আজঃ শনিবার ২১ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও উপ – উপাচার্যের অপসারণের দাবিতে ভিসি কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি)’র উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছে শিক্ষক সমিতি। পূর্বঘোষিত কর্মসূচী অনুযায়ী ভিসি কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচী পালন করেছে শিক্ষকরা। বিভিন্ন অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগে আন্দোলনরত শিক্ষকরা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের দুর্নীতি ও অনিয়ম চরম মাত্রায় পৌঁছেছে। শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ বাণিজ্য করে চলেছে। ৪৪ লক্ষ টাকা ভবন নির্মানে দূর্নীতির জন্য ব্যাখা চেয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের মঞ্জুরী কমিশন। বর্তমান ভিসি ও প্রভিসি মিলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনিয়ম ও দুর্নীতির আখরায় পরিণত করেছে। এভাবে চলতে দেয়া যায়না। যারা অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিরোধ করবে তারাই দুর্নীতি করে চলেছে, আর এসব দেখে শিক্ষার্থীরা শিখবে। আমরা শিক্ষক সমিতি আজকের রবিবারের কর্মসুচীর মধ্য দিয়ে জানিয়ে দিতে চাই যেখানে অন্যায় হবে শিক্ষক নেতৃবৃন্দের নেতৃত্বে শিক্ষকরা প্রতিবাদ করবে। প্রশাসনের এ কর্তাদ্বয় দায়িত্ব নেয়ার পর একের পর এক নিযোগ বাণিজ্য হয়েছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববদ্যিালয়ের অতীতের সুনাম ধ্বংস করে চলেছেন তারা। তাদের এই দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধ। অবিলম্বে তাদের অপসারণ করা দরকার। অবস্থান কর্মসুচীতে অংশ গ্রহন করেন শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. মো. আব্দুল হক, সহ-সভাপতি প্রফেসর ড. মো. আলউদ্দিন, সদস্য মো. শেখ সাদী, সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর সিরাজ উদ দৌল্লা, প্রফেসর ড. খসরুর আলম কুদ্দুসি, প্রফেসর ড. আবু নোমান, প্রফেসর ড. সুকান্ত ভট্টাচার্য্য, প্রফেসর ড. সফিউল আলম ডালিম, প্রফেসর ড. গোলাম কবির, প্রফেসর আসাদুল হক, প্রফেসর ড. জসিম উদ্দিন, ড. আব্দুল করিম, ড. লিটন মিত্র, মো. বখতিয়ার উদ্দিন, মো. সাখাওয়াত হোসেন ও তানভির আহমেদ প্রমূখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কুতুবদিয়ায় ঈদ উপলক্ষে বাতিঘর সী-বীচে প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটের শুভ উদ্বোধন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কক্সবাজারের কুতুবদিয়া দ্বীপে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাতিঘর সী-বীচে প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটের শুভ উদ্বোধন করেন স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ। ২০ মার্চ, বিকালে জনসাধারণ নিয়ে উদ্বোধন করেন। এ উদ্যোগে স্থানীয় পর্যটন শিল্পে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সমুদ্র উপকূলে পর্যটকদের জন্য নতুন এই বিনোদন সুবিধা চালুর প্রশংসা করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইউপি সদস্য মো: ফোরকান, কুতুবদিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাসান কুতুবী, সাংবাদিক ও পর্যটন সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপির চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেন, এই উদ্যোগের ফলে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়বে এবং কুতুবদিয়ার পর্যটন খাত আরও সমৃদ্ধ হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর কুতুবদিয়ার বাতিঘর সী-বীচ ইতোমধ্যে পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। নতুন এই বোট সার্ভিস চালুর মাধ্যমে এলাকাটির আকর্ষণ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উদ্বোধনের পরপরই পর্যটকরা প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটে চড়ে সাগরের মনোরম পরিবেশ উপভোগ করেন। আয়োজকরা জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
পরে ইফতার ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্তি হয়।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন। কারা কতৃপক্ষ জানিয়েছেন -বন্দিদের ঈদের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়া হবে। এর পাশাপাশি রয়েছে বিশেষ খাওয়া দাওয়ার আয়োজন।এছাড়া বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ মিলছে বলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ্ শরীফ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রতিবছরের মত এবারও ঈদের দিন সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের দিন সকালে বন্দিদের জন্য থাকছে পায়েস ও মুড়ি। আর দুপুরে থাকবে পোলাও, গরু অথবা খাসি, সালাদ, মিষ্টি, পান-সুপারি। আর রাতের বেলায় সাদা ভাত, আলুর দম ও রুই মাছের আয়োজন করা হয়েছে।

জেলার শাহ্ শরীফ আরো জানান-এছাড়া ঈদের পরদিন বন্দিরা বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ পাবেন। ঈদের দিন থেকে তিন দিন বন্দিরা স্বজনদের সাথে পাঁচ মিনিট করে টেলিফোনে এবং একবার স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারবেন।

সাধারণ সময়ে হাজতিরা মাসে দুই বার এবং কয়েদীরা মাসে একবার করে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলেও ঈদের সময় বিশেষ ভাবে সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন।একই ভাবে ১০ টাকার বিনিময়ে মাসে দুই বার স্বজনদের সাথে টেলিফোনে ১০ মিনিট কথা বলার সুযোগ পান বন্দীরা। তবে ঈদে বিনামূল্যে পাঁচ মিনিট করে কথা বলার সুযোগ পাবেন।বর্তমানে কারাগারে হাজতি ও কয়েদী মিলে পাঁচ হাজার ৮৫৮ জন বন্দি রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ