আজঃ সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬

খরকুটু জ্বালিয়ে শীত নিবারনের চেষ্টা নিন্ম আয়ের মানুষের

গাইবান্ধায় ঝেকে বসেছে শীত টানা ৬ দিনেও মিলছে না সূর্যের দেখা

শাহ্ পারভেজ সংগ্রাম,গাইবান্ধা প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গাইবান্ধায় ঝেকে বসেছে শীত টানা ৬ দিনেও মিলছে না সূর্যের দেখা।

শাহ্ পারভেজ সংগ্রাম,গাইবান্ধা প্রতিনিধি
দেশের উত্তরাঞ্চলের জনপদ গাইবান্ধায় বেড়েছে শীতের তীব্রতা।শীতের দাপটে জনজীবনে দুর্ভোগ নেমে এসেছে।শনিবার (১৩ জানুয়ারি) সকাল ৬টায় এই মৌসুমে গাইবান্ধার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়।জেলায় ঘন কুয়াশার পাশাপাশি ঠাণ্ডা বাতাসে হাড়কাঁপানো শীত ঝেকে বসেছে।নিম্ন আয়ের মানুষেরা শীত নিবারনের জন্য খড় কুটো জালিয়ে দিন পার করছে।সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,দিনের বেলায় কুয়াশার কারণে সড়কে গাড়ী হেড লাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে।বায়েজিদ এন্টারপ্রাইজ মিনি ট্রাক এর ড্রাইভার নাহিদ মিয়া বলেন,ঘন কুয়াশার কারণে দূরের গাড়ী কম দেখা যাচ্ছে।এতে যান চলাচলে সমস্যা হচ্ছে।জেলার বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে দেখা যায়,পেটের দায়ে অনেক শ্রমজীবী মানুষ কনকনে ঠাণ্ডার মধ্যেই কাজে বাহির হচ্ছেন।অটো ভ্যান চালক রাজু মিয়া বলেন,গাড়ি নিয়ে বাহির হলে না হলে তো সংসার চলবে না। তাই প্রচণ্ড ঠাণ্ডার মধ্যেই বের হয়েছি।কিন্তু গাড়ী চালানোর সময় ঠান্ডা বাতাসে খুব কষ্ট হয়।কৃষক রাজ্জাক ইসলাম বলেন,ঘন কুয়াশার কারণে বীজতলায় নানা রোগের দেখা দিয়েছে,বীজ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।শীত বেশী হওয়ায় বোরো ধান লাগানোর কৃষক পাওয়া যাচ্ছে না।এদিকে শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে শীতজনিত বিভিন্ন রোগীর সংখ্যা।গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালসহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও ক্লিনিকগুলোতে শীতজনিত রোগ নিয়ে শিশু ও বয়স্ক রোগীরা বেশি আসছে। এদের মধ্যে মধ্যে সর্দি, কাশি, জ্বর ও অ্যাজমায় আক্রান্তের সংখ্যা বেশি।শীতের প্রকোপ বেশী হওয়ায়,শহরের গরম কাপড়ের দোকানগুলোতে এখন মানুষের উপচে পড়া ভীড় জমেছে।হঠাৎ করে শীতের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় লেপ তোষক বানানোরও হিড়িক পড়েছে।তবে স্থানীয়রা জানায়, সরকারি ও বেসরকারিভাবে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম।সরকারি-বেসরকারি ছাড়াও ব্যক্তি পর্যায়ে তাদের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তারা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ের পর সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে পাকিস্তানকে ১১ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ের পর সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে পাকিস্তানকে ১১ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ। এই জয়ে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ নিশ্চিত করার পাশাপাশি ইতিহাসও গড়েছে টাইগাররা। ২০১৫ সালে মাশরাফি বিন মর্তুজার পর নিজেদের ইতিহাসে মাত্র দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জয়ের স্বাদ পেল বাংলাদেশ। এই সিরিজ জয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে টপকে আইসিসি ওয়ানডে র‍্যাঙ্কিংয়ের ৯ নম্বরেও উঠে এসেছে বাংলাদেশ দল।

মিরপুরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৯০ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ।   জবাবে ২৯১ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই  ধাক্কা৷ খায়  পাকিস্তান।

সালমানের ব্যাটে যখন পাকিস্তান জয়ের স্বপ্ন দেখছিল, ঠিক তখনই  তাসকিন আহমেদের  দুর্দান্ত এক স্লোয়ার ডেলিভারিতে পরাস্ত হয়ে সালমান সাজঘরে ফিরেন।পাকিস্তান শেষ হয়ে যায়।শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ৫০ ওভারে ২৭৯ রানে পাকিস্তান অলআউট হয়ে যায়।

 

মতিউর রহমান চৌধুরী নোয়াব সভাপতি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী  মালিকদের সংগঠন- নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) এর সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ