আজঃ বুধবার ১৮ মার্চ, ২০২৬

রংপুর বিভাগীয় ‘৯৭ব্যাচের বন্ধুমহল’ লেপও কাভার নিয়ে শীতার্ত অসহায় মানুষের দ্বারে দ্বারে

সফিকুল ইসলাম শিল্পী, রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁয়ে বেড়েছে শীতের দাপট, কাবু হয়ে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁয়ে বেড়েছে শীতের দাপট, কাবু হয়ে পড়ছেন সকল বয়সের নারী ও পুরুষ, অসহায় হয়ে পড়ছেন দরিদ্র ও ছিন্নমুল পরিবারের লোকজন।এবারও শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে ৯৭ব্যাচের’ রংপুর ডিভিশন এর বন্ধুরা।
তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ছিন্নমূল অসহায় মানুষের হাতে তুলে দিচ্ছে কাভারসহ লেপ।এরই অংশ হিসেবে বুধবার সন্ধ্যায় (১৭ই জানুয়ারী) ৯৭ ব্যাচের রংপুর ডিভিশন এর বন্ধুদের এর উদ্যোগে রাণীশংকৈল উপজেলায় শীতার্ত মানুষের মাঝেএকটি করে লেপ বিতরণ করা হয়। আর মাঘ মাসের কনকনে এই শীতে লেপ পেয়ে উচ্ছ্বসিত শীতার্ত মানুষগুলো।

রাণীশংকৈল উপজেলার মহল বাড়ী গ্রামের কালাম মিয়া অন্যের জমিতে স্ত্রী-এক কন্যা সন্তান নিয়ে বসবাস করেন একটি ছোট কুটিরে।

ওই গ্রামের চানমিয়া ৯৭ ব্যাচের বন্ধুদের খবর দেয় শীতে প্রচন্ড কষ্টে বসবাস করছে কালামের পরিবার স্ত্রী এক কন্যা নিয়ে কষ্টে দিন কাটছে তাদের জীবন। কথা শুনে ৯৭ব্যাচ সত্যতা যাচাই করে রংপুর ডিভিশন বন্ধু সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন।

লেপ পেয়ে কালামের স্ত্রী হাসিনা বলেন- এমন সময় লেপ পামু আশাও করতে পারি নাই কা- তার ছোট মেয়ে কাজল রেখা বলেন- রাতে ভালো করে ঘুমামু আমার বাবা মায়ে তোমাগরের জন্য দোয়া করবো।

তার পাশের বাড়িতে আফসার চাচা কমোরে প্রচন্ড আঘাত পেয়ে বিছানায় অসুস্থ অবস্থায় শুয়ে আছে একমাত্র কর্মক্ষম মানুষ ঔষধ কেনার টাকা নেই। রাণীশংকৈলের বন্ধুরা তাকে নগদ অর্থ দিয়ে সহায়তা দিলে আফসার চাচা বলেন- আসলে তোমাগোরে আল্লাহ ভালই রাখবো।

এসময় উপস্থিত ছিলেন-খালিদ ওয়ালীউল্লাহ,ব্যাবস্থাপক ইউনাইটেড কর্মাসিয়াল ব্যাংক,মোস্তাফিজুর রহমান জুয়েল ব্যাবস্থাপক এনআরসিবি ব্যাংক,এমএন কবির এনএসআই-,জাহিদুল ইসলাম ব্যাবস্থাপনা পরিচালক নিউরণ হাসপাতাল ঠাকুরগাঁও, ফিরোজ আহম্মেদ রুপা, রাণীশংকৈল ট্যুরস পরিচালক জিয়াউর রহমান জিয়া,টিপু,মোমিন, খাদেমূল,রহিম,জিয়া প্রমূখ।

রংপুর ভিভিশনের ৯৭ এসএসসি, ৯৯ এইচএসসির প্রতিষ্ঠাতা পরিষদ জানায়- রংপুর বিভাগের ৫৮টি উপজেলায় দরিদ্র ও হতদরিদ্রদের মাঝে লেপ বিতরন চলমান রয়েছে।
তারা আরও বলেন, শীতার্ত মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে প্রতিবছর পাশে থাকবে এই সংগঠন। শুধু শীতবস্ত্র বিতরণ নয়, পাশাপাশি সামাজিক ও বিভিন্ন
জনকল্যাণমূলক কাজে অংশগ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে আসছে রংপুর ভিভিশনের ‘৯৭ এস,এস,সি’র বন্ধরা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে শেষ সময়ে ঘরমুখো মানুষের স্রোত, রেল ষ্টেশন-টার্মিনালে উপচেপড়া ভিড়।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঈদের সাতদিনের ছুটিকে কেন্দ্র পরিবার পরিজনের সাথে ঈদের আনন্দ বাগাভাগি করতে বন্দরনগরী ছেড়ে যাচ্ছে মানুষ। মহানগরের বাস টার্মিনালগুলো ও রেলওয়ে স্টেশনে ঘরমুখো মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখ পড়ার মতো। বুধবার ভোর থেকেই চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় দেখা যায়। যথাসময়ে ছেড়ে যাচ্ছে একের পর এক ট্রেন। এছাড়া ভোর থেকেই দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে যেতে বাস টার্মিনালেও ভিড় করেন যাত্রীরা।

পরিবার-পরিজন নিয়ে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারছেন বলে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন অনেকেই। এদিকে চট্টগ্রাম অনেকটা ফাঁকা হতে শুরু করেছে। নগরের বিভিন্ন ব্যস্ত রাস্তায় নেই আগের চিরচেনা যানজটের দৃশ্য। যানজটহীন স্বস্তিতে গাড়ি নিয়ে ঘুরছেন নগরবাসী।
চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) শেখ মো. সেলিম বলেন, এখানে নিরাপত্তার কোনও শঙ্কা নেই। পুলিশের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে যাত্রীদের নিরাপদ যাত্রার জন্য। প্রয়োজনীয় যা যা ব্যবস্থা করা দরকার তা নেওয়া হয়েছে। যানজট নিরসনেও পুলিশ কাজ করছে। যাত্রীদের ভাড়ার বিষয়েও আমরা তদারকি করছি।

বুধবার মহানগরের কদমতলী, বহদ্দারহাট ও নতুন ব্রিজ জিইসি বাস কাউন্টারে গিয়ে দেখা যায়, যাত্রীর চাপ বেশি। টিকিট পাচ্ছেন না অনেকে। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা পর সকালে ছেড়ে যাওয়া ফিরতি গাড়ি নিয়ে বাড়ি ফিরছেন কেউ কেউ। যাত্রীর চাপের তুলনায় বাস টার্মিনালে গাড়ির সংকট দেখা গেছে। তবে কাউন্টার বসে থাকা কর্মকর্তারা বলছেন, যে গাড়িগুলো গেছে সেগুলো ফিরে এলেই এই টিকিটের সংকট থাকবে না। যাত্রীর তুলনায় গাড়ি কম।
চট্টগ্রাম রেলস্টেশনে যাত্রীরা বলছেন, কোনও ভোগান্তি নেই। তারা নির্বিঘ্নে যথাসময়ে ট্রেনে উঠছেন এবং ট্রেন গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাচ্ছে। এছাড়াও কিছু কিছু ট্রেনে স্ট্যান্ডিং টিকিট কেটে যাত্রীরা যেতে পারছেন। সকালে চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন থেকে ময়মনসিংহের উদ্দেশ্যে ছেড়ে গেছে বিজয় এক্সপ্রেস ট্রেন। অন্য ট্রেনগুলোও যথাসময়ে ছেড়ে গেছে। তাই স্টেশনে যাত্রীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে না। দূরপাল্লার যানবাহনের পাশাপাশি মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল ও খোলা ট্রাকে কম ভাড়ায় গন্তব্যে যাচ্ছে লোকজন।

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক দুর্ঘটনাপ্রবণ বাঁকগুলোতে বিআরটিএ’র সতর্ক সংকেত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের দুর্ঘটনাপ্রবণ বাঁকগুলোতে সতর্ক সংকেত হিসেবে লাল পতাকা স্থাপন করেছে। ঈদুল ফিতর সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নিরাপদ করতে দক্ষিণ চট্টগ্রামের এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ৯টি বাঁকে উভয় পাশে সারিবদ্ধভাবে এসব পতাকা বসানো হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক বছরে এসব বাঁকে একাধিক সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। বিশেষ করে গত বছরের ঈদুল ফিতরের দিন সকালে লোহাগাড়ার জাঙ্গালিয়া এলাকায় একটি ভয়াবহ দুর্ঘটনায় কয়েকজন নিহত হন। এরপর থেকেই বাঁকগুলোতে নিরাপত্তা বাড়ানোর দাবি ওঠে।

মহাসড়কে চলাচলকারী কয়েকজন বাস চালক জানান, রাতে বা কুয়াশার সময় হঠাৎ বাঁক সামনে চলে আসায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি থাকে। নতুন করে লাল পতাকা বসানোয় আগেভাগেই সতর্ক হওয়া সহজ হবে।তবে সংশ্লিষ্টদের মতে, শুধু অস্থায়ী পতাকা নয়-স্থায়ী সাইনবোর্ড, গতিসীমা নির্দেশনা, রিফ্লেক্টর ও পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থাও জরুরি। পাশাপাশি অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত নজরদারি বাড়ানোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

বিআরটিএর তালিকা অনুযায়ী, যেসব স্থানে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেশি, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে লোহাগাড়ার চুনতির শেষ সীমানায় বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য সংলগ্ন বাঁক, লোহাগাড়া–চুনতির জাঙ্গালিয়া বাঁক, চুনতির ডেপুটি বাজারের আগে ও পরের বাঁক, চুনতি ফরেস্ট অফিস সংলগ্ন এলাকা, লোহাগাড়া রাজাঘাটা, সাতকানিয়ার মিঠা দীঘি, চন্দনাইশের খানহাট পুকুর এবং পটিয়ার পাইরুল মাজারসংলগ্ন বাঁক।

বিআরটিএ চট্টগ্রাম জেলা সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) উথুয়াইনু চৌধুরী বলেন, ঈদের সময় এই মহাসড়কে যানবাহনের চাপ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। তাই ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকগুলোতে আগাম সতর্কতা নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি বিআরটিএর চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের উদ্যোগে এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রতিটি বাঁকের উভয় পাশে পাঁচটি করে মোট ১০টি লাল পতাকা বসানো হয়েছে। ফলে দূর থেকেই চালকেরা বিপজ্জনক বাঁক সম্পর্কে সতর্ক হতে পারবেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ