আজঃ শনিবার ২৮ মার্চ, ২০২৬

জাতীয়:

নির্বাচন উপলক্ষে দেশে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন।

ঢাকা অফিস:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার জন্য দেশে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২ জানুয়ারি) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানায়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১২৬ অনুচ্ছেদ অনুসারে ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ারের আওতায় সশস্ত্র বাহিনী নিয়োজিত হয়েছে।

সশস্ত্র বাহিনী ভোটগ্রহণের আগে, ভোটগ্রহণের দিন ও ভোটগ্রহণের পর শান্তি-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দেশব্যাপী ৩-১০ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন বা স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা প্রদান করবে।

সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা প্রতিটি জেলা, উপজেলা, মেট্রোপলিটন এলাকার নোডাল পয়েন্ট ও অন্যান্য সুবিধাজনক স্থানে অবস্থান করবে। সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের অনুরোধক্রমে ও সমন্বয়ের মাধ্যমে বাহিনীগুলোর এলাকাভিত্তিক মোতায়েন সম্পন্ন করছে। সেনাবাহিনী ৬২টি জেলায় নিয়োজিত হয়েছে।

সমতলে সীমান্তবর্তী ৪৫টি উপজেলায় বিজিবি এককভাবে দায়িত্ব পালন করবে; এ ছাড়া সীমান্তবর্তী ৪৭ উপজেলায় সেনাবাহিনী বিজিবির সঙ্গে এবং উপকূলীয় চার উপজেলায় কোস্ট গার্ডের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে যৌথভাবে দায়িত্ব পালন করবে। উপকূলীয় দুটি জেলাসহ (ভোলা ও বরগুনা) সর্বমোট ১৯ উপজেলায় বাংলাদেশ নৌবাহিনী দায়িত্ব পালন করবে।

বাংলাদেশ বিমান বাহিনী দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলের ভোটকেন্দ্রগুলোতে প্রয়োজনীয় হেলিকপ্টার সহায়তা দেবে। এ ছাড়া জরুরি প্রয়োজনে নির্বাচনী সহায়তা দেওয়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রয়োজনীয় সংখ্যক হেলিকপ্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় বা বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে যৌথ সমন্বয় সেল স্থাপন করা হয়েছে, যা ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে সশস্ত্র বাহিনী সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে অবৈধভাবে জ্বালানি সরবরাহ করে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলো।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে অবৈধভাবে জ্বালানি সরবরাহ করে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলো।

চট্টগ্রাম বন্দরে ৬২ হাজার টন গম নিয়ে মার্কিন জাহাজ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৬২ হাজার ১৫০ টন গম নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের বহিঃনোঙরে পৌঁছেছে। শুক্রবার (২৭ মার্চ) খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।খাদ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ সরকার ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের আওতায় এই গম আমদানি করা হয়েছে। এই গমটি নগদ ক্রয় চুক্তি নম্বর জি টু জি-০৩ এর অধীনে এসেছে। এর আগে একই চুক্তির আওতায় ৫৮ হাজার ৪৫৭ টন গম বাংলাদেশে পৌঁছেছিল।

বর্তমানে জাহাজে থাকা গমের নমুনা পরীক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং দ্রুত খালাসের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। জাহাজে থাকা গমের মধ্যে ৩৭ হাজার ২৯০ টন চট্টগ্রাম বন্দরে এবং অবশিষ্ট ২৪ হাজার ৮৬০ টন মোংলা বন্দরে খালাস করা হবে।

এই চুক্তির আওতায় এর আগে সরকার-টু-সরকার (জি টু জি) ভিত্তিতে মোট ৪ লাখ ৬৭ হাজার ৮৮৪ মেট্রিক টন গম দেশে এসেছে। এর মধ্যে দুটি চুক্তির আওতায় যথাক্রমে ২ লাখ ৩৭ হাজার ৮৪৫ মেট্রিক টন এবং ২ লাখ ৩০ হাজার ৩৯ মেট্রিক টন গম আমদানি হয়েছে।প্রঙ্গদেশের বার্ষিক গমের চাহিদা প্রায় ৭০ লাখ টন, যেখানে দেশের উৎপাদন প্রায় ১০ লাখ টন। বাকি চাহিদা পূরণ করতে সরকার এবং বেসরকারি খাত বিদেশ থেকে গম আমদানি করে।

এদিকে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও চট্টগ্রাম বন্দরে প্রায় দুই লাখ টন তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) নিয়ে তিনটি জাহাজ আসছে। এর মধ্যে একটি জাহাজ ইতোমধ্যে বাংলাদেশ সমুদ্রসীমায় পৌঁছেছে, এবং বাকি দুটি জাহাজ আগামী বুধবারের মধ্যে বন্দরে পৌঁছাবে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অস্ট্রেলিয়া থেকে ৬১ হাজার ৯৯৭ টন এলএনজি বহনকারী ‘এইচএল পাফিন’ ট্যাংকারটি কুতুবদিয়া উপকূলে পৌঁছেছে। এছাড়া, ইন্দোনেশিয়া থেকে ৬১ হাজার টন এলএনজি নিয়ে ‘নিউ ব্রেভ’ এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রায় ৭০ হাজার টন এলএনজি বহনকারী ‘সেলসিয়াস গ্যালাপাগোস’ জাহাজ দুটি বুধবারের মধ্যে বন্দরে পৌঁছানোর কথা।
স্থানীয় শিপিং এজেন্ট ইউনি গ্লোবাল বিজনেস লিমিটেডের জ্যেষ্ঠ উপমহাব্যবস্থাপক মো. নুরুল আলম জানিয়েছেন, বর্তমানে ট্যাংকার দুটি সময়মতো পৌঁছাবে বলেই আশা করা হচ্ছে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ