আজঃ বুধবার ১৮ মার্চ, ২০২৬

ভোলার তজুমদ্দিনে সংঘবদ্ধ চক্রের চার ডাকাত সদস্য আটক

মোঃ ইব্রাহিম ফরাজি ভোলা প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভোলা জেলার পুলিশ সুপার মোঃ মাহিদুজ্জামান বিপিএম-সেবা এর দিকনির্দেশনায় জনাব মোঃ মাসুম বিল্লাহ, সহকারী পুলিশ সুপার (তজুমদ্দিন সার্কেল), ভোলা তত্ত্বাবধানে
গত ৬ জানুয়ারী উপজেলার চরমোজাম্মেল সংলগ্ন মেঘনা নদীতে মাছ ধরারত জেলেদের ট্রলারে রাত ১১টায় হামলা চালায় মেঘনার কুখ্যাত জলদস্যু ফোরকান বাহিনী। এ সময় দস্যুরা জেলে ট্রলারে থেকে শরীয়তপুর জেলার সখীপুর থানার তারাবুনিয়া এলাকার জেলে আঃ হাই (৫০) ও মো. ইউসুফ আলী (৪৫) নামের দুই জেলেকে অপহরণ করে নোয়াখালীর দিকে নিয়ে যায়। পরে মোবাইল ফোনে জলদস্যুরা জেলেদের আড়ৎদারের নিকট ২ লক্ষ টাকা মুক্তিপন দাবী করে।
পরে আড়ৎদার জলসদ্যুদের দাবী অনুযায়ী বিকাল ও নগদের মাধ্যমে ১ লক্ষ টাকা দিলে দস্যুরা অপহরণকৃত জেলেদের নোয়াখালী জেলার হাতিয়া থানাধীন সূর্যমুখী ঘাট এলাকা ফেলে দেয়। পরে আড়ৎদার জেলেদের সাথে যোগাযোগ করে ৭ তারিখ বিকাল ৪টায় হাতিয়া থানার তমুরউদ্দিন ঘাট হতে উদ্ধার করে তজুমদ্দিনে নিয়ে আসেন। পরে ১০ জানুয়ারী শশীগঞ্জ সুইজঘাটের আড়ৎদার মোঃ সেলিম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ১৪/১৫ জনকে আসামী করে তজুমদ্দিন থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

পরে পুলিশ তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে আসামী লোকমান মাঝিকে সনাক্ত করেন। পরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করলে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী তজুমদ্দিন থানার ওসি তদন্ত শংকর তালুকদার ও এসআই মোঃ রাশেদুল ইসলাম চট্টগ্রামের পতেঙ্গা ও বন্দর থানার বিভিন্ন এলাকায় রাতভর অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় চট্টগ্রাম বন্দর থানার আনন্দ বাজার এলাকার বিভিন্ন বাসায় অভিযান করে ফোরকান বাহিনীর আরো ৩ জলদস্যুকে আটক করেন। আটককৃত জলদস্যুরা হলেন, লোকমান মাঝি (৩২), রিয়াজ (৩১), মোঃ কালাম হোসেন (৩০) ও মোঃ মিরাজ (৩০)। আটককৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। দস্যুতার কাজে ব্যবহৃত একটি ট্রলার ও কিছু নগদ টাকা জব্দ করা হয়। জব্দকৃত ট্রলার পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চালের কার্ড দিবে বলে প্রতারনা স্বর্ণালংকার লুট

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বোয়ালখালীতে প্রতারক চক্রের ফাঁদে পড়ে শামসুন নাহার (৬০) নামের এক বৃদ্ধা কানের দুল ও স্বর্ণের রকেটসহ মূল্যবান জিনিসপত্র হারিয়েছেন। রবিবার (১৫ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে গোমদন্ডী বুড়ি পুকুর পাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।ভুক্তভোগীরা হলেন বোয়ালখালী পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মজুমদার তালুকদার বাড়ির শামসুন নাহার ও তার পুত্রবধূ খুরশিদা বেগম (২৭)।

খুরশিদা বেগম জানান, বুড়িপুকুরপাড় এলাকার একটি মাদ্রাসায় ছেলেকে দেখতে যান তারা। পরে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিলে প্রায় ৩০ বছর বয়সী এক যুবক তাদের পথরোধ করে ‘চাউলের কার্ড’ করে দিলে সরকারি চাউলের বস্তা দেওয়া হবে বলে জানায়। পরে তাদের আঙুলের ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিতে বলে। তিনি বলেন, ফিঙ্গারপ্রিন্ট কাজ করছে না বলে ওই যুবক জানতে চায় তাদের কাছে কোনো স্বর্ণ আছে কি না। তখন তিনি এক জোড়া কানের দুল খুলে দেন। পরে আবার ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেওয়ার কথা বলে তাকে সামনে একটি দোকানে যেতে বলে এবং শাশুড়ি শামসুন নাহারকে সেখানে রেখে যেতে বলে।এ সুযোগে তিনজন প্রতারক শামসুন নাহারকে একটি সিএনজি অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যায়।

শামসুন নাহার জানান, তাকে সিএনজিতে করে অলিবেকারী এলাকায় নিয়ে গিয়ে এক জোড়া কানের দুল ও ধারালো কিছু দিয়ে গলার স্বর্ণের রকেট কেটে নেয় প্রতারকরা। পরে একটি স্থানে নামিয়ে দিয়ে তারা পালিয়ে যায়। প্রতারক চক্র শাশুড়ি ও পুত্রবধূর কাছ থেকে দুই জোড়া কানের দুল প্রায় ১২ আনা স্বর্ণ, একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রের ফাইল নিয়ে যায়। সব মিলিয়ে প্রায় দুই লাখ টাকার মালামাল হাতিয়ে নেয় তারা।
এ ঘটনায় বোয়ালখালী থানায় অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন খুরশিদা বেগম।

চট্টগ্রামে ফুটপাতে উদ্ধার নবজাতকের চিকিৎসা শেষে জিম্মায় দিল পুলিশ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: চট্টগ্রাম মহানগরীর কোতোয়ালী থানা এলাকায় পরিত্যক্ত এক নবজাতককে উদ্ধার করে চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ করে আইনি প্রক্রিয়ায় নিরাপদ জিম্মায় দিয়েছে পুলিশ।

কোতোয়ালী থানা পুলিশ জানায়, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি কোতোয়ালী থানাধীন ব্রিজঘাট সংলগ্ন এস আলম বাস কাউন্টারের বিপরীত পাশের ফুটপাতে পরিত্যক্ত অবস্থায় একদিন বয়সী একটি ছেলে নবজাতক উদ্ধার করা হয়। এ সময় শিশুটিকে গামছা ও তোয়ালে জড়ানো অবস্থায় পাওয়া যায়। উদ্ধারের পর শিশুটির শারীরিক অবস্থা দুর্বল থাকায় কোতোয়ালী থানা পুলিশের তত্ত্বাবধানে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৩২ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়।

কোতোয়ালী জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) নূরে আল মাহমুদ জানান, প্রায় ২০ দিনের চিকিৎসা শেষে শিশুটি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠে। পরবর্তীতে বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশনায় প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে শিশুটিকে হাটহাজারী উপজেলার চিকনণ্ডী ইউনিয়নের বাদামতল এলাকার বাসিন্দা জেসমিন আক্তারের জিম্মায় দেওয়া হয়। শিশুটির সার্বিক খোঁজখবর নিয়মিত রাখা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ