আজঃ সোমবার ২৩ মার্চ, ২০২৬

ঝালকাঠির দুটি আসনে জামানত হারিয়েছেন ৯ জন

মশিউর রহমান রাসেল, ঝালকাঠি প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঝালকাঠির দুটি আসনে জামানত হারিয়েছেন ৯জন
প্রতিদ্বদ্বি প্রার্থী। দুটি আসনেই দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য পদে অংশগ্রহণ করে ৫হাজারের বেশি ভোট পাননি কেউই। এনিয়ে প্রার্থীদের
জনসমর্থনের বিষয়ে হাসরহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।
জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানাগেছে, ঝালকাঠি ১(রাজাপুর-কাঠালিয়া) আসনে বিএনপি থেকে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে নৌকা প্রতীক পাওয়া বিএনপির
সাবেক ভাইসচেয়ারম্যান ব্যারিস্টার মুহাম্মদ শাহজাহান ওমর বীরউত্তমের সাথে ভোট যুদ্ধে জামানত হারিয়েছেন সাতজন প্রতিদ্ব›িদ্ব প্রার্থী। এখানে শাহজাহান ওমর ৯৫ হাজার৪৭৮ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। এ আসনে ৯০ টি কেন্দ্রে ১ লাখ ১ হাজার ৩১৫জন ভোটার ভোট দিয়েছেন যার মধ্যে বাতিল হয়েছে ১ হাজার ৪২৫টি ভোট। এই আসনে প্রদত্ত ভোটের হার ৪৭.৭৮%। জেলা নির্বাচন অফিসার আব্দুস সালেক
জানান, বিধি অনুযায়ী প্রদত্ত ভোটের ৮ ভাগের একভাগ না পেলে প্রার্থীর জামানতবাজেয়াপ্ত করা হয়। এ আসনে জামানত হারানো সাতজনের মধ্যে রয়েছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সদস্য এম. মনিরুজ্জামান মনির, তিনি ঈগল প্রতীকে পেয়েছেন ৬২৫ ভোট। জাকের পার্টির মাওলানা আবু বকর সিদ্দিক গোলাপ ফুল প্রতিক নিয়ে ১ হাজার ৬২৪ ভোট , স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার আবুল কাশেম মোঃ ফখরুল ইসলাম ট্রাক
প্রতীকে ৩৭০ ভোট, জাতীয় পার্টির মোঃ এজাজুল হক লাঙল প্রতীকে ১ হাজার ২৭২ ভোট, তৃণমূল বিএনপির প্রার্থী মোঃ জসিম উদ্দিন তালুকদার সোনালী আঁশ প্রতীকে২৮২ ভোট, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মোঃ মুজিবুর রহমান ডাব প্রতীকে ১৪২ ভোট এবংবাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের প্রার্থী ছড়ি প্রতীকে ৯৭ ভোট পেয়ে জামানত
হারিয়েছেন।ঝালকাঠি-২ (সদর-নলছিটি) আসনে ৩ লাখ ৪২ হাজার ১৫০জন ভোটারের মধ্যে ১৪৭টি কেন্দ্রে ১ লাখ ৪৬ হাজার ৭৮৬জন ভোট দিয়েছেন। এই আসনে ২ হাজার ২১৮ ভোটবাতিল হয়েছে। প্রদত্ত ভোটের হার ৪২.৯০%। এর মধ্যে নৌকা প্রতীকে আমির হোসেন
আমু পেয়েছেন ১ লাখ ৩৭ হাজার ১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ন্বতী জাতীয় পার্টি মোঃ নাসির উদ্দিন ইমরান লাঙ্গল প্রতীকে ৪ হাজার ৩১৭ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন অপর প্রতিদ্বদ্বি ন্যাশনাল পিপলস্ পার্টি (এনপিপি) মনোনীত প্রার্থী মোঃফোরকান হোসেন আম প্রতীকে ৩ হাজার ২৫০ ভোট পেয়েছেন জামানত হারিয়েছেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পাবনার বেড়ায় রিকশা চালকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনা বেড়া উপজেলার বড়শিলা গ্রামের এক বৃদ্ধ রিকশা চালকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
২০ মার্চ সকালে বেড়া উপজেলা বড়সিলা গ্রামের একটি ধানক্ষেত থেকে ফজলু রহমান (৫৫) নামে এক ভ্যান রিকশা চালকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে বেড়া থানা পুলিশ। নিহত বৃদ্ধ পৌরসভার হাতিগাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল মান্নানের ছেলে।

​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে পৌরসভা এলাকার বড়শিলা গ্রামে ধানের ক্ষেত থেকে বৃদ্ধ রিকশা চালকের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসী পুলিশ কে খবর দেয়।

বেড়া থানার অফিসার ইনচার্জ নিতাই চন্দ্র জানান, থানা পুলিশ খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পরে নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। এ বিষয়ে একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন।

চট্টগ্রামে শেষ সময়ে ঘরমুখো মানুষের স্রোত, রেল ষ্টেশন-টার্মিনালে উপচেপড়া ভিড়।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঈদের সাতদিনের ছুটিকে কেন্দ্র পরিবার পরিজনের সাথে ঈদের আনন্দ বাগাভাগি করতে বন্দরনগরী ছেড়ে যাচ্ছে মানুষ। মহানগরের বাস টার্মিনালগুলো ও রেলওয়ে স্টেশনে ঘরমুখো মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখ পড়ার মতো। বুধবার ভোর থেকেই চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় দেখা যায়। যথাসময়ে ছেড়ে যাচ্ছে একের পর এক ট্রেন। এছাড়া ভোর থেকেই দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে যেতে বাস টার্মিনালেও ভিড় করেন যাত্রীরা।

পরিবার-পরিজন নিয়ে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারছেন বলে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন অনেকেই। এদিকে চট্টগ্রাম অনেকটা ফাঁকা হতে শুরু করেছে। নগরের বিভিন্ন ব্যস্ত রাস্তায় নেই আগের চিরচেনা যানজটের দৃশ্য। যানজটহীন স্বস্তিতে গাড়ি নিয়ে ঘুরছেন নগরবাসী।
চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) শেখ মো. সেলিম বলেন, এখানে নিরাপত্তার কোনও শঙ্কা নেই। পুলিশের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে যাত্রীদের নিরাপদ যাত্রার জন্য। প্রয়োজনীয় যা যা ব্যবস্থা করা দরকার তা নেওয়া হয়েছে। যানজট নিরসনেও পুলিশ কাজ করছে। যাত্রীদের ভাড়ার বিষয়েও আমরা তদারকি করছি।

বুধবার মহানগরের কদমতলী, বহদ্দারহাট ও নতুন ব্রিজ জিইসি বাস কাউন্টারে গিয়ে দেখা যায়, যাত্রীর চাপ বেশি। টিকিট পাচ্ছেন না অনেকে। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা পর সকালে ছেড়ে যাওয়া ফিরতি গাড়ি নিয়ে বাড়ি ফিরছেন কেউ কেউ। যাত্রীর চাপের তুলনায় বাস টার্মিনালে গাড়ির সংকট দেখা গেছে। তবে কাউন্টার বসে থাকা কর্মকর্তারা বলছেন, যে গাড়িগুলো গেছে সেগুলো ফিরে এলেই এই টিকিটের সংকট থাকবে না। যাত্রীর তুলনায় গাড়ি কম।
চট্টগ্রাম রেলস্টেশনে যাত্রীরা বলছেন, কোনও ভোগান্তি নেই। তারা নির্বিঘ্নে যথাসময়ে ট্রেনে উঠছেন এবং ট্রেন গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাচ্ছে। এছাড়াও কিছু কিছু ট্রেনে স্ট্যান্ডিং টিকিট কেটে যাত্রীরা যেতে পারছেন। সকালে চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন থেকে ময়মনসিংহের উদ্দেশ্যে ছেড়ে গেছে বিজয় এক্সপ্রেস ট্রেন। অন্য ট্রেনগুলোও যথাসময়ে ছেড়ে গেছে। তাই স্টেশনে যাত্রীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে না। দূরপাল্লার যানবাহনের পাশাপাশি মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল ও খোলা ট্রাকে কম ভাড়ায় গন্তব্যে যাচ্ছে লোকজন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ