আজঃ শুক্রবার ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

খরকুটু জ্বালিয়ে শীত নিবারনের চেষ্টা নিন্ম আয়ের মানুষের

গাইবান্ধায় ঝেকে বসেছে শীত টানা ৬ দিনেও মিলছে না সূর্যের দেখা

শাহ্ পারভেজ সংগ্রাম,গাইবান্ধা প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গাইবান্ধায় ঝেকে বসেছে শীত টানা ৬ দিনেও মিলছে না সূর্যের দেখা।

শাহ্ পারভেজ সংগ্রাম,গাইবান্ধা প্রতিনিধি
দেশের উত্তরাঞ্চলের জনপদ গাইবান্ধায় বেড়েছে শীতের তীব্রতা।শীতের দাপটে জনজীবনে দুর্ভোগ নেমে এসেছে।শনিবার (১৩ জানুয়ারি) সকাল ৬টায় এই মৌসুমে গাইবান্ধার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়।জেলায় ঘন কুয়াশার পাশাপাশি ঠাণ্ডা বাতাসে হাড়কাঁপানো শীত ঝেকে বসেছে।নিম্ন আয়ের মানুষেরা শীত নিবারনের জন্য খড় কুটো জালিয়ে দিন পার করছে।সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,দিনের বেলায় কুয়াশার কারণে সড়কে গাড়ী হেড লাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে।বায়েজিদ এন্টারপ্রাইজ মিনি ট্রাক এর ড্রাইভার নাহিদ মিয়া বলেন,ঘন কুয়াশার কারণে দূরের গাড়ী কম দেখা যাচ্ছে।এতে যান চলাচলে সমস্যা হচ্ছে।জেলার বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে দেখা যায়,পেটের দায়ে অনেক শ্রমজীবী মানুষ কনকনে ঠাণ্ডার মধ্যেই কাজে বাহির হচ্ছেন।অটো ভ্যান চালক রাজু মিয়া বলেন,গাড়ি নিয়ে বাহির হলে না হলে তো সংসার চলবে না। তাই প্রচণ্ড ঠাণ্ডার মধ্যেই বের হয়েছি।কিন্তু গাড়ী চালানোর সময় ঠান্ডা বাতাসে খুব কষ্ট হয়।কৃষক রাজ্জাক ইসলাম বলেন,ঘন কুয়াশার কারণে বীজতলায় নানা রোগের দেখা দিয়েছে,বীজ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।শীত বেশী হওয়ায় বোরো ধান লাগানোর কৃষক পাওয়া যাচ্ছে না।এদিকে শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে শীতজনিত বিভিন্ন রোগীর সংখ্যা।গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালসহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও ক্লিনিকগুলোতে শীতজনিত রোগ নিয়ে শিশু ও বয়স্ক রোগীরা বেশি আসছে। এদের মধ্যে মধ্যে সর্দি, কাশি, জ্বর ও অ্যাজমায় আক্রান্তের সংখ্যা বেশি।শীতের প্রকোপ বেশী হওয়ায়,শহরের গরম কাপড়ের দোকানগুলোতে এখন মানুষের উপচে পড়া ভীড় জমেছে।হঠাৎ করে শীতের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় লেপ তোষক বানানোরও হিড়িক পড়েছে।তবে স্থানীয়রা জানায়, সরকারি ও বেসরকারিভাবে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম।সরকারি-বেসরকারি ছাড়াও ব্যক্তি পর্যায়ে তাদের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তারা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নির্বাচিত হয়ে সংসদে ষাচ্ছেন যে সাত বিজয়ী নারী প্রার্থী।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নির্বাচিত হয়ে সংসদে ষাচ্ছেন যে সাত বিজয়ী নারী প্রার্থী।
১. মানিকগঞ্জ-৩ আসনে আফরোজা খান রিতা,
২. ঝালকাঠি-২ আসনে ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো,
৩. সিলেট-২ আসনে তাহসিনা রুশদীর লুনা,
৪. ফরিদপুর-২ আসনে শামা ওবায়েদ,
৫. ফরিদপুর-৩ আসনে নায়াব ইউসুফ কামাল,
৬.নাটোর-১ আসনে ফারজানা শারমিন পুতুল এবং
৭. ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।

চট্টগ্রাম-৩ আসনে বিএনপি প্রার্থী মোস্তফা কামাল পাশার জয়।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম-৩ আসনে বিএনপি প্রার্থী মোস্তফা কামাল পাশার জয়।

আলোচিত খবর

নির্বাচনি দায়িত্বে থাকবেন প্রায় ৮ লাখ। কর্মকর্তা- ইসি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে বিশাল এক কর্মীবাহিনী মাঠে নামিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোটের কর্মযজ্ঞ সফল করতে সারা দেশে প্রায় ৮ লাখ কর্মকর্তা সরাসরি নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন। কমিশনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই বিশাল তালিকায় প্রিজাইডিং অফিসার থেকে শুরু করে পোলিং অফিসার পর্যন্ত সর্বমোট ৭ লাখ ৮৫ হাজার ২২৫ জন দক্ষ কর্মকর্তা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।  

নির্বাচন পরিচালনার ৬৯ জন রিটার্নিং অফিসার, ৫৯৮ জন সহকারী রিটার্নিং অফিসার। মোট ৪২ হাজার ৭৭৯টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এরই মধ্যে প্রায় ৯ লাখ পোস্টাল ব্যালট প্রতিটি কেন্দ্রের প্রধান দায়িত্ব সামলাবেন একজন করে প্রিজাইডিং অফিসার, সেই হিসেবে ৪২ হাজার ৭৭৯ জন প্রিজাইডিং অফিসার এখন কেন্দ্রগুলোতে যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন। এছাড়াও ভোটকক্ষগুলোতে দায়িত্ব পালনের জন্য ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ৪ লাখ ৯৪ হাজার ৯৬৪ জন পোলিং অফিসারকে চূড়ান্তভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ