আজঃ বৃহস্পতিবার ১৮ জুন, ২০২৬

ফিন্যানশিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে প্রতারণা ও ক্রেডিট কার্ড জালিয়াতি চক্রের টিমলিডার ও আত্মসাৎকৃত অর্থ অবৈধ প্রবাহ সিন্ডিকেটের শীর্ষস্তরের সদস্য গ্রেফতার।

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ডিবি (বন্দর-পশ্চিম) বিভাগের টিম স্পেশাল কর্তৃক মোবাইল ফিন্যানশিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে প্রতারণা ও ক্রেডিট কার্ড জালিয়াতি চক্রের টিমলিডার ও আত্মসাৎকৃত অর্থ অবৈধ প্রবাহ সিন্ডিকেটের শীর্ষস্তরের সদস্য আত্মসাৎকৃত অর্থ ও ১৯টি সিমসহ গ্রেফতার।

চট্টগ্রামসহ দেশব্যাপী প্রতারণার মাধ্যমে মোবাইল ফিন্যানশিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) ও ক্রেডিট কার্ড থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া চক্রের দৌরাত্ম্য বৃদ্ধি পাওয়ার প্রেক্ষিতে মহানগর গোয়েন্দা -বন্দর ও পশ্চিম বিভাগ চক্রের সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের লক্ষ্যে কাজ শুরু করে। এরই প্রেক্ষিতে ডিবি বন্দর ও পশ্চিম বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত জনাব মুহাম্মদ আলী হোসেন মহোদয়ের সার্বিক তত্ত্বাবধানে, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার জনাব মোঃ সামীম কবির মহোদয়ের দিক-নির্দেশনায়, সহকারী পুলিশ কমিশনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব কাজী মোঃ তারেক আজিজ মহোদয়ের নেতৃত্বে স্পেশাল টিমের পুলিশ পরিদর্শক জনাব মোঃ হারুন অর রশিদ, এসআই (নি) মোঃ রাজীব হোসেন, এসআই (নি) রবিউল ইসলাম ও অন্যান্য সঙ্গীয় অফিসার-ফোর্সসহ অভিযান পরিচালনা করে চট্টগ্রাম মহানগরের কোতোয়ালী থানাধীন নতুন রেলওয়ে স্টেশনের বিপরীত পাশে হোটেল প্যারামাউন্টের সামনে থেকে গত ২জানুয়াী২০২৪ তারিখ রাত১১টা১০ ঘটিকার সময় আন্তঃজেলা মোবাইল ফিনানশিয়াল সার্ভিস প্রতারক মোঃ সোহান মীর@ সোহাগ (৩৩), পিতা- মোঃ দাউদ মীর, মাতা- রেহানা বেগম, সাং- চৌগাছি মধ্যপাড়া, দাঁড়িয়াপুর ইউপি, ওয়ার্ড নং- ০২, থানা-শ্রীপুর, জেলা -মাগুরা-কে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত ১৯ (ঊনিশ)-টি মোবাইল সিম কার্ড, প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎকৃত নগদ ৩,০০,০০০/- (তিন লক্ষ) টাকা ও ০২ টি মোবাইল সেটসহ গ্রেফতার করা হয়।

ধৃত আসামি মোঃ সোহান মীর @ সোহাগ(৩৩) প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, তার নিকট হতে উদ্ধাকৃত সিমগুলো বিভিন্ন অপরিচিত ব্যক্তিদের নামে নিবন্ধনকৃত এবং প্রত্যেকটি সিমে অপরিচিত ব্যক্তিদের নামে মোবাইল ফিনানশিয়াল সার্ভিস মার্চেন্ট ও পার্সোনাল রিটেইল একাউন্ট নিবন্ধন করা। সে উক্ত সিমগুলো ও মোবাইল ফোনগুলো মোবাইল ফিনানশিয়াল সার্ভিস প্রতারণার কাজে ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যক্তির নিকট থেকে প্রতারণার মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করে আসছিল।

জিজ্ঞাসাবাদে সে আরও জানায় যে, তার মোবাইল ফিন্যানশিয়াল সার্ভিস নিবন্ধনকৃত সিমগুলো এবং ব্যাংক একাউন্ট ব্যবহার করে প্রতিদিন ২,৫০,০০০/- থেকে ৩,০০,০০০/- টাকা প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেয় তার অধীন চক্রটি। তার নিকট হতে উদ্ধার হওয়া ৩,০০,০০০/- টাকা গত ০২/০১/২০২৪ তারিখ প্রতারনার মাধ্যমে আত্মসাৎ করা। ধৃত আসামি একজন পেশাদার মোবাইল ফিনানশিয়াল সার্ভিস প্রতারক চক্রের সক্রিয় সদস্য এবং টিম লিডার। সে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঘুরে ঘুরে তার সাথে থাকা সিমগুলো দিয়ে মোবাইল ফিন্যানশিয়াল সার্ভিস প্রতারণা করে আসছে। জিজ্ঞাসাবাদে সে আরও জানায় সে নিজে মোবাইল ফিন্যানশিয়াল সার্ভিস প্রতারণা করার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন এমএফএস প্রতারক ও ভুলিয়ে-ভালিয়ে ক্রেডিট কার্ডের তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া চক্রের সদস্যদের টাকা তার নিজস্ব মোবাইল ফিন্যানশিয়াল সার্ভিস ও ব্যাংক একাউন্টে জমা নিয়ে সেই টাকার নিরাপদ অবস্থানের ব্যবস্থা করার বিনিময়ে মোটা অঙ্কের কমিশন গ্রহন করে। সে জানায়, ৬ জন পরিচিত প্রতারকসহ বিভিন্ন জেলার পঞ্চাশের অধিক প্রতারক তার একাউন্টে টাকা পাঠিয়ে থাকে। উল্লেখ্য যে, এই চক্রের সাথে জড়িত হওয়ার পূর্বে সে রাজমিস্ত্রীর কাজ করত।এ সংক্রান্তে ৩ জানুয়ারী ২০২৪ কোতোয়ালী থানার মামলা নং- ০৩, ধারা- ২০০১ সালের বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন ৭৩ তৎসহ পেনাল কোডের ৪০৬/৪২০ রুজু করা হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির পৃথক অভিযানে মাদক উদ্ধার, আটক- ২

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ সীমান্ত এলাকায় পৃথক দুটি অভিযানে দুইজনকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় একটি ট্রাক, ২ হাজার ৮৫ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় সিরাপ, ৫৮৫ পিস ইয়াবা ও দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। উদ্ধার করা মালামালের মোট আনুমানিক মূল্য প্রায় ৭০ লাখ ৩৫ হাজার টাকা।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ সীমান্ত এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছে মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি)। পৃথক দুটি অভিযানে দুইজনকে আটক করার পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ ভারতীয় নেশাজাতীয় সিরাপ, ইয়াবা, একটি ট্রাক ও দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।

বিজিবি সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে ৫৯ বিজিবির ভারপ্রাপ্ত কোয়ার্টার মাস্টার এডি শেখ মনোয়ারুল ইসলামের নেতৃত্বে সোনামসজিদ বিওপির একটি টহল দল শিবগঞ্জ উপজেলার শাহাবাজপুর ইউনিয়নের বালিয়াদিঘী গ্রামের প্রাণিসম্পদ কোয়ারেন্টাইনের পাশের সড়কে অভিযান চালায়।

অভিযানের সময় ঢাকা মেট্রো-ট ২০-৯৯৯০ নম্বরের একটি ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে সাতটি প্লাস্টিকের বস্তায় রাখা ২ হাজার ৮৫ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় ‘এসকাফ’ সিরাপ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ট্রাকচালক মো. রিয়াদ হোসেন (২০)কে আটক করা হয়েছে। তিনি কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার পাশাপুর গ্রামের বাসিন্দা।এ সময় ট্রাকটির পাশাপাশি একটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়। উদ্ধার করা সিরাপ, ট্রাক ও মোবাইল ফোনের আনুমানিক মূল্য ৬৮ লাখ ৩৪ হাজার ৫০০ টাকা বলে জানিয়েছে বিজিবি।

অন্যদিকে একই দিন রাত সাড়ে ৯টার দিকে চৌকা বিওপির নায়েক সুরজিত নাগের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টহল দল শিবগঞ্জ উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের খাসেরহাট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় ৫৮৫ পিস ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট এবং একটি মোবাইল ফোনসহ মো. নাঈম ইসলাম (১৮) নামে এক যুবককে আটক করা হয়। তিনি শিবগঞ্জ উপজেলার জমিনপুর গ্রামের বাসিন্দা।উদ্ধার করা ইয়াবা ও মোবাইল ফোনের আনুমানিক মূল্য ২ লাখ ৫০০ টাকা।

বিজিবি জানিয়েছে, পৃথক দুটি অভিযানে জব্দ করা ট্রাক, নেশাজাতীয় সিরাপ, ইয়াবা ও মোবাইল ফোনের মোট সিজার মূল্য প্রায় ৭০ লাখ ৩৫ হাজার টাকা।
আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শিবগঞ্জ থানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও মাদক পাচার প্রতিরোধে বিজিবি জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

চট্টগ্রামে সাড়ে তিন বছর আগে শিশুকে কেটে ছয় টুকরো, যুবকের মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে বহুল আলোচিত শিশু আলিনা ইসলাম আয়াত অপহরণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি মো. আবিরকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন একটি আদালত। একইসঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টায় চট্টগ্রামের ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মুহাম্মদ আলী আক্কাস এ রায় ঘোষণা করেন। চাঞ্চল্যকর এ মামলায় ৫০ জন সাক্ষীর মধ্যে মোট ৩৩ জনের সাক্ষ্য নিয়ে আদালত এ রায় দিয়েছেন।

রায় ঘোষণার সময় আসামি আবির আদালতে উপস্থিত ছিলেন।সাড়ে তিন বছর আগে এই শিশুকে কেটে ছয় টুকরো করে লাশ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে গুমের লোমহর্ষক ঘটনার মামলার রায় দেয়া হল। দণ্ডিত ২৩ বছর বয়সী আবির আলীর বাড়ি রংপুর জেলায়। ঘটনার সময় চট্টগ্রাম নগরীর ইপিজেড থানার দক্ষিণ হালিশহর ওয়ার্ডের নয়ারহাট এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।
মহানগর দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর জালাল উদ্দিন বলেন, শিশুটিকে হত্যার অপরাধে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় আসামিকে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। লাশ টুকরো-টুকরো করে গুমের অপরাধে দণ্ডবিধির ২০১ ধারায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালের ১৫ নভেম্বর বিকালে নগরীর দক্ষিণ হালিশহরের নয়ারহাট এলাকার বাসিন্দা সোহেল রানার চার বছর ১১ মাস বয়সী মেয়ে আলীনা ইসলাম আয়াত নিখোঁজ হয়। এ ঘটনায় ইপিজেড থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছিল।

ঘটনা জেনেই ছায়া তদন্তে নামে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।২৪ নভেম্বর আয়াত হত্যার অভিযোগে প্রতিবেশী তরুণ আবির আলীকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই। ২৫ নভেম্বর দায় স্বীকার করে তিনি আদালতে জবানবন্দি দেন। তার দেওয়া তথ্যে ৩০ নভেম্বর নগরীর ইপিজেড থানার আকমল আলী রোডের শেষপ্রান্তে নালাসংলগ্ন স্লুইচগেট এলাকা থেকে আয়াতের বিচ্ছিন্ন দুই পায়ের অংশ এবং পরদিন খণ্ডিত মাথা উদ্ধার হয়। ৬ ডিসেম্বর আবিরের সহযোগী এক কিশোরকে গ্রেফতার করা হয়।

আবিরের বরাতে পিবিআই তখন জানিয়েছিল, আবির ১৫ নভেম্বর আয়াতকে তুলে নিয়ে শ্বাসরোধে খুন করেন। এরপর লাশ কেটে ছয় টুকরো করেন। ১৬ নভেম্বর সকালে লাশের তিনটি টুকরো নগরীর আকমল আলী রোডের শেষপ্রান্তে বেড়িবাঁধের পর আউটার রিং রোডসংলগ্ন বে-টার্মিনাল এলাকায় সাগরে ভাসিয়ে দেন। ওইদিন রাতে বাকি তিন টুকরো আকমল আলী রোডের শেষপ্রান্তে একটি নালায় স্লুইচগেটের প্রবেশমুখে ফেলে দেন।

আয়াতের বাবার করা মামলা তদন্ত শেষে ২০২৩ সালের ১০ অক্টোবর পিবিআই চট্টগ্রাম মহানগর ইউনিটের তৎকালীন পরিদর্শক মনোজ কুমার দে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। এতে আবির আলী এবং তার কিশোর বয়সী বন্ধুকে আসামি করা হয়।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, নগরীর দক্ষিণ হালিশহরের নয়ারহাট এলাকায় আয়াতের দাদা মনজুর হোসেনের মালিকানাধীন ভবনে ভাড়া থাকত আবিরের পরিবার। আবিরের জন্ম ওই বাসায়। তবে ঘটনার সময় তার বাবা আজাহারুল ইসলাম ওই বাসায় থাকলেও দাম্পত্য কলহের জেরে মা আলো বেগম আকমল আলী রোডে আলাদা বাসায় থাকতেন। আবির ও তার বোন মায়ের সঙ্গে থাকতেন। তবে আবির তার বাবার বাসায়ও নিয়মিত আসা-যাওয়া করতেন।

বেকার জীবনের হতাশা থেকে আবির সম্পদশালী পরিবারের শিশু আয়াতকে অপহরণ করে বড় অংকের টাকা মুক্তিপণ আদায় করার কৌশল নিয়েছিলেন। সহযোগী কিশোরকে নিয়ে তিনি আয়াতকে তুলে নিয়েছিলেন। এরপর আবির তার বাবার বাসায় নিয়ে শিশুটিকে খুন করেন। লাশ বস্তায় ভরে মায়ের বাসায় নিয়ে কেটে ছয় টুকরো করে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে দেন। ২০২৪ সালের ৩০ মে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।

আদালতে উপস্থিত পিবিআই পরিদর্শক মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী জানালেন, মামলার দুজন আসামির মধ্যে আবির আলীর বিচার সম্পন্ন হয়েছে। অপর আসামি কিশোর বয়সী হওয়ায় তার বিচার শিশু আদালতে চলমান আছে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ