আজঃ বুধবার ১ জুলাই, ২০২৬

রাণীশংকৈলে বিলুপ্তপ্রায় নীলগাই জবাই করে মাংস ভাগাভাগি

সফিকুল ইসলাম শিল্পী, রানীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় বিলুপ্তপ্রায় একটি নীলগাই উদ্ধার করে খাবার মাংসের জন্য জবাই করে ভাগাভাগি করে নিয়েছে স্থানীয়রা। রবিবার (৭ জানুয়ারি) বিকালে উপজেলার রাতোর ইউনিয়নের ভেলাই গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।স্থানীয়রা জানান রবিবার বিকালে এলাকার পুকুরপাড়ের ঝোপঝাড়ে ছোটাছুটি করছিল অপরিচিত একটি প্রাণী।
গ্রামের কয়েকজনের নজরে এলে তাঁরা প্রাণীটিকে ধাওয়া করে ধরে ফেলেন। খবর ছড়িয়ে পড়লে উৎসুক গ্রামবাসী সেখানে ভিড় জমান। এবং প্রানীটি নীল গাই নিশ্চিত হন। একসময় গ্রামবাসী নীলগাইটি জবাই করে মাংস খাওয়ার পরিকল্পনা করেন। এ সময় নীলগাইটি জবায়ও করেন তারা। পরে গ্রামবাসী নীল গাইটির মাংস তাৎক্ষণিক ভাগাভাগি করে নেন বলে জানান স্থানীয়দের কয়েকজন।রাতোর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শরৎ চন্দ্র রায় জানান, গ্রামবাসী একটি নীলগাই আটক করে জবাই করে মাংস ভাগাভাগি করে নিয়েছে। বিষয়টি আমি শুনেছি। কাজটি তারা ঠিক করেনি। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে।

রাণীশংকৈল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারকিবুল হাসান জানান, নীলগাইটি জবাই করে দেওয়া ঠিক হয়নি। খবর পেয়ে বন বিভাগের লোককে সেখানে পাঠানো হয়েছে। তারা আইনগত ব্যবস্থা নিবেন ।খবর পেয়ে বন বিভাগ ও বন্য প্রাণী সংরক্ষণ কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা শাহজাহান আলী জানান, ঘটনাস্থলে আমাদের পরিদর্শন দল পাঠানো হয়েছে। উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের পরামর্শ মতে ও তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

গুজব ও অপপ্রচার ছড়ানো প্রতিরোধে সবাইকে কাজ করতে হবে : চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেছেন, রাষ্ট্র ও সমাজের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে মিথ্যা তথ্যা, গুজব ও অপপ্রচার ছড়ানো প্রতিরোধে প্রশাসনের পাশাপাশি গণমাধ্যমকর্মীসহ সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করতে হবে। ফেসবুক বা অন্যান্য যোগাযোগ মাধ্যমে কোন তথ্য শেয়ার বা মন্তব্য করার আগে তার সত্যতা যাচাই করা জরুরী। গুজব ও মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান কিংবা রাষ্ট্রের ক্ষতি হয় এমন কর্মকান্ড থেকে সবাইকে বিরত থাকতে হবে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও অপপ্রচার রোধে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন কর্তৃক সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় ও উদ্বুদ্ধকরণ সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি ্এসব কথা বলেন।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) পাঠান মোঃ সাইদুজ্জামানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত উদ্বুদ্ধকরণ সভায় চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইব্রাহীম, প্রেস ক্লাব সভাপতি মোঃ জাহিদুল করিম কচিসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগণ, গণমাধ্যমকর্মী, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, বিভিন্ন এনজিও প্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিগণ মতামত ব্যক্ত করেন।
মানবিক ডিসি জাহিদ বলেন, নতুন প্রজন্ম বা শিক্ষার্থীদেও কাছ থেকে মোবাইল কেড়ে না নিয়ে তাদেরকে মোবাইলের অপব্যবহার থেকে মুক্ত রাখতে পিতা-মাতাকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। ভুয়া নামে পরিচালিত ফেসবুক আইডি বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে অপপ্রচার চালানো ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পাশপাশি এ বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে জেলা প্রশাসনের সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। সভায় বক্তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের দায়িত্বশীল ও সচেতন ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি যে কোনো তথ্য প্রচার বা শেয়ার করার আগে তার সত্যতা যাচাই করার আহ্বান জানান।

বক্তারা বলেন, সরকারের নিদের্শনা অনুযায়ী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত অপপ্রচার প্রতিরোধে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ব্যাপক ব্যবহারের ফলে তথ্য দ্রুত ছড়িয়ে পড়লেও অনেক সময় গুজব, বিভ্রান্তিকর তথ্য ও অপপ্রচার সমাজে অস্থিরতা সৃষ্টি করে। তাই যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো তথ্য শেয়ার না করার আহ্বান জানান তারা। পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধি, দায়িত্বশীল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার এবং সত্য ও নির্ভুল তথ্য প্রচারে সবাইকে একযোগে কাজ করার ওপর গুররুত্বারোপ করা হয়।

বক্তারা আরও বলেন, গুজব ও অপপ্রচার প্রতিরোধে সরকারি প্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম, রাজনৈতিক দল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সাধারণ মানুষের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। মতবিনিময় ও উদ্বুদ্ধকরণ সভায় সামাজিক সম্প্রীতি, আইন-শৃঙ্খলা ও জনস্বার্থ রক্ষায় সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়।

বনানী কবরস্থানে মুস্তাফা মনোয়ারকে সমাহিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চিত্রকলার কিংবদন্তি ও পাপেট আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ মুস্তাফা মনোয়ারকে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। ৩০ জুন মঙ্গলবার শ্বশুর তোফায়েল উদ্দিন আহমেদের কবরের পাশে তাকে সমাহিত করা হয়।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ