার বাড়ির মৃত সোহরাব আলীর ছেলে জানানো হয় সিএমপির ব্রিফিংয়ে।

নোয়াখালীতে মাদক সেবনের দায়ে দুজনের কারাদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নোয়াখালীতে সদর উপজেলায় মাদকবিরোধী টাস্কফোর্সের অভিযানে গাঁজা সেবন করে জনশান্তি বিনষ্টের দায়ে দুই ব্যক্তিকে তিন দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ টাকা করে অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বুধবার (২১ অক্টোবর) সকালে জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম জাহিদা আক্তার মৌসুমির নেতৃত্বে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অংশগ্রহণে দত্তেরহাট পানির ট্যাংক ও সোনাপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।

দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন, সদর উপজেলার ডেমা এলাকার মৃত মাহাতাব শেখের ছেলে মো.তুহিন (৪৫) ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার রামপুর এলাকার মৃত হানিফ মিয়ার ছেলে মো. রুবেল মিয়া (২৮)।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, সকালে জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম জাহিদা আক্তার মৌসুমির নেতৃত্বে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অংশগ্রহণে দত্তেরহাট পানির ট্যাংক ও সোনাপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়। অভিযান চলাকালে গাঁজা সেবন করে জনসাধারণের শান্তি বিনষ্ট করার অপরাধে ঘটনাস্থলেই ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের প্রত্যেককে তিন দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ টাকা করে অর্থদণ্ড দেন।

নোয়াখালী জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সুব্রত সরকার শুভ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, মাদক নিমূলে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে; চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করে শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে চট্টগ্রাম নগরের জেএম সেন হলে শারদীয় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা করে অংশ নেননি। সবার লক্ষ্য ছিল দেশকে স্বাধীন করা, গণতন্ত্র রক্ষা করা এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।তিনি বলেন, আমরা মুসলমান হই, হিন্দু হই, বৌদ্ধ হই কিংবা খ্রিস্টান হই, ধর্ম আমাদের নিজস্ব বিষয়। কিন্তু আমরা প্রত্যেকেই বাংলাদেশের নাগরিক।

যে ধর্মেরই হই না কেন, যেহেতু এই দেশে আমরা জন্মেছি, এই দেশে বড় হচ্ছি, তাই আমাদের পরিচয় আমরা বাংলাদেশি।তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে লাখ লাখ মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন।

অনেকে শহীদ হয়েছেন। সেদিন কেউ দেখেননি কে মুসলমান, কে হিন্দু, কে বৌদ্ধ কিংবা কে খ্রিস্টান। সবাই দেশকে স্বাধীন করার লক্ষ্য নিয়ে লড়াই করেছেন। একইভাবে বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষা ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনেও মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা না করে রাজপথে নেমেছেন।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওই সময় স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখ লাখ মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিলেন। নারী-পুরুষ, শিশু, তরুণসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ আন্দোলনে অংশ নেন। গুলিবিদ্ধ কিংবা আহত ব্যক্তির ধর্মীয় পরিচয় জানতে চেয়ে কেউ তাঁদের পাশে দাঁড়াননি। হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার ক্ষেত্রেও ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।

তিনি বলেন, আমার ভাই শহীদ হয়েছে, আমার ভাই আহত হয়েছে। বাকিরা তাঁদের ধরাধরি করে হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। কেউ জিজ্ঞেস করেননি, কী তাঁর ধর্ম পরিচয়। এসব ঘটনা প্রমাণ করে, মানুষের অধিকার ও মানবিকতার প্রশ্নে ধর্মীয় পরিচয় মুখ্য নয়।প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ কিংবা সংখ্যালঘু পরিচয়ের ভিত্তিতে নাগরিকদের বিচার করা উচিত নয়।

তিনি নিজেকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে বলেন, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে দীর্ঘদিন বিদেশে থাকতে হয়েছে। বাংলাদেশে তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্মের অনুসারী হলেও লন্ডনে অবস্থানের সময় সেই পরিচয় তাঁকে সংখ্যাগরিষ্ঠ করেনি। তাই সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘু পরিচয় নয়, একজন মানুষ বাংলাদেশের নাগরিক কি না, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।

তারেক রহমান বলেন, দেশের আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে। রাষ্ট্র একজন নাগরিককে যে অধিকার ও সুযোগ দেবে, অন্য নাগরিকও তা পাবেন। ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কারও অধিকার খর্ব করা যাবে না।

মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, এসব আন্দোলনে যাঁরা জীবন দিয়েছেন, তাঁদের প্রত্যাশা ছিল এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে সবাই শান্তিতে বসবাস করবেন এবং মিলেমিশে থাকবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে যদি সেই বাংলাদেশ গড়তে হয়, আপনাদের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমি আপনাদের সকলের সহযোগিতা চাই। আপনি হিন্দু হোন, মুসলমান হোন, বৌদ্ধ হোন কিংবা খ্রিস্টান হোন, যাই হোন না কেন, আপনার সহযোগিতা আমার দরকার। কারণ আপনার সহযোগিতা ছাড়া আমরা সেই কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব না।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীমসহ বিভিন্ন সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য ও নেতারা।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ