জাতীয়:

ক্ষমতার নিশ্চয়তা না পেয়ে বিএনপির নির্বাচন বর্জন: প্রধানমন্ত্রী।

ঢাকা অফিস:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিএনপি সব সময় জনগণের ভোটের পরিবর্তে অন্য শক্তির সহায়তায় ক্ষমতায় যেতে চায় বলে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তারা ক্ষমতায় আসার নিশ্চয়তা না পেয়ে নির্বাচন বর্জন করেছে।

রোববার (২৮ জানুয়ারি) গণভবনে যুক্তরাজ্যের বাংলাদেশ বিষয়ক সর্বদলীয় সংসদীয় দলের (এপিপিজি) ভাইস চেয়ার ও ইন্দো-ব্রিটিশ বিষয়ক এপিপিজির চেয়ার বীরেন্দ্র শর্মা এমপির নেতৃত্বে যুক্তরাজ্যের ক্রস পার্টি একটি পার্লামেন্টারি প্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ কালে তিনি এ কথা বলেন।

পরে প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার মো. নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, যখনই নির্বাচনের সময় আসে, তখনই তারা (বিএনপি) অন্য কোনো শক্তির সন্ধান করে যারা তাদের ক্ষমতায় বসাতে পারে। বিএনপি সব সময় যে কোনো উপায়ে ক্ষমতা নিশ্চিত করতে চায়।

গত ৭ জানুয়ারির এবং ২০১৪ সালের সাধারণ নির্বাচনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, যদি তারা কোনো নিশ্চয়তা না পায় যে কেউ তাদের ক্ষমতায় আনবে, তাহলে তারা নির্বাচন বয়কট করবে।

তিনি বলেন, ২০১৮ সালের নির্বাচন নিয়ে বিএনপি মনোনয়ন বাণিজ্য করেছিল, কিন্তু, ক্ষমতায় যাওয়ার নিশ্চয়তা না পাওয়ায় নির্বাচনের দিনে নির্বাচন বয়কট করেছিল।

তিনি আরও বলেন, বিএনপি একটি সন্ত্রাসী দল। সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে তারা কখনো ক্ষমতায় আসেনি।

২০০৮ সালের সাধারণ নির্বাচনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, নির্বাচনটি ছিল অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক এবং এর সুষ্ঠুতা নিয়ে কেউ কোনো প্রশ্ন তোলেনি। যেখানে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট পেয়েছিল মাত্র ৩০টি আসন এবং আওয়ামী লীগ পায় একক ভাবে ২৩৩টি আসন।

শেখ হাসিনা বলেন, গত ৭ জানুয়ারির সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করা তাদের পছন্দ ছিল।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেনানিবাসে সামরিক স্বৈরশাসকের হাতে বিএনপি’র জন্ম।

তিনি বলেন, ওই ব্যক্তি (জিয়াউর রহমান) হ্যাঁ/না ভোট এবং রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচন ব্যবস্থাকে কলুষিত করেছেন। দীর্ঘ ২৯ বছর অগণতান্ত্রিক শক্তি বাংলাদেশ শাসন করেছে। সেসময়ে দেশে কোনো গণতন্ত্র ছিল না। ফলে, দেশে কোনো উন্নয়ন হয়নি।

দলকে এগিয়ে নেওয়ার মতো কোনো নেতৃত্ব বিএনপির নেই উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপির লোকেরা শুধু লন্ডন থেকে নির্দেশ পাচ্ছে।

তিনি বলেন, এর ফলে ২০০৮ সালের পর বিএনপি কোনো নির্বাচনে অংশ নেয়নি।

২০২৪ সালের নির্বাচন বর্জন করার জন্য বিএনপি কর্তৃক অগ্নিসংযোগ ও জনগণের প্রতি আহ্বান জানানো সত্ত্বেও জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে নির্বাচনে অংশ নেয় এবং তাদের ভোট দেয়।

তিনি বলেন, জনগণ বিএনপির আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছে এবং ৪১ দশমিক ৮ শতাংশ ভোট পড়েছে।

পাঁচ সদস্যের সংসদীয় প্রতিনিধিদলে ছিলেন সাবেক টেক ও ডিজিটাল অর্থনীতির কনজারভেটিভ মন্ত্রী পল স্কুলি, এমপি, ইউকে হাউস অব কমন্স সিলেক্ট কমিটির মেম্বার ফর ফরেন অ্যাফেয়ার্স নীল কোয়েল, এমপি, হাউস অব কমন্সের বিরোধীদলীয় হুইপ অ্যান্ড্রু ওয়েস্টার্ন, এমপি এবং হাউস অব কমন্সের সিনিয়র সংসদীয় সহকারী ডমিনিক মফিট।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান, অ্যাম্বাসেডর-অ্যাট-লার্জ মো. জিয়াউদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের (পিএমও) সচিব মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন।

প্রতিনিধিদলটি ২৭ জানুয়ারি ঢাকায় আসে এবং আগামী ৩১ জানুয়ারি তাদের লন্ডনের উদ্দেশে রওয়ানা হওয়ার কথা রয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

একটি মহল ধর্মের নামে বিভেদ সৃষ্টি করে দেশের সম্প্রীতি নষ্ট করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে-মীর্জা ফখরুল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এ দেশ হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার ও মর্যাদার দেশ। ধর্মকে কেন্দ্র করে বিভেদ সৃষ্টি করে কেউ যেন সমাজে অস্থিরতা তৈরি করতে না পারে৷ সরকার সে ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে।
মির্জা
শুক্রবার ৩১ জুলাই রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে সম্মিলিত সনাতন পরিষদের আয়োজনে ‘সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা বিধান’ শীর্ষক মতবিনিময় সভা ও প্রতিনিধি সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, হাজার বছর ধরে এ ভূখণ্ডে বিভিন্ন ধর্মের মানুষ সম্প্রীতির সঙ্গে বসবাস করে আসছে। তাই ধর্মের ভিত্তিতে মানুষকে বিভক্ত করার কোনো সুযোগ নেই। আমি কখনোই আপনাদের সংখ্যালঘু মনে করি না। আপনারা এ দেশের সন্তান, এ দেশের নাগরিক।

তিনি বলেন- মহান মুক্তিযুদ্ধ ছিল সব মানুষের স্বাধীনতা, মর্যাদা ও অর্থনৈতিক মুক্তির সংগ্রাম। সেই চেতনা ধারণ করেই একটি গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। ধর্মীয় পরিচয় নয়, নাগরিক পরিচয়ই হবে রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি।

একটি মহল ধর্মের নামে বিভেদ সৃষ্টি করে দেশের সম্প্রীতি নষ্ট করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এ ধরনের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। বাংলাদেশে উগ্রবাদ ও মৌলবাদের কোনো স্থান নেই। আমরা একটি উদার, গণতান্ত্রিক ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। আরও উপস্থিত ছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, ময়মনসিংহ-৮ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুল্লাহেল মাজেদ প্রমুখ।

এক কোটি ৬০ লাখ শিক্ষার্থী প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ড কাপ টুর্নামেন্টের সঙ্গে যুক্ত হবে : শিক্ষামন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দেশের প্রায় এক কোটি ৬০ লাখ শিক্ষার্থী প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ড কাপ টুর্নামেন্টের আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত হবে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের জুলাই বিপ্লব হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, তৃণমূল পর্যায় থেকে ক্রীড়ার ভিত্তি শক্ত করে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যেই আয়োজন করা হচ্ছে প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ড কাপ টুর্নামেন্ট। শিক্ষা ও খেলাধুলাকে সমন্বয় করে সুস্থ, দক্ষ ও মেধাবী প্রজন্ম গড়ে তোলাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।তৃণমূল পর্যায়ে খেলাধুলা সম্প্রসারণ এবং যুব সমাজকে সঠিক পথে এগিয়ে নিতে এই আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া আমাদের অন্যতম লক্ষ্য।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশের প্রাথমিক পর্যায়ের ২২ লাখ শিক্ষার্থী নিয়ে এর আগে বড় পরিসরে ক্রীড়া আয়োজন করা হয়েছে।এবার মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক, মাদ্রাসা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করে দেশব্যাপী এই প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হচ্ছে। দেশের প্রায় এক কোটি ৬০ লাখ শিক্ষার্থী এই আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত হবে।শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশে ১৯ হাজার ২২১টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১ হাজার ৯৫৬টি স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ৩ হাজার ৩৮০টি কলেজ, ৯ হাজার ২৯৬টি মাদ্রাসা এবং ৬৭৮টি কারিগরি প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থীরা অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম থেকে একইদিনে একই সময়ে দেশের সব উপজেলায় এই টুর্নামেন্ট উদ্বোধন করা হবে। তবে চট্টগ্রামে সাম্প্রতিক বন্যা পরিস্থিতির কারণে পূর্বনির্ধারিত ৯ আগস্টের পরিবর্তে আগামী সেপ্টেম্বরের ৯ অথবা ১০ তারিখ উদ্বোধনের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
এসময় ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুল খালেক প্রমুখ।

প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, একটি ভবন শক্ত করতে হলে যেমন এর ভিত্তি শক্ত করতে হয়, তেমনি ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নের জন্য যেতে হবে একদম তৃণমূল পর্যায়ে। প্রান্তিক পর্যায় থেকে প্রতিভা খুঁজে এনে তাদের বিকাশের সুযোগ তৈরি করাই আমাদের লক্ষ্য।তিনি বলেন, ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায় থেকে খেলোয়াড় তৈরি হলে দেশের ক্রীড়াঙ্গন আরও শক্তিশালী হবে।পাশাপাশি মাদক ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে তরুণ প্রজন্মকে দূরে রাখতে খেলাধুলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ক্রীড়ার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা স্কলারশিপের সুযোগ পায়।বাংলাদেশের মেধাবী খেলোয়াড়দেরও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি করতে হবে।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ড কাপ টুর্নামেন্টের জন্য লোগো, রিলস, মাসকট, স্লোগান ও থিম সং তৈরিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সাড়া পাওয়া গেছে। নির্বাচিত সেরাদের প্রধানমন্ত্রীর মাধ্যমে পুরস্কৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, চট্টগ্রাম থেকে শুরু হওয়া এই আয়োজন দেশের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন দিগন্তের সূচনা করবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দক্ষ, সুস্থ ও আত্মবিশ্বাসী নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ