আজঃ সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬

ফিন্যানশিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে প্রতারণা ও ক্রেডিট কার্ড জালিয়াতি চক্রের টিমলিডার ও আত্মসাৎকৃত অর্থ অবৈধ প্রবাহ সিন্ডিকেটের শীর্ষস্তরের সদস্য গ্রেফতার।

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ডিবি (বন্দর-পশ্চিম) বিভাগের টিম স্পেশাল কর্তৃক মোবাইল ফিন্যানশিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে প্রতারণা ও ক্রেডিট কার্ড জালিয়াতি চক্রের টিমলিডার ও আত্মসাৎকৃত অর্থ অবৈধ প্রবাহ সিন্ডিকেটের শীর্ষস্তরের সদস্য আত্মসাৎকৃত অর্থ ও ১৯টি সিমসহ গ্রেফতার।

চট্টগ্রামসহ দেশব্যাপী প্রতারণার মাধ্যমে মোবাইল ফিন্যানশিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) ও ক্রেডিট কার্ড থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া চক্রের দৌরাত্ম্য বৃদ্ধি পাওয়ার প্রেক্ষিতে মহানগর গোয়েন্দা -বন্দর ও পশ্চিম বিভাগ চক্রের সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের লক্ষ্যে কাজ শুরু করে। এরই প্রেক্ষিতে ডিবি বন্দর ও পশ্চিম বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত জনাব মুহাম্মদ আলী হোসেন মহোদয়ের সার্বিক তত্ত্বাবধানে, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার জনাব মোঃ সামীম কবির মহোদয়ের দিক-নির্দেশনায়, সহকারী পুলিশ কমিশনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব কাজী মোঃ তারেক আজিজ মহোদয়ের নেতৃত্বে স্পেশাল টিমের পুলিশ পরিদর্শক জনাব মোঃ হারুন অর রশিদ, এসআই (নি) মোঃ রাজীব হোসেন, এসআই (নি) রবিউল ইসলাম ও অন্যান্য সঙ্গীয় অফিসার-ফোর্সসহ অভিযান পরিচালনা করে চট্টগ্রাম মহানগরের কোতোয়ালী থানাধীন নতুন রেলওয়ে স্টেশনের বিপরীত পাশে হোটেল প্যারামাউন্টের সামনে থেকে গত ২জানুয়াী২০২৪ তারিখ রাত১১টা১০ ঘটিকার সময় আন্তঃজেলা মোবাইল ফিনানশিয়াল সার্ভিস প্রতারক মোঃ সোহান মীর@ সোহাগ (৩৩), পিতা- মোঃ দাউদ মীর, মাতা- রেহানা বেগম, সাং- চৌগাছি মধ্যপাড়া, দাঁড়িয়াপুর ইউপি, ওয়ার্ড নং- ০২, থানা-শ্রীপুর, জেলা -মাগুরা-কে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত ১৯ (ঊনিশ)-টি মোবাইল সিম কার্ড, প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎকৃত নগদ ৩,০০,০০০/- (তিন লক্ষ) টাকা ও ০২ টি মোবাইল সেটসহ গ্রেফতার করা হয়।

ধৃত আসামি মোঃ সোহান মীর @ সোহাগ(৩৩) প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, তার নিকট হতে উদ্ধাকৃত সিমগুলো বিভিন্ন অপরিচিত ব্যক্তিদের নামে নিবন্ধনকৃত এবং প্রত্যেকটি সিমে অপরিচিত ব্যক্তিদের নামে মোবাইল ফিনানশিয়াল সার্ভিস মার্চেন্ট ও পার্সোনাল রিটেইল একাউন্ট নিবন্ধন করা। সে উক্ত সিমগুলো ও মোবাইল ফোনগুলো মোবাইল ফিনানশিয়াল সার্ভিস প্রতারণার কাজে ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যক্তির নিকট থেকে প্রতারণার মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করে আসছিল।

জিজ্ঞাসাবাদে সে আরও জানায় যে, তার মোবাইল ফিন্যানশিয়াল সার্ভিস নিবন্ধনকৃত সিমগুলো এবং ব্যাংক একাউন্ট ব্যবহার করে প্রতিদিন ২,৫০,০০০/- থেকে ৩,০০,০০০/- টাকা প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেয় তার অধীন চক্রটি। তার নিকট হতে উদ্ধার হওয়া ৩,০০,০০০/- টাকা গত ০২/০১/২০২৪ তারিখ প্রতারনার মাধ্যমে আত্মসাৎ করা। ধৃত আসামি একজন পেশাদার মোবাইল ফিনানশিয়াল সার্ভিস প্রতারক চক্রের সক্রিয় সদস্য এবং টিম লিডার। সে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঘুরে ঘুরে তার সাথে থাকা সিমগুলো দিয়ে মোবাইল ফিন্যানশিয়াল সার্ভিস প্রতারণা করে আসছে। জিজ্ঞাসাবাদে সে আরও জানায় সে নিজে মোবাইল ফিন্যানশিয়াল সার্ভিস প্রতারণা করার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন এমএফএস প্রতারক ও ভুলিয়ে-ভালিয়ে ক্রেডিট কার্ডের তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া চক্রের সদস্যদের টাকা তার নিজস্ব মোবাইল ফিন্যানশিয়াল সার্ভিস ও ব্যাংক একাউন্টে জমা নিয়ে সেই টাকার নিরাপদ অবস্থানের ব্যবস্থা করার বিনিময়ে মোটা অঙ্কের কমিশন গ্রহন করে। সে জানায়, ৬ জন পরিচিত প্রতারকসহ বিভিন্ন জেলার পঞ্চাশের অধিক প্রতারক তার একাউন্টে টাকা পাঠিয়ে থাকে। উল্লেখ্য যে, এই চক্রের সাথে জড়িত হওয়ার পূর্বে সে রাজমিস্ত্রীর কাজ করত।এ সংক্রান্তে ৩ জানুয়ারী ২০২৪ কোতোয়ালী থানার মামলা নং- ০৩, ধারা- ২০০১ সালের বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন ৭৩ তৎসহ পেনাল কোডের ৪০৬/৪২০ রুজু করা হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় বাল্কহেড থেকে সাড়ে ৫ কোটি টাকার ইয়াবাসহ গ্রেফদার-৫।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা থানার ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা মূল্যের ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৭। বৃহস্পতিবার সকাল আনুমানিক ১০টা ২০ মিনিটে কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, চট্টগ্রামের বাকলিয়া এলাকার মো. ইমরান (২১), আনোয়ারার পূর্ব গহিরা এলাকার মো. আনিস (২৯), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ভাঙ্গারা এলাকার মো. মনির হোসেন (৪৫), আনোয়ারার করুশকুল এলাকার মো. আলী (৪৭) এবং লক্ষীপুরের রামগতি উপজেলার চর কলাকুপা এলাকার মো. রুবেল (২৭)।
র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, গোপন খবরের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে যে কয়েকজন মাদক কারবারি মিয়ানমার থেকে সমুদ্রপথে একটি বাল্কহেডে করে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা চট্টগ্রাম মহানগরীতে নিয়ে আসছে। খবর পেয়ে র‌্যাব-৭ এর একটি আভিযানিক দল বাল্কহেডটির পিছু নেয়।

এক পর্যায়ে বাল্কহেডটি ১৫ নম্বর ঘাটে নোঙর করে কয়েকজন ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করলে র‌্যাব সদস্যরা তাদের ধাওয়া করে আটক করেন। পরে বাল্কহেডে তল্লাশি চালিয়ে ইঞ্জিন রুমে রাখা দুটি প্লাস্টিকের ড্রাম থেকে ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

র‌্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সহকারী পুলিশ সুপার এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

চট্টগ্রামে নিখোঁজ গাড়ি চালকের লাশ মিলল ডোবায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে নিখোঁজ গাড়ি চালকের
লাশ মিলল ডোবায়
ছবি-৭
চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম মহানগরের বন্দর থানা এলাকার একটি ডোবা থেকে মঞ্জুর আলম (৪৬) নামে এক ব্যক্তির অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত মঞ্জুর আলম ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের কলসিদিঘির পাড় আলী মিয়া চেরাগের বাড়ির বাদশা মিয়ার ছেলে। তিন গাড়িচালক ছিলেন। বুধবার সকাল ১১টায় কলসিদিঘির পাড় থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।নিহতের শ্যালক মো. হাসান বলেন, গত ৬ মার্চ থেকে আমার দুলাভাই নিখোঁজ ছিলেন। এ ঘটনায় আমরা থানায় জিডিও করেছিলাম। আমার দুলাভাইকে কেউ পরিকল্পিতভাবে কেউ মেরে ফেলে চলে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বন্দর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তোফাজ্জল হোসাইন বলেন, কলসিদিঘির পাড় এলাকার একটি ডোবা থেকে মঞ্জুর আলম নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, গত শুক্রবারে তার মৃত্যু হয়েছে। তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন বলে জানতে পেরেছি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে কাজ চলছে বলে তিনি জানান।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ