চট্টগ্রাম:

চট্টগ্রাম নগরীতে অবৈধ ৪ ডায়াগনস্টিক ও হাসপাতাল বন্ধ করলেন সিভিল সার্জন।

চট্টগ্রাম অফিস:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অবৈধভাবে গড়ে উঠা লাইসেন্স ও বৈধ কাগজপত্র না থাকাসহ নানা অভিযোগে চট্টগ্রাম নগরীর চারটি প্রতিষ্ঠানের সেবা সাময়িক বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়।

শনিবার (২০ জানুয়ারি) জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াস চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি টিম নগরের বিভিন্ন হাসপাতাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিদর্শন করে অনিয়ম পাওয়ায় এ নির্দেশনা দেন।

সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, লাইসেন্স ও পর্যাপ্ত পরিবেশ না থাকায় অগ্রণী ডায়াগনস্টিক সেন্টারে কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ রাখার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়। এছাড়া সেবা ডেন্টাল অ্যান্ড ফিজিওথেরাপি সেন্টারে ডিপ্লোমাধারী ফিজিওথেরাপিস্ট না থাকায় ওই প্রতিষ্ঠানটিও বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

অন্যদিকে বৈধ কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেনি ন্যাশনাল চক্ষু হাসপাতাল ও ইপিজেড এলাকার কথিত নিউ চান্দের আলো হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার নামে দুটি প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠান দুটিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কার্যক্রম বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াস চৌধুরী বলেন, অবৈধ হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া শুরু হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান ঘুরে দেখেছি।
এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৪টি প্রতিষ্ঠানের ত্রুটি থাকায় তাদের সেবা সাময়িক বন্ধ রাখার নির্দশনা দেওয়া হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মির্জা ফখরুল রথযাত্রার অনুষ্ঠানে হঠাৎ অসুস্থ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রথযাত্রার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পরে তাকে দ্রুত বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকের পরামর্শে তিনি বর্তমানে বিশ্রামে রয়েছেন।

১৬ জুলাই বিকেলে আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইস্কন) আয়োজিত রথযাত্রার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মির্জা ফখরুল। বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে প্রচণ্ড গরমের মধ্যে তিনি অসুস্থ বোধ করলে অনুষ্ঠানস্থল থেকেই তাকে দ্রুত বাসায় নেওয়া হয়।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী বিএনপি মহাসচিব বর্তমানে বাসায় বিশ্রামে আছেন, তার শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। তিনি দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।

চট্টগ্রাম বন্দরে গত দুই বছরে নিয়োগ ২০৮, পদোন্নতি ১ হাজার ৪৬৪ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়োগ ও পদোন্নতির সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত দুই বছরে ২০৮ জনকে সরাসরি নিয়োগ এবং ১ হাজার ৪৬৪ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, দক্ষ ও যোগ্য জনবল একটি আধুনিক বন্দরের প্রধান শক্তি। স্বচ্ছ ও মেধাভিত্তিক নিয়োগ এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে পদোন্নতির মাধ্যমে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মোদ্যম বৃদ্ধি, সেবার মানোন্নয়ন এবং বন্দরের কার্যক্রমে আরও গতিশীলতা এসেছে। ভবিষ্যতেও সুশাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও মেধাভিত্তিক মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনার ধারা অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে সংস্থাটি।

কর্তৃপক্ষ আরো জানায়, রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর বন্দরের কার্যক্রমে গতিশীলতা আনা, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মনোবল বৃদ্ধি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং কল্যাণ নিশ্চিত করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়। এর অংশ হিসেবে নিয়োগ ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং মেধাভিত্তিক মূল্যায়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

বন্দর কর্তৃপক্ষের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের জুলাই পর্যন্ত সাড়ে তিন বছরে সরাসরি নিয়োগ পেয়েছিলেন ১৪৪ জন এবং পদোন্নতি পেয়েছিলেন ৭৯৯ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী।
অন্যদিকে, ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত মাত্র দুই বছরেই ২০৮ জনকে সরাসরি নিয়োগ এবং ১ হাজার ৪৬৪ জনকে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত মোট সরাসরি নিয়োগের প্রায় ৫৯ শতাংশ এবং মোট পদোন্নতির প্রায় ৬৫ শতাংশই সম্পন্ন হয়েছে জুলাই আন্দোলন-পরবর্তী দুই বছরে।

আলোচিত খবর

সাবেক অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ও স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার আর নেই

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিএনপি’র জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য, সাবেক স্পিকার, সাবেক অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ও প্রবীণ রাজনীতিবিদ ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার
ইন্তেকাল করেছেন।ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।l

আজ রোববার ১২ জুলাই ফজরের সময় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল প্রায় ৯৫ বছর। তিনি দীর্ঘ রাজনৈতিক ও আইনজীবী জীবনে দেশের সংসদীয় গণতন্ত্র, আইন অঙ্গন এবং জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন।

ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্বও পালন করেন। বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের অন্যতম জ্যেষ্ঠ নেতা হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ছিলেন।

তাঁর মৃত্যুতে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। শোকবার্তায় মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাঁর জানাজা ও দাফনের সময়সূচি পরে জানিয়ে দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ